জেনে নাও অদ্ভুত এ পৃথিবীর ২০টি চমক!

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও

আমাদের পরিবেশটা যেন এক মহা জটিল জায়গা! আমরা একে যতটা স্বাভাবিকভাবে নেই, তার থেকে অনেক বেশি অস্বাভাবিক ব্যাপার নিত্যদিন ঘটছে এখানে। তার কতটা আমরা জানি? চলুন জেনে নেয়া যাক আজ আমাদের চারপাশের এমন অদ্ভুত ব্যপারগুলোর মাঝে ২০ টা ব্যাপার!

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

১। ছোটবেলায় পিঁপড়া ও ঘাসফড়িং এর গল্প আমরা সবাই পড়েছি। যেখানে গ্রীষ্মকালে পিঁপড়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা বলা হয়েছে। তবে এই গল্পে যে জিনিষটা বলা হয়নি, তা হচ্ছে, পিঁপড়া শুধু পরিশ্রমই করে না বরং নির্ঘুম ভাবে পরিশ্রম করে। জ্বী, পিঁপড়া কখনো আমাদের মত স্বাভাবিকভাবে ঘুমায় না!

কী মনে হচ্ছে? আরেহ! টার্ম পেপার জমা দেবার ডেডলাইনের আগে তো আমরাই পিঁপড়া হয়ে যাই তাহলে!

২। মনে করুন, আপনার জরুরি ভিত্তিতে বরফ দরকার। এখন, আপনার বাসায় ঠাণ্ডা ও গরম দুরকমের পানিই আছে। আপনি কোন পানিকে বরফ বানাতে দিবেন? ঠাণ্ডা পানিকে?

মুভির নায়কের মতো বলে বসতেই হয়, “This is where you are wrong, kiddo!” ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে রূপান্তরিত হয়।

৩। হাসির জন্য বিখ্যাত মোনালিসা কি আসলেই একদম পারফেক্ট ললনা? খেয়াল করে দেখুন তো, তার তো ভ্রু-ই নেই!

৪। জিহ্বা হচ্ছে আপনার দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী। এর পরই সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী হচ্ছে মাসিটা অর্থাৎ গালের পেছনের দিকের পেশী।

৫। আপনাকে যদি একটা গ্লাসে সবুজ রঙের কোকাকোলা আরেকটা গ্লাসে লাল রঙের কোকাকোলা খেতে দেয়া হয়, তাহলে কোনটা খাবেন আপনি? অবশ্যই লালটা। কিন্তু আপনি কি জানেন? আসল কোকাকোলা সেই সবুজ রঙেরটাই। রঙ মেশানোর পর তা লাল রঙ ধারণ করে।

৬। কখনো কি মনে হয়, উট কী করে এত বৈরী আবহাওয়ায়ও নিজের চোখকে রক্ষা করে? মরুভূমিতে ধুলা থেকে বাঁচার জন্য উটের চোখে তিনটা পাতা থাকে।

ঘুরে আসুন: উপায়গুলো মানলে তবে, Current Affairs এ পারদর্শী হবে!

৭। আমাদের অনেকেরই মাছের গন্ধ একদম সহ্য হয় না। কিন্তু বেশিরভাগ লিপস্টিকের উপাদানেই কিন্তু মাছের আঁশ মেশানো থাকে!

৮। আমেরিকাতে আসামীদের শাস্তিস্বরূপ বৈদুত্যিক চেয়ারে বসানো হয়। সেখানে আসামীর হাত, কোমর এবং পা আটকিয়ে তা দিয়ে প্রায় ২০০০ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ প্রবাহ করানো হয়। কত কঠোর হৃদয়ের মানুষ হলে এমন একটা জিনিষ আবিষ্কার করা সম্ভব, না? সেই কঠোর হৃদয়ের মানুষটা পেশায় ছিলেন একজন ডেন্টিস্ট!

নিজেকে কখনো অসহায় মনে হলে, একবার সেই ডেন্টিস্টের রোগীদের কথাটা ভেবে দেখুন!

৯। মানুষের হাতের আঙ্গুলের মতই দুজন মানুষের জিহ্বার ছাপও কখনো মিলবে না।

১০। কেমন হতো যদি আমাদের শহরটাতে শুধু নদী আর সেতু থাকতো? কোনো রাস্তা থাকতো না? ঠিক যেন হল্যান্ডের গ্রাম গিথুর্নের মত!

নিজেই করে ফেল নিজের কর্পোরেট গ্রুমিং!

কর্পোরেট জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে জানতে হয় কিছু কৌশল।

এগুলো জানতে ও শিখতে তোমাদের জন্যে রয়েছে দারুণ এই প্লে-লিস্টটি!

১০ মিনিট স্কুলের Corporate Grooming সিরিজ

১১। আমরা মাঝেমাঝেই আমাদের মস্তিষ্ক যা বলে তাকে পাত্তা না দিয়ে, হৃদয়ের কথাটাকে গুরুত্ব দিয়ে পড়ে যাই বিপদে। চিংড়ির কিন্তু এমনটা হয় না। কারণ, তার হৃদয়ই মাথায় অবস্থিত!

১২। থ্রি ইডিয়টস ছবির ভাইরাসের মত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চিও কিন্তু এক হাত দিয়ে ছবি আঁকতেন এবং আরেক হাত দিয়ে লিখতে পারতেন!

১৩। পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ, যার নাম কোনো দেবতার নামানুসারে করা হয়নি।

১৪। ডলফিনকে মানুষের মতই বুদ্ধিমান বলে গণ্য করা হয়। দুটি ডলফিনকে যদি নিজেদের মাঝে ফোনালাপ করতে দেয়া হয়, তাহলে তারা যে শুধু তা করতে পারবে তাই নয়, বরং একে অপরের আওয়াজও চিনতে পারবে।

বাঘের পা এত শক্তিশালী যার ফলে বাঘ মৃত্যুর পরও দাঁড়িয়ে থাকতে পারে

১৫। পেঁচা একমাত্র পাখি যে নীল রঙ দেখতে পায়!

১৬। নেপচুনে গ্রীষ্মকাল ৪০ বছর ব্যাপী চলতে থাকে। কিন্তু, তাতে তাপমাত্রা থাকে -৩২৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা -২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঘুরে আসুন: বিশ্ব কাঁপানো পাঁচটি অমর ছবি

১৭। মানুষের মস্তিষ্ক যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, তাতে একটি ৬০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালানো সম্ভব।

১৮। পেঙ্গুইনের চোখের উপরে একটা অঙ্গ থাকে যার মাধ্যমে তারা নোনা পানিকে মিঠা পানিতে পরিণত করে।

সঠিকভাবে কোন ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করতে পারা ইংরেজিতে ভাল করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

১৯। বাঘের পা এত শক্তিশালী যার ফলে বাঘ মৃত্যুর পরও দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

২০। ফেসবুককে আমরা নীল জগৎ বলে ডাকি। ফেসবুকের রঙ নীল হবার পেছনের কারণটা হচ্ছে, এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ হচ্ছেন বর্ণান্ধ!

পৃথিবীকে আগে যে নজরে দেখতেন, এসব জানার পরও কি পারবেন আবার সেভাবেই দেখতে?


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?