আকাশে আলোর খেলা: মেরুজ্যোতি

চলুন, কল্পনার রাজ্য থেকে খানিকটা ঘুরে আসা যাক।  

আপনি মেরু অঞ্চলের বরফে ঢাকা  হিমশীতল কোনো বিস্তীর্ণ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে আছেন।

চারপাশে পাইন গাছের বিস্তর বনাঞ্চল। আর মাথার উপরে বিস্তৃত আকাশের পুরোটাই ঘন অন্ধকারে ছেয়ে গেছে।

এই ঘন অন্ধকার পরিবেশের সুযোগটি কাজে লাগিয়ে  শত কোটি  নক্ষত্র জ্বলজ্বল করে তাদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে।  আপনার মনে হচ্ছে, এতো নক্ষত্রকে একসাথে আপনি আর কোনো দিনও দেখেননি।

অন্ধকার আকাশে হঠাৎ করে মৃদু সবুজ অথবা নীল আলো দেখতে পেলেন আপনি।  সেই মৃদু আলো আস্তে আস্তে পুরো আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। এ যেনো রীতিমতো নানা রঙের মন ভোলানো আলোর  মহাজাগতিক নৃত্য পরিবেশনা !  আকাশে আলোর এমন অদ্ভুত খেলায় ভীত এবং অভিভূত আপনি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে  হয়তোবা ভাবছেন, “হচ্ছেটা কী এইসব? অতিপ্রাকৃতিক কিছুর সাথে দেখা মিলবে নাকি?”


GIF: Gfycat    

গ্রিক পুরাণে এই অপার্থিব দৃশ্যের একটি ব্যাখ্যা আছে।

গ্রিক পুরাণে সূর্যের দেবতা হোল হেলিওস আর চাঁদের দেবী হোল সেলেন। এরা দুইজন ভাইবোন। তাঁদের আরও একজন বোন রয়েছে যার নাম অরোরা। অরোরা হচ্ছে ঊষা বা ভোরের দেবী। রাতের শেষভাগে দেবী অরোরা নানা রঙের আলো নিয়ে আকাশে খেলা করে। তাঁর উদ্দেশ্য হচ্ছে হেলিওস আর সেলেনকে নতুন দিনের আগমন সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়া।

খুব তাড়াতাড়ি গণনা করতে পারা যে কোন বিভাগের শিক্ষার্থীর জন্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই ১০ মিনিট স্কুল তোমাদের জন্যে নিয়ে এসেছে Beat The Numbers!

দেবী অরোরার এমন  দৃষ্টিনন্দন সৃষ্টির বৈজ্ঞানিক নাম হোল মেরুজ্যোতি।


GIF: Giphy

অরোরা বা মেরুজ্যোতি: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী ?

মেরুজ্যোতির ইংরেজি নাম অরোরার উৎপত্তি ল্যাটিন ভাষা থেকে যার অর্থ হোল সূর্যোদয়।  

উত্তর আর দক্ষিণ মেরুতে রাতের আকাশে প্রায়ই  নানা রঙের আলোর সমাগম হয়। সমান্তরাল এই আলোর রশ্মিগুলো এক জায়গায় স্থির থাকে না। সাড়া আকাশ জুড়ে ছুটতে থাকে এরা। উত্তর মেরুর আকাশে আলোর এই খেলার নাম হোল  সুমেরু প্রভা ( Aurora Borealis বা Northern lights)  আর দক্ষিণ মেরুতে এর নাম হোল কুমেরু প্রভা ( Aurora Australis বা Southern Lights).  

ঘুরে আসুন: ৩টি ধাপে শিখে নাও যেকোন স্কিল!


ছবিঃ plus.google.com (Aurora Borealis)

ছবিঃ Google Plus (Aurora Australis)

মেরুজ্যোতি তৈরি হওয়ার পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটি একটু বেশিই “বৈজ্ঞানিক” !  

সৌরজগতের একদম কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য। আর আমাদের পৃথিবীসহ অন্য সব গ্রহ এই সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। সূর্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকমের চার্জিত কণার বিচ্ছুরণ ঘটাচ্ছে। এদের মধ্যে আছে ইলেকট্রন, প্রোটন কিংবা আলফা কণা সহ আরও অনেকেই। সূর্য থেকে নির্গত এইসব চার্জিত কণার প্রবাহ সৌরবায়ু তৈরি করে। আর এই সৌরবায়ু বুধ আর শুক্র গ্রহ পাড়ি দিয়ে আমাদের পৃথিবীর সীমানায় পৌঁছে যায়। সৌরবায়ুর এইসব উপাদান মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রাণীদের জন্য বেশ ক্ষতিকর।

