সপ্তাশ্চর্যের সাত সতেরো: মধ্যযুগের সাত বিস্ময় (পর্ব-২)

বিবিধ [Fetching...]

পৃথিবীতে যুগে যুগে যত মানুষ এসেছেন, তারা প্রত্যেকেই ইতিহাসের পাতায় নিজেদের নামের সাক্ষী রেখে যেতে চেয়েছেন। কেননা মানুষের অস্তিত্বের প্রমাণ একমাত্র ইতিহাসই দিতে পারে। মধ্যযুগে বিদ্যমান ছিল পৃথিবীর বিস্ময়কর সব স্থাপনা। মধ্যযুগ সম্পর্কে ধারণাটি ষোড়শ শতাব্দীর পূর্বে জনপ্রিয় ছিল না। কিন্তু প্রাচীন যুগের মত সে যুগেও ছিল সপ্তাশ্চর্য। চলুন জেনে আসা যাক মধ্যযুগের সাতটি বিস্ময় সম্পর্কে।

স্টোনহেঞ্জ

স্টোনহেঞ্জ  ইংল্যান্ডের  উইল্টশায়ারে অবস্থিত একটি প্রাগৈতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ। নব্যপ্রস্তর যুগে তৈরিকৃত এই স্থাপনাটি এতই আগের যে এর সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়না। এটি ইংল্যান্ড এর আধুনিক শহর অ্যামসবারি (Amesbury) থেকে কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সালিসবারি (Salisbury) থেকে কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। স্টোনহেঞ্জ মূলত খাড়া পাথরের তৈরি বলয়াকৃতির একটি স্মৃতিস্তম্ভ।

বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা যায় যে এই স্থানটি প্রায় 10,000 বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বিবর্তিত হয়েছে। আমরা বর্তমানেস্টোনহেঞ্জনামক যে কাঠামোটি দেখি বা জানি তার গঠন প্রায় 5000 থেকে 4000 বছর আগে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি  বৃহত্তর একটি  পবিত্র স্থানের অংশ মাত্র। এর মূল কাঠামোটি বর্তমানস্টোনহেঞ্জএর চেয়ে ১৫ গুন বড় ছিলো।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

স্টোনহেঞ্জের সবচেয়ে বড় পাথরগুলোসারসন”(sarsen) নামে পরিচিত সেগুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং ওজন প্রায় ২৫ টন। বিশ্বাস করা হয় যে পাথরগুলো স্টোনহেঞ্জ থেকে ৩২ কিলোমিটার উত্তরের মার্লবরো (Marlborough) নামক স্থান থেকে সেখানে আনা হয়েছে। ছোট পাথরগুলো যা নীল পাথর(blustone) নামে পরিচিত সেগুলোর ওজন প্রায় টন পর্যন্ত। পাথরগুলো ভাঙলে বা ভেজালে নীলচে আভা দেখা যায়। এগুলো ২২৫ কিলোমিটার দূর থেকে পশ্চিম ওয়েলস (Wales) এর বিভিন্ন স্থান থেকে আনা হয়। কিন্তু এই বিষয়টি এখনও অজানা যে এত পূর্বে কোন প্রযুক্তি ছাড়া কিভাবে এই পাথর গুলো তারা এত দূর থেকে এনেছে।

ঘুরে আসুন: Communication Skill গড়ে তোলার সহজ উপায়!

কলোসিয়াম

ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে ছাদবিহীন মঞ্চকে বলা হয় কলোসিয়াম। চারতলা বিশিষ্ট অনেকটা বৃত্তাকার এই মঞ্চটি নির্মাণশৈলীর কারণে এখনো বিস্ময়াভিভূত করে মানুষকে।  ৭০৭২ খ্রিস্টাব্দে এটির নির্মাণ কাজে হাত দেন ফেরিয়াস বংশের সম্রাট ভেসপাজিয়ান। মূলত জনসভা নাট্য উৎসবের জন্য ইমারতটি তৈরি করিয়েছিলেন তিনি। নাম রেখেছিলেন এমফিথিয়েটারিয়াম ফেভিয়াম। সাত বছরে তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণের সময় তার আকস্মিক মৃত্যু হয়।

