ধকলমুক্ত কাজের জন্য GTD Method!

গবেষণা মোতাবেক, একজন মানুষ যত কম স্ট্রেস নিয়ে একটা কাজ করে, সেই কাজের ফল ততই ভাল হয়। এর উপর ভিত্তি করেই ২০০১ সালে ডেভিড অ্যালেন নামক এক ব্যবস্থাপনা পরামর্শক তাঁর “Getting Things Done: The Art of Stress-Free Productivity” বইটিতে GTD (Getting things done) Method এর কথা উল্লেখ করেন।

GTD Method এর ‘CCORE’ নীতিমালা।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

উপরের লাইনটা পড়ে নিশ্চয়ই আপনার মনে হচ্ছে যে এখানে একটা ভয়াবহ বানান ভুল রয়েছে। কিন্তু আসলে তা না, কেন, তা নিচের GTD Method এর নীতিমালাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন।

১। Capture:

কোনো কাজ করার কথা, কোনো নতুন আইডিয়া, কাজ করার কোনো নতুন পদ্ধতি, কোনো প্রশ্ন যাই মাথায় আসে না কেন তা সাথে সাথে একটা খাতায় লিখে ফেলুন।

২। Clarify:

একটা কাজ খাতায় নোট করা যতটা সহজ, করাটা কিন্তু তত সহজ নয়। যেকোনো কাজই অনেকগুলো ছোট ছোট কাজের সমন্বয় গঠিত হয়। তাই সেই ছোট কাজগুলোকেও আলাদা করে নোট করে ফেলুন।

৩। Organize:

সব কাজ সমান গুরুত্ব বহন করে না তাই শুরুতেই কোন কাজটা করা আগে দরকার কোনটা পরে করলেও হবে তা সাজিয়ে ফেলুন।

৪। Reflect:

কাজের লিস্টটা নিয়ে নিজে নিজে একবার চিন্তা করুন, কোথা থেকে শুরু করা যায় কিংবা কোন জায়গাটায় আপনি আটকে যাচ্ছেন।

ইংরেজি শিখো অভিনব উপায়ে!

তোমার স্বপ্নের পথে পা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তোমার ইংরেজির জ্ঞান কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে!

তাই আর দেরি না করে, আজই ঘুরে এস ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্টটি থেকে!

১০ মিনিট স্কুলের ইংরেজি ভিডিও সিরিজ

৫। Engage:

এখন যেহেতু আপনার সব কাজের লিস্ট তৈরি করা শেষ, তাহলে দেরি না করে কাজে লেগে পড়ুন।

life hacks, Skill Development, time management

GTD Method কে কাজে লাগাতে হলে সবার আগে আপনাকে গুছিয়ে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। যার জন্য অনুসরণ করতে পারেন এই ৫টি উপায়ঃ

১। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতের কাছে রাখুন:

কাজের দরকারে আমাদের যেসকল জিনিস অনেক ঘনঘন দরকার হয় তা এদিক সেদিকে ফেলে না রেখে জায়গামত গুছিয়ে রাখুন এবং কাজকে সহজ করে এমন জিনিসপত্র যতটা সম্ভব ব্যবহার করুন।

২।  ফাইলের ব্যবহার করুন:

কাগজপত্র এদিক সেদিক ফেলে না রেখে বরং ফাইলে বন্দী করে রাখুন। চাইলে ফাইলের মাঝে কোন পকেটে কোন কাগজটা রাখা আছে তার ঠিকানা দিয়ে রাখার জন্য স্টিকি নোট ব্যবহার করতে পারেন।

কাজ শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজের জায়গাটা গুছিয়ে ফেলুন

৩। সময় ব্যবস্থাপনা:

একজন গোছালো মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা। সময় থাকতে কাজগুলো গুছিয়ে না ফেলে, পরে করবো ভেবে রেখে দিলে, পরবর্তীতে দেখা যায় একসাথে অনেক কাজের চাপ পড়ে যাচ্ছে। তখন আর গুছিয়ে কাজ করা সম্ভব হয় না।

৪। গুছিয়ে কাজ করুন:

কাজ শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজের জায়গাটা গুছিয়ে ফেলুন। 

“Tidy space reflects a tidy mind”

ইংরেজি ভাষা চর্চা করতে আমাদের নতুন গ্রুপ- 10 Minute School English Language Club-এ যোগদান করতে পারো!

স্বস্তিতে কাজ করার জন্য কার্যক্ষেত্রটা সবসময় গুছিয়ে রাখুন। এতে করে নিজেরও ভাল লাগবে, কোনোকিছু খুঁজে পেতে কষ্ট হবে না যা সময় বাঁচাবে এবং কাজ অনেকখানি গুছিয়ে আসবে।

ডেভিড অ্যালেন এর মতে, আমাদের মাথায় আমরা যখন অনেক কাজের প্রেশার নিয়ে ঘুরি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে একটা বাঁদর চেঁচাতে থাকে যা আমাদের শান্তিতে থাকতে দেয় না। তাই GTD Method অনুসরণ করে সেই বাঁদরকে সারাজীবনের মত ঘুম পাড়িয়ে দিন!


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?