সফল যারা কেমন তারা – পর্ব ৭

জীবনে বলার মত একটা গল্প থাকা দরকার। ফেসবুকের ইনট্রোতে এমনটি লিখে রেখেছেন আলাদিন ডট কম এর ম্যানেজিং ডিরেক্টোর জনাব ইকবাল বাহার। এছাড়া ও তিনি অপ্টিম্যক্স কমিউনিকেশন  লিমিটেড এর ডিরেক্টর এবং সি ই ও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংবাদ পাঠক এবং উদ্যোক্তা বিষয়ক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বৈশাখী টেলিভিশন এবং এশিয়ান টেলিভিশনে। এর আগে তিনি সিঙ্গার বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এর পূর্বে গ্রামীণ শক্তির এবং গ্রামীণ সাইবার নেট লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আজ থেকে ১৫ বছর আগে যখন মানুষ ক্যারিয়ার কিংবা খন্ডকালীন জব নিয়ে অতটা সচেতন ছিল না, তেমন সময়ে ইকবাল বাহার ছাত্র অবস্থায় চাকরিতে জয়েন করেন। সময়ের বিবর্তনে নানাবিধ প্রতিকূল অবস্থা মোকাবিলা করে আজকের অবস্থায় পৌঁছেছেন। তারই ক্যারিয়ারের বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকগুলো জানার চেষ্টা করেছি এই সাক্ষাতকারের মাধ্যমে, সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন কর্পোরেট আস্ক এর সি ই ও এবং রিসিউম ডেভেলাপমেন্ট স্পেশালিষ্ট নিয়াজ আহমেদ।

প্রশ্নঃ ১। আপনার ক্যরিয়ারের শুরুর দিকের গল্পটা শুনতে চাচ্ছিলাম?

উত্তরঃ আমি গ্রামের স্কুলে পড়েছি। পড়াশোনার ভিত্তি শহরের ছেলেমেয়েদের মতো অতটা ভালো ছিল না। আমি আমার বড় চাচার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতাম এবং ছোটবেলা থেকেই বড় চাচা আমার ইংলিশ এর ব্যাপারে যত্নশীল ছিলেন। এস এস সি পরীক্ষার পর ঢাকায় এসে তিতুমির কলেজ এ ভর্তি হই। তবে বিভিন্ন টানাপোড়নের কারণে এইচ এস সি পরীক্ষাতে আমি পাশ করতে ব্যর্থ হই। এরপর চতুর্দিক থেকে আত্মীয় স্বজন, পাড়া-পড়শিরা আমাকে নিয়ে মজা করে, টিপ্পনি কাটে।একটা সময়ে আমি কিছুটা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ি।

বাবার স্বপ্ন ছিল আমাকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর কিন্তু এইচ এস সিতে আমার ফলাফল এতটাই খারাপ ছিল যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি পরীক্ষাই দেয়ার সুযোগ পাইনি। বি কম পড়তে আবার তিতুমির কলেজে এসে ভর্তি হই। বি কম পড়ার পাশাপাশি টিউশন শুরু করি । সেই অল্প অল্প করে জমানো টিউশনির টাকাই ছিল প্রথম জীবনে আমার ব্যবসার প্রথম মূলধন। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর মামার পরামর্শে সি এ পড়তে যাই। সি এ পড়তে গিয়ে আমার মাথা খুলে যায়। তখন আমি একটি ফার্মে চাকরিতে ঢুকে পড়ি। এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত হই। প্রথম জীবনের এই ব্যর্থতাগুলোকেই আমি আমার ক্যরিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করি ।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

প্রশ্নঃ ২।উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তা কীভাবে মাথায় আসে?