এরপর ক্ষমতায় বসেন তারই পুত্র টাইটাস। পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সম্রাটদের একজন ছিলেন তিনি। ৮০ খ্রিস্টাব্দে এমফিথিয়েটারের বাকি কাজ সম্পন্ন হয় তারই হাত ধরে। পাশাপাশি ভবনটি নতুন করে নকশাও করেন তিনি। এখানে যুদ্ধের মাধ্যমে বলি দেওয়ার জন্য রাখা হতো হাজারো পশু, দাস দন্ডপ্রাপ্তদের। তবে বাবার দেওয়া নাম পাল্টে কলোসিয়াম রাখেন টাইটাস। কলোসিয়াম একটি উপবৃত্তাকার কাঠামো, যা ১৮৯ মিটার দীর্ঘ এবং ১৫৬ মিটার চওড়া। এটির মূল এলাকা ছয় একর। বাইরের দেয়ালের উচ্চতা হল ৪৮ মিটার এবং ঘের মূলত ৫৪৫ মিটার।

কলোসিয়ামের কারণে রোম নগরীকে রক্তের আর হত্যার শহর বলেও ডাকা হতো এক সময়। বিশ্বের অনেকেই হয়তো জানেন না, লাখো রাজবন্দি, যুদ্ধবন্দি, ক্রীতদাস আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অসহায়দের রক্তে সিক্ত কলোসিয়ামের মাটি, প্রতিটি ধূলিকণা। অদ্ভূত কাঠামোর ইমারতটির প্রতিটি ইটকাঠপাথরে মিশে আছে নিহতদের অন্তিম নিঃশ্বাস। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলা সেই বিভৎস, জঘন্যতম প্রাণ সংহারক দ্বৈতযুদ্ধের ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে বিশেষ নির্মাণশৈলীর কলোসিয়াম। ভূমিকম্পের কারণে ভবনটির বেশকিছু অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেকবার। বেশ কিছুবার এটি মেরামত করা হয়।

 

দেখে নাও কীভাবে সহজেই কেস সল্ভ করা যায়!

কর্পোরেট জগতে চাকরির ক্ষেত্রে কিছু জিনিস ঠিক ঠাক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বিস্তারিত জানতে ঘুরে এসো ১০ মিনিট স্কুলের এক্সক্লুসিভ এই প্লেলিস্টটি থেকে। 😀

১০ মিনিট স্কুলের Presentation Skills সিরিজ!


কম এল সোকাফার সমাধি

আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত কম এল শকাফা মধ্যযুগের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, কম এল শকাফার এই মাটির নিচের সমাধিস্থানটি হলো গ্রেকোরোমান সময়কালীন সবচেয়ে বড় সমাধিস্থান। আর আলেকজান্দ্রিয়ার মতো প্রাচীন সমৃদ্ধ এক শহরে আবিষ্কৃত হওয়া মাটির নিচের এই সমাধিস্থানটিতে কয়েক শতাব্দী ধরে যা লুকিয়ে ছিল, তা বিভিন্ন প্রাচীন শিল্প সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণ হবে এটাই স্বাভাবিক।

বিভিন্ন গবেষকের মতে, এই স্থানটি প্রথমে শুধু একটি নির্দিষ্ট পরিবারের পারিবারিক সমাধিস্থান হিসেবেই ব্যবহৃত হতো। কিন্তু পরে কোনো এক অজানা কারণে এটিকে আরো বড় আকারের করা হয় অন্যদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। তবে এই কম এল শকাফাই কিন্তু আলেকজান্দ্রিয়ার একমাত্র সমাধিস্থান নয়। বরং এটি ছিলমৃতের নগরীনামে পরিচিত বিশাল এক নেক্রোপলিসের একটি অংশ। এই নেক্রোপলিস বা মৃতের নগরীটি ছিল শহরের পশ্চিম দিকে, যা এক সময় কোনো কারণে ধ্বংস হয়ে যায়। শুধু টিকে থাকে মাটির নিচের এই কম এল শকাফা।

