দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি

দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি 


ডেবিট-ক্রেডিট বস্তুটা আসলে কী?

বহুবার শোনা এই ডেবিট ক্রেডিট হলো, তোমার হিসাববিজ্ঞানের হাতে-খড়ি। নিউটনের ৩য় তত্ত্বের ব্যবহার কিন্তু আছে হিসাববিজ্ঞানেও!

তাহলে চলো জেনে নেই এই Debit এবং Credit বলতে ঠিক কী বোঝায় –

ধরে নাও, তুমি আজকে নীলক্ষেত থেকে ফার্মগেট যাবার জন্য রিকশাওয়ালাকে ভাড়া হিসেবে দিলে ৫০টাকা। তাহলে এখানে ঘটনা যা ঘটলো তা হলো-

১। ভাড়া হিসেবে দিলাম ৫০ টাকা
২। আমার পকেট থেকে নগদ টাকা কমে গেলো ৫০ টাকা

যদি রিকশাওয়ালার কাছে সকালে ১০০টাকা থাকতো, তাহলে তা এখন বেড়ে দাঁড়াবে ৫০টাকায়। অপরদিকে,আমার কাছে সকালে ছিল ২০০ টাকা যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়।
তাহলে নিশ্চয়ই তুমি বুঝতে পারছো যে এখানে ২টি পক্ষ প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে আছে। এখন যদি আমি আমার নীলক্ষেত থেকে ফার্মগেট যাত্রার এই লেনদেনটির বিশ্লেষণ করি তাহলে যা পাবো তা হলো –

ভাড়া হিসাব……………… ডেবিট ৫০ টাকা
নগদান হিসাব……………… ক্রেডিট ৫০ টাকা

এটাই ছিলো দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি এর উদাহরণ।
তোমার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে যে, কেনো ২টি পক্ষকে লিপিবদ্ধ করতে হয়?
উত্তরটি হচ্ছে –
প্রথমত, তুমি জানতে পারো ঠিক কোন খাতে তুমি সুবিধা দিচ্ছো না নিচ্ছো।
দ্বিতীয়ত, এই লেনদেনের পর, তোমার আর্থিক অবস্থা কী।

ঝটপট একটা কুইজ দিয়ে ফেলি!

যেহেতু তুমি জেনে গেছো যে, কীভাবে ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয় করতে হয়, এখন তাহলে দেখে নাও হিসাবের খাতগুলো কী কী, যা দিয়ে তুমি বুঝবে যে একটি জাবেদায় তুমি সুবিধা গ্রহণ করলে নাকি প্রদান করলে।

(+) চিহ্নিত স্থানগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য!