বুনসেন বার্নার ও স্পিরিট ল‍্যাম্প

বুনসেন বার্নার ও স্পিরিট ল‍্যাম্প


বুনসেন বার্নার:

সর্বপ্রথম ১৮৫৫ সালে বিজ্ঞানী রবার্ট বুনসেন ‘বুনসেন বার্নার’ আবিষ্কার করেন। গঠনগত দিক দিয়ে একটি বার্নারের মোট তিনটি অংশ আছে। সেগুলো হলো:

১) বেস বা নিচের অংশ: যার পার্শ্বনল দিয়ে জ্বালানি গ্যাস বার্নার টিউবে ঢুকবে।
২) পার্শ্ব ছিদ্রযুক্ত বার্নার টিউব: যার নিচের দিকে বায়ুছিদ্র পথ থাকে এবং এই বায়ুছিদ্র বরাবর চক্রাকারে একটি খাঁজ এবং বেসের সাথে সংযুক্ত করার জন্যে একটি স্ক্রু থাকে।
৩) ছিদ্রযুক্ত বায়ু নিয়ন্ত্রক রিং: যা বার্নার টিউবে খাঁজ বরাবর চক্রাকারে ঘুরে এবং বায়ুছিদ্র ও বার্নার টিউবের বায়ুছিদ্র পথ এক করে দেয়।

স্পিরিট ল্যাম্প:

স্পিরিট ল্যাম্প হলো সাধারণ একটি প্রদীপ, যার কাচ বা ধাতব পাত্রের মুখে সলিতা যুক্ত করার ব্যবস্থা থাকে এবং জ্বালানী হিসেবে “স্পিরিট” ব্যবহৃত হয়। স্পিরিট ল্যাম্পে অনুজ্জ্বল শিখা উৎপন্ন হয়। কম তাপ উৎপাদন করে দেখে স্পিরিট ল্যাম্প ল্যাবরেটরিতে স্বল্প তাপের জন্য ব্যবহার করা হয়।

বুনসেন বার্নারের শিখা:



এবার চল এতক্ষণ বুনসেন বার্নার নিয়ে যেই জিনিসগুলো শিখলাম, সেগুলোর উপর ছোট্ট একটা কুইজ দিয়ে ফেলি!





ল্যাবরেটরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তাপ দেয়ার কৌশল:

ওয়াটার বাথে রেখে উত্তপ্ত করব, আবার পোরসেলিন বাটি ব্যবহার করে তাপ দিব। সহজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময়ে তাপ দিতে যেমন টেস্টটিউব ব্যবহার করব আবার অন্যদিকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিকার, কনিকেলগোলতলি ফ্লাস্কেও।

 

এবার চলো বুনসেন বার্নারের উপর আরও কিছু কুইজ দিয়ে ফেলি!