Uncategorized

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রন কৌশল, ইটিপির কার্যপ্রণালী, ইটখোলার বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ

Supported by Matador Stationary

হাইলাইট করা শব্দগুলোর উপর মাউসের কার্সর ধরতে হবে। মোবাইল ব্যবহারকারীরা শব্দগুলোর উপর স্পর্শ করো।

তুমি শহরে থাকলে প্রতিনিয়ত বায়ুদূষণের অজস্র উদাহরণ দেখবে। বায়ুতে সাধারণভাবেই কিছু গ্যাস থাকে যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং আরো কিছু ছোট গ্যাস। কিন্তু মানুষের কিছু কাজের জন্যই কিছু দূষিত গ্যাস যেমন কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাই অক্সাইড (SO₂), হাইড্রোকার্বন (HC), নাইট্রোজেন এর অক্সাইড সমূহ (NOₓ), লেড, এসবেস্টস ইত্যাদি বায়ুতে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।

ঢাকা শহরে যদি থাকো তুমি, তাহলে বায়ু দূষণের অনেক উৎসই দেখবে। ঢাকার বায়ু স্বাভাবিকভাবেই অস্বাস্থ্যকর।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের তিনটি কৌশল আছে। এগুলো হলো-

ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও প্রশ্নের উত্তরগুলো

চলো, এ বার আমরা প্রত্যেকটি কৌশল বিস্তারিতভাবে অনুসন্ধান করবো। প্রথমে প্রভাবকীয় রূপান্তর এর সাহায্য কিভাবে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা নিচের স্লাইড গুলো থেকে দেখি-

মোবাইল স্ক্রিনের ডানে এবং বামে Swipe করে ব্যবহার করো এই স্মার্টবুকটি।পুরো স্ক্রিন জুড়ে দেখার জন্য স্লাইডের নিচে পাবে আলাদা একটি বাটন।

দ্বিতীয় প্রক্রিয়া ছিল দ্রবীভূতকরণ। কোনো উৎস থেকে নির্গত দূষিত বর্জ্য গ্যাস কে উপযুক্ত তরলে দ্রবীভূত করে দূষক গ্যাস দূর করা হয়।

নিচের চিত্রে একটি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্ক্রাবার সিস্টেমে দ্রবীভূতকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দূষক গ্যাস দূরীকরণ প্রক্রিয়া দেখানো হল-

সক্রিয়তাবিহীন দ্রবণের ক্ষেত্রে সংঘটিত শোষণের পরিমাণ দূষকের আংশিক চাপ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে খেয়াল করি, গ্যাস ও তরলকে কিন্তু বিপরীতদিক থেকে চালনা করা হচ্ছে, এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিপরীতক্রম প্রবাহ। এছাড়াও পরিশোষন প্রক্রিয়াও এক ধরণের দ্রবীভূতকরণ প্রক্রিয়া। এসময় ভৌত ও রাসায়নিক পরিশোষণের মাধ্যমে জৈব ও অজৈব দূষক গ্যাস উক্ত শোষক পৃষ্ঠে পরিশোষিত হয়। এক্ষেত্রে পরিশোষণের মাত্রা নির্ভর করে শোষক পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল এবং শোষিত গ্যাসের প্রকৃতি ও ঘনমাত্রার উপর।

নিচের চার্ট থেকে আমরা কোন দূষকের জন্য কোন দ্রাবক ব্যবহার করবো দেখে নিই-

এছাড়া সূক্ষ্ম ছাঁকনি ব্যবহার করেও আমরা চাইলে দূষন নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। বস্তুকণা 5 মাইক্রোমিটার এর চেয়ে ছোট হলে সূক্ষ্ম ছাঁকনি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ছাঁকনিতে সাধারণত শোষক ব্যবহার করা হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে এদের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।

ইটিপির কার্যপ্রণালী
শিল্প কারখানায় বিভিন্ন বর্জ্য উৎপন্ন হয়ে থাকে। এদেরকে বিশোধনের জন্য কিছু ব্যবস্থা নিতে হয়। উন্নত বিশ্বে প্রতিটি শিল্প কারখানার সাথেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।

শিল্প কারখানায় দূষিত বর্জ্য পদার্থ কে পরিবেশ বান্ধব পদার্থে পরিণত করার জন্য তা ইটিপি তে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এ সমগ্র প্রক্রিয়া কে তিনভাগে ভাবে করা হয়-
i) প্রাইমারি প্রক্রিয়া
ii) সেকেন্ডারি প্রক্রিয়া
iii) টারসিয়ারী প্রক্রিয়া

ইটিপির কার্যপ্রণালীর বেশ কিছু মূলনীতি আছে, আমরা এখানে কয়েকটি মূলনীতি নিয়েই আলোচনা করবো।


শব্দগুলোকে টেনে সঠিক উত্তরে বসাও

ইটখোলার বায়ু দূষণ পর্যবেক্ষণ

বাংলাদেশে প্রায় 5000 এর বেশি ইটখোলা আছে। এ থেকে বছরে 15 বিলিয়নের বেশি ইট উৎপন্ন হয়। এই সকল ইটখোলাতে জ্বালানী হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কয়লাসহ কাঠ ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া ইট খোলাতে বিভিন্ন প্রকার চুল্লী (যেমন- জিগজাগ চুল্লী, হফম্যান চুল্লী, বুলস ট্রেঞ্চ চুল্লী, বদ্ধ চিমনী চুল্লী) ব্যবহার করা হয়।

এসব চুল্লী গুলো সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গত করে যেটি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর গ্যাস। বাংলাদেশে এই চার প্রকার চুল্লী থেকে নির্গত বার্ষিক কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ ছিল 2002, 2005, 2007 এবং 2010 এ যথাক্রমে 8.862 Mt yr⁻¹, 10.048 Mt yr⁻¹, 12.783 Mt yr⁻¹, 15.250 Mt yr⁻¹।


সঠিক উত্তরে টিক দাও

বায়ুদূষণ যতই বাড়বে ততই আমাদের পক্ষে বিশুদ্ধ বাতাসে নিশ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। বায়ুদূষণ ভবিষ্যতে মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দাঁড়াবে। এবং এই মৃত্যুর অধিকাংশই হবে ভারত, বাংলাদেশ, চীনের মত দেশে।মানুষই বায়ুদূষণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। তাই মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে বায়ুদূষণ কমিয়ে আগামী দিনের মানুষের জন্য পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যাওয়া। পরিবর্তন নিজ থেকেই আসতে হবে। তোমরাও এগিয়ে আসো পৃথিবীকে সুন্দর করতে!