বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর

বিশ্বের সবচেয়ে অবসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়’, এরকম একটা খবর হয়ত ইন্টারনেটে বা পত্রিকায় পাতায় তোমাদের অনেকেরই চোখে পড়েছে। সেই খবর দেখে আমার এক বন্ধু দুঃখ করে বলেছিলো, “আহারে! একটুর জন্য ফার্স্ট হতে পারলাম না।“ আমিও ওকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলাম যে ফার্স্ট পজিশনে তো আছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, সেইটা যুদ্ধ-টুদ্ধর মধ্যে বিধ্বস্ত হয়ে আছে জন্য ফার্স্ট পজিশনে আছে, ওদের যুদ্ধ একবার থামুক তারপর দেখবো ঢাকার ফার্স্ট হওয়া ঠেকায় কে! এই বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর নিয়ে কথা বলতে বলতেই হঠাৎ আমাদের মনে হলো অযোগ্য শহরটাকে তো নিজের চোখেই দেখছি সবসময়, তা বসবাসের সবচেয়ে যোগ্য শহর কোনটা সেইটাও একটু খতিয়ে দেখা যাক। আর সেই শহরে যেতে না পারি অন্তত ইন্টারনেটের কল্যাণে কিছু ছবি-টবি দেখে আক্ষেপ তো করা যাবে যে ‘ইশ, যদি থাকতে পারতাম এখানে!’ যা ভাবা তাই কাজ। খোঁজা শুরু করলাম সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর কোনটা।

তবে, বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহরের খেতাবটা যথেষ্ট লোভনীয়, সেইজন্য এই র‍্যাংকিং করাটাও সহজ কোনো কাজ না। কোন মাপকাঠির ভিত্তিতে করা হচ্ছে র‍্যাংকিং সেই অনুসারে র‍্যাংকিঙেরও হেরফের হয়। যেমন লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন মোনোক্লে জীবনযাত্রার মান অনুসারে র‍্যাংকিং করে থাকে সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহরের। সেই তালিকায় ২০১৮ সালে শীর্ষে ছিল জার্মানির শহর মিউনিখ। তবে বসবাসযোগ্য শহরের র‍্যাংকিঙের ক্ষেত্রে সাধারণত বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে ব্রিটিশ সংস্থা ‘Economist Intellegence Unit’ এর করা বার্ষিক ‘Global Liveability Ranking’ কে। ঢাকা যে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছিলো সেইটাও কিন্তু এই তালিকা অনুযায়ীই। মূলত পাঁচটা মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে এই তালিকা করা হয়ে থাকে। বিষয় পাঁচটি হলো:-

১। রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা (যার মধ্যে অপরাধের হার আর জঙ্গিবাদের ঝুঁকিও পড়ে)

২। স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ-সুবিধা

৩। সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ (এর মধ্যে অবশ্য বেশ কিছু জিনিস অন্তর্ভুক্ত করা হয় যেমন শহরের গড় তাপমাত্রা, দুর্নীতির পরিমাণ, খাবার-পানীয়র মান কিংবা খেলাধূলা বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ)

৪। শিক্ষার সুযোগ

৫। অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা

২০১৮ এর সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর

এই পাঁচটা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রতিটা শহরকে ১০০ এর মধ্যে রেটিং দেওয়া হয়। ২০১৮ এর রেটিং অনুযায়ী র‍্যাংকিং এর প্রথম দশটা শহর আর তাদের স্কোর ছিল:-

শহরদেশস্কোর  
ভিয়েনাঅস্ট্রিয়া৯৯.১
মেলবোর্নঅস্ট্রেলিয়া৯৮.৪
ওসাকাজাপান৯৭.৭
কালগারিকানাডা৯৭.৫
সিডনিঅস্ট্রেলিয়া৯৭.৪
ভ্যাংকুভারকানাডা৯৭.৩
টরোন্টোকানাডা৯৭.২
টোকিওজাপান৯৭.২
কোপেনহেগেনডেনমার্ক৯৬.৮
অ্যাডিলেডঅস্ট্রেলিয়া৯৬.৬

দেখতেই পাচ্ছো এই তালিকায় প্রথম স্থান পেয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। এর আগে টানা সাত বছর এর জায়গা দখল করে রেখেছিলো এইবার দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেলবোর্ন।  

শীর্ষে থাকা শহরগুলোর রেটিং স্কোর দেখে তোমাদের অনেকেরই নিশ্চয়ই কৌতুহল হচ্ছে জানার জন্যে যে একদম নীচে থাকা অর্থাৎ বিশ্বে সবচেয়ে বসবাসের অযোগ্য শহর দামেস্কের স্কোর কত। উত্তরটা হচ্ছে ৩০.৭। এর ঠিক উপরেই থাকা ঢাকার স্কোর ৩৮।

এইবার আসো জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য এই ভিয়েনা শহর সম্পর্কে কিছু কথা আর কেনই বা এইটা বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহরের মর্যাদা পেলো।

