বিজয়ের গল্পের কতটুকু জানো তুমি?

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

ক্লাসে নোটিশ এলো, ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতায় প্রতি শ্রেণী থেকে পাঁচজনকে পাঠাতে বলা হয়েছে। নোটিশ পড়ে শোনানোর পর আসাদ স্যার মাথা তুলে তাকালেন ক্লাসের দিকে। ক্লাসের অর্ধেক ছেলেমেয়ে হাত তুলে বসে আছে। সবাই যেতে চায়।

আসাদ স্যার পড়লেন মুশকিলে। কাকে রেখে কাকে নেবেন।

তিনি এক হাতে নোটিশের কাগজ নিয়ে অন্য হাতে মাথা চুলকাতে লাগলেন।

নোটিশ নিয়ে আসা পিয়ন মফিজ চাচা বললেন, “স্যার বেয়াদবি না নিলে আমি কই। একটা পরীক্ষা নেন, যারা ভালো কইরবো তাগোরে পাঠাই দিলেন।”

আসাদ স্যার খুশি হয়ে গেলেন। খাসা আইডিয়া তো! তিনি ঠিক করলেন বিজয় দিবসের উপর একটা কুইজ নেবেন। যে পাঁচজন সবচেয়ে ভালো নম্বর পাবে তাদের পাঠিয়ে দেবেন প্রতিযোগিতায়। যারা আসলেই যোগ্য তারা সুযোগ পাবে।

“কালকে তোমাদের একটা কুইজ নেয়া হবে। ১০টা প্রশ্ন থাকবে। প্রত্যেকটায় এক নম্বর করে মোট ১০ নম্বর। ৮ এর কাছাকাছি পৌঁছাতে যারা সফল হবে তেমন পাঁচজনের জন্য কালকে বিজয় দিবস। বোঝা গেছে?”

ক্লাস সমস্বরে বললো, “জ্বী স্যার!”

রাতে বাড়ি ফিরেই আসাদ স্যার প্রশ্ন তৈরি করতে বসলেন। আসাদ স্যারের প্রশ্নটা এখানে দিয়ে দিচ্ছি, দেখি আমরা কে কতটা জানি!

আত্মসমর্পণের সময় বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান সাক্ষী কে ছিলেন?

এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার যিনি এ.কে. খন্দকার নামে পরিচিত (জন্ম: জানুয়ারি ১, ১৯৩০) বাংলাদেশের একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা। তিনি বিমানবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন ও উপ-প্রধান সেনাপতি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?