দেশে দেশে বসন্তবরণ

হে বসন্ত, হে সুন্দর, ধরণীর ধ্যানভরা ধন,

বৎসরের শেষে

শুধু একবার মর্তের মূর্তি ধর ভুবনমোহন

নব বর বেশে।

~রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বসন্তকে উদ্দেশ্য করে সৌন্দর্যের একনিষ্ঠ পূজারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাই বলে দেয়, বসন্তকে সৌন্দর্যপিয়াসু মানুষ কেমন চোখে দেখেন। বসন্ত ঋতুকে সৌন্দর্যের পূজারীরা ‘ঋতুরাজ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। বসন্তের সৌন্দর্যকে তারা স্থান দিয়েছেন বাকি সব ঋতুর ওপরে। কারণ বসন্ত প্রাণোচ্ছলতার রঙে-রসে নিজে জেগে ওঠে, জাগিয়ে তোলে সমগ্র জগৎকে। বসন্ত স্বয়ং তাই হয়ে উঠেছে ঋতুরাজ।
বসন্তের আবির্ভাব মানেই গতানুগতিক দৃশ্যমান জীবনের জয়গানে মিশে যাওয়া সৌন্দর্যের পবিত্র আরাধনা। পাখিরা বাসা বাঁধছে মধুর কণ্ঠে গান গেয়ে। কোকিলের স্বতঃস্ফূর্ত কুহু কুহু ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠছে চারপাশ। পশুদের রাজত্বে নব সৃষ্টির উদ্দীপনা জাগছে মহা সমারোহে। উদ্ভিদজগৎ পত্র-পল্লবে শোভিত হয়ে আরোহণ করছে জীবনোচ্ছ্বাসের চূড়ান্ত শিখরে। ধরণী তার ধ্যান-বন্দনা শেষে পরমানন্দের শিহরণকে প্রাণশক্তি রূপে ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বপ্রকৃতির চেতনা জুড়ে। এভাবে বসন্ত হয়ে উঠেছে নব জীবনের জাগ্রত জয়গানের চিরায়ত প্রতিচ্ছবি।

পুরো পৃথিবী জুড়ে একই সময়ে বসন্তের আগমনী গান বাজে না। উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তের জয়গান, দক্ষিণ গোলার্ধের চরাচর জুড়ে তখন হেমন্ত ঋতুর সগর্ব পদচারণ। আবার দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্ত নামতে নামতে হেমন্ত নেমে আসে উত্তর গোলার্ধ জুড়ে।

বসন্তে শীতের নির্জীবতা থাকে না। সেই সাথে নেই গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহও। তাপমাত্রার অপরূপ ভারসাম্যে সৃষ্টির আনন্দ লহরীতে মুখর হয়ে ওঠে প্রকৃতি।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে! The 10-Minute Blog!

বসন্ত এলে দেশে দেশে উৎসবের তোড়জোড় শুরু হয়। কেননা, বসন্ত মানেই তো উৎসবের প্রবল হাতছানি! প্রাণোচ্ছল তরুণ-তরুণীদের হাসি-আড্ডা-গানে মুখরিত হয় পথ-ঘাট-প্রান্তর। বসন্ত ছুঁয়ে যায় পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে। দেশে দেশে শুরু হয় বসন্ত উৎসব।

 দিকে দিকে বসন্তের উৎসব ভিন্ন ভিন্ন রকমের। বিশ্বের প্রতিটি দেশে বসন্ত পালিত হয় অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনায়। প্রতিটি জাতিই সারা বছর অপেক্ষা করে রঙিন এই ঋতুর জন্য। এমনই কিছু দেশ ও জাতির বসন্ত উৎসব নিয়ে জেনে নেয়া যাক চটপট!

পূর্ব এশিয়া

নিয়োন নামের এক অপদেবতা দীর্ঘ শীত নিদ্রা শেষে গ্রামে এসে গরু, ছাগল, শস্য লুট করতো, ধ্বংস করে ফেলতো অযথাই। তার চেয়েও ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদেরকেও ধরে ধরে খেয়ে ফেলতো নিয়োন। তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মজাদার বিভিন্ন খাবার তৈরি করে চীনারা নিজেদের দরজায় ফেলে রাখতো। তাদের বিশ্বাস ছিল, এই খাবার খেয়ে নিয়োন আর কোনো অনিষ্ট করবে না।

