Uncategorized

পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর

Supported by Matador Stationary

নিচের হাইলাইট করা শব্দগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে শব্দের উপর মাউসের কার্সর ধরো।মোবাইল ব্যবহারকারীরা শব্দগুলির উপর টাচ করো।

p-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর

আমরা সবাই তো সার্কিট দেখেছি, সার্কিটে সাধারণত কি হয় ? ব্যাটারীর ধনাত্মক দিক থেকে তড়িৎ ঋণাত্মক দিকে প্রবাহিত হয়। তাই না?ব্যাটারীর ধনাত্মক দিক থেকে তড়িৎ ঋণাত্মক দিকে প্রবাহিত হয়। ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে!

কিন্তু আমরা তো জানি , প্রোটন অথবা নিউট্রন তড়িৎ পরিবহন করে না বরং ইলেকট্রন ই তড়িৎ পরিবহন করে। ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে!
ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে
আসলে কি হচ্ছে বলতে পারো? আসলে হোল এর প্রবাহের দিককেই তড়িৎ প্রবাহের দিক ধরে নেওয়া হয়। এখন মাথা চুলকাতেই পারো হোল কি?!

হোল
ধরে নাও, তোমার কাছে তিনটি বল আছে এবং চারটি খালি জায়গা আছে। তুমি তাদের সারিতে রাখলে। এবার তুমি তিন নং বলটি চার নং স্থানে রাখলে। তাহলে কি হবে? তিন নং স্থানে ফাঁকা জায়গার সৃস্টি হবে। আবার দুই নং বলটা তিন নং স্থানে রাখলে কি হবে? দুই নং স্থানে ফাঁকা স্থান সৃস্টি হবে। এভাবেই ইলেকট্রন এবং হোলও কাজ করে থাকে। ইলেকট্রন এর প্রবাহ যেদিকে হবে হোলের প্রবাহ হবে তার বিপরীত দিকে।
ইলেকট্রন- হোলে
হোল হলো কোনো কঠিন পদার্থের ল্যাটিস কাঠামোতে ইলেকট্রনের খালি করা অবস্থান যা চলমান ধনাত্মক আধান বাহক হিসেবে আচরণ করে। কোনো সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের কোনো কক্ষে স্থায়ী ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রন কোনো কারণে মুক্তি হয়ে গেলে সেখানে শুণ্যতার সৃস্টি হয়। এর নামই হোল।

সেমিকন্ডাক্টর সাধারণত দুই ধরণের হয়। নিচের চিত্রের “+” চিহ্নিত অংশসমুহে ক্লিক করে তাদের সম্পর্কে চলো জেনে নিই –

এই স্মার্টবুকে আমরা p-টাইপ স্মার্টবুক নিয়ে বিস্তারিত পড়বো! চলো তাহলে শুরু করি।

মনে করো , একটি সেমিকন্ডাক্টর জার্মেনিয়াম (Ge) নিয়ে গঠিত।
সেমিকন্ডাক্টর-জার্মেনিয়াম- Ge
এখন জার্মেনিয়াম এর কেলাসে যদি উপযুক্ত মাত্রায় কোনো তিন যোজ্যতা বিশিস্ট মৌল মিশানো হয় তাহলে ঐ কেলাসের গঠন একই থাকে, কিন্তু পাশের চতুর্যোজী ইলেকট্রন এর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে। যেমন নিচের চিত্রটি খেয়াল কর:
ত্রিযোজী মৌল-বোরন-Br-অপদ্রব্য

এক্ষেত্রে ত্রিযোজী মৌল বোরন কে অপদ্রব্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বোরন কে যখন ব্যবহার করলাম বোরন এর শেষ শক্তিস্তরে তিনটি ইলেকট্রন আছে, তাই সে এই তিনটি ইলেকট্রন তিনটি জার্মেনিয়াম এর সাথে শেয়ার করতে পারলেও একটি জার্মেনিয়াম এর সাথে শেয়ার করতে পারবে না, একারণে সে জায়গায় একটি হোলের সৃস্টি হবে।
এক্ষেত্রে একটি বোরন পরমাণু একটি হোলের সৃস্টি করে, এভাবে সামান্য বোরন লক্ষ লক্ষ হোলের সৃস্টি করবে। হোল কিভাবে চলে তার প্রাথমিক জ্ঞান আমরা এই স্মার্টবুকেই অর্জন করেছি; সেই একই প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করে এক্ষেত্রে হোল এর পরিবহন হয়।

ধনাত্মক হোল-জার্মেনিয়াম
খেয়াল করলেই দেখছি, এখানে ধনাত্মক হোল ইলেকট্রন কে গ্রহণ করে ফলে ইলেকট্রন জার্মেনিয়াম এর মধ্যে গতিশীল থাকে। এভাবে ইলেকট্রন পরমাণু থেকে পরমাণুতে চলাচল করে। যে ইলেকট্রনটি হোল এ যায়, সে জায়গাটি ফাঁকা হয়ে যায়। আবার সে ফাঁকা জায়গা তথা হোলকে পূর্ণ করার জন্য আরেকটি ইলেকট্রন সেই স্থানে আসে। তাই ইলেকট্রন এর গতির বিপরীত দিকে ধনাত্মক হোলের একটি প্রবাহ চলমান বলে মনে হয়। আর হোলের প্রবাহই তড়িৎ সৃস্টি করে। তাই, সামান্য বোরন মিশালেই দেখা যায় সেমিকন্ডাক্টরের তড়িৎ পরিবাহিতা অনেক বেড়ে গেছে।

নিচের বক্সগুলিতে ক্লিক করে দ্রুত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নাও:

চলো, এবার আমরা কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেখি আমরা কতটুকু বুঝেছি!

P-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর সম্পর্কে কি সঠিক ধারণা পেয়েছো কি? এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর সম্পর্কে জানতে চলে যাও এই স্মার্টবুকে- এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর
এবং, “Never Stop Learning”