সমুদ্রের তলদেশে মানুষের বসতি গড়বার দিন আর বেশি দূরে নয়!

ফিল নাইটেন প্রথম যখন বুঝলেন তিনি তার জীবনটা পানির নিচে কাটাতে চান তখন তার বয়স ছয় বছর। তখন উনিশশো সাতচল্লিশ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কিছুদিন আগেই মাত্র শেষ হয়েছে। তার বাবা নতুন একটি চাকরি জুটিয়েছেন ‘বোয়িং কানাডা’-তে। সে কোম্পানির অফিস আবার ভ্যাঙ্কুবারের জাহাজ-ঘাটার একদম পাশেই। সুযোগ পেলেই তিনি একা একা চলে যেতেন সেই জাহাজ-ঘাটায়, কিনারায় দাঁড়িয়ে তাকাতেন পানির নিচে, তাকিয়ে মুগ্ধতায় অবশ হয়ে যেতেন। মাছ আর অ্যানেমোনদের কোলাহলপূর্ণ জগতে যাবার জন্য অস্থির হয়ে যেত তার মন। ভাবতেন, “যদি থাকতে পারতাম ওখানে, কতই না চমৎকার হতো!”

এখন সেই ফিলের বয়স সত্তরের কোঠায়, তাকে ধরা হয় বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিপ ওশেন এক্সপ্লোরার হিসেবে। ছয় দশক জুড়ে গড়ে তোলা বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি জন্ম দিয়েছেন বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে প্রচলিত কিছু ডাইভিং টেকনিকের, নকশা করেছেন পানির তলদেশ অনুসন্ধানের প্রধানতম কিছু সরঞ্জামের (নিউটস্যুট, এক্সোস্যুট ইত্যাদি), গড়েছেন একের পর এক ডাইভিং রেকর্ড। তার হাত ধরে মানুষ সমুদ্রের গভীরকে দেখতে শুরু করেছে নতুন করে, আর এখন দেখছে সেখানে বসতি গড়ার স্বপ্ন।


সমুদ্রতলের উদ্ভাবক ফিল নাইটেন; source: edmontonjournal.com

তার প্রতিষ্ঠান নাইটকো রিসার্চ এখন কাজ করে বিবিসি, গ্রিনস্পেস কিংবা ন্যাশনাল জিওগ্রাফির মত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে। এমনকি জেমস ক্যামেরনকে তার চলচ্চিত্র “টাইটানিক”-এর জন্য সরঞ্জামাদিও দিয়েছিলেন তিনিই এবং এখনো দু’জন বেশ ভালো বন্ধু। নাইটেন এছাড়াও নাসার সাথে কাজ করছেন ২৫ বছর ধরে, অনেক অনেক মহাকাশচারীর প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি। তিনি কখনো কলেজে পড়েননি, যা কিছু দক্ষতা তার পুরোটুকুই  রপ্ত করেছেন নিজে নিজেই, তা সত্ত্বেও ওশেন এক্সপ্লোরেশনে তার মতো বিস্তর প্রভাব খুব কম মানুষই ফেলতে পেরেছে।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে! The 10-Minute Blog!

বর্তমানে নাইটেন এমন একটি প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছেন যেটা সফল হলে হবে তার মাস্টারপিস, সমুদ্রের তলদেশে তিনি গড়ে তুলবেন মানুষের বসবাসযোগ্য একটি কলোনি, পানির উপরের জগত যদি বসবাসের অযোগ্য হয়ে দাঁড়ায় তবে এটাই হবে মানুষের আশ্রয়স্থল। এ বছরই এর একটি প্রোটোটাইপের কাজ শুরু হবে। সফল হলে তারপর তৈরি হবে বড়সড় কলোনি। যদি সবকিছু পরিকল্পনা মোতাবেক এগোয়, তবে হাজার হাজার মানুষ একসময় জীবন কাটাবে সমুদ্রের তলদেশে, ঠিক যেভাবে তারা মাটির ওপর জীবন কাটাতো ঠিক সেভাবেই। এবং যতোই মানুষ বাড়বে, সমুদ্রের তলদেশের মানুষের সংখ্যাও ততই বাড়তে থাকবে।