উত্তরঃ হঠাৎ আবিষ্কার করলাম যে  হিসাববিজ্ঞান বিভাগে কাজ করতে আমার আসলে ভালো লাগে না ।আমি সবগুলো বিভাগে কাজ করতে চাই। আমি পণ্য প্রস্তুত, বিক্রয়, বিপণন এবং সেবাদান বিভাগেও কাজ করতে ইচ্ছুক। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিতে বিভাগীয় পর্যায়ে চাকরিরত অবস্থায় অন্য বিভাগগুলোতে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। তাই ভেবে দেখলাম সবগুলো বিভাগে কাজ করতে হলে অন্যের কোম্পানিতে কাজ করা যাবে না, নিজেকে একটা কোম্পানি তৈরী করে নিতে হবে।

এছাড়া আমার ৯ টা থেকে ৫ টা অফিস করতে ও ভাল লাগছিল না। অফিস শেষে প্রচুর অবসর কিন্তু করার মত তেমন কোন কাজ নেই । তখন আমি চিন্তা করলাম আমি আসলে কোন কাজটি ভালো পারি আর কোন কাজটি করতে ভালো লাগে। এক সময় আমি আবিষ্কার করলাম প্রযুক্তির দিকেই আমার প্রধান ঝোঁক। তাই কয়েক বন্ধু মিলে একটি ব্যবসা শুরু করি।

কিন্তু চাকরি ছেড়ে দিয়ে কেউই কোম্পানির হাল ধরতে পারছিলাম না। এছাড়াও শুরুতে ফান্ডিংও পাচ্ছিলাম না। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ২ বছর চলার পর কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, তখন আমিই চাকরি ছেড়ে দিয়ে পুরোদমে কোম্পানির হাল ধরার মত ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেই। যদি ও ততদিনে কোম্পানির অনেক শেয়ার হোল্ডাররা ত্যাগ করে। তবে কোম্পানির হাল ধরার পরে আমার আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২ বছর আগেই আলাদিন ডট কম নামে নতুন কোম্পানি শুরু করি, এটি মুলতঃ ই-কমার্স বিজনেস। আলাদিন ডট কমকে বাংলাদেশের আলিবাবা ডট কম করাই আমার লক্ষ্য।

ঘুরে আসুন: যে গুণটি বদলে দেবে তোমার জীবন

প্রশ্নঃ ৩। উদ্যোক্তাদের নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?

উত্তরঃ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে ১৬৪ জন নতুন উদ্যোক্তাকে নির্বাচন করেছি এবং তাদের জন্য অনলাইনে ৩ মাস ব্যাপী কোর্স চালু করেছি। এসব উদ্যোক্তাদের সকল রকমের সহযোগিতা করা এবং তাদের ব্যবসাকে দাড় করিয়ে দেয়ার জন্য যা যা করার আমি তা চেষ্টা করব। আমি মনে করি এই সমাজ এই দেশ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। এখন আমার ফেরত দেয়ার পালা।

প্রশ্নঃ ৪। বাংলাদেশে উদ্যোক্তা তৈরী হওয়ার পথে প্রধান সমস্যাগুলো কী কী?

উত্তরঃ প্রথমত মানুষের থাকতে হবে অদম্য ইচ্ছাশক্তি। এরপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ফান্ডিং। আমি সরকারকে অনুরোধ করব সরকার যেমন বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রজেক্ট করছেন তেমনি যেন অন্তত ৫০০০ নির্বাচিত উদ্যোক্তাকে সহজ শর্তে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুদান প্রদান করেন। কম্পিউটার শিখতে হলে যেমন উল্টাপাল্টা টিপে দু’একবার এটাকে নষ্ট করতে হয়, তেমনি ব্যবসায় কীভাবে আর্থিক লেনদেন হয় সেটা শিখতে গিয়ে ২/৪ জন যদি ক্ষতিগ্রস্তও হয় তবু ও তাদের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদেরকে বহুদূর এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আমার বিশ্বাস প্রতিটি উদ্যোক্তা সরকারী অনুদান গ্রহণের পর ব্যবসায় এ সফল হয়ে সরকারকে প্রতিটি টাকা ফিরিয়ে দিবে।

প্রশ্নঃ ৫। উদ্যোক্তাদের সফল না হওয়ার পিছনে প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী?

