অ্যালিসা কারসন: স্বপ্নের ভেলায় মঙ্গলের নাবিক

স্বপ্নের জগতে আমরা সবাই দর্শক। কোনোকিছু ছুঁয়ে দেখতে গেলেও ধোঁকা খেয়ে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। তারপর দুইপাশে মাথা ঝাঁকিয়ে আর চোখ মুছতে মুছতে ডানাকাটা মানুষ স্বপ্নের আকাশে কাগজের তৈরি উড়োজাহাজ ছুঁড়ে মারে। সেই কাগজের উড়োজাহাজও মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যায়, স্বপ্নের বার্তাগুলো ভাঁজ করা কাগজের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এভাবেই।

কিন্তু সবার স্বপ্নই আড়াল থাকে না, কারও কারও স্বপ্ন বৃষ্টির মাঝেও সূর্য হয়ে উঁকি দেয়। ঠিক যেমন বর্ষার মাঝে হঠাৎ এক ফালি রোদ সরল কৃষাণের মুখে বাঁকা চাঁদের হাসি ফোঁটায়। আজ যার গল্পটি বলছি তার স্বপ্নটাও যেন রূপকথার সিনড্রেলা হয়ে প্রাণহীন বইয়ের পাতা থেকে বের হয়ে এসেছে চোখের সামনে, শুধু ইচ্ছাপূরণের পালা।

অ্যালিসা কারসন। ছোট্ট মেয়ে। ১৭ বছর বয়সের এই স্বপ্নবাজ কিশোরী মঙ্গল নামক লালগ্রহে পা রাখতে যাচ্ছে ২০৩৩ সালে। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ এটাই সত্য, যদিও খুব পুরোনো খবর। কারণ অ্যালিসা ২০১৫ সালেই অফিসিয়াল ভাবে নাসার কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে ক্ষুদে নভোচারী হওয়ার। আমাদের প্রতিবেশী এবং ভবিষ্যত পৃথিবী নামে পরিচিত মঙ্গলগ্রহে প্রথম মানুষ হিসেবে অ্যালিসা-ই পা রাখতে চলছে, তবে ফিরে আসবে কিনা তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মাঝে রয়েছে যথেষ্ঠ উদ্বেগ। তবে নাসা থেমে থাকার নয়। রীতিমত কাজ করে যাচ্ছে সফল অবতরণ, গবেষণা ইত্যাদির পর নিরাপদে পৃথিবীতে অ্যালিসাকে যেন ফিরে আসে।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

 

ছবি: ২০১৫ সালের ছোট্ট অ্যালিসা।

 

২০০১ সালের ১০ই মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা রাজ্যের হ্যামন্ডে জন্মগ্রহণ করে অ্যালিসা কারসন। বাবার নাম বের্ট কারসন। বাবা-মেয়ের হৃৎপিন্ড যেন একসাথেই কম্পিত হয়, স্বপ্নকে পূরণ করতে নিজের ছোট্ট মেয়েকে এরকম দু:সাহসিক অভিযানের জন্য অনুপ্রেরণা দেয়ার সাহস কয়জন বাবার পক্ষেই বা সম্ভব? এ যেন বাবা-মেয়ের চার চোখে লালগ্রহের জয়! দু’চোখ স্বপ্ন দেখেছে, আর দু’চোখ মেয়ের হাতে স্বপ্নের ভেলায় চড়ার জন্য বৈঠা হাতে দিয়েছে। পূরণ না হয়ে যাবে কোথায়?

তিন বছর বয়সী ছোট্ট অ্যালিসা শুরু থেকেই অ্যানিমেটেড কার্টুন দেখতে ভালোবাসতো। ঠিক তেমনই তার প্রিয় একটি কার্টুন সিরিজ ‘The Backyardigans’। একদিন এই কার্টুন সিরিজের কোনো এক পর্বে দেখা যায় পাঁচ বন্ধু মিলে কল্পনার মাধ্যমে মঙ্গলে ঘুরতে গিয়েছে। তারপর থেকে ছোট্ট অ্যালিসার মনে লালগ্রহ জয়ের ইচ্ছা জাগে, বাবাকে তার স্বপ্নের কথা বলে, বাবা রাজি হয়ে যায়। শুরু থেকেই অ্যালিসা ভাবতো এই লালগ্রহটি একদম শীতল, পৌঁছানো খুবই কঠিন। কিন্তু বাবা থেমে থাকেনি। মেয়ের ইচ্ছা যেহেতু অনেক উঁচু, সিঁড়ি তৈরির মিস্ত্রী বাবা ছাড়া আর কেউ হতে পারে না।

