পাছে লোকে কিছু বলে!

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

 

‘What we fear doing most is usually what we most need to do.’ -Tim Ferriss

আমাদের তা-ই করা উচিত, যা করতে সাধারণত সবচেয়ে বেশি ভয় পাই— টিম ফেরিস

সমসাময়িক সময়ে একটা আবেগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব আমাকে দারুণভাবে ভাবিয়ে তুলছে। ভয়, ভয়, আর ভয়। বিরাটসংখ্যক মানুষের মাঝেই ভয়। তরুণ-তরুণীদের মাঝে এর ব্যাপকতা আরও বেশি।

কোথায় এত ভয় দেখছি? চারদিকে তো সবাই বেশ আছে; ঘুরছে, ফিরছে, শপিং করছে, ক্রিকেট খেলছে!

হাসিখুশি মুখগুলো সত্যিই যদি হাসিখুশিই থাকত, অন্তর থেকে, আসলেই ভালো লাগত। কিন্তু কই সেই অন্তরের খুশি?

conquer, fear, life hacks, overcome, rule, tips, জয়, ভয়

নিজের ওপর নিজের আস্থার ঘাটতি কতটা ব্যাপক, তা এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায়। অনেক ছাত্রছাত্রীই ভয়ে কুঁকড়ে থাকেন। পরীক্ষা সামনে এলে বোঝা যায় ভয় কাকে বলে, উহা কত প্রকার ও কী কী!

দুই বছর ধরে দেখছি, ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় স্পষ্ট তিনটা জিনিস লিখতে হয়। বাংলায়। নিজের নাম, মাতার নাম, পিতার নাম।বহু সংখ্যক পরীক্ষার্থী নিজের জায়গায় বাবার অথবা মায়ের নাম লিখে, না হয় উল্টোটা করে। পরীক্ষা হলে বসলে ভয়ে যেন সব এলোমেলো হয়ে যায়।

ভয়ের আরও জায়গা আছে। চাকরি বা অন্য কোনো কাজের জন্য ফরম পূরণ করতে হবে। অনেকেই নিজে সেটা করতে পারছে না। বারবার একে-ওকে জিজ্ঞেস করছে। অথচ স্পষ্ট ভাষায় সেখানে লাইন বাই লাইন নির্দেশনা দেওয়া আছে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, পাসপোর্ট করা, জাতীয় পরিচয়পত্র করা বা সংশোধন করা, ট্যাক্স নম্বর খোলা, কলেজ-ভার্সিটিতে ভর্তিসহ নানা কাজ নিজে নিজে করতে অনেক ছাত্রছাত্রী দারুণ ভয় পায়। অথচ প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো মানুষের এই কাজগুলো স্বাভাবিকভাবেই করা উচিত। এটা স্বাভাবিক বিকাশের একটা অংশ।

ক্যারিয়ার কী হবে, সেটা নিয়ে তো আছে মারাত্মক ভয়। পারভেজ মাস্টার্স করে দুই বছর ধরে একজন নেতার পেছনে ঘুরছে। নেতার সুপারিশে একটা চাকরি বাগিয়ে নেবে। নিজে নিজে কিছু করা তার দ্বারা সম্ভব না। বাইক নিয়ে এখানে-ওখানে রাত-দিন দাপিয়ে বেড়ায়, অথচ ভেতরে ভেতরে ভয়ে আছে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে। নিজের যোগ্যতার ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই। আছে নেতার সুপারিশের ওপর!

মানুষটার আচরণ একদম ভালো লাগছে না, অথচ মুখ দিয়ে কিছুই বলছি না। কী না কী ভেবে বসে— এই ভেবে।

কীসের এত ভয়? ভয় জিনিসটাই বা কী?

ভয় একটা নেতিবাচক আবেগ। বিপদ-আপদ মোকাবিলা করার জন্য আমাদের মধ্যে প্রস্তুতি থাকে। আমাদের প্রস্তুতির চেয়ে যদি আপদের ভয়াবহতা বেশি হয় তাহলে আমরা তা সামাল দিয়ে উঠতে পারি না। তখনই মানসিক চাপ এবং ভয়ের উদ্রেক হয়। প্রচণ্ড তুফান বা গহিন জঙ্গলে একলা থাকলে আপনি ভয় পাবেন। খুব স্বাভাবিক।

বিপদটা যখন সত্য, ভয়টা যৌক্তিক। কিন্তু গবেষণা বলে, অধিকাংশ ‘বিপদ-আপদ’, যার জন্য আমরা ভয়ে কুঁকড়ে থাকি, তার বাস্তব ভিত্তি নেই। এগুলো আমাদের কল্পনায় তৈরি করা আপদ। বাস্তবের সাথে যার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ বাঘ আছে, বাঘ আছে বলে যে বনে আমরা যাচ্ছি না, সেখানে আসলে কিছুই নেই। এটা আমার কল্পনার বাঘ!