উত্তরঃ অনেক উদ্যোক্তাই সফল হতে পারেন না, এর পিছনে প্রধান কারণ হল- লেগে না থাকা। এছাড়া অনেকে যে কাজটা জানেন না, বুঝেন না এবং পারেন না, অন্যকে দেখে লোভে পড়ে সেই কাজ করার চেষ্টা করা। দ্রুত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে বার বার লক্ষ্য পরিবর্তন করা উদ্যোক্তাদের সফল না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

প্রশ্নঃ ৬। নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থায় কী কী পরিবর্তন আনা উচিত?

উত্তরঃ একটা সময়ে স্কুলে অলিখিত একটা নিয়ম ছিল যারা ভাল ছাত্র তারা সবাই বিজ্ঞান বিভাগে পড়বে। অর্থাৎ তারা ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার  হবে। যারা গড়ে ৪০—৫০ নম্বর পেতেন ও ইংরেজিতে ফেল করতেন তারা বাণিজ্য বিভাগে পড়বে অর্থাৎ তারা ব্যাংক/অফিসের হিসাব নিকাশের চাকরি করবে। আর যাদের একমাত্র আশা ভরসা বা স্বপ্ন ৩৩ নম্বর, তারা মানবিক বিভাগে পড়বে অর্থাৎ সরকারী চাকরি করবে বা স্কুল কলেজে মাস্টারি করবে। বলে দেয়ার কেউ ছিল না যে তাদের আসলে কী করা উচিত বা কী পড়া উচিত।

বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং ধীরে ধীরে টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের প্রসারের কারণে এই ধারণা বদলেছে। এখন মেধাবীরা শুধু ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার না, তারা চার্টার্ড এন্ড কস্ট একাউন্ট্যান্ট, এম বি এ, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি পড়ছে। তরুণরা এখন নিজেরাই নানা রকম তথ্য এনালাইসিস করতে পারছে কোথায় তাদের পড়া উচিত। বাবা মা’রা-ও তাদের সিদ্ধান্ত সন্তানদের উপর চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা কমিয়েছে।

ফটোশপের দক্ষতায় মুগ্ধ কর সবাইকে!

ফটোশপের জগতটা খুব ইন্টারেস্টিং। একটা ছবি থেকে কতোকিছু যে করা যায় ফটোশপের সাহায্যে!

অদ্ভুত এই ছবি এডিটিংয়ের জগতে ঘুরে এসো প্লেলিস্টটি দেখে!

শিখে ফেল ফটোশপের জাদু!

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশে সবাই হুজুগে দৌড়ায়। এক একবার একেকটার জোয়ার আসে তো সবাই সেটাতে গা ভাসিয়ে দেয়। শিক্ষা বাণিজ্যিকরাও সেই সুযোগটা লুফে নেন। ২-৪ টা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বাদ দিলে বাকি ইউনিভার্সিটিগুলোর মান নিয়ে কথা নাই বা বললাম। এত বিবিএ এম বি এ দিয়ে হবেটা কী? কারা চাকরি দিবে, কোথায় চাকরি পাবে আমাদের তরুণরা! যে ছেলেটা বা মেয়েটা ক্রিকেট খেলবে, গান করবে, অভিনয় করবে, ফটোগ্রাফার হবে, বড় শেফ হবে, ডিজাইনের কাজ করবে, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট করবে, হোটেলে কাজ করবে, মারচেন্ডাইজিং এর কাজ করবে, আধুনিক কৃষি ভিত্তিক কাজ করবে –সে কেন বিবিএ এমবিএ বা ভূগোল পড়বে! খেলা, গান, ডিজাইন, ফটোগ্রাফি, মারচেন্ডাইজিং সহ এই সকল বিষয়ের উপর তারা গ্র‍্যাজুয়েশন করবে, প্রয়োজনে মাস্টারস করবে।

