এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র

ল‍্যাবরেটরি ব‍্যবহার বিধি (নিরাপদ কৌশল ও পরিষ্কার করার কৌশল)

Supported by Matador Stationary

ল্যাবরেটরি ব্যবহার বিধি – রসায়ন পরীক্ষাগারে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিম্নের প্রয়োজনীয় বিধান অনুসরণ করতে হবে ।

 

 

ল্যাব কোট এর প্রয়োজনীয়তা জানার জন্য ‘Turn’ এ ক্লিক কর! 

 

 

বিভিন্ন হ্যান্ড গ্লাভস সম্পর্কে জানতে ‘Turn’ এ ক্লিক কর!

 

 

‘+’ চিহ্নিত অংশগুলোতে ক্লিক কর। 

 

 

 

রসায়ন ল্যাবরেটরিতে গ্লাসসামগ্রী ব্যবহারের নিরাপদ কৌশল

রসায়ন বিজ্ঞানের অন্যতম রহস্যের নাম। শুনে অবাক লাগতেই পারে কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি রসায়নের ভিতরে যেই অদ্ভুত সব পদার্থ আছে , সেগুলো কৃত্রিম কিংবা প্রাকৃতিক মৌল থেকে কিভাবে উৎপন্ন হচ্ছে ? এরই রহস্য খুঁজে পাওয়া যাই রসায়ন ল্যাবরেটরিতে যখন এই পদার্থগুলিই প্রস্তুত করা হয় বিবিধ উপায়ে। আর তাদেরকে সংরক্ষণ করা বা প্রস্তুত করার পর তাদের নিয়ে নানান পরীক্ষা চালনোর সময়ে আমরা বিভিন্ন  ধরনের গ্লাসসামগ্রী  ব্যবহার করে থাকি । আবার পরীক্ষাগারে যেই গ্লাসসামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো  কাঁচের উপাদান অনুসারে ২ ভাগে বিভক্ত হয়।  এসকল গ্লাসসামগ্রী দিয়ে কাজ করার সময়ে অসাবধানতা থেকে বা আঘাত লেগে গ্লাস ভেঙে যেতে পারে । ভাঙা গ্লাসের কাঁচ ধারালো বিধায় তা দিয়ে কাজ করতে থাকলে হাত কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । তাই সচেতনতার স্বার্থে ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময়ে  গ্লাসের যন্ত্রপাতি ভাঙার সম্ভাব্য কারনগুলো আমাদের জেনে নিতে হবে।

২) পাইরেক্স গ্লাস স্বচ্ছ এবং অ্যালুমিনিয়াম অথবা জিংক ও বেরিয়াম বোরো সিলিকেটস দিয়ে তৈরি গ্লাস । যেহেতু শক্ত গ্লাস অধিক তাপ সহ্য করতে পারে এবং অনেক শক্ত হয়, তাই এদের ল্যাবরেটরিতে নিরাপদে ব্যবহার করা হয় । সহজে ভাঙে না এবং নরম হয়ে গলে যায় না । কনিকেল ফ্লাস্ক, মেজারিং সিলিন্ডার, আয়তনিক ফ্লাস্ক, পিপেট, ব্যুরেট ইত্যাদি পাইরেক্স গ্লাসের তৈরী ।

 

 

সঠিক ও ভুল বাক্য নির্ণয় কর।