তবে সবকিছু পরিকল্পনা মোতাবেক আসলেই এগোবে কীনা সেটা বলা মুশকিল। ‘ইন্টারন্যাশনাল সাবমেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’-এর জেমস ম্যাকফারলেন দা গার্ডিয়ান পত্রিকাকে বলছিলেন, “ব্যাপারটা বেশ কঠিন হবে। এমনিতেই পানি লবণাক্ত। সবকিছু ক্ষয়ে যাবার সম্ভাবনাও বেশি। আর পানির ভেতর যেকোনো কিছু করতে গেলেই সেগুলো অনেক বেশি ব্যায়সাপেক্ষ হয়ে যায়।” এরপরেও অবশ্য নাইটেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি তার সারা জীবনই এই একটি স্বপ্ন নিয়েই কাজ করে গিয়েছেন, উদ্ভাবন করেছেন এমন এমন সব সরঞ্জামাদি যা মানুষকে একসময়ের অকল্পনীয় সময় ধরে সমুদ্রের অকল্পনীয় গভীরতায় থাকার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এবারে তিনি তার শেষ স্বপ্নটা বাস্তব করেই ছাড়বেন, এবং তার মতে, আমরা যদি একবার পানির নিচে থাকবার ক্ষমতা অর্জন করি, আমরা কখনোই আর উপরে আসতে চাইবো না।

তবে মানবজাতির পানির তলদেশে বসবাসের এই আইডিয়াটা খুব নতুন নয়, অগভীর পানিতে মানুষের অস্থায়ী আবাস তৈরি হয়ে আসছে সেই ষাটের দশক থেকে। ১৯৬২ সালে ফ্রান্সের এলবার্ট ফ্যালকো এবং ক্লড ওয়েসলি আরেক কিংবদন্তী এক্সপ্লোরার জাক কস্তুর নকশা করা ক্ষুদ্র জলাবাসে ছিলেন এক সপ্তাহ। স্পেস স্টেশনের মতো দেখতে এই আবাসটি ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৩৩ ফিট নিচে। পরের বছর লোহিত সাগরের নিচে জ্যাক কস্তুর নকশা করা আরেকটি আবাসে পাঁচ সদস্যের একটি টিম বসবাস করেন এক মাস। এর দু’বছর পরে জ্যাক তার তৃতীয় আবাসটি তৈরি করেন সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩০০ ফিট নিচে। সেখানে তিন সপ্তাহ থাকে ছয় সদস্যের একটি টিম।


ষাটের দশকে সমুদ্রের তলদেশে বাস করার স্বপ্ন দেখানো জ্যাক কস্তু; source: smithsonianmag.com

এরপর ধীরে ধীরে এরকম বেশকিছু সমুদ্র তলদেশের ঘাটি তৈরি হতে থাকে বার্মুডা, ক্যালিফোর্নিয়া এবং জার্মানির সমুদ্রসীমায়। এগুলোর কিছু কিছু তৈরি করে সেদেশের সরকার, কিছু কিছু তৈরি হয় পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিগুলোর পৃষ্ঠপোষকতায়। তবে বানিজ্যগত প্রয়োজনে তৈরি হলেও বিজ্ঞানীদেরও চোখ ছিল সেগুলোর দিকে। সমুদ্রের গভীরের ব্যাপারস্যাপারকে আরো ভালো করে বোঝার জন্য, নতুন ধরণের শক্তির উৎস বের করার জন্য অনেক বড়সড় সুযোগ মনে হচ্ছিল সেসবকে।

“ষাটের দশকে সমুদ্র নিয়ে কাজ করা সবাই ভাবতেন যে আমাদের সমুদ্রের নিচে আবাস গড়ার দিন আর বেশি দূরে নয়,” দা গার্ডিয়ানকে বলছিলেন নাইটেন, “কিন্তু সেইদিন আর কখনোই আসলো না।”

দেখে নাও আমাদের Interactive Video গুলো!

এতদিন আমরা শুধু বিভিন্ন ইন্সট্রাক্টর ভাইয়া-আপু’দের ভিডিও দেখেছি। কেমন হবে যদি ভিডিও চলার মাঝখানে আমরা কতটুকু শিখেছি সেটার উপর ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে?
না, ম্যাজিক না। দেখে নাও আমাদের Interactive Video প্লে-লিস্ট থেকে!

১০ মিনিট স্কুলের Interactive Video!

