সফল যারা কেমন তারা পর্ব ১২

গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরে অনেকেই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনের চাকুরিতে জয়েন করেন। মাত্র ৫ বছর পর তাদের কারো কারো বেতন ছয় ডিজিট পার হয়ে যায় আর অধিকাংশদের ক্যারিয়ার এগোয় ধুঁকে ধুঁকে। আপনার কাজই বলে দিবে কর্মজীবনে দশ বছরের মধ্যেই আপনি সিইও হবেন নাকি বিশ থেকে পঁচিশ বছর পার করার পর ডিপার্টমেন্টাল হেড কিংবা লাইন ম্যানেজার হিসেবে অবসরে যাবেন।

অনেকের মাঝেই ভুল ধারণা, কোম্পানিতে মালিকপক্ষের লোক না হলে ক্যারিয়ারে উপরে উঠা যায় না কিংবা বড় পজিশন পাওয়া যায় না।  তবে ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। যথাযথ পরিশ্রম করলে ক্যারিয়ারের শুরুতে ক্ষুদ্রতম পদবীতে যোগদান করেও মাত্র সাত বছরের মধ্যে একটি বহুজাতিক কোম্পানির জেনারেল ম্যনেজার, তার কয়েক বছরের মধ্যে ঐ কোম্পানিরই সি ই ও এবং ডাইরেক্টর হওয়া সম্ভব। বিশ্ব বাজারে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব।

কথা হচ্ছিলো বাংলাদেশের অন্যতম এলপিজি কোম্পানি লাফস গ্যাস এর সিইও এবং কোম্পানি ডিরেক্টর জনাব সাইদুল ইসলামের সাথে । তিনি  কিভাবে দ্রুততম সময়ে কর্মজীবনে সফলতার উচ্চশিখরে পৌঁছালেন সেই অভিজ্ঞতাই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তিনি জানাতে চেয়েছেন। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন, কর্পোরেট আস্কের সিইও ও দেশের সেরা রিজুমে ডেভেলাপমেন্ট স্পেশালিষ্ট নিয়াজ আহমেদ।

আমরা প্রায়ই টেনশনে পড়ে যাই আমাদের ক্যারিয়ার নিয়ে, ভবিষ্যত নিয়ে। এই টেনশন থেকে মুক্তি পেতে চাইলে ঝটপট ঘুরে এসো ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্ট থেকে!  লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

নিয়াজ আহমেদঃ আপনার ক্যারিয়ার শুরুর গল্পটা শুনতে চাচ্ছিলাম।

সাইদুল ইসলামঃ ১৯৯৯ সালে বুয়েট থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আড়াই হাজার চাকুরি প্রার্থীর সাথে এমজিএইচ গ্রুপে পরীক্ষা দেই এবং সেরা চারজনের মধ্যে একজন হয়ে কোম্পানিতে জয়েন করি। পরবর্তীতে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদ থেকে প্রথমে এম বি এ এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে আমার দ্বিতীয় এম বি এ শেষ করি। ছয় মাসের প্রবিশন পরিয়ড শেষ হবার আগেই অষ্ট্রেলিয়ান কোম্পানি ক্লিন হিট গ্যাসে আমার পরবর্তী চাকরি হয়ে যায় এবং সেখানে সরাসরি অস্ট্রেলিয়ান ইঞ্জিনিয়ারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার সুযোগ থাকায় আমি এমজিএইচ গ্রুপ ছেড়ে ক্লিন হিট গ্যাসে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পদে জয়েন করি । এরপর থেকে আজ পর্যন্ত এখানেই আছি।

নিয়াজ আহমেদঃ এর আপনার ক্যারিয়ার অগ্রযাত্রার ব্যাপারে যদি আমাদের কিছু বলতেন ?