ঘুরে আসুন: সাবলীল বক্তা হওয়ার জন্য দশটি কার্যকরী উপদেশ

চীনের মহাপ্রাচীর

চীনের প্রাচীর (গ্রেট ওয়াল অব চায়না) সম্পর্কে কে না জানে? এটি পৃথিবীর সবচাইতে জনবহুল দেশ চিনে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যগুলোর মধ্যে একটি। পৃথিবীর এই আশ্চর্য দীর্ঘতম প্রাচীর এর দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৬৯৫ কিলোমিটার এবং উচ্চতা .৫৭ থেকে . মিটার বা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। চওড়ায় প্রায় .৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট। কথিত আছে চিনের প্রাচিরের উপর দিয়ে একসাথে ১২ জোড়া ঘোড়া একসাথে চলতে পারতো।

প্রাচীরের ইতিহাস

খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ১৬শ শতক পর্যন্ত সময়ে চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য প্রাচীর তৈরি শুরু করা হয়। ২২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শুরু হওয়া কাজ শেষ হতে সময় লেগেছিল প্রায় ১৫ বছর। যা ইট আর পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়। সময় প্রায় একইরকম অনেকগুলো প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল, তবে খ্রিস্টপূর্বাব্দ ২২০ থেকে ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াঙের অধীনে নির্মিত প্রাচীরটিই সবচেয়ে বিখ্যাত।

এটি বর্তমান প্রাচীরের একেবারে উত্তরে অবস্থিত এবং এর খুব সামান্যই অবশিষ্ট আছে। চীনের প্রথম সম্রাট কিং সি হুয়াং এটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন এবং শত্রুর হাত থেকে নিজের সাম্রাজ্যকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ প্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন।

পীসার হেলানো টাওয়ার

 

পিসার হেলানো মিনার ইতালির পিসা প্রদেশের একটি ভবনবিশেষ মিনারটি ঘন্টা বাজানোর উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। এর এক পাশ হেলে থাকার কারণে সমগ্র বিশ্বে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা সুনাম রয়েছে। নির্মাণের শুরু থেকেই এই মিনারের এক দিক থেকে ক্রমশঃ হেলতে থাকে। ভূমি থেকে অষ্টতলাবিশিষ্ট মিনারের উচ্চতা প্রায় ৫৬ মিটার এর সর্বমোট ওজন প্রায় ১৪,৫০০ টন ১১৭৮ সালে মিনারটির তৃতীয় তলা নির্মাণের পর এটি হেলতে শুরু করে।

নরম মাটিতে মাত্র তিন মিটার গভীরতায় এর ভিত্তি গড়ে তোলাই মিনারটির হেলে পড়ার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এছাড়া মিনারের নকশাও এজন্যে কিছুটা দায়ী। অবকাঠামোটির নির্মাণকার্য শতাধিক বছর বন্ধও ছিল। কারণ পিসার অধিবাসীরা প্রায়শই জেনোয়া, লুক্কা এবং ফ্লোরেন্সের সাথে যুদ্ধকর্মে লিপ্ত থাকতো।

খুব সহজেই মার্কেটিং শিখে নাও আমাদের এই মার্কেটিং প্লে-লিস্টটি  থেকে!

বর্তমানে এটি প্রায় .৯৯ ডিগ্রী কোণে হেলে রয়েছে। এর ২৯৪টি সিঁড়ি আছে। অবকাঠামোটিকে রক্ষা করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এর হেলে পড়া রোধ ভূপাতিত হওয়া থেকে রক্ষা করা গিয়েছে। একুশ বছর ধরে এর চতুর্দিকে অস্থায়ীভাবে মাঁচা তৈরী করা হয়েছিল। ২৬ এপ্রিল, ২০১১ সালে এর সর্বশেষ মাঁচাটি অপসারণ করা হয়। এর ফলে মিনারটিকে পুনরায় সঠিকভাবে দেখা যায়।

নানকিনের চিনামাটির মিনার

মধ্যযুগের সপ্তাশ্চর্যের তালিকায় স্থান পাওয়া চীনের নানজিংয়ের চীনামাটির মন্দির টাওয়ারটি আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আপন মহিমায়। বর্তমানে এটিকে সমগ্র প্রাচ্যের শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করা হয়। মধ্যযুগের অপূর্ব নিদর্শনটির জৌলুস সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক হাজির হন নানজিংয়ে। টাওয়ারটি বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধা গর্বের প্রতীক।