 

অ্যালিসা আপাতত পড়াশোনা করছে লুইজিয়ানার ব্যাটন রোউগ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, চাইনীজ এবং তুর্কিসহ ৪টি ভিন্ন ভাষার উপর শতভাগ দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ের উপরও পড়াশোনা করছে অ্যালিসা।

 

স্বপ্নের পথে অ্যালিসা

অ্যালিসার বয়স যখন ৭, তার বাবা তাকে নিয়ে আলাবামার হান্টসভিলেতে একটি স্পেস ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই অ্যালিসার এতদিনের অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া শুরু করে। জানার আগ্রহ বাড়তে থাকে দিনের পর দিন। মেয়ের সাথে সাথে বাবা তখনও ছায়া হয়ে আছেন।

২০১৩ সালের ৯ই অক্টোবর নাসার সবগুলো ভিজিটর ক্যাম্পে প্রবেশের জন্য পাসপোর্ট পেয়ে ইতিহাস গড়ে ফেলে ১২ বছর বয়সী অ্যালিসা। সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম কেউ একজন হিসেবে সবগুলো ভিজিটর সেন্টার পরিদর্শনের সুযোগ পায় সে, স্বপ্নের বাস্তব চিত্রাঙ্কন শুরু এখান থেকেই। বাকি দুটি ক্যাম্প কানাডার কুইবেক এবং তুরষ্কের ইজমীরে অবস্থিত। ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ বার স্পেসক্যাম্প পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়া এই ছোট্ট মেয়েটি নভোচারীদের মনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে। নিজের ঘরে মঙ্গলগ্রহের বিশাল বড় একটি ম্যাপ রয়েছে যার পুরো অঞ্চলসমূহের নাম মুখস্থ করে এবং তা নিয়ে বিস্তারিত ধারণা নিয়েছে অ্যালিসা।

 

“We are the Mars generation”

-Alyssa Carson

 

মঙ্গলগ্রহে মানুষের যাত্রা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

শতভাগ সম্ভব। শুধু এখন কেন, কানাডিয়ান বিখ্যাত নভোচারী ক্রিস হ্যাডফিল্ডের মতে তা ১৯৬৯ সালের প্রযুক্তি দ্বারাই সম্ভব। তিনি মনে করেন ষাটের দশকেই মানুষ মঙ্গলে পা রাখতে পারতো। যদি কেউ মনে করেন যে বর্তমানে মঙ্গলভ্রমণের জন্য যথেষ্ঠ টেকনোলজি আছে কিনা, তাহলে উত্তর হবে যে ৬৯ সালের চন্দ্রভ্রমণের সাধারণ টেকনোলজিই যথেষ্ঠ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে নভোচারীদের মৃত্যু আশংকা।

ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের সাবেক এই কমান্ডার মনে করেন যে মহাশূন্যে বেশি সময় ধরে থাকলে বিকিরণজনিত বিশেষ ধরনের ক্যান্সারের ফলে যে কোনো সময় নভোচারীদের মৃত্যুর আশংকা বেড়ে যায়। তাই হ্যাডফিল্ড মনে করেন বর্তমান প্রযুক্তি অনুযায়ী মঙ্গলভ্রমণ অনেকটা বিখ্যাত পর্তুগীজ ভ্রমণপিপাসু ম্যাগেলানের মতো। ম্যাগেলান ১৫১৯ থেকে ১৫২২ সাল পর্যন্ত পুরো পৃথিবী ঘুরে এসেছিলেন। যেখানে ভ্রমণসঙ্গী ছিল প্রায় ২৫০জন এবং ৫টি জাহাজ। তবে ফিরে আসতে পেরেছিল মাত্র ১৫-১৮ জন।

 

চলে এলো Interactive Video!

এতদিন আমরা শুধু বিভিন্ন ইন্সট্রাক্টর ভাইয়া-আপু’দের ভিডিও দেখেছি। কেমন হবে যদি ভিডিও চলার মাঝখানে আমরা কতটুকু শিখেছি সেটার উপর ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে?
না। ম্যাজিক না। দেখে নাও আমাদের Interactive Video প্লে-লিস্ট থেকে!

১০ মিনিট স্কুলের Interactive Video!

