তর্ক? এড়াতে না পারলে জিতবে যেভাবে!

debate, life hacks, life skills, life tips, speaking skills, torko

কাজের মধ্যে, চলার পথে কিংবা বন্ধুবান্ধবের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতভেদ অথবা তর্ক হতেই পারে। আমাদের প্রিয় মানুষেরা সাধারণত আমাদের এসব আচরণকে খুব একটা নেগেটিভ ভাবে দেখেন না, আমাদের ভুলগুলোকে শুধরে দেবার চেষ্টা করেন।

আবার অনেকেই আছেন, যারা যৌক্তিক মতভেদকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নামতে দেন না। কিন্তু এরপরও চলার পথে অনেকের সাথে মনোমালিন্য দেখা দিতে পারে। সে মনোমালিন্য থেকে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে কিংবা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বও দেখা দিতে পারে। যেকোন মানুষেরই উচিত ঝগড়ার পথ এড়িয়ে চলা।

আবার অনেক ক্ষেত্রেই তর্ক করাটা অবধারিত হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মানুষ বিনা কারণে তোমাকে আক্রমণ করতে আসতে পারে, নিজেকে ডিফেন্ড করতে হতে পারে তোমার। সেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, কীভাবে নিজের জায়গাটা ধরে রাখা যায়। এরকমই কিছু লাইফ হ্যাক দেখে আসি:

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

১। সঠিক তথ্য জেনো

বেশিরভাগ সময় বাজে ঝগড়ার সূত্রপাত হয় ভুল তথ্য নিয়ে তর্ক করতে গেলে। গান, ছবি, বই বা সাম্প্রতিক কোন বিষয় নিয়ে কারো ভুল ধরিয়ে দিতে যাবার আগে বা বন্ধুদের সামনে কিছু বলবার আগে, শিওর হয়ে নাও যে, তুমি যা জানো তা একশ ভাগ সঠিক।

ঘুরে আসুন: সাবলীল বক্তা হওয়ার জন্য দশটি কার্যকরী উপদেশ

নিজের তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা নিয়ে বড়াই না করাই ভালো। যদি কেউ চার্জ করে বসে, মধ্যবর্তি একটা উত্তর বা সোজাসুজি ‘জানি না ‘ বললে তোমার মানসম্মান যাবে না। ভুল তথ্য নিয়ে গলা ফাটিয়ে নিজেকে হাসির পাত্র কোরো না। আর নিজে কোন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে থাকলে, সে বিষয়ে কাউকে ভুল পথে প্রবাহিত করতে দিও না।

২। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্মান করো

প্রতিপক্ষের চিন্তাধারা তোমার ভালো নাও লাগতে পারে। তার মানে এই না যে তাকে তোমার অসম্মান করতে হবে। নিজেকে তার জায়গায় রেখে ভাববার চেষ্টা করো। এমনও হতে পারে, সমস্যার সমাধান তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই আসবে।

লিডারশীপ এর ব্যাপারে সব তথ্য জেনে নাও এখান থেকে!

কর্পোরেট জগতে চাকরির ক্ষেত্রে কিছু জিনিস ঠিক ঠাক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বিস্তারিত জানতে ঘুরে এসো ১০ মিনিট স্কুলের এক্সক্লুসিভ এই প্লেলিস্টটি থেকে। 😀

১০ মিনিট স্কুলের Presentation Skills সিরিজ!

৩।  মুক্তমনা হতে শেখো

তোমার কাছে যা ছয়, অন্যের কাছে তা নয় মনে হতেও পারে। তোমার নিজের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মেলে না বলেই অন্যের কথাকে ভুল ভেবে বসো না। আর্গুমেন্টে হারবার সবচেয়ে বড় কারণ নিজের অবস্থানে রক্ষণশীল হয়ে পড়া।

সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, যেন তর্ক এড়িয়েই নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা যায়

অন্যের কথা শোনো মনোযোগ দিয়ে। হয়তো তোমার প্রতিপক্ষ নিজের কথা বলতে বলতেই তোমার পক্ষে চলে আসবে, অথবা তোমাকে কোন একটা অকাট্য যুক্তি দিয়ে বসবে।

ঘুরে আসুন: যে কারণে বিতর্ক গুরুত্বপূর্ণ থাকবে সবসময়!

৪। আবেগ নিয়ন্ত্রণ করো

রাগ, অভিমান, আনন্দ বা এক্সাইটমেন্টের বশে কখনো তর্কে জড়িও না। সবসময় যুক্তি দিয়ে মাথা ঠান্ডা করে কাজ করবার চেষ্টা করো। রাগের মাথায় কিছু একটা বলে ফেললে ভালোর চেয়ে খারাপ হবার সম্ভাবনাই বেশি।

খুব সহজেই মার্কেটিং শিখে নাও আমাদের এই মার্কেটিং প্লে-লিস্টটি  থেকে!

৫। প্রতিপক্ষকে সম্মান করো

প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তাকে কখনো হেয় করে কথা বোলো না। তার চিন্তাধারা, মোটিভেশন ইত্যাদি মাথায় রেখে কথা বলো। তার যুক্তিগুলোকে খণ্ডন করার চেষ্টা করো। সম্মানের সাথে কথা বললে সম্মান ফেরত পাবে তুমিও।

তর্ক বা আর্গুমেন্ট কোনভাবেই কাম্য নয়। সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, যেন তর্ক এড়িয়েই নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা যায়।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?