চীনের জিয়াংসু প্রদেশের রাজধানী নানজিংয়ে ইয়াংসি নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত চীনামাটির টাওয়ারটি নির্মিত হয়েছিল ১৫০০ শতকের প্রথমদিকে। বিখ্যাত মন্দিরটি একটি অষ্টাভূজাকৃতির ভিত্তিমূলের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভিত্তিস্থক্ষেত্রের পরিধি ৯৭ ফুট। এটি তৈরি করা হয়েছে পিরামিডের আদলে। নয় তলাবিশিষ্ট টাওয়ারটির উচ্চতা ২৬০ ফুট। নানজিং চীনের প্রাচীন ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক শহর। গুরুত্বপূর্ণ শহরের ঐতিহ্য সৌন্দর্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার জন্যই মূলত টাওয়ারটি নির্মাণ করা হয়। অপূর্ব নির্মাণশৈলীর জন্য এটি মধ্যযুগের সপ্তাশ্চর্যের তালিকায় স্থান করে নেয়। চীনের অধিবাসীরা এর নাম দিয়েছিলটেম্পল অব গ্রাটিচ্যুড পরে ইউরোপিয়ান পর্যটকরা এর নাম দেনদ্য পোরসেলিন টাওয়ার অব নানকিং

হাজিয়া সোফিয়া মসজিদ

মধ্যযুগের সাতটি  বিস্ময়ের তালিকার শেষটি ছিল সেন্ট সোফিয়ার মসজিদ। নন্দিত স্থাপত্যটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ৩৬০ খ্রিষ্টাব্দে! যদিও সেই প্রাচীন উপাসনালয়ের কিছুই আর অবশিষ্ট নেই, একাধিকবার সেই ভিত্তির উপরেই রচিত হয়েছে নব নব ইতিহাস। হাজিয়া সোফিয়া মানে Holy Wisdom, এটি মূলত অর্থোডক্স গির্জা হিসেবেই মহাকালের বুকে যাত্রা শুরু করেছিল ৫৬২ সালে, দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী সেই ভূমিকা পালনের পর ১২০৪ সালে এটিকে রূপান্তরিত করা হয় ক্যাথলিক গির্জাতে।

কিন্তু মাত্র কয়েক দশক পরেই ১২৬১ সালে আবার উড়ল সেখানে অর্থোডক্সদের নিশান, কিন্তু দু’শ বছর পেরোবার আগেই এবার তুর্কিশরা ঘোড়ায় চড়ে তেড়ে এসে দখল করে নিল রোমানদের রাজধানী, পতন ঘটল বাইজেন্টিয়ান সাম্রাজ্যের, শুরু হল অটোমান শাসন। সেখানে হাজিয়া সোফিয়ার ভূমিকা ছিল রাজকীয় মসজিদের দায়িত্ব পালন করা, এর তুর্কিশ নামকরণ করা হল আয়াসোফিয়া, যা চলল ১৯৩১ পর্যন্ত, এরপর সারা বিশ্বকে অবাক করে মুস্তফা কামাল নামের এক তরুণ তুর্কি আধুনিকতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তুললেন সারা জাতিকে, পতন ঘটল অটোমানদের, সেই তরুণের কাজে উৎসাহ দেবার জন্য প্রবল উচ্ছাসে প্রিয় কবি কাজী নজরুল লিখলেনকামাল, তুনে কামাল কিয়া ভাই!

সেই মুস্তফা কামাল যাকে আজো সারা তুরস্ক চেনে আতাতুর্ক বা তুরস্কের পিতা নামে, তিনি পরিণত করলেন হাজিয়া সোফিয়াকে অসাধারণ এক জাদুঘরে, জনগণের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হল যেন জ্যান্ত ইতিহাসকে, কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল মুসলিম এবং খ্রিষ্টানদের উপরে সেই স্থাপনার ভিতরে উপাসনার উপরে, সারা বিশ্ব থেকে মানুষ আসা শুরু করল ইতিহাসের সাক্ষীকে দেখার জন্য।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?