সুতরাং সমস্যা একটাই। তা হলো ঐ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা কতটুকু চ্যালেঞ্জিং। তবে মানুষ অবশ্যই পৌঁছতে পারবে। বরং স্পেসএক্স এর কর্ণধার এলন মাস্ক মনে করেন তারা এমন স্পেসশিপের মাধ্যমে মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে চান যা মাত্র ৩০ দিনেই পৌঁছে যেতে পারবে। অর্থাৎ যাওয়া আসা সংক্রান্ত সব প্রযুক্তি আমাদের আছে। সমস্যা শুধু মানুষের টিকে থাকা। অ্যালিসা কারসন মঙ্গলে যাবে ২-৩ বছরের জন্য। সেখানে এক্সপ্লোরেশন, ট্রি প্ল্যান্টেশন, মাটি পরীক্ষা, প্রাণের খোঁজ করা ইত্যাদি সকল ধরনের কাজে একাই অংশ নিতে যাচ্ছে সে।

আবার যেহেতু ২০৩৩ সালে মিশন, সুতরাং ততোদিনে প্রযুক্তির আরও অনেক উন্নতি সাধন হবে। আবার মার্স ওয়ান এবং স্পেসএক্স ২০৩৩ সালের আগেই মঙ্গলভ্রমণের এবং সেখানে কলোনি স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যদিও এত দ্রুত কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়ে রয়েছে মতভেদ। তবে অ্যালিসাকে নাসা পাঠাবে একদম ধীরে সুস্থে শতভাগ প্রস্তুত করেই, এ ব্যাপারে কোনে সন্দেহ নেই।

 

Garni Carter on Mars, Source: NASA

 

আবার কিছুদিন আগে মঙ্গলের ২০ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এবং এক কিলোমিটার গভীরে পাওয়া গেছে পানির অস্তিত্ব। মঙ্গল গ্রহের সাউথ পোলে থাকতে পারে বরফে ঢাকা মেরু অঞ্চল। তবে ওই হ্রদের উষ্ণতা বর্তমানে -৬৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বিজ্ঞানীদের মতে ওই এলাকার পানি লবণাক্ত হতে পারে। অধ্যাপক রবার্তো অরোসী মনে করেন এই হ্রদের উৎস বরফগলা পানি। তবে যাই হোক এই মূহুর্তে মঙ্গলে ‘Advanced radar for subsurface and Ionosphere sounding’ মেশিন বসানো আছে। যা দিয়ে গ্রহের ভূতলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলছে গবেষণা।

এখন স্মার্টবুকের সাথে পড়াশোনা হবে আর স্মার্টভাবে! এই লিঙ্কে চলে যাও আর দেখে নাও আমাদের স্মার্টবুকগুলো।

২০১১ সালে প্রথম নাসার উপগ্রহ চিত্রে মঙ্গলে আরএসএল ধরা পড়ে; যা গ্রীষ্মকালে দেখা যায়, কিন্তু তাপমাত্রা কমলে মিলিয়ে যেতে শুরু করে। তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রির উপরে থাকলেও তা দেখা যায়। মহাকাশযান মার্স রোজন্যান্স অর্বিটারের পাঠানো মঙ্গলের ‘কেমিক্যাল ম্যাপ’ বিশ্লেষণে নতুন একটি পদ্ধতি খুঁজে বের করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা দেখেছেন, মঙ্গলপৃষ্ঠে বিষুবীয় অঞ্চলের কয়েক স্থানে আরএসএলে ওই লবণ জমে একমাত্র পানির উপস্থিতিতে।

 

Curiosity Rover, Source: NASA


আবার নাসার পাঠানো কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গলের পৃষ্ঠের কাছাকাছি তরল পানি খুঁজে পেয়েছিল। এই আবিষ্কারের পর মঙ্গল গ্রহ যে একেবারেই ঠান্ডা ও শুষ্ক সে ধারণা থেকে সরে আসেন গবেষকেরা। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, মঙ্গলের পৃষ্ঠে এক ধরনের লবণের অস্তিত্ব আছে যা তরল পানিকে ফ্রিজিং পয়েন্টের নিচে একটি অবস্থায় যেতে সাহায্য করে।