অবস্থান

মানচিত্রে যেমনটা দেখতে পাচ্ছো, ভিয়েনার অবস্থান মধ্য ইউরোপে। অস্ট্রিয়ার পূর্ব সীমান্তের কাছাকাছি, চেক রিপাবলিক আর স্লোভাকিয়ার সীমানায়। ভিয়েনা থেকে স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাটিস্লাভার দূরত্ব মাত্র ৮০ কিলোমিটার। বসবাসযোগ্য শহরের রেটিঙে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্যও একটা নম্বর আছে। ম্যাপে দেখেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো ভিয়েনার অবস্থান এমন একটা জায়গায় যেখান থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইটালি, জার্মানি, চেক রিপাবলিক, হাঙ্গেরিসহ কয়েকটা দেশে চলে যাওয়া যায় স্থলপথেই।

ইতিহাস

আজকে যে জায়গার নাম ভিয়েনা সেই জায়গায় জনবসতি ছিল আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগেও। সেই সময়ে এই অঞ্চলে ছিল কেল্টিক জনগোষ্ঠীর বাস। পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের আমলে ‘ভিনদোবোনা’ নামে একটি দূর্গ প্রতিষ্ঠা করা হয় আজকের ভিয়েনার জায়গায়। মধ্যযুগে ভিয়েনা ছিল হাবসবার্গ বংশের রাজধানী। ইউরোপের রাজনীতিতে হাবসবার্গদের গুরুত্ব বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ভিয়েনার গুরুত্বও। একসময় এটা পরিণত হয় হোলি রোমান এম্পায়ারের রাজধানীতে।

১৪৯৩ এ অঙ্কিত ভিয়েনার একটা ছবি

১৮০৪ সালে ভিয়েনা আবার রাজধানীর মর্যাদা ফিরে পায় অস্ট্রিয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে। পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত অস্ট্রো-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্য, জার্মান-অস্ট্রিয় প্রজাতন্ত্র আর প্রথম অস্ট্রিয় প্রজাতন্ত্রের রাজধানীও ছিল ভিয়েনা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি অস্ট্রিয়া দখল করলে ভিয়েনাও অক্ষ শক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে মিত্র শক্তি ভিয়েনাকে মুক্ত করলেও নিজেদের অধীনে রেখেছিলো দীর্ঘ সময়। এই যুদ্ধে ভিয়েনার অবকাঠামোগত ক্ষয়-ক্ষতিও ছিল ব্যাপক। সেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত শহরটাই আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর, ভাবতেই অবাকই লাগে, তাইনা?

আজকের ভিয়েনা

যদি ভিয়েনায় কখনও যাও, দেখতে পাবা দানিউব নদীর দুই তীরে বিস্তৃত চারশ বর্গ কিলোমিটারের সাজানো-গুছানো এক শহর। জনসংখ্যা প্রায় পঁচিশ লক্ষ। অস্ট্রিয়ার মোট জনসংখ্যা প্রায় তিন ভাগের এক ভাগই থাকে রাজধানী বা এর সাব-আরবান এলাকাগুলোয়। ভিয়েনার শহরতলীর এক অংশ ‘ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার’ হিসেবে পরিচিত, যেখানে জাতিসংঘের আঞ্চলিক কার্যালয় অবস্থিত। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা, তেল রপ্তানিকারক দেশদের সংগঠন ওপেকসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত এই এলাকায়। এর ফলে প্রতি বছরই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা-সম্মেলন লেগেই থাকে ভিয়েনায়। এক হিসাব অনুসারে প্রতি বছর ভিয়েনায় আসা ট্যুরিস্টের সংখ্যা প্রায় সত্তর লাখ, যা কিনা শহরটার স্থায়ী জনসংখ্যার কয়েক গুণ!

শিল্প-সংস্কৃতি-স্থাপত্য

ভিয়েনায় তিনজন মানুষের সাথে তোমার দেখা হলে তারমধ্যে গড়ে একজন থাকবে যে কিনা জাতিতে অস্ট্রিয় না। সার্বিয়, তুর্কি, পোলিশ, জার্মান, রোমানিয়ান এমন কোনো ইউরোপীয় জাতির মানুষ নাই যাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না ভিয়েনায়। বিভিন্ন জাতির এই সাংস্কৃতিক মিলনই শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-স্থাপত্য সব দিক থেকেই ভিয়েনাকে  ইউরোপে করেছে অনন্য। এর ফলে ইতিহাসের বহু বিখ্যাত মুখ তাদের জীবনের একটা সময় কাটিয়েছে ভিয়েনায়। এই তালিকায় সিগমন্ড ফ্রয়েডের মতো বিখ্যাত মানুষ থেকে শুরু করে আছে এডলফ হিটলারের মতো কুখ্যাত মানুষও।

সঙ্গীতের জগতে ভিয়েনা এতই বিখ্যাত যে অনেকসময় একে ডাকা হয় ‘City of Music’ নামেও। ভিয়েনাজুড়েই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য থিয়েটার আর অপেরা। এই শহরেই কাজ করেছেন বেথোভেন, মোজার্টের মতো সুরস্রষ্টারা। সঙ্গীতের জগতে ভিয়েনার প্রভাব এতই প্রকট যে একে বিশ্ব সঙ্গীতের রাজধানী হিসেবেও সম্বোধন করা হয় অনেক সময়ে।


