দ্যা ভিঞ্চি: গ্রেটেস্ট রেনেসাঁম্যান

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

পলিম্যাথ শব্দটির সাথে তোমার পরিচয় আছে?

রেনেসাঁম্যানদের আরেক নাম হচ্ছে পলিম্যাথ।

এবার আরও সহজ করে বলছি।

পলিম্যাথ এর বাংলা করলে দাঁড়ায় বহুবিদ্যাবিশারদ। আর উইকিপিডিয়া বলছে পলিম্যাথ  হচ্ছে তাঁরা, যারা অনেক কিছু শিখেছেন। মানে সোজা কোথায় অনেক বিষয়ের উপর পাণ্ডিত্য যারা রাখেন তাদেরকে আমরা পলিম্যাথ বলতে পারি। সপ্তদশ শতকে রেনেসাঁ যুগে রেনেসাঁম্যানের ধারণাটি জন্ম নেয়। এই রেনেসাঁম্যানদের আরেক নাম হোল পলিম্যাথ।  এর আগে এই পণ্ডিতদের সম্বোধন করতে পলিহিস্টর শব্দটি ব্যবহৃত হত।

নিচের শব্দগুলো এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলো এবার।

,পেইন্টার, ভাস্কর, আর্কিটেক্ট, বৈজ্ঞানিক, মিউজিশিয়ান, ম্যাথম্যাটিশিয়ান, ইঞ্জিনিয়ার,সাহিত্যিক, অ্যানাটোমিস্ট, জিয়োলজিস্ট, অ্যাস্ট্রোনোমার, বোটানিস্ট, হিস্টোরিয়ান, কার্টোগ্রাফার ( ম্যাপ আঁকিয়ে)  আর ফাদার অফ  পালিয়েনটোলজি আর ইকনোলজি (পালিয়েনটোলজি আর ইকনোলজি হচ্ছে ফসিল নিয়ে সব পড়াশোনা)          

 এক নিঃশ্বাসে পড়তে পারলে? পারলেও কষ্ট হয়েছে!

 দুনিয়ায় এমন এক পলিম্যাথ ছিলেন যিনি উপরের কোনো বিষয়ে বিদ্যা অর্জন বাদ দেননি এমনকি  কোনো কোনো বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই নিজের চেষ্টায় দিব্যি পণ্ডিত বনে গিয়েছিলেন। ৬৭ বছরের জীবনে তিনি রেনেসাম্যান কিভাবে হতে হয় সেটি ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছেন।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে! The 10-Minute Blog!

আমাদের এই অবিশ্বাস্য রেনেসাঁম্যানের নাম লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।  

এই ইতালিয়ান পলিম্যাথের পুরো জীবনী তুলে ধরতে গেলে লেখা আর শেষ হবে না। তাই যতটুক না জানলেই নয় তোমাকে সেইটুকু জানানোর চেষ্টা করবো।


ছবিঃ mediastorehouse.com

লিওনার্দো দ্যা সের পিয়েরো দ্যা ভিঞ্চিঃ 

১৪৫২ সালের ১৫ এপ্রিল।

বাবা  পিয়েরো ফ্রুয়েসিনো ডি অ্যান্টনিও দ্যা ভিঞ্চি আর মা ক্যাটারিনার সন্তান লিওনার্দো রাতের একদম শেষ প্রহরে জন্মগ্রহণ করেন।  

তার জন্ম  ইতালির রিপাবলিক অফ  ফ্লোরেন্সের ভিঞ্চি নামক উপত্যকার তুস্কান হিল টাউনে।  ভিঞ্চি উপত্যকায় জন্ম নেয়ার কারণে তার নামের শেষে জুড়ে দেয়া হোল দ্যা ভিঞ্চি। আর  তাঁর  পুরোনাম “লিওনার্দো দ্যা সের পিয়েরো দ্যা ভিঞ্চি”  এর অর্থ করলে দাঁড়ায়  সে  পিয়েরো এর পুত্র লিওনার্দো এবং তাঁর জন্ম হোল ভিঞ্চিতে।    

জীবনের প্রথম পাঁচ বছর মায়ের কাছেই  কাটিয়ে দেন তিনি। এরপরে পাঁচ বছর বয়সে বাবা দাদা দাদি আর চাচার সাথে থাকা শুরু হয় তাঁর।

লিওনার্দো আর ঈগল পাখির কাহিনীঃ


GIF: Giphy

তখন কেবল কৈশোরে পা দিয়েছেন এই পলিম্যাথ। একদিন দোলনায় বসে ছিলেন তিনি। হঠাৎ একটি চিল আকাশ থেকে নেমে এসে তাঁর  দোলনার  উপর দিয়ে উড়ে যাবার সময় তাঁর মুখে লেজের পালক বুলিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষজন এই কাহিনী শোনার পরে বলতে লাগলো “ তোমার ভবিষ্যৎ জীবন তো  একেবারে দিনের আলোর মতো ফকফকা হয়ে গেল!”

