তরুণ লেখকদের উদ্দেশ্যে STEPHEN KING এর ১৫টি পরামর্শ!

বইমেলায় হাজার পাঠকের ভীড়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বইয়ে অটোগ্রাফ দেয়ার স্বপ্ন হয়তো অনেকেই দেখো। অসাধারণ সব গল্পের বই লিখে মানুষকে কল্পনার রাজ্যে এক অসাধারণ অনুভূতি প্রদান করতে চাওয়ার স্বপ্ন দেখতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু এই স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে প্রথমেই তোমাকে বইটা লিখতে হবে! তোমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো ইতিমধ্যে লেখালেখি শুরু করে দিয়েছো কিংবা প্রস্তুতি নিচ্ছো। লেখালেখির সময়কার নানা প্রতিকুলতা, ভুল-ভ্রান্তি, এবং ভ্রান্ত ধারণাগুলো সম্পর্কে তাই শুরুতেই জ্ঞান রাখা দরকার।

তাই বেস্টসেলার বই লেখার জন্যে বিখ্যাত আমেরিকান লেখক Stephen King এর বেস্ট টিপস গুলো চলো দেখে নেয়া যাক।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

১) পাঠকের কথা না ভেবে নিজের জন্যে লিখো

তুমি হয়তো বা লেখার আগে চিন্তা করে রেখেছো এই গল্পটা কয়েক হাজার মানুষ পড়বে, অনেক প্রশংসা করবে এবং তুমি রাতারাতি অনেক নামিদামি লেখকে পরিণত হবে তাহলে হয়তো দিন শেষে তুমি এতটা খ্যাতি অর্জন করতে পারবে না। কিন্তু তুমি যদি নিজের জন্যে লেখার প্রতিজ্ঞা করে নিজেকে সন্তুষ্টির চেষ্টা করো তাহলে সেই লেখা তোমার সাথে সবারই ভালো লাগবে।

যে কোনো কাজ যখন তুমি নিজের ভালোলাগা থেকে করো তখন সে কাজে তুমি তোমার বেস্টটাই দেয়ার চেষ্টা করো। কিন্তু উদ্দেশ্য যদি ভিন্ন হয় তাহলে তুমি লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে পড়বে তখনই।

এই প্রসঙ্গে Stephen King বলেছেন,  

“I did it for the pure joy of the thing. And if you can do it for joy, you can do it forever.”

২) পড়ো, পড়ো, পড়ো

পৃথিবীর যত বড়বড় লেখক আছে তারা কখনোই বই পড়ার বেলায় অবহেলা করতেন না। একজন ভালো লেখক হওয়ার প্রথম শর্তই হচ্ছে প্রথমে একজন ভালো পাঠক হবে। আমার বাংলা শিক্ষক আমাকে বলেছিলেন “একটা ভালো উপন্যাস পড়লে একজন মানুষের মাঝে একটা ভালো উপন্যাস লেখার যোগ্যতা আসে।”

Stephen King সাহেবও এই ব্যপারে ভিন্ন কিছু বলেননি,

“If you want to be a writer, you must do two things above all others: read a lot and write a lot. There’s no way around these two things that I’m aware of, no shortcut.”

ঘুরে আসুন: টাকা কী করে এলো?

৩) টেলিভিশনকে না বলো

“ভাদ্র মাসের সন্ধ্যা। আকাশে মেঘ আছে। লালচে রঙের মেঘ। যে মেঘে বৃষ্টি হয় না, তবে দেখায় অপূর্ব। এই গাঢ় লাল, এই হালকা হলুদ, আবার চোখের নিমিষে লালের সঙ্গে খয়েরি মিশে সম্পূর্ণ অন্য রঙ। রঙের খেলা যিনি খেলছেন মনে হয় তিনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।”

হুমায়ুন আহমেদ স্যারের দেয়াল উপন্যাসের প্রথম প্যারাগ্রাফটা ছিলো এমনই। পড়ার পরে নিজের কল্পনায় মাথার ভিতরে একটা আকাশ দেখতে পাচ্ছো কি? যে আকাশের রঙ পালটে যাচ্ছে বইয়ের কথাগুলোর মতনই? এটাই স্বাভাবিক। মানুষ যখন বই থেকে কোনো কিছু পড়ে তখন তা মনে মনে কল্পনায় সেই দৃশ্য তৈরি করতে থাকে। কিন্তু যদি তুমি একই জিনিসটা টেলিভিশনে কোনো নাটকে দেখতে, তোমাকে চিন্তা করে মনের মাঝে দৃশ্য তৈরির প্রয়োজনই পড়তো না। কারণ, সম্পূর্ণ দৃশ্যটি তোমাকে টিভিতে দেখিয়েই দেয়া হতো।

