Uncategorized

রুই মাছ: শ্বসনতন্ত্র, প্রজনন

Supported by Matador Stationary

শ্বসনতন্ত্র


অক্সিজেন আর কার্বন ডাইঅক্সাইডের আদান-প্রদানই হল শ্বসন। অক্সিজেন দেহের ভেতর ঢুকবে আর কার্বন ডাইঅক্সাইড দেহ থেকে বের হবে। আরেকটু ভেঙে বলা যায়- অক্সিজেন দেহের কোষের ভেতর ঢুকে খাদ্যকে জারিত করবে। আর এর ফলেই নির্গত হবে কার্বন ডাইঅক্সাইড।

৪ জোড়া ফুলকা রুই মাছের শ্বসন অঙ্গ। এগুলো কানকোর নিচে ফুলকা-প্রকোষ্ঠে আবদ্ধ থাকে।

ফুলকার গঠন


প্রত্যেক ফুলকা দুটি সদৃশ অর্ধাংশ নিয়ে গঠিত। এই অর্ধাংশের নাম হল হেমিব্রাঙ্ক। আর পূর্ণ ফুলকা হল হোলোব্রাঙ্ক। প্রত্যেক হেমিব্রাঙ্কে এক সারি করে ফুলকা সূত্র বা ফুলকা ল্যামেলা থাকে।


(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


সঠিক উত্তরগুলোতে ক্লিক করো


শ্বসন কৌশল


রুই মাছে শ্বাসক্রিয়া ২ ভাবে ঘটে:-

ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


বায়ুথলি


মেরুদণ্ডের নিচে ও পৌষ্টিকনালির উপরে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট থলিটিই হল বায়ুথলি। এর আরেক নাম পটকা। এটা নানা ধরনের গ্যাসে পূর্ণ থাকে, যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি। বায়ুথলিটি ২টি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। সামনের প্রকোষ্ঠটি ছোট, কিন্তু পিছনেরটি আবার বড়। সামনের প্রকোষ্ঠটি একটি সরু নালি দিয়ে অন্ননালির সাথে যুক্ত থাকে। এই সরু নালিটির নামই হল নিউম্যাটিক নালি


এটা অন্তঃকর্ণের ওয়েবেরিয়ান অসিকলের সাথে যুক্ত থাকে। বায়ুথলির বাইরের দিকটা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ। এর প্রাচীর ২টি স্তর নিয়ে গঠিত:

ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো


প্রজননতন্ত্র


 

পুরুষ মাছে ১ জোড়া লম্বা শুক্রাশয় ও স্ত্রী মাছে ১ জোড়া লম্বা ডিম্বাশয় থাকে। এদের অবস্থান পটকার নিচের উদরীয় গহ্বরে।


প্রজনন 


রুই মাছ ২ বছর বয়সে জননক্ষম হয়ে ওঠে। স্রোতযুক্ত নদীর পানিতে জনন ঘটে। জুন-জুলাই মাসের দিকে এরা প্রজননের জন্য তৈরি হয়। প্রতি কেজি দেহ ওজনের জন্য একটি মাছ ১ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ডিম উৎপাদন করে।


নিষেক


রুই মাছের নিষেক দেহের বাইরে ঘটে বলে একে বহিঃনিষেক বলে। স্ত্রী মাছ পানিতে ডিম ছাড়লে পুরুষ মাছ তার উপর স্পার্ম ছড়িয়ে দেয়। এ সময় নদীর পানির তাপমাত্রা থাকে ২৭℃ ।



প্রিয় শিক্ষার্থীরা, এরই সাথে এখানে শেষ করছি আমাদের এই স্মার্টবুকটি। তোমাদের জানার পরিধি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারলেই আমাদের এই স্বল্প প্রয়াস হবে সার্থক।