অষ্টম শ্রেণি: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক

Supported by Matador Stationary

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রায়ই একটা কথা শুনে থাকি যে, একটি কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করে থাকে। কিন্তু কীভাবে এই তথ্য আসলে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে যায়? এটি মূলত হয় কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। তাহলে চলো বন্ধুরা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত জেনে আসা যাক।

নেটওয়ার্কের ধারণা

নেটওয়ার্কের পুরোপুরি ধারনা পেতে হলে নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্ক আছে এরকম কিছু যন্ত্রপাতির কথা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

নিচের চিত্রে (+) চিহ্নিত অংশে ক্লিক করে জেনে নেই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে!


টপোলজি

নেটওয়ার্কে জুড়ে দেওয়া কম্পিউটারগুলোর অবস্থানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে কিছু ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

  • PAN
  • LAN
  • MAN
  • WAN

নেটওয়ার্কের অন্তর্গত কম্পিউটারগুলো জুড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। এই ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিকে বলা হয় নেটওয়ার্ক টপোলজি

নিচের স্লাইডগুলো হতে জেনে নেই বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সম্পর্কে!


টপোলজির নামগুলো সঠিক স্থানে বসাও
 


নেটওয়ার্কের ব্যবহার

নেটওয়ার্কের সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে তথ্যকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা। আগে একটি তথ্য সবার কাছে পৌছে দেওয়া অসম্ভব ও কঠিন একটি কাজ ছিল। এখন মুহূর্তের মধ্যে একটি তথ্য শুধু যে নিজের পরিচিতদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারি তা নয়, সেটি সারা দেশে এমনকি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে পারি।

বিশেষ বিশেষ প্রতিষ্ঠান বিশেষ বিশেষ তথ্যকে নিজের জন্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে কিন্তু অন্যান্য সাধারণ তথ্য এখন সবার জন্য উন্মুক্ত। একজন খুব সাধারণ মানুষ আর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মানুষ দুজনেরই পৃথিবীর তথ্যভান্ডারে সমান অধিকার। দুজনেই একই তথ্যভান্ডার থেকে একই তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

এক সময় যে তথ্যগুলো কাগজে সংরক্ষণ করতে হতো, এখন সেটি ডেটাবেসে সংরক্ষণ করা হয়। এখন কম্পিউটরে আঙুলের টোকায় নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যে কেউ ডেটাবেসে তথ্য রাখতে পারে, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে। একসময় যে কাজটি করার জন্য অনেক ধরণের কাগজপত্র অনেক ধরণের রাখার প্রয়োজন হতো, এখন সেটি কোনো শক্তিশালী কম্পিউটারের ডেটাবেসে রাখা হয়।

কাগজপত্রের ব্যবহার দিন দিনে কমে যাচ্ছে। এর একটি উদাহরণ হচ্ছে বিমানের টিকেট। এক সময় বিমানের যাত্রীদের টিকিট হাতে নিয়ে বিমানবন্দরে যেতে হতো। এখন সারা পৃথিবীতে ই-টিকিটের প্রচলন হয়েছে এবং বিমানের কোনো যাত্রীকে আর বিমানের টিকিট হাতে নিতে হয় না। বিমানের কর্মকর্তারা যাত্রীর পরিচয় থেকে সরাসরি তার টিকিটের তথ্য পেয়ে যান এবং যাত্রীদের বিমান ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দেন।

সেই দিনটি আর বেশি দূরে নয়, যখন কাউকে আর নিজের পাসপোর্টটি সাথে নিয়ে ভ্রমন করতে হবে না। যখন প্রয়োজন হবে, তখন তার আঙ্গুলের ছাপ কিংবা চোখের রেটিনা স্ক্যান করে ডেটাবেস থেকে তার সকল তথ্য বের করে নিয়ে আসা হবে।

একসময় সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়ার প্রত্যেকটি কম্পিউটারেই আলাদাভাবে রাখার প্রয়োজন হতো। এখন আর সেটি রাখতে হয় না। একটি মূল কম্পিউটার বা সার্ভারে সফটওয়্যার রাখা হয় এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য সব কম্পিউটারে সার্ভারে রাখা সেই সফটওয়ার ব্যবহার করে।

