ভালো পাঠক হতে চাও?

“A reader lives a thousand years before he dies. The man who never reads lives only one.”

George R. Martin এর এই উক্তিটি আমি ছোটবেলায় পড়েছিলাম। তখন থেকেই অবচেতন মনে বই পড়ার প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরী হয় যা এখনো পর্যন্ত আছে। বই মানুষের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার দিগন্ত প্রসারিত করে। মানুষকে আলোকিত করে, মহৎ করে, তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে। তাই আলোকিত মানুষ এবং জ্ঞানী মানুষ হতে, বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। তাই ভালো পাঠক হওয়া প্রয়োজনীয়।

একজন ভালো লেখক একজন ভালো পাঠকও বটে। কারণ ভালো পাঠক না হলে, ভালো লেখক হওয়া যায় না। তবে একজন ভালো পাঠক; যিনি কিনা লেখক নন, তিনি অনেক বই পড়ার মাধ্যমে নিজের মধ্যে লেখক সত্ত্বার বিকাশ ঘটাতে পারেন। তাই বলা যায়, পাঠক আর লেখকের এই সম্পর্ক খুবই নিবিড়; একে অপরের পরিপূরক। পাঠক হওয়া খুবই সহজ। সামনে একটা বই নিয়ে বসে পড়া শুরু করলেই পাঠক হওয়া যায়। তবে একজন ভালো পাঠকের স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। এই লেখায় একজন ভালো পাঠক হওয়ার জন্য আপনার কোন কোন বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ রাখা উচিত তা তুলে ধরলাম-

১। সূচিপত্র পড়ুন:

সূচিপত্রকে একটি বইয়ের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বলা হয়। বইয়ের অভ্যন্তরে কোন পাতায় কী আছে ব্যাপকার্থে তার বর্ণনা দেয়া থাকে। সূচিপত্র বইয়ের বিষয়বস্তু নির্ধারণে যথেষ্ট সহায়ক। ইদানিংকালে অনেক গ্রন্থে সূচিপত্র বিস্তারিত আকারে সন্নিবেশিত হয়। ফলে বইয়ের বিষয় নির্ধারণ করতে তা কোনো অসুবিধা হয় না। বইটি যদি নাটক, উপন্যাস, গল্প না হয়ে কোনো সিরিয়াস বা গবেষণামূলক কোনো বই হয়, তাহলে প্রথমে বইয়ের সূচিপত্র পড়ে নেয়া ভালো। সূচিপত্রের প্রতি অধ্যায়ের শিরোনাম দেখে যেসব অধ্যায় পড়া দরকার কেবল সেগুলো পড়ুন। সম্পূর্ণ বইটা আপনাকে পড়তে হবে না। কৌশলে বই পড়ার কৌশল (Techniques of Technical Reading of a Book) জেনে বই পড়লেও ভালো পাঠক হওয়া যায়।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

২। পটভূমি পড়ুন:

প্রতিটি বইয়েই লেখক কর্তৃক দেয়া পটভূমি থাকে। পটভূমি বইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোনো বিষয়কে সহজে বুঝার জন্য পটভূমি পড়তে হয়। পটভূমিতে বইয়ের পরিচিতি, লেখক কী উদ্দেশ্যে বইটি লিখেছেন, কোন কোন রেফারেন্স বা উৎস ব্যবহার করেছেন, কোন কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য গ্রহণ করেছেন ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষিপ্তসারে উপস্থাপন করে থাকেন। এছাড়াও বইয়ের পটভূমিতে লেখকের আলাদা কিছু বক্তব্য উপস্থাপিত হয়। তাই একজন পাঠকের কোনো একটি বইয়ের মূল অংশ পড়া শুরু করার আগে পটভূমি পড়ে নেয়া উচিত।

৩। জ্যাকেট পড়ুন:

