পৃথিবীর যত অমীমাংসিত রহস্য (পর্ব ৩)

বিবিধ [Fetching...]

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

 

পৃথিবীর অমীমাংসিত রহস্যগুলোর তৃতীয় এবং শেষ অংশে আরো অনেক রহস্যের ব্যাপারে তোমরা অবগত হবে। পূর্বেই বলেছি পৃথিবীর নানান অজানা রহস্য তোমার জ্ঞান ভান্ডারকে করবে সমৃদ্ধ। নিত্যনতুন রহস্যের ব্যাপারে যখন তুমি অবগত হবেতখন তোমার অনুসন্ধানী মন সে রহস্যের উন্মোচন করতে লেগে যাবে। অমীমাংসিত রহস্যের আগের দুটো অংশে আমরা আলোচনা করেছি সেই সাথে তোমাদের জানানোর চেষ্টা করেছি সেইসকল রহস্যের ব্যাপারে যা পৃথিবীর ইতিহাসে অমীমাংসিত রহস্যের অন্যতম অবস্থান নিয়ে রেখেছে।

অসংখ্য রহস্যের ভেতর থেকে এমন সব রহস্য সম্পর্কে তোমাদের অবগত করার চেষ্টা করেছি যা নিঃসন্দেহে তোমাদের জ্ঞানপিপাসু মনকে করবে সমৃদ্ধ। সেই সাথে এইসকল অমীমাংসিত রহস্যগুলো নিয়ে যখন বন্ধুদের সাথে বা অন্য কারো সাথে আলোচনা করবেতোমার আহরিত জ্ঞান যখন অন্য কারো সাথে শেয়ার করবেতোমার সেই অর্জিত জ্ঞান তোমাকে আরো অনেক বেশি সফলতা এনে দেবে। আর রহস্য বিষয়গুলো এমন, যখনই কোন রহস্য নিয়ে জানতে যাবে, তোমার মস্তিষ্ক অনেক বেশি সচল হয়ে যাবেকারণ নানান প্রশ্ননা জানার জায়গাগুলো বারবার তোমার মস্তিষ্ককে সিগনাল পাঠাতে শুরু করবে। আর তাই রহস্য দ্বারা তোমার মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা বাড়ানো সম্ভব।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

জেনে নিতে পারো পৃথিবীর অমীমাংসিত রহস্যগুলোর মধ্যে আরো কিছু চমকপ্রদ রহস্য সম্পর্কে। অমীমাংসিত রহস্যের তৃতীয় এবং শেষ অংশ নিয়ে আমাদের আজকের আর্টিকেল সাজানো হয়েছে। অমীমাংসিত রহস্য নিয়ে আরো জানতে চাইলে আগের দুই অংশে প্রকাশিত রহস্যগুলো থেকে জেনে নিতে পারো। চলো জেনে নিই পৃথিবীর অমীমাংসিত রহস্যগুলোর মাঝে আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রহস্যের ব্যাপারে।

১. ব্রাব্যান্ট কিলার

বেলজিয়ামের ব্রাব্যান্টে একদল খুনির আর্বিভাব হয়, অনেকগুলো ভয়াবহ খুনের জন্য তারা অভিযুক্ত ছিলো। তারা সাধারণত রেস্টুরেন্ট বা সুপারমার্কেটে গিয়ে হুটহাট খুন করতো। এখন পর্যন্ত তাদের খুনের আসল উদ্দেশ্য জানা যায়নি। তারা হয়তো খুন করে কিছু টাকা পয়সা নিয়ে যেতোআবার মাঝে মধ্যে টাকা পয়সা ফেলে রেখেও যেতো।

ঘুরে আসুন: মনের উপর প্রভাব খাটানোর ৭টি চমৎকার কৌশল!

এই ধরণের আক্রমণের শিকারতাদের মধ্যে যারা বেঁচে গিয়েছিলেন এরকম অনেকের কাছে জানা যায় তাদের তিনজনের একটি দল ছিলো। তাদের ডাকনাম ছিল ‘দ্য জায়ান্ট’, ‘দ্য কিলারদ্য ওল্ড ম্যান প্রায় ২৮ জনকে তারা খুন করে ১৯৮৩ সালেএরপর তারা গায়েব হয়ে যায়। এরপর দুই বছর পর আবার আরেকদফা খুনে ১৬ জনকে হত্যা করে। এই খুনের পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। কী উদ্দেশ্যে তারা খুন করেছিলো সেই কারণ একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।