কাজেই ব্যক্তিগত ভাবে একজন মানুষ কোনো মূল্যবান সফটওয়ার না কিনেই বিনামুল্যে বা অত্যন্ত কম মূল্যে সেটি ব্যবহার করতে পারে। শুধু যে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে তা নয়, একজন মানুষ তার ব্যক্তিগত সবকিছুই নিজের কম্পিউটারে না রেখে অন্য কোথাও রেখে দিতে পারে। যে কোনো সময় পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় থেকে সেটি ব্যবহার করতে পারে, সেরকম ব্যবস্থাও রয়েছে। এরকম একটি জনপ্রিয় সেবার নাম ড্রপবক্স।

jsc-ict-chapter-3-dropbox

তথ্যপ্রযুক্তির নানা ধরণের সেবা পাওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে সব সময়ই নানা ধরণের যন্ত্রপাতি, সার্ভার ইত্যাদি কিনতে হয়। সেগুলো ঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্যে দক্ষ মানুষ নিয়োগ দিতে হয়, সেই যন্ত্রপাতি বা সার্ভারে ব্যবহার করার জন্য মূল্যবান এবং জটিল সফটওয়্যার কিনতে হয়। অনেক সময়েই একটি সেবার সাময়িক প্রয়োজন হয় এবং সেই সাময়িক সেবার জন্যও প্রতিষ্ঠানটিকে অনেক খরচ সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। শুধু তাই নয়, তথ্যপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি এত দ্রুত উন্নত হচ্ছে যে, অনেক অর্থ দিয়ে নানা ধরণের যন্ত্রপাতি কেনার কয়েক বছরের মধ্যে দেখা যায় তার আর্থিক মূল্য কমে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ধরণের পরিস্থিতির কারণে তথ্যপ্রযুক্তি জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং নামে একটি নতুন ধরণের সেবা জন্ম নিয়েছে। যেকোনো ব্যবহারকারী বা যেকোনো প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কম্পিউটারের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কম্পিউটারের সেবা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তার জন্যে সবকিছু করে দেবে। ব্যবহারকারীর প্রয়োজনটি সাময়িক হলে সে সাময়িকভাবে এটি ব্যবহার করবে এবং যতটুকু সেবা গ্রহণ করবে, ঠিক ততটুকু সেবার জন্য মূল্য দিবে।

এই ধারণাটি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং পৃথিবীতে ক্লাউড কম্পিউটারের প্রচলন ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। তোমরা কিংবা তোমাদের পরিচিত কেউ যদি Hotmail, Yahoo! বা Gmail ব্যবহার করে কোনো ই-মেইল পাঠিয়ে থাকো তাহলে সেটি ক্লউড কম্পিউটিং ব্যবহার করে করা হয়েছে। কিংবা তুমি যদি বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকাতে কোনো বাংলা তথ্য খুঁজে দেখো, তাহলে সেটিও ক্লাউড ব্যবহার করে করা হয়েছে।

নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সারা পৃথিবীতে সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের এক ধরণের যোগাযোগ শুরু হয়েছে। সামাজিক নেটওয়ার্কে একে অন্যের সাথে ছবি, ভিডিও বা তথ্য বিনিময় করতে পারে, ইমেইল পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারে, মেসেজ দেওয়া নেওয়া করতে পারে। এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক ও টুইটার।
jsc-ict-chapter-2-social-networks

মানুষের বিনোদনের জন্য নেটওয়ার্কের ব্যবহার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একসময় একটি সিনেমা দেখার জন্য মানুষকে সিনেমা হলে যেতে হতো কিংবা সিডি কিনে দেখতে হতো। এখন সরাসরি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন দর্শক সিনেমাটি ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারে। নেটওয়ার্কের ব্যবহার বিনোদনের জগতে নতুন একটি মাত্রা যুক্ত করেছে।

নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আজকাল টেলিফোন করা যায়। টেলিফোনে শুধু যে কন্ঠস্বর শোনা যায় তা নয়, আমরা যার সাথে যোগাযোগ করছি তাকে দেখতেও পারি।

অফিসের কাজে ফাইল দেওয়া নেওয়া করতে হয়, সেগুলোর প্রক্রিয়া করতে হয়। নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এখন এই ফাইল প্রক্রিয়া করার কাজগুলোও অনেক দক্ষতার সাথে করা হয়।

রাষ্ট্রপরিচালনা, নিরাপত্তা এমনকি যুদ্ধবিগ্রহেও নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

নতুন পৃথিবীতে সম্পদ হচ্ছে তথ্য। যে যত দক্ষতার সাথে তথ্য ব্যবহার করতে পারবে, নতুন পৃথিবীতে সে-ই হবে ততো শক্তিশালী। তাই ভবিষ্যতে আমরা নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে নতুন নতুন পদ্ধতির ব্যবহার দেখব সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।


নেটওয়ার্ক-সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি


নেটওয়ার্ক-সংশ্লিষ্ট আরও কিছু যন্ত্রপাতি

মডেম

ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র, যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগন্যালকে রূপান্তর করে নেটওয়ার্কে প্রেরণ এবং নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগন্যালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে।