টেলিভিশন এভাবেই আমাদের কল্পনা করার ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতাকে নষ্ট করতে থাকে। এই কারণেই Stephen King লেখকদের টেলিভিশন কম করে দেখতে বলেছেন। নিউজ এর জন্যে পত্রিকা পড়ার সাথে বই পড়ার কোনো বিকল্পই তিনি দেখেন না।

৪) লেখার ক্ষেত্রে নিজের “UNIQUE STYLE” বজায় রাখো

ধরো তুমি একজন লেখকের অনেক বড় ভক্ত। এ কারণে তুমি অন্য লেখকের একটা বই পড়লে প্রিয় লেখকের বই পড়ো পাঁচটা। এমন করতে করতে তুমি যখন লেখালেখি শুরু করলে দেখা যাচ্ছে তুমি নিজের মতন লিখলেও তোমার লেখার ধরণ অনেক ক্ষেত্রেই প্রিয় লেখকের মতন হয়ে যাচ্ছে। মানুষ তোমাকে প্রশংসা করে বলছে, “আরে, তোর লেখা তো অমুক বিখ্যাত লেখকের মতন!” আর তুমিও সেই কথাগুলো শুনে আবার খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছো। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এটা আসলেই খুশি হবার মতন কোন কথা না।

যদি কেউ তোমাকে বলে, তোমার লেখা আরেক জনের মতন লাগছে তাহলে তোমার সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। কারণ প্রত্যেক লেখকের গল্প বলার একটা মৌলিক বৈশিষ্ট থাকে এবং এখনো তোমার মাঝে বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়নি। তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্যে একই লেখকের বই প্রতিনিয়ত না পড়ে একটু চেঞ্জ করে করে পড়ো এবং নিজের গল্প বলার মৌলিক ধরণ তৈরির চেষ্টা করো। এতে করে একশটা লেখার মাঝ থেকেও যেনো তোমার লেখাটা আলাদা করে রাখা যায়!

৫) ব্যর্থতা এবং সমালোচনা গ্রহণের জন্যে প্রস্তুত থাকো

লেখা লিখে ফেলে হয়তো তুমি চেষ্টা করবে মানুষকে দেখাতে। ফেসবুকে পোস্ট করে কিংবা বিভিন্ন সংবাদপত্রে মেইল করে সবাইকে জানানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু সব সময় সব পত্রিকা তোমার লেখা ছাপাবে না আর ফেসবুকে পোস্ট করলে সব সময় সবাই তোমার লেখার প্রশংসাই করবে এমন নয়।

লেখা কোনো ওয়েবসাইটে কিংবা সংবাদপত্রে পাব্লিশ না হলে হতাশ হয়ে যাওয়ার কিছুই নেই। ফেসবুকে কেউ তোমার লেখা পছন্দ না করে মন্তব্য করে তাহলেও ক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়ার কিছু নেই। কোনো লেখকের পক্ষেই আসলে তার লেখনি দিয়ে প্রত্যেক পাঠকের মন জয় করা সম্ভব না। কারো খারাপ লাগছে বলে সবার যে খারাপ লাগবে এমন না। তাই কোনো মন্তব্যে নিজেকে না থামিয়ে লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার কথাই বলেছেন Stephen King।

৬) Leave out the boring part and kill your darlings!

এই পরামর্শটি আমার সবথেকে পছন্দের এবং আসলেই যোক্তিক। তোমারা যারা “গেম অফ থ্রোন্স”- নামের টিভি সিরিজের সাথে পরিচিত তারা অবশ্যই জেনে থাকবে কিভাবে লেখক জর্জ আর. আর. মার্টিন মানুষের প্রিয় চরিত্রগুলোকে হত্যা করে। তুমি একটু খেয়াল করলেই দেখবে বড় বড় লেখকেরা প্রায় সকলেই এই কাজটা করে থাকেন। Stephen King বলেছেন,

“Kill your darlings, kill your darlings, even when it breaks your egocentric little scribbler’s heart, kill your darlings.”

