এসএসসি হিসাববিজ্ঞান

আর্থিক বিবরণী

Supported by Matador Stationary

প্রত্যেক ব্যবসায়ের নির্দিষ্ট সময়ান্তে আর্থিক অবস্থা জানার প্রয়োজন হয়। আর্থিক অবস্থার দুটি বিষয় আছে- (১) ব্যবসায়ের কত লাভ বা ক্ষতি হল এবং (২) ব্যবসায়ের সম্পদ এবং দায়-দেনার পরিমাণ কত। লাভ-ক্ষতি নিরূপণের জন্য যে বিবরণী প্রস্তুত করা হয় এর নাম বিশদ আয় বিবরণী বা Statement of Comprehensive Income (যার পূর্বের নাম ছিল আয় বিবরণী বা Income Statement) আর সম্পদ এবং দায়-দেনা জানার জন্য যে বিবরণী প্রস্তুত
করা হয় তার নাম আর্থিক অবস্থার বিবরণী বা Statement of Financial Position (যার পূর্বের নাম ছিল উদ্বৃত্ত্বপত্র বা Balance Sheet)। বিশদ আয় বিবরণী এবং আর্থিক অবস্থার বিবরণীকে আর্থিক বিবরণী বলা হয়। শুধু আর্থিক বিবরণী প্রস্তত করলেই চলবেনা, প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আর্থিক বিবরণীর বিশ্লেষন করাও প্রয়োজন।

এক মালিকানা ব্যবসায়ের আর্থিক বিবরণী :

প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফল ও আর্থিক অবস্থা জানার কাঠামোবদ্ধ সুশৃঙ্খল ধারাবাহিক প্রক্রিয়া আর্থিক বিবরণী বলা হয়। আর্থিক বিবরণী বৃহদাকার ব্যবহারকারীদের প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফল, আর্থিক অবস্থা ও নগদ প্রবাহ সম্পর্কে তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ও সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নের অন্যতম ভিত্তি আর্থিক বিবরণী। আন্তর্জাতিক হিসাব মান-০১ (IAS-01) অনুযায়ী আর্থিক বিবরণী ৫টি অংশে প্রস্তুত করা হয়। আর্থিক বিবরণীর ৫টি ধাপ হলো-
১. বিশদ আয় বিবরণী (Statement of Comprehensive Income)
২. মালিকানা স¦ত্ব বিবরণী (Statement of Changes in Eqity)
৩. আর্থিক অবস্থার বিবরণী (Statement of Financial Position)
৪. নগদ প্রবাহ বিবরণী (Statement of Cash Flows)
৫. আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় নোট ও গুরুত্বপূর্ণ হিসাবের নীতিমালা