অষ্টম শ্রেণি: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা

Supported by Matador Stationary

আধুনিক গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হলো নির্বাচন। এই বেছে নেওয়ার ব্যাপারটি হয় গোপন ভোটের মাধ্যমে। ভোটের ফলাফলে জয়ী প্রার্থীরা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সরকার গঠন, আইন প্রণয়ন ও শাসন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেন। আমাদের দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জাতীয় সংসদ এবং রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন হয়। নির্বাচন সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে। সুষ্ঠু নির্বাচনে মাধ্যমে উপর্যুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করা গেলেই কোনো দেশে গণতন্ত্রের প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব।



নির্বাচন পদ্ধতি






খ) স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন : দেশের শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে স্থানীয় পর্যায়ে আরও কয়েক ধরনের সরকার চালু রয়েছে। যেমন গ্রামাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ। শহরাঞ্চলে পৌরসভা, নগর বা সিটি কর্পোরেশন ইত্যাদি। নিচে এসব স্থানীয় সরকারের নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :


শূণ্যস্থানে সঠিক শব্দটি বসিয়ে ঝালাই করে নাও নিজেকে!



নির্বাচনি এলাকা

প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য পুরো দেশকে কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় বিভক্ত করা হয়। এরূপ প্রতিটি নির্দিষ্ট এলাকাকে এক একটি নির্বাচনি এলাকা বলা হয়। বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি এলাকার সীমারেখা বিভিন্ন রকম হয়। যেমন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরো দেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়। একইভাবে সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের স্ব স্ব সীমারেখাকে আলাদা আলাদা নির্বাচনি এলাকা হিসাবে ধরা হয়। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ করে। এক এলাকার ভোটার অন্য এলাকায় ভোট দিতে পারে না। নির্বাচন পরিচালনা এবং নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণাও এলাকাভিত্তিক হয়ে থাকে।


নির্বাচন আচরণবিধি

নির্বাচন কমিশনের একটি অন্যতম কাজ নির্বাচনি আচরণবিধি তৈরি করা। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার স্বার্থে এটি করা হয়। কারণ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময় নাগরিকরা কী ধরনের আচরণ করবে তার একটি নীতিমালা তৈরি করে দেয়। একেই বলা হয় নির্বাচনি আচরণবিধি।




ভোটাধিকারের যোগ্যতা