Uncategorized

উদ্ভিদবিজ্ঞান সম্পর্কিত বিভিন্ন শব্দের ব্যাখ্যা

Supported by Matador Stationary

রিয়া : আমাকে কয়েক ধরণের ফলের নাম বলতো।
হিয়া : আম, জাম, লিচু।
রিয়া : আমি তো বললাম, কয়েক ধরণের ফলের নাম বলতে। তুই তো একই ধরণের ফলের নাম
বলে দিলি আমাকে।
হিয়া : তুমি কী বলছো আপু? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
রিয়া : শোন, ফলের ধরণ অনুযায়ী বা সহজ কথায় ফলের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে
প্রায় সব ফলকেই আলাদা করে বিভিন্ন ভাগে ফেলা হয়েছে। এর জন্যই আমি তোকে কয়েক
ধরণের ফলের কথা বলতে বলেছি।
হিয়া : কী সেগুলো তুমি জানো?
রিয়া : হ্যাঁ, বেশ কয়েকটার নাম আমি জানি। শুনবি?
হিয়া : হ্যাঁ, তুমি বল।
রিয়া : প্রথমেই আসে প্রকৃত ফল, ঠিক এর বিপরীত হল অপ্রকৃত ফল। আবার আছে সরল
ফল
, সরল ফলের বিপরীত হল গুচ্ছিত ফল। আরো বিশেষ কিছু ভাগে ফলকে ভাগ
করা যায়। যেমনঃ লিগিউম, ক্যাপসিউল হল এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আরো আছে,
কিছু ফল যাদের কোন প্রকোষ্ঠ নেই আবার বীজও একটি, এদের বলে ক্যারিওপসিস, ঠিক
তেমনি অনেক গুলো প্রকোষ্ঠ ও অনেক গুলো বীজ আছে এমন ফলকে বলে বেরি।


উপরের টপিক থেকে কেমন শিখলে, যাচাই করে নাও-


হিয়া : তাহলে, ফুলের মধ্যেও কি এই রকম হয়?
রিয়া : হ্যাঁ হয়। ফলের মত এত সহজ না। ফুলের ভাগ করাটা একটু জটিল।
হিয়া : বলতো শুনি।


এ পর্যন্ত কেমন শিখলে, যাচাই করে নাও-


রিয়া : এগুলো ছাড়াও, একটা ফুলকে ঠিক মাঝ বরাবর কাটলে ঠিক কতটা একেবারে সমান অংশ পাওয়া যাবে এর উপর ভিত্তি করেও আলাদা করা হয়েছে। যেমনঃ একপ্রতিসম, বহুপ্রতিসমঅপ্রতিসম
হিয়া : অনেক জটিল ব্যপার গুলো।
রিয়া : এই শুনেই তোর জটিল লাগলো। বাকী গুলো শুনলে কী করবি?
হিয়া : বাকী মানে? আরো আছে নাকি?
রিয়া : হ্যাঁ। ফুলের পাপড়ি গুলো ভ্রূণ অবস্থায় কীভাবে সাজানো থাকে। এর উপর ভিত্তি করেও
ভাগাভাগি করা হয়েছে।

চল বন্ধুরা আমরাও জেনে নিই রিয়া কী বলল হিয়া কে।

এস্টিভেশন: মুকুল অবস্থায় একটি ফুলের পাপড়ি গুলো কী ভাবে সাজানো থাকে, তাকে এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস বলে।
(বিস্তারিত জানতে লাল রঙের পয়েন্টারের উপর ক্লিক বা স্পর্শ কর)


সঠিক উত্তরটি ক্লিক করো-

হিয়া : ফুল ফল নিয়ে এত কাহিনী, পাতা নিয়ে এই রকম কিছু নাই?
রিয়া : আছে তো। শোন তাহলে।

চল বন্ধুরা আমরাও জেনে নিই।





রিয়া : জানিস, কাণ্ডের আগায় মুকুল বা অন্য কথায় যাকে মঞ্জরী বলা হয় সেগুলো কীভাবে
আছে তার উপর ভিত্তি করেও ভাগ করা হয়েছে।
হিয়া : কী রকম?
রিয়া : এদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়। রেসিমোস আর সাইমোস। এদের মধ্যে রেসিমোসের
আবার আলাদা আলাদা ভাগ রয়েছে।
হিয়া : কী সেগুলো?

চল বন্ধুরা আমরা জেনে নিই রেসিমোসের আরো ভাগ গুলো কী কী।

ধরণ

বৈশিষ্ট্য

দেখতে কেমন?

রেসিম

(সরিষা)

মঞ্জরীদণ্ড লম্বা ও অনিয়মিত ভাবে বাড়তে থাকে

স্পাইক

(রজনীগন্ধা)

মঞ্জরীদণ্ড লম্বা ও অনিয়মিত ভাবে বাড়তে থাকে। এতে অবৃন্তক পুষ্প থাকে

 

স্পাইক্লেট

(ধান, গম)

মঞ্জরীদণ্ড ছোট। এর গোড়ার দিকে দুইটি অপুষ্পক গ্লুম, তার উপরে একটি সপুষ্পক গ্লুম থাকে।

ক্যাপিচুলাম

(গাঁদা, সূর্যমুখী)

মঞ্জরীদণ্ড ছোট, মোটা ও প্রশস্ত হয়।


গ্লুম: এটি হল পাতার মত দেখতে এক ধরণের অংশ, যাকে সহজ কথা শস্যের তুষ বলা চলে।


সত্য-মিথ্যা নির্ণয় কর:





রিয়া : তোকে তো আরেকটা ব্যাপারে বলিই নাই।
হিয়া : কোন ব্যাপারে?
রিয়া : প্লাসেন্টা।
হিয়া : এটা আবার কী?
হিয়া : প্লাসেন্টা হল ফুলের গর্ভাশয়ের এমন এক ধরণের টিস্যু যা থেকে ডিম্বক সৃষ্টি হয়।

বিভিন্ন ধরণের প্লাসেন্টা হতে পারে, চল দেখে নিই কী সেগুলো।

ধরণ

বৈশিষ্ট্য

দেখতে কেমন হবে?

মার্জিনাল

( মটরশুঁটি , শিম)

একপ্রকোষ্ঠ গর্ভাশয়ের কিনারা বরাবর প্লাসেন্টা থাকে

অ্যাক্সাইল

( জবা)

একাধিক প্রকোষ্ঠ গর্ভাশয়ের মধ্য বরাবর প্লাসেন্টা থাকে

ফ্রি সেন্ট্রাল

(নুনিয়া শাক)

একপ্রকোষ্ঠ গর্ভাশয়ের মধ্য বরাবর প্লাসেন্টা থাকে

প্যারাইটাল

( শশা, লাউ)

এক বা একাধিক প্রকোষ্টের গর্ভাশয়ের পরিধি বা দেয়ালের দিকে প্লাসেন্টা থাকে

বেসাল

(সূর্যমুখী)

একপ্রকোষ্ঠ গর্ভাশয়ের গোড়ার দিকে প্লাসেন্টা থাকে

এ্যাপিক্যাল

(লাল পাতা)

একপ্রকোষ্ঠ গর্ভাশয়ের শীর্ষে প্লাসেন্টা থাকে


কেমন শিখলে, যাচাই করে নাও-

Never Stop Learning…

ফেসবুকে 10 Minute School এর যেকোনো বিষয়ের আপডেট পেতে Join কর 10 MINUTE SCHOOLLIVE! ফেসবুক Group এ