একদিন গ্রামবাসী অবাক হয়ে লক্ষ করল, নিয়োন লাল রঙের পোশাক পরা এক বাচ্চাকে দেখে ভয় পাচ্ছে। পরে গ্রামবাসী আবিষ্কার করে, নিয়োন লাল রঙ ভয় পায়। এর পর থেকে শীতের শেষে গ্রাম সাজানো শুরু হয়ে যায় লাল রঙের লণ্ঠন, ব্যানার দিয়ে। পরে আর কখনো নিয়োনকে দেখা যায়নি। শীতের এই শেষটা চীনারা উদযাপন করে অত্যন্ত জমকালো ভাবে। করবে না-ই বা কেন? চীনা পঞ্জিকা অনুযায়ী, শীত শেষে যেমন বসন্ত আসে, তেমনি আসে চীনা নববর্ষ! বসন্ত আর নতুন বছরের আনন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় চীনাদের জীবনে।বিশাল ভোজ, পথঘাট সাজসজ্জার পাশাপাশি দেশটির অধিবাসীরা নতুন সাজে নিজেদের সাজিয়ে নেয়। জানুয়ারির ২১ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে যেকোনো দিনে চীনা নববর্ষ শুরু হয়। এ বছর ৫ ফেব্রুয়ারিতে চীনা নববর্ষ পালিত হয়েছিলো। চীনাদের এই উৎসবকে স্থানীয় ভাষায় পিনয়িন  কিংবা চুনয়িন বলা হয়।

জাপানে বসন্ত খুব সহজেই নজর কাড়ে। যেন হঠাৎ করেই প্রকৃতিতে রঙের ছোঁয়া লাগে, তাই এ ঋতুটি তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

এ সময় পুরো দেশটাই যেন ছেয়ে যায় চেরি ফুলে প্রকৃতি অপরূপ হয়ে ওঠে। জাপানিরা চেরি ফুলকে বলে সাকুরা। বসন্তে ফুটতে শুরু করে এই ফুল। জাপানিদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও সৌভাগ্যের প্রতীক সাকুরা। সেই সপ্তম শতাব্দী থেকে এই ফুল ফোটার উৎসবে গা ভাসানো শুরু করে জাপানিরা। এই উৎসবকে বলা হয় হানামি। হানামিতে আয়োজন করা হয় নানা রকমের অনুষ্ঠানের। জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে সাকুরা জানুয়ারিতে ফুটতে শুরু করলেও হানামির মূল আয়োজনটা শুরু হয় মার্চ থেকে। বসন্ত ঋতুজুড়ে উৎসব আর বনভোজনে মেতে থাকাই হানামির মূল আকর্ষণ। সে সময় জাপানি ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পানীয়ের আয়োজন করা হয়। এ সময় গাছের নিচে জড়ো হয়ে সবাই খাওয়া–দাওয়ায় মেতে ওঠে। জাপানি সংস্কৃতির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে এই বসন্ত বরণের চেরি উৎসব।

কোরিয়ায় বসন্ত উৎসব মানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ হাতছানি। এ সময় নিভৃত পল্লির নিরালা কোণ থেকে শুরু করে আলো ঝলমলে শহুরে সভ্যতা পর্যন্ত সবখানেই জেগে ওঠে নানা রঙের ফুলের সজ্জায় শোভিত এক নান্দনিক মুখরতা। তখন গাছে গাছে ফুটে থাকে প্রকৃতির অপরূপ দান, পুষ্পের সমারোহ চারদিকে। কোরিয়ানদের বাড়িঘরগুলো রাশি রাশি ফুলে সজ্জিত হয় রুচিশীল ভাবে। গোটা দেশজুড়ে নেমে আসে আনন্দের ফল্গুধারা। কোরিয়ায় প্রতিবছর আসা পর্যটকদের একটি বড় অংশই আসে এই বসন্তবরণ উপভোগের জন্য।

মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে ঘটা করে বসন্ত উদযাপিত হয় ইরানে। ইরানে বসন্তের আলাদা মহিমা রয়েছে। শাহনামা আর জরথ্রুস্ত্রিয়ান লোকগাথা থেকে জানা যায়, রাজা জামশিদের আমলে এই উৎসবের প্রচলন হয়। এখানেও সেই অপদেবতা বধের গল্প। জামশিদ এমন এক অপদেবতা বধ করেন, যে সব প্রাণীর জন্যই হুমকি হয়ে ছিল। বধের সেই দিনটি নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে ইরানি সমাজে। মূলত সৌর পঞ্জিকা অনুযায়ী দিনটি উদযাপন করা হয়। ইরানে এর নাম নওরোজ, মানে নতুন দিন।
প্রায় তিন হাজার বছর ধরে উদযাপিত এই উৎসবের উৎপত্তি ইরানে হলেও ‘নওরোজ’ আজ ছড়িয়ে পড়েছে মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, চীনের উত্তর-পশ্চিম ও ইউরোপের বলকান অঞ্চলে। ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক নওরোজ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

নওরোজ উদযাপিত হয় অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে। ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যাপক আয়োজন থাকে নওরোজে। ধোপদুরস্ত ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে বন্ধু-পরিজনের সাথে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে সবাই। নওরোজ এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক তাৎপর্যময় প্রতীক।

ইউরোপ

ইউরোপে সবচেয়ে জমজমাটভাবে বসন্ত উদযাপিত হয় স্পেনে। বসন্তের শুরুতে স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ায় গেলে দেখা যাবে অসাধারণ ফায়ার ওয়ার্ক। উৎসবটির নাম লাস ফালেস। এটি তাদের বসন্তের উৎসব। মা মেরির স্বামী সেইন্ট স্টিফেন যোসেফের স্মরণে তারা এদিন উৎসব পালন করে। সেদিন শহরের প্রতিটি সেন্টারের পাশে কাগজ, কাঠ ও মোমের সমন্বয়ে তৈরি বড় বড় পাপেট দিয়ে সাজানো হয়। এ পাপেটগুলোর নামই মূলত ফালেস। বিভিন্ন চরিত্রকে কেন্দ্র করে ফালেস তৈরি করা হয়। এ যেন অনন্য এক দৃশ্য! একদিকে ফালেসের রহস্যময় চেহারা আর ঠিক তাদের চারপাশেই জ্বলছে কমলা রঙা আগুন। সে আগুন ছুঁই ছুঁই করেও যেন ছুঁতে পারছে না  তাদের!

প্রতিটি এলাকার অধিবাসীরা দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এ ফালেসগুলো তৈরি করেন। যার খরচ দশ হাজার ডলারেরও বেশি। লাস ফালেস শুরু হয় নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগে থেকে। ১ মার্চ থেকে শুরু হয় উৎসব, চলে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত। নাচ, গান, সাজসজ্জা, প্যারেড ও রান্নাবান্না কোনো কিছুরই কমতি থাকেনা এ উৎসবে। বসন্ত উৎসব ঘিরে স্পেনের পর্যটনশিল্পেরও ঘটেছে সাবলীল বিকাশ। স্পেনে ঘুরতে যাওয়ার মৌসুমই হচ্ছে বসন্ত। বসন্ত উৎসব সে সময়টাকে করে তোলে আরো রঙিন।

এছাড়া, আয়ারল্যান্ড, রোমানিয়া, ইতালি, বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় সাজ-সাজ রবে উদযাপন করা হয় এই উৎসব। মজার ব্যাপার হলো, কেবল খাওয়াদাওয়ার মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ। প্রকৃতপক্ষে, স্পেনের বসন্ত বরণই ইউরোপের প্রধান বসন্ত উৎসব।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে বসন্তবরণের সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে আমাদের বর্ষবরণের।  সক্রান বা জল ছিটানো উৎসবে থাইল্যান্ড জেগে ওঠে নতুন চেহারায়। এটি শুরু ১৩ এপ্রিল। চলে তিন দিন। বাংলা ‘সংক্রান্তি’ শব্দটিই সেখানে ‘সক্রান’। আর জল ছিটানোর এই উৎসব আমাদের দেশের মারমা সম্প্রদায়েও বর্ষবরণের সময় করা হয়ে থাকে। প্রথা অনুযায়ী, এই উৎসবে জল ছিটানো হয় শরীর ও মনের কালিমা দূর করার বাসনা নিয়ে। জলে ভিজে মানুষ নিজেকে পবিত্র করে নেয়। ধুয়ে ফেলে গেল বছরের হিংসা, বিদ্বেষ, গ্লানি আর না পাওয়ার বেদনা। এই উৎসবের সঙ্গে যুগে যুগে যোগ হয়েছে বিভিন্ন আচার। তবে নিয়ম করেই যাওয়া হয় প্রার্থনাগৃহে। তবে শুধু ধর্মের ভেতরেই আবদ্ধ নেই এই উৎসব। এটি একই সাথে ধর্মীয়, দেশীয় এবং প্রাণের উৎসবে মিলিত হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া

বিভিন্ন দেশের গল্প তো অনেক হলো। আমাদের দক্ষিণ এশিয়া; তথা বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল প্রভৃতি দেশগুলোতে বসন্ত উৎসবের উত্তাপ টের পাওয়া যায় কেমন?

