Uncategorized

বিভিন্ন প্রকারের ফুয়েল সেল, প্রকারভেদ, সুবিধা, অসুবিধা

Supported by Matador Stationary

বর্তমানে প্রায় অনেক মানুষের কাছে গাড়ি আছে।যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা যায়।এই বিশাল সংখ্যার গাড়ি গুলোকে চালাতে গেলে প্রয়োজন প্রচুর পরিমানের জ্বালানী, আর দিনদিন জ্বালানীর সরবরাহ অর্থাৎ তেলের পরিমান কমে আসছে আমাদের কাছে। তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের গাড়ি গুলো কোথা থেকে জ্বালানী পাবে? হুটকরে ভাবতে গেলে বলতে পারি, আমাদের বর্তমান গাড়ি গুলোকে আরো দক্ষ করে প্রস্তুত করতে হবে যাতে এরা অনেক কম জ্বালানী খরচ করে। আর একটু দীর্ঘ মেয়াদি চিন্তা করতে চাইলে বলতে হয়, পেট্রোল আর ডিজেলের ইঞ্জিনের উপর নির্ভরশীল না থেকে আরো সম্ভাবনার দিকে চিন্তা করা উচিত। সেক্ষেত্রে প্রথমেই মাথায় আসে ইলেকট্রিক ফুয়েল সেল এর ব্যাপারটি।ফুয়েল সেল অনেকটা ব্যাটারির মতো, যা হাইড্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে চলে আর এই গাড়ি গুলো হবে নিঃশব্দের আর পরিবেশ বান্ধব।এখন চল ফুয়েল সেল বা জ্বালানি কোষ সম্পর্কে আর কিছু জেনে আসি।

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে যেসব প্রযুক্তির কথা সম্প্রতি বেশি শোনা যাচ্ছে তার মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি হলো ফুয়েল সেল বা জ্বালানি কোষ। কিন্তু কি এই ফুয়েল সেল? ফুয়েল সেল হচ্ছে এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যেখানে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় সরাসরি ডিসি কারেন্ট হয় এবং বাই প্রোডাক্ট হিসেবে পানি এবং তাপ উৎপন্ন হয়। অন্যান্য সাধারণ তড়িৎ রাসায়নিক কোষের মতো ফুয়েল সেলেও অ্যানোড এবং ক্যাথোডের মাঝে ইলেক্ট্রোলাইট থাকে। এর গঠন অনেকটা স্যান্ডউইচের মতো। অন্যোডে হাইড্রোজেন ভেঙ্গে তৈরি হয় প্রোটন (H⁺) এবং ইলেকট্রন (e-)। প্রোটনটি ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্য দিয়ে ক্যাথোডে গিয়ে অক্সিজেনের সাথে মিশে তৈরি করে পানি। আর এই ইলেকট্রনের চলাফেরায় তৈরি হয় বিদ্যুৎ।

ফুয়েল সেল


জ্বালানি কোষের নকশা


(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত

জ্বালানি কোষের বৈশিষ্ট্য ও  প্রকারভেদ


ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত

সত্য মিথ্যা যাচাই করো