এই ক্ষতিকর সৌর বায়ু আমাদের কোন ক্ষতি করতে পারেনা যার কারণ হোল পৃথিবীর শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র দক্ষিণ মেরু থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত। সৌর বায়ু তার চার্জিত কণা নিয়ে যখন পৃথিবীর দিকে অগ্রসর হয়, তখন এই চার্জিত বা আয়নিত কণাগুলো  পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের কাছে বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার ফলে চার্জিত কণাগুলো আর পৃথিবীর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা।

কিন্তু উত্তরমেরু আর দক্ষিণমেরুর যেই স্থানগুলোতে চৌম্বকক্ষেত্র অপেক্ষাকৃতভাবে দুর্বল, সেই স্থানগুলোর মাধ্যমে সৌরবায়ুর চার্জিত কণা পৃথিবীতে প্রবেশের সুযোগ পায়।   পৃথিবীতে প্রবেশের সময় বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত নাইট্রোজেন আর অক্সিজেনের সাথে আয়নিত কণাগুলোর সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে এদের পরমাণুগুলো বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণ পরে শক্তি বিকিরণ করে এগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। এই বিকিরিত শক্তি হচ্ছে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ যার রং অনেক রকমের হতে পারে। পরমাণুগুলোর এমন তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ বিকিরণকে আমরা  দৃশ্যমান আলো হিসেবে দেখতে পাই আর এই দৃশ্যমান আলোই হচ্ছে আমাদের মেরুজ্যোতি বা অরোরা।  

মেরুজ্যোতিতে সবচেয়ে বেশি যেই রঙটি দেখা যায় সেটি হচ্ছে সবুজ রং। এই সবুজ রঙের জন্য দায়ী হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন। আবার গাঢ় লাল রঙের পেছনে এই অক্সিজেনের ভূমিকা আছে। গোলাপি কিংবা নীল রঙের কারণ হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন।


ছবিঃ giphy.com

GIF: Giphy

GIF: Giphy

বাংলাদেশের কোথায় মেরুজ্যোতির দেখা পাবো?  

 সত্যি কথা বলতে গেলে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তরটি লুকিয়ে আছে। বাংলাদেশ বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থিত আর বিষুবীয় অঞ্চলে  “মেরু” জ্যোতির দেখা কখনই মিলবে না!  আমরা একটু আগেই জেনেছি যে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র দক্ষিণমেরু থেকে উত্তরমেরুর দিকে বিস্তৃত যার ফলে সৌরবায়ুর আয়নিত কণা মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয় এবং তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণের মাধ্যমে মেরুজ্যোতি তৈরি করে। বিষুবরেখার সাথে এই মহাজাগতিক ব্যাপারটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই যার ফলে বাংলাদেশসহ বিষুবীয় অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির এই অনিন্দ্য আলোর খেলা উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত।

আবিষ্কার করো পাওয়ারপয়েন্ট এর খুঁটিনাটি!

পাওয়ার পয়েন্টকে এখন আমাদের জীবনের অনেকটা অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ বলা যায়। ক্লাসের প্রেজেন্টেশান বানানো কী বন্ধুর জন্মদিনের ব্যানার, সবক্ষেত্রেই এর ব্যাপক ব্যবহার।

তাই ১০ মিনিট স্কুল তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছে পাওয়ার পয়েন্টের এক আকর্ষণীয় প্লে-লিস্ট!
১০ মিনিট স্কুলের পাওয়ার পয়েন্ট সিরিজ!

কেবল পৃথিবীতেই কি মেরুজ্যোতি দেখা যায়?

চার্জিত কণা নিয়ে গঠিত সৌরবায়ু যে কেবল  পৃথিবীতে প্রবেশের চেষ্টা করে তা  কিন্তু নয়।  সৌরবায়ু প্রায় সব গ্রহেই প্রবেশের চেষ্টা চালায়। কাজেই যেসব গ্রহে বায়ুমণ্ডল আছে সেসব গ্রহে মেরুজ্যোতির দেখা মিলবেই।

কিন্তু মেরুজ্যোতি কেমন হবে তা নির্ভর করে গ্রহের প্রকৃতির উপর। যেমন: শনি আর বৃহস্পতি গ্রহে পৃথিবীর মতো শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে যার ফলে এই দুই গ্রহে সৃষ্ট মেরুজ্যোতি অনেকটা পৃথিবীর মতোই। আবার শুক্র গ্রহে এই ঘটনা খুবই কম এবং এখানে অনিয়মিত মেরুজ্যোতি দেখা যায়। নিচের ছবিটিতে শনি গ্রহের মেরুজ্যোতিকে দেখানো হচ্ছে।