সত্যি বলতে কি, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যেভাবে সাড়ম্বরে বসন্তকে বরণ করে নেয়া হয়, তার সাথে বোধহয় পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের বসন্ত বরণের তুলনা চলতেই পারে না। যেরকম হাসি-গান আর কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে এদিকের অঞ্চলগুলোর বসন্ত বরণ; সব রকমের কৃত্রিমতা ঝেড়ে ফেলে শুধুই প্রাণোচ্ছল জীবনের জয়গান হয়ে ওঠে বসন্ত বরণের মুখ প্রতিপাদ্য; এ রকম বসন্ত বরণ পৃথিবীতে সত্যিই বিরল।

ইংরেজি ভাষা চর্চা করতে আমাদের নতুন গ্রুপ- 10 Minute School English Language Club-এ যোগদান করতে পারো! English Language Club!

ভারত ও নেপালের বসন্ত বরণে প্রধানত ধর্মের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোল উৎসব পালিত হয়। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, এদিন শ্রীকৃষ্ণ তার গোপীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতে উঠতেন। সেই থেকে বৈষ্ণব ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সব অশুভ শক্তির বিনাশ কামনায় দোল উৎসব পালন করে। এদিনে একে অপরের গালে আবির মেখে শুভকামনা জানায়। এ দিন থাকে মিষ্টি, দই, মাঠা ও ভাংয়ের আয়োজন।

বাঙালির অন্যতম ঐতিহ্যবাহী উৎসব পহেলা ফাল্গুন। এ দিনে ঢাকার চারুকলায় সকালে বসন্ত উৎসব শুরু হয় ফাল্গুনের গান দিয়ে। হলুদ রঙা পাঞ্জাবি আর শাড়িতে তরুণ-তরুণীরা রাঙিয়ে তোলে চারপাশ । মেয়েদের গলায়, হাতে ও মাথায় থাকে গাঁদা ফুলের মালা। ঢাকার টিএসসি, রবীন্দ্র সরোবর সহ আরো কিছু স্থানে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে লাখ লাখ মানুষ। সারা দেশেই এখন এ উৎসব চলে মহা সমারোহে।

 বাংলার বসন্ত বরণের রূপ যে কারো হৃদয় কেড়ে নেবে, মুগ্ধ করবে এ উৎসবের স্নিগ্ধতা ও রুচিশীলতা; বিমোহিত করবে উদযাপনের পরিমিতিবোধ। সব ধর্মীয় কাহিনীর মর্মকথা ছাপিয়ে এ দেশের বাসন্তিক অনুষ্ঠানে দেখা মেলে কেবল ভাবের তরঙ্গবিহার। আনন্দের লীলাক্ষেত্র হয়ে ওঠে এই উৎসব; যেখানে বসন্ত প্রকৃতির জীবন্ত ছবি, জীবন জাগরণের চিত্রে ফুটে ওঠা অনুপম কাহিনী-কাব্য। বাংলার বসন্ত উৎসব তাই সকল দেশের সেরা!

রেফারেন্স

https://en.wikipedia.org/wiki/Chinese_New_Year

https://www.tripsavvy.com/japan-cherry-blossom-festivals-1550069

https://en.wikipedia.org/wiki/Korean_New_Year

https://en.wikipedia.org/wiki/Nowruz

https://en.wikipedia.org/wiki/Falles

https://en.wikipedia.org/wiki/Songkran_(Thailand)

https://en.wikipedia.org/wiki/Holi


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author

Tazrian Alam Ayaz

মনে-প্রাণে এবং ঘ্রাণে একজন লেখক। কলমের শক্তিতে দেশটাকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি।
পৃথিবীর অলি-গলি-তস্যগলি পর্যন্ত ঘুরে দেখার ইচ্ছে নিয়ে দিন কাটছে। ভালোই তো কাটছে!
Tazrian Alam Ayaz
এই লেখকের অন্যন্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?