বইয়ের উভয় ফ্ল্যাপ প্রতিটি পাঠকেরই পড়া উচিত। বইটি লেখার উদ্দেশ্য এবং লেখকের কিছু বিবরণ ফ্ল্যাপে অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়াও লেখকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক বিবরণ, লেখকের অনুসন্ধিৎসু মনের অজানা কথা, লেখক কোন বিষয়ের উপর লেখাপড়া করেছেন, কোন বিষয়ে তিনি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন, কিভাবে বইটি লিখলেন, কেন লিখলেন, তিনি কতগুলো বইয়ের রচয়িতা, লেখকের বর্তমান অবস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে ফ্ল্যাপে লিপিবদ্ধ থাকে লেখকের আপন স্বকীয়তা। তাই বইয়ের ফ্ল্যাপ পড়ে বই সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা ভালো পাঠকের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভূক্ত।

ঘুরে আসুন: নতুন স্কুলে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে তুমিও!

৪। বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝুন:

ভালো পাঠক হতে হলে পড়ার বিষয়বস্তু ভালো করে বুঝে নিতে হবে। সেজন্য অবশ্যই পড়ার বিষয়টি সুখপাঠ্য হতে হবে। বিষয়বস্তুর প্রতিটি বর্ণনা, উদ্ধৃতি, উপমা, যুক্তি, ধারাবাহিকতা সব ভালো করে বুঝে পড়তে হবে। কোনো কিছু বুঝতে না পারলে আশেপাশের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জেনে নিতে হবে। অজানা শব্দের অর্থ অভিধান কিংবা অন্য কোনো মাধ্যম থেকে জেনে নিতে হবে।

বিনোদনের জন্য পড়ুন আর শিক্ষা বিষয়ক কোনো কাজের জন্যই পড়ুন না কেন তার মূল গঠনশৈলী ও বিষয়বস্তু উপলব্ধি করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রশ্ন ও অনুসন্ধিৎসু ধারণা আপনাকে  আরো ভালো পাঠক হতে সহায়তা করে। যা পড়ছেন তা বুঝে-শুনে পড়ুন, ধারণ করুন এবং নিয়মিত পড়তে থাকুন। এভাবে পড়তে থাকলে ভালো পাঠক না হয়ে কোনো উপায় নেই।

নিজেই করে ফেল নিজের কর্পোরেট গ্রুমিং!

কর্পোরেট জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে জানতে হয় কিছু কৌশল।

এগুলো জানতে ও শিখতে তোমাদের জন্যে রয়েছে দারুণ এই প্লে-লিস্টটি!

১০ মিনিট স্কুলের Corporate Grooming সিরিজ

৫। স্মৃতি শক্তিকে ঝালিয়ে নিন:

যে কোনো বিষয়ের প্রতি মানুষের আস্থা থাকলে তা সহজে আয়ত্ব করা সম্ভব হয়। পড়াশুনার বেলায়ও একথা সমভাবে প্রযোজ্য। স্মৃতিশক্তিকে সবল করতে চাইলে যে কোনো বিষয়ের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে। স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করার জন্য কিছুদিন পর পর পূর্বে পড়া বিষয়গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। সাধারণত দেখা যায়, আমরা কোনো একটা বই পড়ি; হতে পারে কোনো গল্প বা উপন্যাস এবং বইটি পড়ার পর আমরা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বইটি রেখে দেই। এরপর একের পর এক নতুন বই পড়তে থাকি।

আমাদের মস্তিষ্কে প্রায় একশ বিলিয়ন নিউরন আছে। আপনি হয়তো জানেন না, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ৭০,০০০ বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম। কিন্তু প্রতিদিন এই নতুন ৭০,০০০ নতুন বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে ধীরে ধীরে পুরাতন বিষয়গুলো নিউরন থেকে মুছে যেতে থাকে। তবে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একজন মানুষ যদি একটি নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু একের অধিকবার সপ্তাহ বা মাস অন্তর পুনরাবৃত্তি করে পড়ে, তাহলে মস্তিষ্ক সেই বিষয়টির একটি স্থায়ী ধারণা সংরক্ষণ করে রাখে, যা দীর্ঘদিন পর্যন্ত নিউরণে সংরক্ষিত থাকে।

তাই একজন ভালো পাঠক মাত্রই তার পুরাতন বইপত্র ছমাস অন্তর বা বছরান্তে পুনরায় পড়বেন যাতে তার স্মৃতি থেকে বইটির তথ্য কখনোই মুছে না যায়। এভাবে স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করা যেতে পারে।