JSC-ICT-Chapter-2-Modem

পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL মডেল ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমানে Wi-fi মডেম ব্যবহৃত হচ্ছে।

ল্যান কার্ড

দুই বা অধিকসংখ্যক কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করতে যে যন্ত্রটি অবশ্যই প্রয়োজন হয়, তা হলো ল্যান কার্ড। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাই, তবে অবশ্যই ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে ল্যান কার্ডের ভুমিকা ইন্টারপ্রেটারের মতো।

JSC-ICT-Chapter-2-LAN-Card

বর্তমানে পাওয়া যায় এমন প্রায় সব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা আইসিটি যন্ত্রের মাদারবোর্ডের সাথেই ল্যান কার্ড সংযুক্ত থাকে। তারপরও কিছু আইসিটি যন্ত্রে আলাদা করে ল্যান কার্ড সংযুক্ত করতে হয়। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে এখন তারবিহীন ল্যান কার্ড খুবই জনপ্রিয়।


স্যাটেলাইট ও অপটিক্যাল ফাইবার

নেটওয়ার্ক এখন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে সিগন্যাল পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় পৌছে দিতে হয। কাছাকাছি জায়গা হলে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে পাঠানো যেতে পারে কিন্তু পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাঠাতে হলে স্যাটেলাইট বা অপটিক্যাল ফাইবার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

স্যাটেলাইট

স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। পৃথিবীর মহাকর্ষ বলের কারণে এটি ঘুরে, তাই এটিকে মহাকাশে রাখার জন্য কোনো জ্বালানি বা শক্তি খরচ করতে হয় না।

পৃথিবী তার অক্ষে চব্বিশ ঘন্টায় ঘুরে আসে, স্যাটেলাইটকেও যদি ঠিক চব্বিশ ঘন্টায় একবার পৃথিবীকে ঘুরিয়ে আনা যায় তাহলে পৃথিবী থেকে মনে হবে সেটি বুঝি আকাশের কোনো এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। এ ধরণের স্যাটেলাইটকে বলে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট

স্যাটেলাইট দিয়ে যোগাযোগ করার দু’টি সমস্যা রয়েছে। যেহেতু স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে অনেক উঁচুতে থাকে তাই সেখানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য অনেক বড় এন্টেনার দরকার হয়। দ্বিতীয় সমস্যাটি একটু বিচিত্র। পৃথিবী থেকে যে সিগন্যাল পাঠানো হয় সেটি ওয়্যারলেস সিগন্যাল । ওয়্যারলেস দ্রুত বেগে গেলেও এই বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করতে একটু সময় নেয়। তাই টেলিফোনে কথা বললে অন্য পাশ থেকে কথাটি সাথে সাথে না শুনে একটু পরে শোনা যায়।

অপটিক্যাল ফাইবার

অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু এক ধরণের প্লাস্টিক কাচের তন্তু। অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যাল পাঠানো হয় ঠিক যেমনি বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল পাঠানো হয়।


একটি অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে একসাথে কয়েক লক্ষ টেলিফোন কল পাঠানো সম্ভব।

পৃথিবীর সব দেশেই অপটিক্যাল ফাইবারের নেটওয়ার্ক দিয়ে একে অন্যের সাথে সংযুক্ত। অনেক সময়ই এই অপটিক্যাল ফাইবার পৃথিবীর এক মহাদেশ থেকে অন্যদেশে নেবার সময় সেটিকে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে নেওয়া হয়। এই ধরণের ফাইবারকে বলে সাবমেরিন ক্যাবল

JSC-ICT-Chapter-2-Submarine-Cable-Map
বিশ্বজুড়ে সাবমেরিন ক্যাবল নির্দেশক মানচিত্র

স্যাটেলাইট সিগন্যাল আলোর বেগে যেতে পারে কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবার কাচ/প্লাস্টিক তন্তুর ভেতর দিয়ে যেতে হয় বলে সেখানে আলোর বেগ এক-তৃতীয়াংশ কম। তারপরেও পৃথিবীর এক পৃষ্ঠ থেকে অন্য পৃষ্ঠে অপটিক্যাল ফাইবারে সিগন্যাল পাঠাতে হলে সেটি অনেক তাড়াতাড়ি পাঠানো যায়। কারণ তখন প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরের স্যাটেলাইট সিগন্যালটি গিয়ে আবার ফিরে আসতে হয় না।

এখন ঝটপট নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে নিজেকে ঝালাই করে নেই!


আশা করি নেটওয়ার্ক নিয়ে তোমাদের ধারণা এখন পরিষ্কার। তোমার বন্ধুদেরও এই বিষয়ে ধারণা দিতে এখনই শেয়ার করে নাও এই স্মার্টবুকটি।