Uncategorized

পলিমার ও প্লাস্টিসিটি

হাইলাইট করা শব্দগুলোর উপর মাউসের কার্সর ধরতে হবে। মোবাইল ব্যবহারকারীরা শব্দগুলোর উপর স্পর্শ করো-

তোমরা সবাই নিশ্চয় তাসের ঘর এর কথা শুনেছ। তাসের কার্ড দিয়ে কিভাবে ক্ষণস্থায়ী তাসের ঘর বানায় তা অনেকেই দেখছ অথবা জানো। একটি তাসের ঘর অনেকগুলো তাসের কার্ডের সমন্বয়ে তৈরি হয়। ঠিক যেমন একটি পলিমার অনেকগুলো মনোমারের সমষ্টি। সেভাবে, একটি তাসের ঘর এর মনোমার একটি তাসের কার্ড বিবেচনা করা যায়। চলো বন্ধুরা আমরা এখন পলিমার ও মনোমার সম্পর্কে আরো কিছু জেনে নিই।

পলিমার

পলিমার শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে। Poly (গ্রিক Polus)-র মানে ‘বহু’ এবং mer (গ্রিক-meros)- এর মানে হল ‘অংশ’। অনেকগুলো মনোমার অণু শাখা শিকলের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে যখন বিশাল কোনো অণু গঠন করে তখন তাকে পলিমার বলে। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় এই মনোমার অণুর দল যেন- “এক সূত্রে গাঁথিয়াছে সহস্রটি মন, এক কাজে সপিয়াছে সহস্র জীবন।” অ্যালকিন ও অন্যান্য প্রতিস্থাপিত অ্যালকিনসমূহ উচ্চচাপ, উচ্চতাপ ও অনুঘটকের উপস্থিতিতে এক অণু ওপর অণুর সাথে পরপর যুক্ত হয়ে উচ্চ আণবিক ভর বিশিষ্ট যৌগ গঠন করে পলিমার সৃষ্টির প্রক্রিয়াই পলিমারকরণ বিক্রিয়া।



যুত বা সংযোজিত পলিমারকরণ বিক্রিয়া


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো-


পলিথিনের প্রকারভেদ (বিক্রিয়াশর্ত ও অনুঘটকের ভিত্তি)


ঘনীভবন পলিমারকরণ বিক্রিয়া


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো-


পলিমারের শ্রেণীকরণ

(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত-


নিচের কোনটা কোন ধরণের পলিমার মিল করো।


মনোমার ও পলিমারের কিছু ব্যাপার

ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত-


প্লাস্টিক

ঘরে-বাইরে এখন প্রায় ব্যবহৃত হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল। এক বোতল পানি কিনে খেলেন তো বোতলটা হয়ে গেল বারবার পানি খাওয়ার আধার। যত দিন যায় আর কি। প্রশ্ন হচ্ছে, এসব প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত বা শরীরের জন্য নিরাপদ? এ প্রশ্নর উত্তর খুঁজতে গেলে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মানের বিষয়টি প্রথমে এসে যায়। কোন ধরনের প্লাস্টিক স্বাস্থ্যসম্মত?
এখনকার যুগে প্লাস্টিকের তৈরি জিনিস ছাড়া জীবন চালানো একটু কঠিনই। ঘরের নানা কাজে প্লাস্টিকের সামগ্রী যে কত ব্যবহার করা হচ্ছে, এর কোনো হিসাব নেই। এই প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রের ঠিক তলায়ই আছে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা। সেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে তিনকোনা রিসাইক্লিং চিহ্নের মধ্যেই দেওয়া আছে সতর্ক নম্বর। কোন বোতল বা পাত্র কতবার ব্যবহার করা যাবে, ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ হবে—তা জানা যায় । এসব নম্বর ১ থেকে ৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। পাশে থাকে সাংকেতিক কোড। এর মধ্যে ২, ৪ ও ৫ —এই তিনটি নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। ১ ও ৭ নম্বরযুক্ত প্লাস্টিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। আবার ৩ ও ৬ নম্বরযুক্ত প্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ। আবার আমরা জানি, সব প্লাস্টিকই পলিমার, কিন্তু সব পলিমারকে প্লাস্টিক বলা যায় না। কারণ, সকল পলিমারের ক্ষেত্রে প্লাস্টিকত্ব বৈশিষ্ট্য দেখা যায় না।

আশা করি, এই স্মার্ট বুকটি থেকে তোমরা পলিমার ও প্লাস্টিসিটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছো। 10 Minute School এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য শুভকামনা রইলো।