GIF:  WiffleGif (Aurora in Saturn)

আর এই হোল জুপিটার বা বৃহস্পতি গ্রহের মেরুজ্যোতি ।


GIF: Giphy ( Aurora in Jupiter)

মেরুজ্যোতি নিয়ে যত জল্পনা-কল্পনাঃ

আবার সেই গ্রিক পুরাণে ফিরে যাওয়া যাক। ঊষার দেবী অরোরার কথা গ্রিক পুরাণ ছাড়াও রোমান সাম্রাজ্যেও বর্ণিত আছে।

এই মেরুজ্যোতি নিয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর জল্পনা-কল্পনার  কোনো  শেষ নেই। ভৌগোলিক অবস্থান ভেদে মেরুজ্যোতির মতো প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোকে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অনুপস্থিতিতে  মানুষ যুগ যুগ ধরে নিজেদের মতো করে সাজিয়েছে।  মেরুর আকাশে আলোর এই অতিপ্রাকৃতিক খেলাকে কখনো দেখা হয়েছে ঈশ্বরের আশীর্বাদস্বরূপ আবার কখনো দেখা হয়েছে অভিশাপ হিসেবে।

কোনো সমস্যায় আটকে আছো? প্রশ্ন করার মত কাউকে খুঁজে পাচ্ছ না? যেকোনো প্রশ্নের উত্তর পেতে চলে যাও ১০ মিনিট স্কুল লাইভ গ্রুপটিতে! 10 Minute School Live!

ইউরোপ: মেরুজ্যোতি মানেই লক্ষণ খারাপ!      

ইউরোপের আকাশে সাধারণত অরোরা অস্ট্রালিস বা লাল রঙের মেরুজ্যোতি দেখা যায় । এই লাল মেরুজ্যোতিকে ফ্রান্স  আর ইতালির অধিবাসীরা  যুদ্ধ, মহামারি প্লেগ রোগ কিংবা মৃত্যুর পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচনা করত। কেনই বা করবে না? অদ্ভুত হলেও ব্যাপারটি সত্যি যে, ফ্রেঞ্চ রেভলুশনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই নাকি ইংল্যান্ড আর স্কটল্যান্ডের গোটা আকাশ লাল রঙের মেরুজ্যোতিতে ছেয়ে গিয়েছিল!

আবার সুইডেনে মেরুজ্যোতিকে ভালো কোনো  কিছুর পূর্বাভাস হিসেবে কল্পনা করা হত।  

চীনঃ ভালো-মন্দের স্বর্গীয় যুদ্ধ আর মেরুজ্যোতি !

মেরুজ্যোতির ঘটনা চীনে খুব কমই দেখা যায় আর ঘটলেও সেটি অনাকাঙ্ক্ষিত। ধারণা করা হয় যে, চীনা রুপকথার অধিকাংশই মেরুজ্যোতিকে ঘিরেই। চীনা রূপকথায় মেরুজ্যোতিকে  ভালো আর মন্দ ড্রাগনের মাঝে বিশাল মহাজাগতিক যুদ্ধ হিসেবে কল্পনা করা হয়। সেই যুদ্ধে নাকি ভালো আর মন্দ ড্রাগন নিঃশ্বাসের সাথে পুরো মহাকাশ জুড়ে আগুন ছড়িয়ে দেয় !

অস্ট্রেলিয়াঃ দেবতাদের নৃত্য আর মেরুজ্যোতি!

অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা বিশ্বাস করে যে, মেরুজ্যোতির সময় দেবতারা তাঁদের মাথার উপর নৃত্য পরিবেশন করে!

উত্তর আমেরিকাঃ আত্মাদের মেলবন্ধন আর মেরুজ্যোতি!

উত্তর আমেরিকার অধিবাসীদের মতে, মেরুজ্যোতি হচ্ছে মৃত বন্ধুবান্ধব কিংবা আত্মীয়স্বজনদের আত্মা যারা তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। আরও বিশ্বাস করা হয় হয় যে, মৃত আত্মাগুলো মেরুজ্যোতির মাধ্যমে পারলৌকিক দুনিয়ার রাস্তা দেখিয়ে দেয়!

এস্তোনিয়াঃ বিয়ে বাড়ির অতিথি?

মেরুজ্যোতি নিয়ে এস্তোনিয়ানদের ব্যাখ্যাটা কিন্তু বেশ মজার! তাদের মতে মেরুজ্যোতি হচ্ছে জাঁকজমকপূর্ণ ঘোড়ার গাড়ির সমাহার যেগুলো স্বর্গীয় কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বহন করে নিয়ে যাচ্ছে !  

