পঞ্চম শ্রেণি: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

Supported by Matador Stationary

যুদ্ধের সূচনা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গৌরবময় ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা লাভ করেছি আমাদের এই প্রিয় দেশ বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা এই উপমহাদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সৃষ্টি হয় দুইটি স্বাধীন রাষ্ট্র, একটি ভারত এবং অন্যটি পাকিস্তান। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানীরা পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণের ওপর শুরু করে অত্যাচার ও নিপীড়ন। বাঙালিরাও সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করেন। 

মুক্তিযুদ্ধের সূচনা সম্পর্কে আরো জানতে ঘুরে আসো এই ভিডিওটিতে! 



 

মুক্তিযুদ্ধে সামরিক বাহিনী

১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই মুক্তিবাহিনী নামে একটি বাহিনী গঠন করা হয়। এই বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীউপপ্রধান সেনাপতি ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল :

মেজর খালেদ মােশাররফের নেতৃত্বে ‘কে’ ফোর্স

মেজর কে এম শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস’ ফোর্স

মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড’ ফোর্স।

মুক্তিযুদ্ধের সামরিক বাহিনী সম্পর্কে আরো জানতে ঘুরে আসো এই ভিডিওটি!


মুক্তিযুদ্ধের ১১ টি সেক্টর

প্রতিটি সেক্টরের সীমা সম্পর্কে জানতে (+) চিহ্নটিতে ক্লিক করো!


পাকিস্তানী বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ

যুদ্ধবিদ্ধস্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ


পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও আমাদের বিজয়

(>) চিহ্নটিতে ক্লিক করো!

পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, আত্মসমর্পণ ও আমাদের বিজয় সম্পর্কে আরো জানতে ঘুরে আসো এই ভিডিওটি!


মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় উপাধী

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলাদেশ সরকার বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় উপাধি প্রদান করে। মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করে শহিদ হয়েছেন এমন সাতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ (সর্বোচ্চ) উপাধি প্রদান করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে জানতে (+) এই চিহ্নটিতে ক্লিক করো!

 

মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় উপাধী সম্পর্কে আরো জানতে ঘুরে আসো এই ভিডিওটি!


ঝটপট দিয়ে ফেলো নিচের কুইজগুলো!