সাইদুল ইসলামঃ ক্লিন হিট গ্যাস ছিলো অস্ট্রেলিয়ানদের একটি প্রজেক্ট এবং অস্ট্রেলিয়ানরা একজন নিবেদিত প্রাণ ইঞ্জিনিয়ার খুঁজছিলেন যিনি বাংলাদেশে থেকে পুরো প্রজেক্টের দায়িত্ব ও নিতে পারেন এবং কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। কোম্পানিতে জয়েন করার পর ডিজাইন ড্রয়িং, রিপোর্টিং, নেতৃত্ব প্রধানের গুণাবলি, ইমপোর্ট এক্সপোর্ট সহ সকল ক্ষেত্রে আমার কাজ দেখে তারা সন্তুষ্ট হন এবং আমার উপরে আরও দায়িত্ব অর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। তখনকার সময়ের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিলো সময়মত প্রজেক্ট শেষ করা এবং বাজারে কাস্টমারের হাতে পণ্য পৌঁছে দেওয়া।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সবসময় আমার নতুন কিছু জানার প্রতি প্রচণ্ড কৌতূহল ছিলো। সেই সাথে আমি যে জিনিসগুলো জানি সেগুলো মানুষকে জানাতে, শিখাতে এবং ছড়িয়ে দিতে আমার ভিতর  কখনো্ই কোন দ্বিধাবোধ ছিল না। এজন্য আমি আগে যে কাজগুলো করেছি সেখানে নতুন আরেকজনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া আমার জন্য বেশ সহজ ছিলো।

ঘুরে আসুন: বিনোদনের মুখোশে ৮ Time killer

আলাদাভাবে প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্ট গঠন হওয়ার পর আমাকে বিক্রয় বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেসময় আমাকে সারাদেশ ঘুরে বেড়াতে হয়েছে। দেশজুড়ে শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম তৈরি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্ল্যান্ট পরিচালনার জন্য কোম্পানি আমাকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদ থেকে চার বছরের মাথায় ডিজিএম হিসেবে দায়িত্ব পালনে সুযোগ দেয়।

অস্ট্রেলিয়ানদের সহযোগিতায় আমার তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের প্রথম অটো গ্যাস প্রজেক্ট শেষ হয় এবং কোম্পানির ব্যবসা দ্রুত প্রসারিত হতে থাকে। বাংলাদেশের দায়িত্ব দিয়ে বিভিন্ন সময়ে কোম্পানি বাইরের থেকে সিইও অথবা জিএম নিয়োগ করেছিলো কিন্তু তাদের কেউই কোম্পানিকে প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ দেখাতে পারেনি। তাই কোম্পানি ২০০৭ সালে আমার কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ আমাকে সরাসরি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে পুরো বাংলাদেশের দায়িত্ব দেন। এর পর বিভিন্ন সময়ে কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তন হলেও কোম্পানির মূল ব্যবসা ও সুনাম বাজারে এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং বিগত দুই বছর যাবত আমি সিইও এবং ডাইরেক্টর হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করছি এবং এশিয়ার বিভিন্ন প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ন করছি ।

বেড়িয়ে আসুন নিজের খোলস থেকে!

কর্পোরেট জগতে চাকরির ক্ষেত্রে কিছু জিনিস ঠিকঠাক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন ১০ মিনিট স্কুলের এক্সক্লুসিভ এই প্লে-লিস্টটি থেকে। 😀

১০ মিনিট স্কুলের Presentation Skills সিরিজ

নিয়াজ আহমেদঃ ক্যারিয়ারে এত দ্রুত অগ্রসর হতে গিয়ে কী কী বাধার সম্মুখীন হয়েছেন? এবং সে বাধাগুলো কিভাবে অতিক্রম করেছেন ?