২. দ্য স্লিপিং সিকনেস

কাজাকিস্থানের একটি গ্রামে আজব এক ঘটনা ঘটেযা নিয়ে গ্রামবাসীর বিস্ময়ের কোন শেষ ছিলো না। একে বলা হতো স্লিপিং সিকনেস। কোন কারণ ছাড়াই ভরদুপুরে এই গ্রামের মানুষজন ঘুমিয়ে পড়তো। বাইরে থেকে কেউ আসলেও, এভাবেই তাদের রেখে তারা  হুটহাট ঘুমিয়ে যেতো।

তারা অবশ্যই কেউ অল্প সময়ের জন্য ঘুমাত না। এদের কেউ কেউ কয়েক ঘণ্টা ঘুমাতেন, কেউ বা কয়েকদিন। প্রাথমিক ধারণা করা হয়েছিলোহয়তো জলবায়ুর কারণে এখানকার স্থানীয়দের মস্তিষ্কজনিত কোন সমস্যা হয়েছিলো, কিন্ত ডক্টররা এর সঠিক কোন সমাধান দিতে পারেন নি। এর সপক্ষে বিজ্ঞানীরা সঠিক কোন যুক্তি দাঁড় করাতে পারেন নি। যা কিনা ইতিহাসে একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।

৩. পিটার বার্গম্যান

এক বৃদ্ধ লোক এসে হোটেল ভাড়া নেয় আয়ারল্যান্ডের স্লাইগো আইল্যান্ডের একটি লোকাল হোটেলে তিনি হোটেল ভাড়া নেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষকে বলেন তার নাম পিটার বার্গম্যান এবং তিনি অস্ট্রিয়াতে থাকেন। হোটেল ভাড়া নেওয়ার তিন দিন পর তার মৃতদেহ পাওয়া যায় সমুদ্রের অদূরেই।

তার লাশটি ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার গায়ে কোন কাপড় ছিলো না। এমনকি  তার সাথে কোন আইডেন্টিটি কার্ড বা কোন টাকা পয়সাও ছিলো না। এমনকি হোটেলে দেওয়া তার পরিচয় একদম ভুয়া। পরবর্তীতে তার এরুপ মৃত্যুর কোন রহস্য উদ্ধার হয়নি এবং বেশ অনেকদিন পর পুলিশেরা তার মৃত্যুটিকে আত্নহত্যা বলে ফাইল বন্ধ করে দেন। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে তার মৃত্যুর কোন রহস্য আজও উদ্ধার হয়নি।

৪. গ্রুভড স্পেয়ার্স

দক্ষিণ আফ্রিকার শহরে পাওয়া গিয়েছে . মিলিয়ন বছরের পুরনো পাথর যা Precambarian নামে পরিচিত। সে সময় খনন কাজের সময় শ্রমিকেরা কিছু পাথর খুঁজে পায় যার ব্যাসার্ধ ছিলো ইঞ্চি করে এবং তিনটি সমান্তরাল খাঁজে বিভক্ত ছিলো। কিছু ছিলো সাদা শোষকের পাথর আবার কিছু ছিলো হালকা নীলাভ জাতীয় পাথর। এই গোলাকার ধাতুগুলো আসলে কীকীই বা এর উৎস এই সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আজও কোন সমাধান বের করতে পারেন নি।

৫. দ্যা ওয়াকভিলে ব্লব রেইন

আকাশ থেকে জলের বৃষ্টির পরিবর্তে জেলীর মতো  কণার মতো বৃষ্টিহ্যাঁ ব্যাপারটি অবিশ্বাস্যকর শোনালেও সত্যি। আগস্ট ১৯৯৪ সালে ওয়াশিংটনের ওয়াকভিলে শহরে এরকম ঘটনা ঘটে। ভোর প্রায় তিনটায় এরকম বৃষ্টি শুরু হয়। এলাকাবাসীরা লক্ষ্য করেন এই বৃষ্টি অন্য সময়ের বৃষ্টির মতো স্বাভাবিক ছিলো না। এই বৃষ্টিটা ছিলো অনেকটা জেলীর মতো। এরপরে এলাকাবাসীরা এই বৃষ্টির সংস্পর্শ পেয়ে অসুস্থ হতে শুরু করে। কোন কোন বিজ্ঞানীদের মতে এই বৃষ্টি ছিলো একপ্রকার ব্যাকটেরিয়ার বৃষ্টি। তবে আজও এই বৃষ্টিটা আসলে কী ছিলো, বা এর পেছনে কীই বা কারণ ছিলো সবটাই একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।

এখন জীবন হবে আরও সুন্দর!