দরকার এস এস সি এর পর থেকেই কারিগরি শিক্ষা। যারা গত ১৫-২০ বছরে শত শত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বানিয়ে এম বি এ ও বি বি এ সার্টিফিকেট বিক্রয় করেছেন এবং আমাদের তরুণরা সেই সনদ দিয়ে কোন চাকরী বা উদ্যোক্তা হতে পারেনি। তাদের অনুরোধ করব আপনারা এবার কিছু আধুনিক কারিগরি কলেজ/ইউনিভার্সিটি বানান যাতে আমাদের মেধাবী ও কর্মঠ তরুণরা এস এস সির পর থেকেই হাতে কলমে কাজ শিখতে পারে ও ঐসকল বিষয়ে প্রয়োজনে ডিগ্রি নিতে পারে।

কথায় বলে, MUN is fun! আসলেই কি তাই? নিজেই দেখে নাও এই প্লে-লিস্ট থেকে।

এক্ষেত্রে সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন ও নতুন নীতিমালা দরকার। যদি ও আমাদের দেশে বেশ কিছু পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট আছে, ঐগুলোর মান এবং সিলেবাস বর্তমান সময়ে একেবারেই অচল। যদি ঐগুলোকে ব্যবহার করে ও আমাদের লাখ লাখ দেশ প্রেমিক শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানো যেত, তবে তারা এখানকার চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি আয় করতে পারতো। আমাদের তরুণরা বিদেশের হোটেলের রুম সার্ভিসের কাজ না করে ম্যানেজার হতো।

সার্টিফিকেট বানানোর শিক্ষা নয়, দরকার কাজ শিখার শিক্ষা।

প্রশ্নঃ ৯। আপনার কাছে সফলতার মানে কী?

উত্তরঃ মানুষ এখন সফলতার পেছনে এমন ভাবে ছুটছে, যে অনেকেরই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন থেকে সুখ জিনিসটা দিনে দিনে দূরে সরে যাচ্ছে। আমার মতে সকল সুখী মানুষই সফল, কিন্তু সকল সফল মানুষ সুখী নয়। সফলতার মানে হচ্ছে সুখে থাকা, একজন ভাল মানুষ হওয়া এবং এমন কিছু করা যা অন্য একজনকে সুখী করতে পারে। সুখেই সফলতার সার্থকতা।

প্রশ্ন ১০। কোন ৩ টি কারনে একজন উদ্যোক্তা হয়ে আপনি গর্ববোধ করেন?

উত্তরঃ এক। আমার কোম্পানিতে আমার সঙ্গে আরও ১৫০জন মানুষ কাজ করছে। যে কোন প্রয়োজনে সবার অভিভাবক আমি। এতগুলো পরিবারের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে আমি গর্ববোধ করি।

দুই। উদ্যোক্তা হওয়ার কারণে আমি সৃষ্টিশীল কাজ করার সুযোগ পাই।

তিন। উদ্যোক্তা হয়েছি বলেই আজ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি। কর্মক্ষেত্রে আমাকে হুকুম করার কেউ নেই।

প্রশ্নঃ ১১। তরুণদের উদ্দেশ্যে আপনার দেয়া দিকনির্দেশনা কী কী?

উত্তরঃ কঠোর পরিশ্রমের কোন শর্টকাট নেই। ২১ থেকে ২৮ বছর পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ক্যারিয়ার এর প্রত্যেকটি ধাপেই সততা বজায় রাখতে হবে। সত্য কথা বলতে হবে। সত্য কথা বলার একটা বড় উপকার হল আগেরবার কী বলেছেন তা মনে রাখতে হয়না। অসাধু ব্যক্তি সাময়িকভাবে সফল হতে পারে, কিছুদিনের জন্য এগিয়ে থাকতে পারে, তবে দিন শেষে সৎ লোকেরাই শেষ হাসি হাসে।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?