সাইদুল ইসলামঃ আসলে বাধাতো প্রতি পদে পদেই, কিন্তু বাধাগুলোকে আমি সবসময় নতুন কিছু শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছি। কোম্পানিতে আমি ছাড়াও যারা কাজ করছেন তাদের প্রত্যেকেই আমার তুলনায় ভিন্ন ধরনের ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এবং অনেক বেশি যোগ্য, আবার বয়সেও আমার তুলনায় অনেকেই সিনিয়ার। তবে আমার কাজ সকলের মাঝে আমার একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। একজন ব্যক্তিকে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছাতে হলে প্রত্যেকটি বিভাগের কাজ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয়।

শুধুমাত্র একটি বিভাগের কাজ করে কখনোই ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানো যায়না। আর কোম্পানিতে যারা কাজ করছেন তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সেরা তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার সহযোগিতা হয়তো তাদের কাজটি যথাযথভাবে শেষ করতে আরেকটু সাহায্য করে। অনেকে অভিজ্ঞতাকে বয়স দিয়ে বিচার করে, যেটা সম্পূর্ণ ভুল, অভিজ্ঞতা  আসে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, চারপাশের সমস্যাগুলোর সমাধান করার মনোভাব থেকে। বাধা বলে আসলে কিছু নেই, সবটুকুই অভিজ্ঞতা।

নিয়াজ আহমেদঃ প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আপনি কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন ?

নিয়াজ আহমেদঃ প্রতিষ্ঠান আসলে সামনের দিকে এগিয়ে যায় দক্ষ এবং যোগ্য কর্মীর জন্য, এবং যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেককে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে। আমাদের প্রতিষ্ঠানে কাজ হয় সহযোগিতার ভিত্তিতে। এখানে কেউই প্রতিষ্ঠানের অধীনস্থ চাকুরিজীবী নয়, বরং প্রত্যেকেই স্বাধীন এবং একে অন্যের সাথে সম্প্রীতি এবং সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় রেখে কোম্পানিকে নিজের মনে করে কাজ করে। এছাড়াও কোম্পানি থেকে প্রত্যেককে প্রয়োজনমত প্র্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অর্থাৎ প্রশিক্ষণ, প্রত্যেকের মাঝে উদ্যোক্তার মনোভাব তৈরি করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই প্রতিষ্ঠানের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র। আর এগুলোই সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের পদক্ষেপ।

নিয়াজ আহমেদঃ একজন নতুন কর্মী নিয়োগের সময় আপনি কোন কোন বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য করেন ?

সাইদুল ইসলামঃ নতুনদের মধ্যে আমি দেখি সে পড়াশুনা ছাড়া আর কী কী কাজে সম্পৃক্ত ছিলো, তার আচার আচরণ, কথা বলার ধরণ এগুলোকে আমি বেশি গুরুত্ব দেই।আমি বাংলাদেশে একজন বৈশ্বিক নাগরিক খুঁজি। একবার কোম্পানির কাজে থাইল্যন্ড গিয়েছিলাম। সেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমার মত আরো অনেকে এসেছিলেন, আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম ফ্রান্সের একজন নাগরিক থাইল্যান্ডের এক ভদ্রলোকের সঙ্গে জাপানি ভাষায় কথা বলছেন, কারণ সেই মিটিংটিতে জাপানি মানুষের সংখ্যা ছিল বেশি। তো বিশ্ব এখন আর আগের মত গোল নেই যে বিশ্বের অপর প্রান্তে কোথায় কী হচ্ছে যে তা জানা যাবে না, বুঝা যাবে না বা শেখা যাবে না।

প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে আপডেটেড রাখা দরকার এবং অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখা দরকার, কারণ নিরপেক্ষ বিচারে ৫ জনের মধ্যে যে কর্মদক্ষতা, জ্ঞানে এবং বুদ্ধিতে সবচেয়ে এগিয়ে আমি তাকেই নিয়োগ করব। সর্বোপরি আমি উদ্যোক্তার মনোভাব নিয়ে কোম্পানিতে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করার মনোভাবকে বেশি গুরুত্ব দেই। যারা ৯টা টু ৫টা জব করতে চান অথবা শুধুমাত্র ডেস্কজব করতে চান তাদেরকে নিয়োগ করাটা কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণই।

কোন সমস্যায় আটকে গেছ? প্রশ্ন করার মত কাউকে খুঁজে পাচ্ছ না? ঘুরে এসো আমাদের লাইভ গ্রুপ থেকে! 10 Minute School Live!