একটা গল্প লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রেই গল্প তার ছন্দ হারিয়ে ফেলে। লিখতে লিখতে অনেক সময়ই অনেক বোরিং অংশ লিখে ফেলি আমরা। সেগুলো এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শই দিয়েছেন তিনি।

৭) তোমার গবেষণা যেনো গল্পের আমেজকে নষ্ট করে না দেয়

মনে করো তুমি মুক্তিযুদ্ধের কোনো ঘটনার সম্পর্কে গল্প কিংবা উপন্যাস লিখছো। লেখার জন্যে মুক্তিযুদ্ধের উপরে অনেক দিন ধরে রিসার্চ করেছো তুমি। এখন লেখার সময় যদি তুমি গল্প কম বলে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের চারপাশের অবস্থা বর্ণনা করতে থাকো যা তুমি গবেষণা করে জেনেছিলে তাহলে পরবর্তিতে গল্পের সৌন্দর্য্য নষ্ট হবে।

অবশ্যই মানুষকে গবেষণালব্ধ জিনিস তুমি জানাবে কিন্তু তা হবে গল্পের ছলে নির্দিষ্ট মাত্রায়। অতিরিক্ত বর্ণনায় যেনো পাঠক বিরক্ত হয়ে না যায়। মনে রাখবে তুমি কোনো গবেষণাপত্র লিখতে বসোনি, তুমি গল্প লিখতে বসেছো। স্টিফেন কিং সবসময় গবেষণাপত্র এবং গল্পের মাঝে পার্থক্য মাথায় রাখতে বলেছেন।

এবার সফল হবে তুমিও!

দারুণ কিছু করার শুরুটা হয় ছোট্ট কিছু থেকেই। সফল হতে হলে তাই ছোট হোক আর যাই হোক, শুরুটা করতে হবে।

আর এই শুরু করার জন্যে তোমাদের সহায়ক হবে এই প্লে-লিস্টটি!
১০ মিনিট স্কুলের লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

৮) অন্যের থেকে চুরি করে লিখো না

সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা বিভিন্ন ব্লগে আজকাল হাজার মানুষ লেখালেখি করে। ফিকশন-ননফিকশন, ছোটগল্প, বড়গল্প, কবিতা কতো কি। ধরো কারো একটা লেখা তোমার পছন্দ হলো। তুমি চুপিচুপি সেই লেখা অনলাইন থেকে নিয়ে লেখকের নাম গোপন করে নিজের নামে কোথাও ছাপিয়ে দিলে। একটু চিন্তা করে দেখো কাজটা কি আসলেই করা ঠিক হলো? নিজের বিবেককে প্রশ্ন করলে সরাসরি উত্তর পাবে সোজা বাংলায় চুরি করেছো তুমি যা সম্পূর্ণ নীতিবহির্ভূত।

কারো সৃজনশীল লেখা বা কাজ তার অনুমতি ব্যতীত অন্য কোথাও প্রকাশ করা কোনোদিনই ভালো কাজ হতে পারেনা। তাই অন্যের লেখাকে কপি করতে Stephen King মানা করেছেন বারবার।

ঘুরে আসুন: লক্ষ্যে পৌঁছতে খেয়াল রাখো ১০টি বিষয়ে!

৯) ব্যাকরণ নিয়ে মাথা ঘামিও না

লেখার সময় একটা জিনিস মাথায় রাখবে তুমি একটা গল্প বলছো, এখানে পাকা ব্যাকরণবিদের মতন সব নিয়ম কানুন মেনে বাক্য লিখতে হবে এমন কোনো কথা নেই। ব্যাকরণ নিয়ে চিন্তা করে যদি সঠিক ভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারো তাহলে কোন লাভই হলো না। অতিরিক্ত কঠিন দুর্বোধ্য যত শব্দ আছে সেগুলো ব্যবহার করে গল্পের ফ্লো নষ্ট করারও কোনো প্রয়োজন নেই।

Stephen King এর ভাষ্যমতে, “Language does not always have to wear a tie and lace-up shoes.The object of fiction isn’t grammatical correctness but to make the reader welcome and then tell a story.”

১০) মাদক থেকে দূরে থাকো

“সিগারেট কিংবা অন্য মাদকদ্রব্য তোমাকে অসাধারণ জিনিসপত্র  চিন্তা করতে সাহায্য করবে”- অনেকের মাঝেই এমন ভ্রান্ত ধারণা কাজ করে। অনেকে আবার দুই-পাঁচটা কবিতা লিখে নিজেকে মহান কবি ভাবতে ভাবতে আর সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়। “অ্যালকোহল কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি করে” এমন আজেবাজে চিন্তাও করে থাকে অনেকে। কিন্তু বাস্তবে এগুলোর কোনোটিই সত্যি নয়।

Stephen King নিজেও মাদকের বিপক্ষে। লেখালেখির নামে মাদকাসক্ত হয়ে যাওয়ার কোনো মানেই হয়না।

১১) প্রতিদিন লিখো

“Once I start work on a project, I don’t stop, and I don’t slow down unless I absolutely have to. If I don’t write every day, the characters begin to stale off in my mind… I begin to lose my hold on the story’s plot and pace.”