জীবনে শুধু পড়াশুনা করলেই হয় না। এর সাথে প্রয়োজন এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি। আর তার সাথে যদি থাকে কিছু মোটিভেশনাল কথা, তাহলে জীবনে চলার পথ হয়ে ওঠে আরও সুন্দর।

আর তাই তোমাদের জন্যে আমাদের নতুন এই প্লে-লিস্টটি!

Motivational Talks সিরিজ!

৬. রেড রেইন

২০০১ সালে দক্ষিণ  ভারতে কেরালা রাজ্যে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্নসময় বিক্ষিপ্তভাবে রক্ত বৃষ্টি বা রেড রেইন হতে থাকে। এছাড়া কেরালাতে বিভিন্ন সময় হলুদ, সবুজ এবং কালো বৃষ্টিও হতে দেখা যায়। তবে ভারতীয় সরকার একে উর্বর স্থলজ শৈবাল বলে দাবী করেন। তবে এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই বৃষ্টির কোন কারণ শনাক্ত করতে পারেন নি।

৭. মালয়েশিয়া এয়ারলাইন এমএইচ ৩৭০

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন এমএইচ ৩৭০ আজ থেকে তিন বছর আগে উধাও হয়ে যায়। ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে চীনের রাজধানী বেইজিং বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে। বিমান উড়ার একঘণ্টা পরপরই দক্ষিণ চীন সাগরের উপর থাকতেই বিমানটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নানান ধরনের অনুসন্ধান চালানো হয়এমনকি উপগ্রহের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে বিমানটির কোন খোঁজ জানা যায় নি।  বিমানটি নিরুদ্দেশ হওয়ার আগে কোন ধরণের খারাপ আবহাওয়ার সংকেতও পাওয়া যায় নি।

৮. পলক জমজ

জ্যাকলিন এবং জোয়ানা নামে দুই জমজ বোন ১৯৫৭ সালের ৫ মে মারা যায়। ঠিক এর পরের বছরই তাদের মা বাবা জ্যাক এবং ফ্লোরেন্সের আবার দু’টি জমজ সন্তান হয়। যদিও ডক্টর বলেছিলেন তাদের একটি সন্তান হবে কিন্ত জ্যাক খুব আত্নবিশ্বাসী ছিলেন তাদের দুটি সন্তানই হবে।

তিনি আরো বিশ্বাস করতেন তার মৃত মেয়েরা ফিরে আসবে। এমনকি তাদের সন্তান হবার পর ওই দু’টো মেয়ে তার আগের মৃত বোনদের পুতুলের যে নাম ছিলো তা বলা থেকে শুরু করে আগের বোনদের সবকিছু হুবুহু বলতো এবং জানতো। যদিও এই নতুন দুই সন্তানকে তাদের মৃত বোনদের ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি। পাঁচ বছর বয়সের পরে তারা স্বাভাবিক জীবন যাপন করে। কীভাবে এটা সম্ভব হয়েছিলো ডক্টর এবং বিজ্ঞানীদের নিকট এক অজানা রহস্য হিসেবেই রয়ে যায়।

৯. ব্যুভেট দ্বীপের লাইফবোট

অবিশ্বাস্যকর হলেও সত্য যে বিশ্বের সবচেয়ে নির্জন জায়গাগুলোর একটি হলো ব্যুভেট দ্বীপ। এই জায়গায় কখনো কোন মানুষ বসবাস করেনি কারণ এই জায়গাটি গাছ গজানোর অনুপযোগী। এখানে গাছ নেইনেই কোন খাদ্যশস্যের উৎস। কিন্তু ১৯৬৪ সালে এক অভিযাত্রী দল এখানে একটি লাইফ বোট দেখতে পায়কিন্তু অনেক খুঁজে কোন মানুষের সন্ধান পাওয়া যায় নি। কে বা কারা এখানে এসেছিলো,তাদের কী পরিণতি হলো সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। আর ইতিহাসে এটি একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে যায়।

১০. চেঙ্গিস খানের কবর

পৃথিবীর অত্যন্ত ভয়ংকর মানুষের তালিকায় চেঙ্গিস খানের নাম সবার উপরে। চেঙ্গিস খান যখন জীবিত ছিলেন তখন তিনি অনেক দেশ আক্রমণ করেন। সেই সাথে প্রায় ৪ কোটি মানুষ হত্যা করেন। যা কিনা ছিল সেই সময়ে সর্বমোট জনসংখ্যার প্রায় একদশমাংশ বেশি। চেঙ্গিস খানের মৃত্যু হয় ১২২৭ সালে ৬৫ বছর বয়সে এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয় সেই ব্যাপারে কোন স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।