নিয়াজ আহমেদঃ তরুণদের কিভাবে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করা উচিত?  

সাইদুল ইসলামঃ একজনের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কখনোই আরেকজন করে দিতে পারে না। একজন মানুষকে ছাত্রজীবনে প্রথমে বুঝতে পারতে হবে যে তার আসলে কোন বিষয়টা পড়তে ভালো লাগে এবং সে বিষয়ে ক্যারিয়ারে কতদূর পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সুযোগ আছে। যারা ছাত্রজীবন থেকে জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারে তাদের জন্য সেটা বাস্তবায়ন করাও সহজতর হয়।

তবে অনেকে কর্মজীবনে এসেও নিজেকে ঢেলে সাজাতে পারেন। সেক্ষেত্রেও একজন মানুষকে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য রাখতে হবে যে সে আসলে কোন কাজটায় ভালো, সেই কাজের মার্কেট ভ্যালু কী। তবে ক্যারিয়ারের মাঝখানে এসে বারবার দিক নির্দেশনা পরিবর্তন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এক্ষেত্রে বার বার পরিবর্তন ক্যারিয়ারের গতিপথ রুখে দিতে পারে।

নিয়াজ আহমেদঃ  অনেকে হতাশায় ভোগেন যে কোম্পানিতে হয়তো আগে থেকেই লোক নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, ইন্টারভিউটা নিছক লোক দেখানো এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?  

সাইদুল ইসলামঃ নেতিবাচক চিন্তা কখনোই কারো জন্য কোন সুফল বয়ে আনতে পারে না। অনেকে প্রথম থেকেই ভেঙ্গে পড়েন এই ভেবে যে কোম্পানিতে ৫টি সার্কুলারের বিপরীতে হয়তো ২ হাজার সিভি পড়বে সেখানে আমি কিভাবে জব পাবো। কিন্তু এই নেতিবাচক চিন্তা আপনার ক্যারিয়ার অগ্রযাত্রায় কোনপ্রকার ভূমিকা রাখতে পারবে না। বরং আপনি যদি চিন্তা করেন যে ৫টি খালি পদের মধ্যে একটি পদে আপনি নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন এবং মূল প্রতিযোগিতাটি হবে বাদ বাকি ৪টি পদের জন্য যেখানে অংশগ্রহণ করবে বাকি সবাই যারা কিনা কোম্পানিতে আবেদন করেছে। যেকোন যুদ্ধে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা আপনাকে বিজয়ী হওয়ার পথে সবসময় এগিয়ে রাখবে।

ঘুরে আসুন:  সময় বাঁচানোর সবথেকে কার্যকরী কৌশল!

নিয়াজ আহমেদঃ তরুণদের মাঝে আপনি কী কী ভুল ক্রটি দেখতে পান  এবং সেগুলো তারা কিভাবে শোধরাতে পারে?  

সাইদুল ইসলামঃ অনেকের মাঝে চঞ্চলতা কাজ করে, গুছিয়ে কাজ করতে সমস্যা হয় এবং কোম্পানিকে কিছু দেওয়ার আগেই কোম্পানি থেকে বড় ধরনের প্রতিদান আশা করে। যে ব্যক্তি ভালো কাজ জানে তাকে নিজেকে কখনোই সেটা বলতে হয় না, বরং চারপাশের লোকজনই সেটা খুঁজে বের করে। এক একটা স্বর্ণের আংটি ধুলায় পড়ে গেলে সেটিকে সবাই তুলে পরে নেয়, কিন্তু পাথর পড়ে থাকলে সেটাকে কেউ খুঁজে না। কাজেই নিজেকে সেই মূল্যবান ব্যক্তি হিসেবে তৈরি করাটাই তরুণদের প্রতি আমার অনুরোধ। নিজের মূল্য নিজে কাজের মাধ্যমে তৈরি করে নিতে না পারলে, অন্য কেউ দিবে না। আপনি যে জায়গায় যেতে চান, সেটা আরো অনেকের জীবনের লক্ষ্য। তাই দিনশেষে, যেমন কর্ম তেমন ফল।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?