যদি তুমি প্রতিদিন ধারাবাহিক ভাবে না লিখতে বসো তাহলে তুমি যে রোমাঞ্চকর অনুভূতি নিয়ে লিখতে বসেছিলে তা আস্তে আস্তে নষ্ট হতে থাকে। তাই লেখার কাজটাকে সিরিয়াসলি নিয়ে লিখতে থাকো প্রতিদিন।

১২) ৩ মাস

“The first draft of a book — even a long one — should take no more than three months, the length of a season.”

Stephen King নিজেই দিনে অন্তত দশ পৃষ্ঠা লিখেন। তিন মাস শেষে যার পরিমাণ কিনা প্রায় ১৮০০০০ শব্দের কাছাকাছি যেয়ে ঠেকে!

ইংরেজি ভাষা চর্চা করতে আমাদের নতুন গ্রুপ- 10 Minute School English Language Club-এ যোগদান করতে পারো!

১৩) দরজা বন্ধ করে লেখালেখি করো

“Write with the door closed; rewrite with the door open.”

তুমি হয়তো লিখতে বসেছ একটু পরে তোমার ছোট বোন এসে তোমার টেবিলের আশেপাশে এসে উঁকি দিচ্ছে যে, ভাইয়া কী লিখে দেখি। আবার এমনও হতে পারে বারবার তোমাকে উঠে যেতে হচ্ছে কোনো কাজের জন্যে। এগুলোর ফলে লেখালেখির সময় বড় রকমের ক্ষতি হয়। মনোযোগ নষ্ট হওয়ার ফলে গল্পের তোমাকে আবার শুরু থেকে চিন্তা করতে হয়।

১৪) যে কোন অংশ কেটে বাদ দেয়ার সাহস রাখো

লেখার পরে হয়তো তোমার মনে হচ্ছে গল্পে সংযোজন বিয়োজন প্রয়োজন সেক্ষেত্রে যে কোনো অংশ কেটে ফেলার সাহস মনে রেখো। একটা গল্প প্রথম বার যেভাবে লেখা হয় পরে যেয়ে তার অনেক অংশই কাটা পড়ে। যে কোনো বোরিং অংশকে কেটে ফেলতে দ্বিধা বোধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই প্রসঙ্গে মার্কিন লেখক Kurt Vonnegut বলেছেন,

“If a sentence, no matter how excellent, does not illuminate your subject in some new and useful way, scratch it out.”

১৫) লেখা শেষ করে আবার পিছন থেকে রিভিশন দাও

“When you write a book, you spend day after day scanning and identifying the trees. When you’re done, you have to step back and look at the forest.”

পরীক্ষার হলে লেখা শেষে রিভিশন দিলে যেমন তুমি অনেক ভুল খুঁজে পাও লেখালেখির বেলাতেও তাই। তুমি যখন রিভিশন দিবে তখন অনেক ধরণের সমস্যা চোখে পড়বে যেমন, হয়তোবা চরিত্রের নাম বিভিন্ন জায়গায় লিখতে ভুল করেছো কিংবা গল্পের মাঝে এমন কোনো জিনিস যা অপ্রাসঙ্গিক। তাই রিভিশন দেয়াটা অনেক জরুরী। এক্ষেত্রে তুমি নিজের ভুলগুলোকে ক্ষমা করতে থাকো আর সঠিক ভাবে আবার লিখে যাও।

আর কথা না বাড়িয়ে এটুকুই বলবো, বাংলার লেখকেরা অসাধারণ লেখা লিখেছেন যুগ যুগ ধরে। তাদের কীর্তি কারোর কাছেই সন্দেহের নয়। তুমিও হতে পারো তাদের মতন বেস্টসেলার বইয়ের লেখক। আমরা তোমার বই পড়ার অপেক্ষায় আছি। তুমি তৈরি তো?


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author
Mustakim Ahmmad

Mustakim Ahmmad

Currently, Mustakim Ahmmad is a student of Dhaka City College. Although he is only an intermediate second year student, he is 6 feet tall! But his dreams are much more higher than his height. A Sherlock Holmes fan, loves watching TV series and listening to rock music.
Mustakim Ahmmad
এই লেখকের অন্যন্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?