নরস মিথলজি: ভাল্কাইরি আর মেরুজ্যোতি

নরস মিথলজিতে  মেরুজ্যোতিকে কল্পনা করা হয় ভাল্কাইরি অথবা নারী যোদ্ধাদের ঢাল আর বর্ম থেকে প্রতিফলিত আলো হিসেবে। যুদ্ধে কে মারা যাবে কিংবা কে মৃত্যুকে বরণ করবে তা ঠিক করে দিতো এই নারী যোদ্ধারাই।

কোথায় সবচেয়ে সুন্দর মেরুজ্যোতি দেখতে পাওয়া যায়?


ছবিঃ Jing Travel

উপরের ছবিটি ইউনাইটেড স্টেটসের আলাস্কার ফেয়ারবেঙ্কসের। জায়গাটি অরোরা  বোরেলিয়াস  উপভোগ করার জন্য সবচেয়ে সেরা জায়গাগুলোর একটি । রাত দশটা থেকে দুইটার মাঝে এখানে অরোরার আলো সবচেয়ে ভালোভাবে লক্ষ করা যায়।

আলাস্কার আকাশে অরোরা দেখতে চাইলে আপাতত এই লিঙ্কটিতে যেতে পারেনঃ

লিঙ্কঃ https://youtu.be/TLblUQJ6bsY 

আরও আছে নর্থ কানাডার ইয়োলোনাইফ।  


ছবিঃ thriftynomads.com

ছবিঃ Newsfeed Bd

আইসল্যান্ডকেও অরোরা উপভোগ করার জন্য সেরা কিছু জায়গার মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

আমার কাছে মনে হয় নরওয়েই সেরা!


ছবিঃ thriftynomads.com

তালিকায় আরও আছে ফিনল্যান্ড আর  রাশিয়া।


ছবিঃ thriftynomads.com 

সুইডেন আর গ্রিনল্যান্ডও কম যায় না !


 ছবিঃ thriftynomads.com ( লেপল্যান্ড, সুইডেন)

 ছবিঃ thriftynomads.com (গ্রিনল্যান্ড)

মেরুজ্যোতি নিয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলের তৈরি করা অসাধারণ একটি  টাইমলেপ্স ভিডিও মেরুজ্যোতি নিয়ে আপনার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিবে !

 ভিডিও লিঙ্কঃ https://youtu.be/izYiDDt6d8s 

সাক্ষী যখন মেরুজ্যোতি!


ছবিঃ petapixel.com

ফটোগ্রাফার ডেল শার্পে আর কারলি রাসেলের জীবনের এই অসাধারণ মুহূর্তের সাক্ষী হিসেবে অরোরা বোরেলিয়াসকে দেখা যাচ্ছে! এমন সৌভাগ্য কয়জনের হয়?

মেরুজ্যোতির শব্দ শুনবেন ?!

হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে মেরুজ্যোতির নিজস্ব অদ্ভুত একরকমের শব্দ আছে। বিজ্ঞানীরা এই শব্দের আসল কারণটা এখনও  খুঁজে পায়নি। শব্দটি এতই সূক্ষ্ম যে আশেপাশের শব্দ থেকে  সেটি আলাদা করতে বেশ বেগ পেতে হয় !

এই লিঙ্কটিতে গেলে মেরুজ্যোতির অদ্ভুত শব্দ সম্পর্কে আপনার কিছুটা ধারণা হতে পারে!  ভিডিওটির ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড সময়ে মেরুজ্যোতির শব্দ শুনতে পারবেন।

লিঙ্কঃ https://youtu.be/Zcef943eoiQ 

আপনার “বাকেট লিস্টে”  আকাশে আলোর এমন অদ্ভুত অনবদ্য সুন্দর খেলা দেখার প্ল্যান আছে কি?

না থাকলে আশা করি এতক্ষণে প্ল্যান করে ফেলেছেন!

কারণ আমার মনে হয়, মেরুজ্যোতির অপার্থিব সৌন্দর্য না দেখতে পারলে জীবনটাই বৃথা।

স্বপ্নের রঙে রাঙা অনিন্দ্য সুন্দর  মেরুজ্যোতির মতো আমাদের ইচ্ছা আর আকাঙ্ক্ষাগুলোকে রাঙিয়ে নিলে মন্দ হয় না কিন্তু!  

Source:

  1. https://www.theaurorazone.com/about-the-aurora/aurora-legends 
  2. https://petapixel.com/2017/03/13/photographer-captured-epic-engagement-aurora/ 
  3. https://en.wikipedia.org/wiki/Aurora 

১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?