ওপরের যে ঘটনাগুলো আমরা দেখলাম, সেগুলো একবার ভেবে দেখুন। ‘প্রশ্নপত্র না পেলে পরীক্ষা মারাত্মক খারাপ হবে। পরীক্ষা খারাপ হলে, জীবনটাও বৃথা হয়ে যাবে।’ এই ভয় পঞ্চম শ্রেণি থেকে পিএসসির পরীক্ষা— সব ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। কে বলেছে এটা? কোথায় লেখা আছে?

নেতার সুপারিশ, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ছাড়া জীবনে এগোনো যাবে না? অবশ্যই যাবে। কোটি কোটি মানুষ নিজের ওপর ভরসা করে, নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে এগিয়ে চলেছে। অহেতুক ভীতি নিয়ে চলাটাই বরং সবচেয়ে ক্ষতিকর।

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের কথাটি মনে পড়ে গেল, ‘মানুষের ভয় পাওয়ার ব্যাপারটাই’ একমাত্র ভয়ের! অন্য কিছু নয়।’

এই অহেতুক ভয় নিয়ে কেউ বেশিদূর যেতে পারে না। যা-ই করতে যাবে, ভয় পেছন থেকে টেনে ধরবে। চাকরি, ব্যবসা, ঘোরাঘুরি, সম্পর্ক তৈরি— সবকিছুতেই ভয় গলা চেপে ধরবে। ভয়ের জন্য এমনকি বিয়ে পর্যন্ত করছেন না। সংসার কীভাবে করবে, খরচ জোগাবে কীভাবে, দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে পারবে তো! আবার যাকে বিয়ে করবে, সে কেমন হবে, আচার-ব্যবহার চরিত্র কেমন হবে, ভয়ের শেষ নেই।

অর্থাৎ ভয় আর সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। দুটোই সাঙ্ঘাতিক ক্ষতিকর ভাইরাস। এগুলো শনাক্ত করে ডিলিট করা খুব জরুরি।

ভয়কে জয় করবেন যেভাবে

ভয়কে জয় করার আগে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি।

প্রথমত, ভয় পাওয়াটা ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে আমরা শিখেছি। এটা কোনো জন্মগত ব্যাপার না। এক বছরের ছোট শিশুদের দেখেছেন তেলাপোকা ধরতে? মাঝে মাঝে তো হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করে, পারলে মুখে দেয়। কই, বাচ্চাটির তো ভয় নেই! সেই বাচ্চা যখন দুই বছর, তিন বছর হয়, ভয় পাওয়া শুরু করে। আপনি খেয়াল করে দেখবেন, বাচ্চার বাবা-মা বা অন্য যারা লালনপালন করত, তারা তেলাপোকা ভয় পেত। বড়দের ভয় পাওয়া থেকে বাচ্চাটি শিখেছে। আপনার নিজের কোনো ভয় নিয়ে একটু ভাবুন, দেখবেন আপনি কাউকে একইভাবে ভয় পেতে দেখছেন অথবা শুনেছেন। পরে সেটা নিজের মধ্যে চলে এসেছে।

দ্বিতীয়ত, অধিকাংশ ভয়ের ভয়াবহতা আমাদের কল্পনার সৃষ্টি। হাজার চেষ্টা করলেও বাস্তবে সেগুলো খুঁজে পাওয়া যাবে না। ভয়ের ইংরেজি F.E.A.R-কে বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় Fantasy Expectations Appearing Real. অর্থাৎ ভয় হলো কাল্পনিক প্রত্যাশাকে সত্য বলে মনে করা। ভয় যদি থাকে, তবে তা আপনার চিন্তার মধ্যেই বাস করছে। সুতরাং আপনিই পারবেন সেগুলোকে মোকাবিলা করতে। বাইরে থেকে অন্য কেউ খুব বেশি উপকার করতে পারবে না।

কীভাবে আপনি নিজে নিজে ভয়কে জয় করবেন, তা চারটি ধাপে বলছি। এগুলো অনুসরণ করলে ভয় হাওয়া হয়ে যাবে।

ধাপ এক। ভয়কে জুম করে দেখুন

আপনি কীসে কীসে ভয় পাচ্ছেন? এগুলোর তালিকা তৈরি করুন। সেই ভয়ের তালিকাকে আরও পরিষ্কার করার জন্য জুম করুন।

 

‘আমি মানুষের সাথে কথা বলতে ভয় পাই।’

পরিষ্কার না। কোন ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতে আপনি ভয় পান? মেয়ে না ছেলে? অপরিচিত না পরিচিত? যাদের আপনি পছন্দ করেন না, এরকম মানুষকে, নাকি যাদের পছন্দ করেন তাদেরই ভয় পান? সাধারণত তারা কেমন বয়সের হয়?