সে দশকের শেষের দিকে এসে আস্তে আস্তে এই ঘাটি গড়ার চেষ্টাগুলো স্তিমিত হয়ে গেল, থেমে গেল একসময়। এগুলো তৈরি করা ছিল অনেক ব্যয়বহুল, আর চালানোটা ছিল তার থেকেও বেশি ব্যয়বহুল। স্বাভাবিক আলোর অভাবে সেখানে থাকা মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। আস্তে আস্তে ঘাটিগুলো উপেক্ষিত হয়ে পড়লো। সরকার এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো নিচ থেকে চোখ সরিয়ে উপরে তাকালেন। সমুদ্রকে সরিয়ে মহাকাশ হয়ে দাঁড়ালো মানবজাতির অনুসন্ধানের কেন্দ্রবিন্দু।

সেসময় ওশেন ইন্ডাস্ট্রিতে নাইটেন ছিলেন একেবারেই নতুন। তিনি তখন বেশকিছু নতুন প্রজেক্টে হাত দিয়েছেন যেগুলোর প্রত্যেকটিই পরবর্তীতে ওশেন এক্সপ্লোরেশনের মোড় ঘুরিয়ে দিবে তা সত্য, কিন্তু তার পাশাপাশি জ্যাক কস্তুর ঘাটি বানানোর এই নিরীক্ষাগুলোও তার চোখ এড়িয়ে যায়নি। বরং এই ঘটনাগুলো নিয়ে তিনি নিয়মিত ভাবতেন। ভাবতেন কেমন হবে যদি তিনি এমন একটা আবাস তৈরি করতে পারেন যেটাকে বানাতে ও চালাতে খরচ তুলনামূলক কম? যদি পানির নিচে প্রাকৃতিক আলোর মত আলো তৈরি করতে পারেন তবে? সামুদ্রিক চাপকে সামাল দেবার কোনো উপায় যদি তিনি বের করতে পারেন? কস্তু যেসব করতে পারেননি সেসব যদি তিনি করতে পারেন তবে কী একসময় তিনি তার শৈশবের স্বপ্নটাকে পূরণ করতে পারবেন?

ষাটের দশকের শেষে তিনি নিজের স্বপ্নের কলোনিকে একটু একটু করে নকশা করতে শুরু করেন। যখনই তিনি নতুন কোনো প্রযুক্তির উদ্ভাবন করতেন, সাথেই সাথেই একটু ভেবে দেখতেন তার এই আবিষ্কার তার কলোনিতে কীভাবে তিনি কাজে লাগাতে পারবেন। এভাবে প্রায় অর্ধশতক ধরে তিনি নকশা করতে থাকেন তার স্বপ্নের কলোনি। এর নাম তিনি দেন “ভেন্ট বেজ আলফা।”

নাইটেনের পরিকল্পনার শুরুটা হচ্ছে তার “বোনইয়ার্ড”-এ। বোনইয়ার্ড হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে তিনি তার ক্যারিয়ারের যত পরিত্যাক্ত সরঞ্জামাদি ছিল, সব জমিয়ে রেখেছেন। সেখান থেকে দ্রব্যাদি নিয়ে তিনি গড়ে তুলবেন লিভিং কোয়ার্টার, ল্যাবরেটরিসহ পানির নিচের জন্য প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামাদি। এর একটি কার্যকর কাঠামো ইতোমধ্যেই নকশা করে হয়ে গেছে নাইটকোর দ্বারা। এই কাঠামোকে তিনি সক্রিয় করবেন স্টার্লিং ইঞ্জিন দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে। সেই বিদ্যুতে তৈরি হবে কৃত্রিম সূর্যালোক এবং সেই সূর্যালোকে সম্ভব হবে চাষাবাদ। আর তাদের সর্বশেষ অভিসন্ধি হচ্ছে পানিকে ভেঙ্গে সেখান থেকেই অক্সিজেন তৈরি করা, যেটা সম্ভব হবে এই চাষাবাদ থেকেই।  


পরিকল্পিত ভেন্ট বেজ আলফা; source: ciberia.com.br

প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের কয়েক হাজার ফিট নিচে ভ্যাঙ্কুবার আইল্যান্ডের দক্ষিণে তারা তৈরি করবেন তারা তাদের এই ঘাটি। তারা এটি তৈরি করবেন একটি হাইড্রোথার্মাল ভেন্টের পাশে। হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট প্রকৃতপক্ষে সমুদ্রের নিচের আগ্নেয়গিরি, সেখান থেকে অনেক তীব্র তাপ বেরিয়ে আসে। এই তাপের শক্তিই চালাবে ভেন্ট বেজ আলফার স্টার্লিং ইঞ্জিনকে। সেখানে প্রচুর খনিজ পদার্থ পাওয়া যাবে, যা দিয়ে ব্যবসা চলবে সমুদ্রের উপরের জগতের বাসিন্দাদের সাথে। তবে নাইটেন এই প্রজেক্ট থেকে কোনো অর্থনৈতিক লাভ করবেন না। পুরো ব্যাপারটাই হবে সরকারী তত্ত্বাবধানে।


হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট- ভেন্ট বেজ আলফার জ্বালানীর উৎস; source: cosmosmagazine.com

