সাধারণ জ্ঞান

এলাকাভিত্তিক সম্পদ ও উৎপাদন

Supported by Matador Stationary

কৃষিজ সম্পদ


পণ্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা

পণ্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা
পাট ফরিদপুর
ধান ময়মনসিংহ
আলু মুন্সিগঞ্জ
আম রাজশাহী
চা মৌলভীবাজার
গম ঠাকুরগাঁও
তুলা ঝিনাইদহ
ভুট্টা দিনাজপুর

 

কৃষিবিষয়ক কিছু সংস্থার অবস্থান

সংস্থার নাম অবস্থান
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
বাংলাদেশ প্রাণিসিম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট সাভার, ঢাকা
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ আম গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র নশিপুর, দিনাজপুর
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ফার্মগেট, ঢাকা

 

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ

মৎস্য উৎপাদন বাংলাদেশ নদীমাতৃক। এ দেশ বিশাল জলসম্পদে সমৃদ্ধ। সারাদেশ জুড়ে রয়েছে অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় ও পুকুর। তার দক্ষিণে অন্তহীন সমুদ্র। মৎস্য উৎপাদনের বিস্তৃত ক্ষেত্র পড়ে আছে এ দেশের সর্বত্র। তাতে রয়েছে অসংখ্য প্রজাতির মাছ। জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থুল জাতীয় উৎপাদনে এ খাতের অবদান শতকরা প্রায় ৪ ভাগ এবং কৃষির উৎপাদনে শতকরা ২১ ভাগ। জাতীয় রফতানি আয়ে মৎস্য খাতের শরিকানা শতকরা প্রায় ৪ ভাগ। আমাদের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় প্রাণিজ আমিষের শতকরা ৫৮ ভাগ সরবরাহ আসে মাছ থেকে। এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডে প্রায় ১৩ লাখ শ্রমিক সার্বক্ষণিকভাবে এবং ১ কোটি ২৫ লাখ শ্রমিক খন্ডকালীনভাবে নিয়োজিত আছে। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে, কর্মসংস্থানে, দারিদ্র্য মোচনে এবং প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি দূরীকরণে মৎস্য খাতের উন্নয়ন নিতান্ত অপরিহার্য। বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রধানত অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক এ দুই ভাগে ভাগ করা যায়।এ দেশে মাছের বার্ষিক উৎপাদন ২৫.৬৩ লাখ মেট্রিক টন (২০০৭-২০০৮ সালের তথ্য অনুসারে)। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ ৮০.৫৯ শতাংশ এবং সামুদ্রিক জলসম্পদ থেকে প্রাপ্ত মাছের হিস্যা ১৯.৪১ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগৃহীত মাছের শতকরা ৪১.৩৬ ভাগ সরবরাহ আসে মুক্ত জলাশয় থেকে এবং ৩৯.২৩ ভাগ আসে বদ্ধ জলাশয় থেকে। সামুদ্রিক মৎস্যের শতকরা ৯৩.১৩ ভাগ যোগান আসে আর্টিশনাল বা চিরায়ত আহরণ পদ্ধতির মাধ্যমে, আর বাকি ৬.৮৭ শতাংশ আসে ট্রলার কেন্দ্রিক শিল্পায়িত আহরণের মাধ্যমে।

 


বিস্তারিত জানতে turn এ ক্লিক করো!





Fatal error: Call to undefined function wp_pagenavi() in /home/ab87442/public_html/hsc/wp-content/themes/sociallyviral/content-single.php on line 56