এভাবে আপনার ভয়টা জুম করে দেখার দু’টি কারণ আছে।

প্রথমত, এর ফলে ভয়ের রাস্তা অনেকটা পরিষ্কার হবে। দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট ভয়কে অতিসরলীকরণের ফলে তা অনেক কিছুর মধ্যে ছড়িয়ে আছে। অথচ সবগুলো ভয়ের না। যেটা ভয়ের, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু অন্য সবকিছুকে তার সাথে তালগোল পাকিয়ে ভয়ের সাম্রাজ্য বাড়িয়ে তুলি। মানুষের সাথে কথা বলতে ভয়ের কথাই ধরুন। হয়তোবা আপনি সব মানুষকে ভয় পান না। মধ্যবয়সী পুরুষ বা নারী, যারা অতিরাগী স্বভাবের শুধু তাদেরই ভয় পান। তার মানে অন্য সবার সাথে কথা বলতে অসুবিধা নেই। অযথাই এত দিন ধরে ভয়ে আছেন। চমৎকার, এই তো অনেকগুলো পথ খুলে গেল!

ভয়কে জুম করে দেখার দ্বিতীয় কারণ হলো, এতে আপনি জায়গামতো মলম লাগাতে পারবেন। অযথা এদিক-ওদিক করে সময় নষ্ট করতে হবে না। যেমন, “অতিরাগী মধ্যবয়সী পুরুষ বা নারীর কোনো বৈশিষ্ট্যের জন্য কথা বলতে ভয় পাই? কোনো বিশেষ সময়ে কি বেশি ভয় লাগে?”

ধাপ দুই। মনের পাখিটা কী বলছে?

ছোট্ট শিশুটি তেলাপোকা ভয় পাচ্ছে না, কিন্তু বড়রা পাচ্ছি। কেন এমনটা হয় জানেন? তেলাপোকাকে জড়িয়ে আমাদের মাথায় একটা চিন্তা আছে। মারাত্মক ভয়ানক চিন্তা। তাই যখনই তেলাপোকা দেখি সেই চিন্তা সাথে সাথে চলে আসে, আমরা ভয় পাই। যেহেতু শিশুদের মাথায় এসব কিছুই থাকে না, তাই তারা ভয়ও পায় না।

সুতরাং, ভয়কে মোকাবিলা করার দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে শনাক্ত করতে হবে, যেটা নিয়ে আপনি ভয় পাচ্ছেন, তার পেছনে আপনার মনের পাখিটা কী বলছে। মনের এই পাখিটা অনবরত বলেই যায়। এই যে এখন পড়ছেন, এখনো কিছু না কিছু বলছে। আবার উড়ে যাচ্ছে অন্য জায়গায়। মনটাও পাখির সাথে এদিক-ওদিক চলে যাচ্ছে। অনেকেই মনের পাখির কথা সঠিকভাবে ধরতে পারে না।

ভয়কে জয় করতে হলে, মনের পাখির কথাগুলো ভালোভাবে বুঝতে হবে। মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু কেমন করে সম্ভব? মনের পাখির কথার আওয়াজ হয় না। তবে একটু সচেতন হলেই বুঝতে পারবেন।

যেমন— একই কাজে দীর্ঘদিন আছেন, কিন্তু প্রমোশন হচ্ছে না। আপনার একদম ভালো লাগছে না। কিন্তু কাজটা ছেড়েও দিচ্ছেন না। ভয় পাচ্ছেন।

এবার খেয়াল করুন, এখানে আপনার মনের পাখিটা কী কী বলছে, যাতে আপনি ভয় পেয়ে যাচ্ছেন। নোট করুন। মনের পাখিটা বলছে,

‘এই কাজ ছাড়লে আর কাজ পাবা না, না খায়া থাকবা,

তোমার কোনো যোগ্যতা নাই ভালো কাজ পাবার,

চাকরির বাজার মারাত্মক কঠিন, কুলাইতে পারবা না।’

এভাবে, যতটা ভয়ানকভাবে নিজেই নিজে বলবেন, কাহিনী ততই হরর হয়ে উঠবে। অবচেতনভাবে শরীর থেকে ভয়ের রাসায়নিক উপাদান নিঃসৃত হবে। ভয় পেতেই থাকবেন।