যখন কলোনির কাজ শেষ হবে সেখানকার প্রথম অভিবাসী হবেন নাইটেন নিজেই। এরপর তিনি নিয়ে যাবেন তার সহধর্মিণী ম্যারিকে। তাদের মেয়েও যাবেন, কিন্তু বেশি সময়ের জন্য থাকবেন না। এরপর ধীরে ধীরে ভীড় করবেন বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, ওশেনোগ্রাফাররা। জেমস ক্যামেরনও নাকি বলে রেখেছেন নাইটেনকে। প্রথম কয়েক সপ্তাহের মতই প্রায় এক ডজন মানুষ গিয়ে থাকতে শুরু করবেন “ভেন্ট বেজ আলফা”-য়।

এবার ঘরে বসেই হবে মডেল টেস্ট! পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথেই চলে আসবে রেজাল্ট, মেরিট পজিশন। সাথে উত্তরপত্রতো থাকছেই! মডেল টেস্ট

শুরুতে এই অভিবাসীরা হয়তো থাকবেন এক মাসের মত সময়, খুব দীর্ঘ সময় কেউই থাকবেন না। কিন্তু একসময় পানির ৩০০০ ফিট নিচে বসবাসটা বেশ স্বাভাবিকই হয়ে যাবে। কলোনিটা আরো বড় হবে, আরো মানুষ থাকতে শুরু করবে সেখানে। এভাবে আরো কলোনি তৈরি হবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। আন্ডারওয়াটার হাসপাতাল, ব্যাংক, অফিস, পার্ক, জিমনেসিয়াম- সবই তৈরি হবে ধীরে ধীরে। নতুন নতুন শিশুরা জন্ম নিবে সেখানে, একসময় তাদের মৃত্যুও হবে সেখানেই।

এগুলো সবকিছুই এখনো আছে ফিল নাইটেনের স্বপ্নে, কল্পনায়। কিন্তু নাইটেন নিঃসন্দেহ, তার দূরদর্শীতা কখনো তার সাথে প্রতারণা করেনি, এবারও করবে না।

কিন্তু আমাদের কেন প্রয়োজন হবে সমুদ্রের তলদেশে গিয়ে বাস করার? নাইটেনের মতে, স্থলভাগে থাকার জায়গা আর খাদ্যসংস্থান দিন দিন কমছে, বসবাসযোগ্যতাও হারিয়ে ফেলছে দিনদিন স্থলভাগ। অথচ জলের তলদেশে আছে অগণনীয় সম্পদের আধার। তার ভাবনায় এই কলোনিটা হচ্ছে মানুষের সামনের অনিবার্য দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একটি মিশন। জনসংখ্যাও বাড়ছে, জলবায়ু বিরূপ রূপ নিচ্ছে, কিন্তু সমুদ্রের তলদেশ এসব অনেক ঝুঁকি থেকেই মুক্ত। আসলেই কি মুক্ত? তা জানতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই এসব কলোনি তৈরি করতে হবে, সেখানে থাকতে হবে, তলদেশকে বুঝতে হবে।

কিন্তু মানুষ কি আসলেই যেতে চাইবে সমুদ্রের তলদেশে? নাইটেন বলছেন, ইতোমধ্যেই অনেক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তিনি পাচ্ছেন। অনেক অনেক মানুষ মঙ্গলে যাবার জন্য এপ্লিকেশন করেছেন, অ্যান্টার্ক্টিকা যেতে চেয়েছেন, তিনি যখন ডাকবেন, অবশ্যই সাড়া পাবেন, তিনি জানেন সেটা।  

“হাজার হাজার মানুষ বলেছে আমরা কখনো আকাশে উড়তে পারবো না। তার থেকেও বেশি মানুষ বলেছিল আমরা কখনো চাঁদে পা ফেলব না।কিন্তু আজ মানবজাতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?” জিজ্ঞেস করছেন আমাদের নাইটেন। বাস্তবিকই, যদি স্থলভাগ আমাদের জন্য জায়গা করে দিতে ব্যর্থ হয়, তখন জলভাগই হতে পারে আমাদের জন্য আশার আলো। আর সেটাকে সত্য করতেই এগিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নদ্রষ্টা ফিল নাইটেন, এবং তিনি সফল হলে সেটা হবে মানবজাতির জন্য অনেক বড় একটি সুসংবাদ।

Source:

https://www.theguardian.com/global/2018/apr/15/who-would-like-to-live-under-the-sea

https://motherboard.vice.com/en_us/article/pgkxw8/phil-nuytten-nuytco-deepworker-ocean-vent-base-alpha


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?