বিজি লাইফকে ইজি করতে গুগল: গুগল ডকস!

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

google, google docs, life hacks, life tips, skills

পর্ব ১: গুগল ডকসের হিডেন সিক্রেট

গুগল ডক- এই নামটি সবার পরিচিত হলেও এর অনেক কাজই আমাদের অজানা। গুগলের অনেকগুলো সেবার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল ডক। বর্তমানে এই সেবাটিকে গুগলের অনলাইন স্টোরেজ সুবিধা গুগল ড্রাইভের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

গুগল ডক-এর বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে যা ব্যবহার করে আমরা অনেক কাজ খুব সহজেই করে ফেলতে পারি। এমন কিছু সুবিধা নিয়েই আজকের লেখাটি!

এখন থেকে কবিতার কঠিন কিংবা গভীর অর্থ-সম্বলিত বাক্যগুলো নিজে নিজে বুঝতে আর কোন সমস্যা হবে না। কবিতায় হাইলাইট করা শব্দ/বাক্যের উপর মাউস নিলেই তার অর্থ -ব্যাখ্যা চলে আসবে! এবার বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর করতে আর কোনো সমস্যা হবেনা!

১। টেমপ্লেট গ্যালারি:

গুগল ডকের আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে টেমপ্লেট গ্যালারি। এই টেমপ্লেট গ্যালারিতে দারুণ দারুণ সব টেমপ্লেট রয়েছে। এখান থেকে সহজেই প্রয়োজন অনুযায়ী বাছাই করা যায় পছন্দের টেমপ্লেটটি। বিভিন্ন টেমপ্লেট ব্যবহার করে আপনি সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন যেকোন সার্টিফিকেট, প্রজেক্ট অথবা চমৎকার একটি রিজিউমে।

২। অফলাইন এডিটিং:

গুগল ডকে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই যে কোন ডকুমেন্ট ক্রিয়েট, এডিট এবং ভিউ করা যায়। ইন্টারনেটের চিন্তা না করে তাই নিজের মনে এডিটিং-এর কাজ করা যায়। এজন্য অবশ্য গুগল ডকে অফলাইন মোডটি সেট করে নিতে হবে।

৩। ভয়েস টাইপিং:

অনেক সময়ই টাইপ করতে আলসেমি লাগে। মনে হয়, কেউ এসে যদি কী-বোর্ড চেপে লিখে দিত! এই কাজটি সহজ করতে গুগল ডক-এ যোগ হয়েছে ভয়েস টাইপিং। টাইপ না করেই লেখা যাবে এই সেবাটি দিয়ে। এখন থেকে টাইপ করতে যদি আলসেমি লাগে তাহলে এই ফিচারটি নিঃসন্দেহে আপনার বেশ কাজে দেবে।

মজায় মজায় ইংরেজি শিখ!

তোমার স্বপ্নের পথে পা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তোমার ইংরেজির জ্ঞান কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে!

তাই আর দেরি না করে, আজই ঘুরে এস ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্টটি থেকে!

১০ মিনিট স্কুলের ইংরেজি ভিডিও সিরিজ

৪। “Explore” অপশন:

গুগল ডকে “Explore” অপশনটিতে ক্লিক করে খুঁজে নিতে পারেন ডকুমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট অথবা ছবি। যা পরবর্তীতে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। গবেষণামূলক যে কোন ডকুমেন্ট লেখার জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী

এর মাধ্যমে যে কোন পি ডি এফ অথবা ইমেজকে টেক্সট ফরম্যাটে নিয়ে কাজ করা যায়

৫। সাজেস্টিং মোড:

গুগল ডকে রয়েছে সাজেস্টিং মোড অপশন। এর মাধ্যমে যে কোন ডকুমেন্ট সরাসরি পরিবর্তন না করে আপনি লেখককে সাজেস্ট করতে পারেন। আপনার মতামতটি দেখে লেখক পরবর্তীতে তাঁর প্রয়োজনমত এডিট করে নিতে পারবেন।

৬। পিডিএফ কনভার্টার:

গুগল ডকে পিডিএফ কনভার্টার রয়েছে। এর মাধ্যমে যে কোন পি ডি এফ অথবা ইমেজকে টেক্সট ফরম্যাটে নিয়ে কাজ করা যায়। এমনকি স্ক্যানড্ পিডিএফ কপিও গুগল ডকের মাধ্যমে এডিট করা যায়। এতে করে অফিসিয়াল কাজকর্ম অনেক সহজ হয়ে যায়।

১০ মিনিট স্কুলের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন লাইভ ক্লাসের! তা-ও আবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!

৭। ইমেজ এডিটিং:

আজকাল প্রায় ডকুমেন্টেই কোন না কোন ইমেজ বা ছবি সংযুক্ত থাকে। অনেক সময়ই ডকুমেন্টের ইমেজটি এডিট করার প্রয়োজন পড়ে। সাধারনত কোন ডকুমেন্ট থেকে ইমেজ এডিট করার জন্য আলাদা অ্যাপ্লিকেশন এর প্রয়োজন হয়।

গুগল ডকের মাধ্যমে সহজেই এই কাজটি করে ফেলা যায় কোনরূপ অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াই।

গুগল ডকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদি সহ প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ফিচারই রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, সফটওয়্যারটি অনলাইন নির্ভর। গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে যে কোন ব্যবহারকারী এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।

সর্বোচ্চ ১৫ গিগাবাইট পর্যন্ত ডকুমেন্ট তৈরি, আপলোড ও শেয়ার করার সুযোগ রয়েছে এতে। অনলাইনের পাশাপাশি অ্যাপল ও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য গুগল ডকের আলাদা অ্যাপসও রয়েছে।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?