সুতরাং, মনের পাখিটার কথার টিউন বদলে দিতে হবে। কাহিনীকে অতিরঞ্জিত না করে ইতিবাচকভাবে বলতে হবে। যেমন— ‘চাকরি ছাড়লে কিছুদিন অসুবিধা হতে পারে, তবে না খেয়ে থাকতে হবে না। আমার যোগ্যতা আছে, ভালো কাজ পাওয়ার। আমি কাজ করি বলেই টাকা পাই, অফিস থেকে করুণা করে আমাকে টাকা দেয় না। কাজ পারি বলেই অফিসে আমারে রাখছে। না পারলে কবে ভাগায় দিত।

এভাবে নিজেই নিজেকে বলার পরে দেখবেন ভয় অনেকটাই কমে গেছে।

ধাপ তিন। এবার কল্পনার দৃষ্টিতে ভয়কে জয় করুন

যেটা নিয়ে ভয় পাচ্ছেন, সেটা চিন্তা করলেও ভয় লাগে, তাই না? সরাসরি সেটা ফেস করার তো প্রশ্নই আসে না। সরাসরি দরকার নেই, আপাতত কল্পনায় ভয়ের ঘটনাকে নিয়ে আসুন। ভয় লাগছে? শরীরে কোনো অনুভূতি হচ্ছে? চিন্তা বন্ধ করে ধীরে ধীরে লম্বা শ্বাস নিন, প্রশ্বাস ছাড়ুন। এভাবে মিনিট দুই করার পর আপনার শরীর শিথিল হবে। ভয়ের অনুভূতি কমে যাবে। এবার আবার কল্পনায় ভয়ের দৃশ্য নিয়ে আসুন আর ভাবুন কীভাবে যৌক্তিকভাবে ভয়কে জয় করছেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অব্যাহত থাকুক।

আপনার প্রিয় মানুষটার কিছু আচরণ আপনার একদম পছন্দ না। আবার সরাসরি তাকে বলতেও পারছেন না। সম্পর্কটা যদি ভেঙে যায়? সরাসরি না পারলেও কল্পনায় বলুন। শিথিল হোন, আবার কল্পনায় ভিন্ন কোনোভাবে বলুন।

মানুষটা কী ভাববে সেটা মানুষটাকেই ভাবতে দিন। ফেসবুকে একটা কমেন্ট দেখেছিলাম। ‘মানুষেরটা মানুষকে ভাবতে দিন, সেটাও যদি আপনিই ভাবেন, চলবে কেমনে?’ খুবই সত্য কথা।

এভাবে মেন্টাল গেমের মাধ্যমে দেখবেন ভয় জয় করার কত ভালো ভালো উপায় বের করেছেন।

ধাপ চার। এখন সরাসরি ভয়কে মোকাবিলা করুন

মেন্টাল গেমের মাধ্যমে নিশ্চয় অনেক পথ পেয়ে গেছেন। এবার সরাসরি সেগুলো প্রয়োগ করার পালা। এর মানে ডাইরেক্ট অ্যাকশনে যাবেন, তা না। ভয়টাকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করুন। কম ভয় থেকে বেশি ভয়, এভাবে সেই ভাগগুলোকে সাজান।

যেমন— শুরুতে কম ভয়ের অংশকে মোকাবিলা করুন। শরীর ও মনে কী প্রতিক্রিয়া হয় খেয়াল রাখবেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করে শিথিল হয়ে নিন। এরপর আরেকটু বেশি ভয়ের জিনিসকে মোকাবিলা করুন।

এভাবে ভয় মোকাবিলা করার সময় আগের প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে সজাগ থাকুন। চমৎকার ফল পাবেন, নিশ্চিত।

রাতারাতি সব পালটে যাবে না। এটা আশাও করবেন না। দিনে বা সপ্তাহে একটি করে ভয়ের অংশ জয় করুন। কিছুদিন পর দেখবেন পুরো ভয় কেটে গেছে। এর পদ্ধতিটার নাম সিস্টেমেটিক ডিসেন্সিটাইজেশন। খুব কার্যকর একটা পদ্ধতি।

আত্মশক্তি উপলব্ধি করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, নিজেকে সঠিকভাবে চিনতে না পারাই ভয়ের অন্যতম কারণ।

এই লেখাটি নেয়া হয়েছে লেখকের “মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি” বইটি থেকে। বিশেষ ছাড়ে বইটি কিনতে চাইলে চলে যান এই লিংকে!

এই লেখাটির অডিওবুকটি পড়েছে তাহমিনা ইসলাম তামিমা

What are you thinking?