অপেরা

এখনকার ভিয়েনা শহর বেড়ে উঠেছে গত কয়েক শতাব্দী ধরে ধীরে ধীরে। ফলে এখানে যেমন মধ্যযুগীয় স্থাপত্যের নিদর্শন তুমি দেখতে পাবা তেমনই দেখবা আধুনিক স্থাপত্য। ভিয়েনার সিটি সেন্টারকে ইউনেসকো ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলো। যদিও পরবর্তীতে ২০১৭ সালে এই স্বীকৃতির জায়গায় দেওয়া হয় ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ইন ডেঞ্জার’। শহরের আধুনিকায়ন করতে যেয়ে প্রশাসন হাই-রাইজ বিল্ডিং তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ইউনেস্কোর মতে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শহরের স্বাভাবিক চালচিত্র, যার ফলে বিপদে থাকা হেরিটেজ সাইট ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া।

এই বৈচিত্রপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও পরিবেশের জন্যই এই বিষয়ে ভিয়েনা সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহরের স্কোরে পেয়েছে ৯৬.৩।

বসবাসযোগ্য শহর হওয়ার আরেকটা যে মাপকাঠি সেই অবকাঠামোতেও  ভিয়েনা এগিয়ে থাকে স্থাপত্যের জন্য। অবকাঠামোগত সুবিধার মধ্যে অবশ্য খালি সুন্দর সুন্দর বাড়ি-ঘর পড়ে না, যোগাযোগ ব্যবস্থা (স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক), গণপরিবহণ, বিদ্যুৎ বা পানির মতো সুবিধার সহজলভ্যতার ভিত্তিতেই অবকাঠামোগত স্কোর দেওয়া হয়। এইখানে ভিয়েনা পেয়েছে পুরো ১০০ তে ১০০।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

উচ্চশিক্ষার সুযোগের জন্য ভিয়েনা ইউরোপের অন্যতম আকর্ষণীয় শহর। ১৩৬৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ইউনিভার্সিটি অফ ভিয়েনা ইউরোপের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটা। বর্তমানে ছাত্রসংখ্যার দিক থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটা এই বিশ্ববিদ্যালয়, ২০ জন নোবেল পুরস্কারবিজয়ী কাজ করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়াও এই শহরে আছে ১৬৯২ এ প্রতিষ্ঠিত ‘একাডেমি অফ ফাইন আর্টস’ ১৮১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ইউনিভার্সিটি অফ মিউজিক এন্ড পারফর্মিং আর্টস’ সব বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট। এরমধ্যে ‘ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি অফ ইকোনমিকস এন্ড বিজনেস’ ইউরোপের সেরা বিজনেস স্কুলগুলোর একটা হিসেবে পরিচিত।

ভিয়েনা সম্পর্কে অনেক কথাই তো হলো। পৃথিবীর সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর যেহেতু এইটা সেইজন্য ওখানে থাকতে যাওয়ার ইচ্ছে নিশ্চয়ই তোমাদের অনেকেরই হচ্ছে। তোমাদের না হলেও, আমার কিন্তু হচ্ছে। জীবনযাত্রার উন্নত মানের কারণে বহু মানুষ অস্ট্রিয়ায় স্থায়ীভাবে থাকতে চায়। তবে অস্ট্রিয়ায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য ভিসা পাওয়া গেলেও, স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতিপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া বেশ জটিল, বিশেষত ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য। রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার আবেদন করতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ফান্ড তোমার ব্যাংকে আছে সেইটা দেখাতে হবে। সাথে থাকতে হবে ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি কিংবা জার্মান ভাষায় দক্ষতার সার্টিফিকেটও। আর এত কিছু স্রেফ আবেদনের জন্য লাগে। সব থাকলেও  সম্ভাবনা আছে আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ার, কারণ প্রতি বছর খুব অল্প মানুষকেই এইভাবে রেসিডেন্স পারমিট দেওয়া হয়, গড়ে মাত্র ৩০০ জন। এর বাইরে রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার আরেকটা উপায় কোনো অস্ট্রিয় প্রতিষ্ঠানে কাজ নেওয়া, যদিও এইটাও বেশ জটিল কারণ অস্ট্রিয়রা মূলত নিজের দেশের নাগরিক বা ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাসিন্দাদেরই কাজ দিতে বেশি পছন্দ করে। তবে একবার যদি রেসিডেন্স পারমিট পেয়ে যাও সেইটার মেয়াদ সহজেই বাড়িয়ে নেওয়া যায়। আর এইভাবে একটানা দশ বছর অস্ট্রিয়ায় থাকলেই পেয়ে যেত পারো অস্ট্রিয়ার নাগরিকত্ব।  

তথ্যসূত্র

১। https://pages.eiu.com/rs/753-RIQ-438/images/The_Global_Liveability_Index_2018.pdf

২। https://www.vienna-unwrapped.com/where-is-vienna-austria/

৩। https://www.irishtimes.com/life-and-style/abroad/what-makes-vienna-the-most-liveable-city-in-the-world-1.3596105

৪। https://en.wikipedia.org/wiki/Vienna

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?