বর্তমান প্রযুক্তি অনুযায়ী মঙ্গলভ্রমণ বেশ সময় সাপেক্ষ। কারণ আমরা জানি সূর্যের চারদিকেই গ্রহ দুটি আবর্তিত হচ্ছে। তাই মাঝে মাঝে গ্রহ দুটির দূরত্ব বাড়ছে আবার মাঝে মাঝে কমছে। পৃথিবী থেকে মঙ্গলের অ্যাভারেজ দূরত্ব প্রায় ১৪০ মিলিয়ন মাইল। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই এই দূরত্ব বজায় থাকলেও দেখা যায় প্রতি ১৫ বছর পর পর পৃথিবী ও মঙ্গল ঘুরতে ঘুরতে বেশ কাছাকাছি দূরত্বে চলে আসে। তখন দূরত্ব হয় প্রায় ৩৩.৯ মিলিয়ন মাইল। যেমন এই জুলাই মাসের শেষের দিকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত মঙ্গলকে পৃথিবী থেকেই বেশ কাছে দেখতে পাওয়া যাবে। শেষ এমনটি হয়েছিল ২০০৩ সালে। ১৫ বছর পর আজ ২০১৮ চলছে। আবার ১৫ বছর পর তা ২০৩৩ হবে, তখন সেই সময়কেই অ্যালিসাকে পাঠানোর শুভ সূচনা করতে চাচ্ছে নাসা।

সুতরাং মঙ্গলে মানুষের যাত্রা অবশ্যই সম্ভব এবং সেখানে বসতি স্থাপনও শতভাগ যুক্তিযুক্ত। শুধু টিকে থাকা নিয়ে রয়েছে মতবিরোধ।

 

বর্তমানে অ্যালিসা

স্পেসএক্স এবং মার্সওয়ান বেশ কোমর বেঁধে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর ব্যবস্থা নিয়ে আসছে। সেক্ষেত্রে তাদের সামনের দুই বা তিনটি মহাকাশ মিশনেও অ্যালিসাকে প্রথম ক্ষুদে নভোচারী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে। এটা অনেকটা মঙ্গল মিশনের পূর্ব প্রস্তুতি বলা যায়।

 

আবার অ্যালিসার বর্তমান বয়স ১৭ বছর। নাসার নভোচারী হওয়ার জন্য ১৮ বছর বয়স হওয়ার শর্তটি পূরণ করতে হবে। তাই সামনের বছর নাসার অফিসিয়াল নভোচারী হিসেবে নাম প্রকাশ করতে যাচ্ছে অ্যালিসা। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে তার মতোই কিশোর কিশোরীদের সামনে নিজের স্বপ্নকে তুলে ধরছে অ্যালিসা, যেন সবাই নিজের স্বপ্নের পথে হাঁটতে শুরু করে সবাই। ভবিষ্যত নভোচারী হওয়ার জন্যও কিশোর কিশোরীদের অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে অ্যালিসা। সামনে তিনটি স্পেস শাটল মিশনের জন্যও তৈরী থাকতে বলা হয়েছে অ্যালিসাকে। সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ এবং বিমান চালনাও শুরু করার কথা রয়েছে তার। মাইক্রোগ্র্যাভিটি, অক্সিজেনের অভাবে দেহের পরিবর্তন, পানির নিচে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শূন্যতায় ভাসা ইত্যাদি প্রাথমিক কোর্সগুলো সম্পন্ন করেছে সে।

 

সব ঠিকঠাক থাকলে ২০৩৩ সালে ৩২ বছর(সেই সময় অনুযায়ী) বয়সী অ্যালিসা সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবেশে একাকী ভ্রমণ করতে যাচ্ছে। যেখান থেকে সে কোনোদিন ফিরে আসবে কিনা তা সে নিজেও জানে না। তবে অ্যালিসার একটি ইচ্ছে আছে। পৃথিবীতে ফিরতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চায় সে।

আর যদি না ফিরতে পারে, তাহলে তার ত্যাগের জন্য মনুষ্যজাতি আজীবন বীরদর্পে থাবা দিতে জানে বলে পুরো মিল্কিওয়েকে জানিয়ে দেবে। অ্যালিসা-ই হবে এই গ্যালাক্সির সবচেয়ে বড় যোদ্ধা। একটু ভেবে দেখেছেন কি? স্বপ্নের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা সবই অসীম, তা প্রমাণে নামছে আমাদের পৃথিবীরই ছোট্ট অ্যালিসা।

 

‘’Success for me means becoming a mission specialist astronaut for the mission to Mars influencing as many kids as I can to follow their dreams.’’

-Alyssa Carson

 

 


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author
Zehad Rahman

Zehad Rahman

3150 BC old ancient egyptian hieroglyphs are still fascinating me to be a different thinker. Being a passionate kid, strongly I can confide myself as I’m a slow walker but never step back. I’m a fan of Carl Sagan, like to walk on space when it’s time to sleep.
I’m studying Agricultural Engineering at Bangladesh Agricultural University.
Zehad Rahman
এই লেখকের অন্যন্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?