চেঙ্গিস খানের মৃত্যুই একমাত্র রহস্য নয় বরং তার মারা যাওয়ার পর কোথায় তার কবর দেওয়া হয়েছিল সেটিও ছিল অনেক বড় একটি রহস্য। কারণ চেঙ্গিস খান বলেছিলেন তার কবরটি যেন অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে দেয়া হয়। বলা হয়ে থাকে চেংগিস খানের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে মেরে ফেলা হয়, এমনকি কবর দিতে যাওয়ার সময় রাস্তায় যাদের পাওয়া গিয়েছিল তাদেরকেও মেরে ফেলা হয়, যারা কবর দেয় তাদেরকেও মেরে ফেলা হয়।

লোকমুখে শোনা যায় একটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে তার কবর দেওয়া হয়েছিল যাতে কবরটি খুঁজে না পাওয়া যায়। আবার অনেকে বলেন প্রায় বারোশ’ ঘোড়া তার কবরের উপর দৌড়ানো হয় এবং সেখানে গাছ লাগানো হয় যাতে কেউ কবরটি খুঁজে না পায়। আবার অনেকে বলেন চেঙ্গিস খান তার কবরে প্রচুর লুটকৃত ধনসম্পদ নিয়ে যান কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার কবরটি কোথায় সে ব্যাপারটি আজও একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।

ঘুরে আসুন: মনের উপর প্রভাব খাটানোর ৭টি চমৎকার কৌশল!

১১. সান বার্নাডোর মমি

কলম্বিয়ার একটি ছোট শহর সান বার্নাডো,  আন্দিজ পর্বতমালার ঘেরা বিভিন্ন রহস্যের জন্য বিখ্যাত। সাধারণত অন্য দশটি শহরের মতো এই শহরে রয়েছে এমন একটি রহস্য যার সমাধান করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ১৯৫৭ সালে এই শহরে একটি বন্যা হয় যেখানে এই শহরের কবরগুলো ডুবে যায়। বন্যা শেষে স্থানীয়রা যখন কবর উদ্ধার করতে যায়, কবর খুড়ে দেখে লাশগুলো অক্ষত অবস্থায় আছে, এবং পরনের কাপড়গুলোও নষ্ট হয়নি।

এবার ঘরে বসেই হবে মডেল টেস্ট! পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথেই চলে আসবে রেজাল্ট, মেরিট পজিশন। সাথে উত্তরপত্রতো থাকছেই!

একপ্রকার প্রাকৃতিক মমিতে পরিণত হয় লাশগুলো। বর্তমানে এই মমিগুলো জাদুঘরে সংরক্ষিত রাখা আছে কোন ধরনের পচনশীল ওষুধ ছাড়াই। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখনো সমাধান করতে পারেননি কেন এই শহরের লাশগুলো এরূপ অক্ষত অবস্থায় রয়ে গেছে। ইতিহাসে এই ঘটনাটি অন্যতম রহস্য হিসেবেই আছে।

১২. কালাহারির হারানো শহর

আফ্রিকার মরুভূমিতে ১৯৮৫ সালে গুইল্লারামো ফারানি নামক একজন অভিযাত্রী একটি শহরের সন্ধান পান। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে তিনি তার এই আবিস্কারের কথা প্রকাশ করে একটি বই লেখেন। উক্ত বইয়ে লেখক বলেন এটি একটি পুরনো শহরতিনি বিশ্বাস করেন এটি একটি শহরের ধ্বংসাবশেষ। তিনি বলেন শহরটি বৃত্ত চাপের মতো যার কিছু অংশ লুকানো বালির নিচে। পরবর্তীতে তার কথা অনুযায়ী এই শহরের খোঁজ করা হয়কিন্তু কেউই এরকম কোন শহরের সন্ধান পান নি। আর তাই আজও এটি একটি রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।

এই লেখাটির অডিওবুকটি পড়েছে মনিরা আক্তার লাবনী


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author
Nusrat Jahan

Nusrat Jahan

I love to read books as a hobby. Alongside watching movies is my favourite leisure activity. I love to write which is something I am very passionate about .My aim is to work in the field of marketing. I am currently doing BBA from University of Asia Pacific.
Nusrat Jahan
এই লেখকের অন্যন্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?