“If one cannot enjoy reading a book over and over again, there is no use in reading it at all.” ― Oscar Wilde

৬। বিচ্ছিন্নভাবে না পড়ে, পুরো বিষয়টি একসাথে পড়ুন:

গবেষণামূলক বই, জীবনমূলক বই, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস যাই পড়ুন না কেন একসাথে, একচোটে পড়ার চেষ্টা করুন। এভাবে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পড়ার বিষয় যদি অনেক বড় হয় তাহলে তা ভাগ করে পড়ুন, সময় নিয়ে পড়ুন। এভাবে বই পড়ায় মনোযোগ থাকে এবং বইটি সম্পর্কে সহজে জানা যায়। এক লাইন, দুই লাইন করে পড়বেন না। দুই একদিন বাদে পড়লে বই পড়ার মনোযোগ হারিয়ে যায় এবং ঠিকমত বইয়ের তথ্য ও বই সম্পর্কে জানা যায় না।

একইভাবে একটি বই পড়ার মাঝে অন্য একটি বই পড়া শুরু করলে আগের বই পড়ার খেই হারিয়ে ফেলে পাঠক এবং অর্ধপঠিত বইটি একটা সময় আর পড়ার আগ্রহ থাকে না। তাই একসাথে অনেকগুলো পছন্দের বই চোখের সামনে থাকলেও একটি একটি করে পড়ে শেষ করুন। একটি বই সম্পূর্ণ না পড়লে সে বইয়ের পুরো বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় না।

৭। নোট খাতা ব্যবহার করুন :

লেখালেখি একটি সুকুমার বৃত্তি, একটি অভ্যাস, একটি নেশা। নেশা ছাড়া কোনো কাজ সহজে করা যায় না। নেশায় পড়লে যে কোনো কাজ অতি সহজে করা যায় এবং এটি শেষ করার জন্য একটি স্পৃহা কাজ করে। অনেকে নেশায় মত্ত হয়ে অনেক কঠিন কাজকে নিজের আয়ত্বে এনে সহজে করতে সক্ষম হয়। পড়ার ক্ষেত্রে বা লেখালেখির বিষয় অধ্যয়ন বা পড়াশুনা করতে হয় প্রচুর।

পড়াশুনা ছাড়া লেখালেখি করা মোটেও সম্ভব নয়। তাই লিখতে গেলে পড়তে হবে, পড়তে গেলে লিখতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন হয় একটি নোট খাতার। আজকের নোট আপনার আগামী দিনের পাথেয়। এই নোট খাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে আপনার লেখার বিষয়বস্তু-যা আপনি লিখে রেখেছেন। নোট খাতায় লিপিবদ্ধ লেখা আপনাকে যে কোনো সময় সহায়তা করবে। লেখালেখির সময় নোট খাতা বিস্তর কাজে লাগে।

কাজের অধ্যবসায়ে আগুয়ান হয়ে আপনার লেখালেখির জন্য অজানা, অচেনা, কঠিন, দুর্বোধ্য শব্দ বা বাক্য এমনকি ছন্দ থাকলে তা আপনি নোট খাতায় লিপিবদ্ধ করে রাখুন। সম্ভব হলে সাথে অভিধান খুলে অজানা শব্দের অর্থ জেনে নিন। বিষয় উল্লেখপূর্বক খাতার প্রান্তে লিখে রাখতে পারেন।

সঠিকভাবে কোন ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করতে পারা ইংরেজিতে ভাল করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

৮। উদঘাটিত বিষয়বস্তু লিপিবদ্ধকরণ:

পঠিত বইটি থেকে আপনি কী বিষয়বস্তু উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছেন যেমন- লেখককে কোনো প্রশ্ন, বইটি নিয়ে সামগ্রিকভাবে চিন্তা, কোন বিষয়টি সবচেয়ে ভালো লেগেছে, কোন বিষয় দুর্বোধ্য বা বিরক্তিকর মনে হয়েছে, আপনি যা উদঘাটন করতে চেয়েছেন, গ্রন্থটি পাঠ করে আপনি তা পেয়েছেন, নাকি হতাশ হয়েছেন ইত্যাদি বিষয় উদঘাটিত হতে পারে। পরবর্তীতে লেখকের সাথে কথোপকথন বা একান্ত আলাপচারিতায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করুন। এসব বিষয় উদঘাটনের মাধ্যমে ভালো পাঠক হওয়া যায়। কেননা এতে আপনার পাঠক সত্ত্বার বিকাশ হচ্ছে।

৯। পাঠের রেকর্ড রাখুন :

ভালো পাঠক হওয়ার আরেকটি শর্ত হলো বই পাঠের রেকর্ড রাখা। পাঠ বিবরণী তৈরি করুন। কোন বইটি পড়া হয়েছে, কোন লেখকের বই পড়া হয়েছে, বই পড়ে কী তথ্য উদঘাটন করা হয়েছে ইত্যাদিও রেকর্ড রাখা প্রয়োজন। বই পাঠের রেকর্ড রাখলে একই লেখকের কতগুলো বই এবং একই বিষয়ের কতগুলো বই বা অন্য বিষয়ের কতগুলো বই পড়া হয়েছে তা সহজেই জানা যায়। পঠিত বইয়ের একটি তালিকা তৈরি করে রাখলে আরো ভালো হয়। লেখালেখিতে এ তালিকা বিস্তর উপকারে আসে এবং পরবর্তীতে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কথা সাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদের মতে- একজন মানুষের বয়স যদি ষাট বছর হয়, আর তিনি যদি তাঁর জন্মের দিন থেকে প্রতিদিন একটি করে বই পাঠ করেন, তাহলে পাঠকের এক জীবনে অর্থাৎ ষাট বছরে একুশ হাজার ছয়শতটি বই পাঠ করতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে একজন পাঠক দশ হাজার বইও পাঠ করতে পারেন না। উপন্যাসের নায়কের মতো বলতে ইচ্ছে করে- জীবন এতো ছোট কেন? (তথ্যসূত্রঃ নিউ ইর্য়কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ, হুমায়ুন আহমেদ, অন্য প্রকাশ, ঢাকা: পৃষ্ঠা-৬২)।

১০। সমালোচনা করুন :

লিখতে গেলে পড়তে হয়- এটি একটি স্বাভাবিক প্রত্যয়। ভালো লেখককে ভালো পাঠকও হতে হয়। তা না হলে গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না। একজন ভালো পাঠক কিন্তু ভালো সমালোচকও বটে। সমালোচনা একটি বইয়ের প্রকৃত পরিচয় বহন করে। বইটি ভালো কি মন্দ, বইটিতে কোনো ঘাটতি আছে কি না, আরো কিছু সংযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন করা উচিত ছিলো কিনা ইত্যাদি বিষয় সমালোচনার মাধ্যমে বেরিয়ে আসে। তাছাড়া পুস্তক সমালোচনা পরবর্তীতে লেখককে আরো প্রাণবন্তভাবে বই লিখতে উৎসাহিত করে আর পাঠককে তার আত্মোপলব্ধি সম্পর্কে আরো ভালোভাবে অবগত হতে সাহায্য করে।

পড়া একটি চিরন্তন বিষয়। পাঠ অভ্যাস ছাড়া জ্ঞান অর্জন কোনো কালেই সম্ভব নয়। জ্ঞান অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হলো বই। বই মেধা ও মনন বিকাশে সব সময় সহায়তা করে আসছে, করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। পাঠক মাত্রই বই পড়ায় অভ্যস্ত। বই পড়া একটি নেশা, একটি মজাদার নেশা। যে কোনো কাজেরই একটি নেশা থাকে। নেশা ছাড়া কোনো কাজ সহজে করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ একদিন বই পড়ার নেশায় এমনি মত্ত হয়েছিলেন যে, তাঁকে কখন লাইব্রেরির কর্মীরা লাইব্রেরিতে আটকিয়ে চলে গেলেন তিনি টের পাননি। তাইতো বলা হয়ে থাকে-

A book lover never goes to bed alone.


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?