 তাঁর শৈশবের একটি মজার কাহিনী এর সাথে জুড়ে দেই। তিনি  ছোটবেলা থেকেই  ছিলেন প্রকৃতিপ্রেমী।   তো একবার তিনি একাই ঘুরতে গেলেন পাহাড়ে। ছোট্ট লিওনার্দো ঘুরতে ঘুরতে আবিস্কার করে ফেললেন একটি গুহা। তাঁর বিশ্বাস, এই গুহায় তিনি নিশ্চয়ই অতিকায় কোনো  দৈত্যের দেখা পাবেন। ভয় পেলেও তাঁর সেই ভয় তাঁর মধ্যকার কৌতূহলের কাছে হার মানে। পুরো গুহা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ফেলেন তিনি। দৈত্যের সাথে সেদিন তাঁর দেখা হয়নি।

 ভিঞ্চির শিক্ষাজীবনঃ

জীবনের এই অধ্যায় নিয়ে লিওনার্দো খুব বেশি কিছু বলে যাননি। তাঁর ভাষ্যমতে , ল্যাটিন ভাষা, জ্যামিতি আর গণিতের উপর ঘরে বসে তিনি শিক্ষা নেন। একে বলে ইনফরমাল এডুকেশন।

চিত্রশিল্পী লিওনার্দোঃ  

ভাসারি নামে ষোল শতকে একজন বায়োগ্রাফার ছিলেন যিনি রেনেসাঁ যুগের পেইন্টারদের বায়োগ্রাফি লিখতেন। লিওনার্দোর যুবক বয়সের একদম শুরুর দিকের একটি কাহিনী তাঁর লেখা থেকে পাওয়া যায়।

একবার স্থানীয় এক কৃষিজীবী একটি গোল ঢাল তৈরি করলেন এবং ভিঞ্চিকে অনুরোধ করলেন তিনি যাতে এর উপরে একটি ছবি এঁকে দেন। ভিঞ্চি সেটির উপর ভৌতিক দৈত্যের ছবি আঁকেন যার মুখ দিয়ে আগুনের হলকা বের হচ্ছিল। ছবিটি এতই সুন্দর হয় ভিঞ্চি সেটি স্থানীয় লোকটিকে না দিয়ে ফ্লোরেনটাইন এক আর্ট  ডিলারের কাছে তা বিক্রি করে দেন এবন ওই আর্ট ডিলার সেটি ডিউক অফ মিলানের কাছে  বিক্রি করেন। পরে অবশ্য স্থানীয় লোকটিকে অন্য একটি ছবি এঁকে দেন ভিঞ্চি!  

ভ্যারিচ্চিও আর  ভিঞ্চিঃ

১৪  বছর বয়সে আর্টিস্ট ভ্যারিচ্চিও কাছে শিক্ষানুবিশ হিসেবে পাড়ি জমান তিনি। ওই সময়কার বেশ নাম ডাক ওয়ালা চিত্র শিল্পী ছিলেন ভ্যারিচ্চিও। তাঁর আখড়ায় তখন নামী দামী সব  শিল্পীদের যাতায়াত ছিল। এখানে শিক্ষানুবিশ হওয়ার ফলে লিওনার্দো  সোনার খনি হাতে পান। নিজের ঝুলিতে যোগ করেন প্রচুর পরিমানে অভিজ্ঞতা। চামড়া দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করা কিংবা কাঠের কাজ থেকে  শুরু করে  ধাতু দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানানো শিখে ফেলেন ভিঞ্চি।

ভাসারির বর্ণনা অনুযায়ী লিওনার্দো নাকি ভ্যারিচ্চিও কে তাঁর “ব্যাপ্টিজম অফ  ক্রাইস্ট” ছবিটি আঁকার সময় অনেক সাহায্য করেন। সেখানে লিওনার্দো এমন পারদর্শিতা দেখান যে, ভ্যারিচ্চিও নাকি ভেবেই বসেছিলেন তিনি আর কখনো তুলি হাতে নিবেন না!


ছবিঃ Wikipedia

এই হোল সেই বিখ্যাত ব্যাপ্টিজম অফ ক্রাইস্ট!

মাত্র ২০ বছর বয়সে চিত্রকর আর চিকিৎসকদের সংগঠন  “গিল্ড অফ সেন্ট লুক” এর পরিচালক হওয়ার সুযোগ পান তিনি।

লিওনার্দোর স্বয়ং নিজের তারিখ দেয়া সবচেয়ে পুরনো সাইনটি  ছিলো ১৪৭৩ সালের ৫ই অগাস্ট। সেটি ছিল তাঁর জন্মস্থানের আশপাশের একটি উপত্যকার ছবি।  


ছবিঃ Virgin of the Rocks  (wikipedia)

ভিঞ্চির পেশাগত জীবনঃ 


ছবিঃ Adoration of the Magi (wikipidia)

ছবিঃ The last Supper (wikipedia)

ছবিঃ Madonna (Wikipedia)

উপরের এই ছবিগুলো ১৪৭৬ সাল থেকে ১৫১৩ সালের মধ্যে আঁকেন ভিঞ্চি।

তিনি যে একজন তুখোড় মিউজিশিয়ান ছিলেন তাঁর প্রমাণ দিয়েছেন ভাসারি। ১৪৮২ সালের দিকে মিউজিশিয়ান ভিঞ্চি তৈরি করে ফেললেন একটি বীণা যেটি দেখতে ঘোড়ার মাথার আকৃতির মতো ছিল।

আর হবে না মন খারাপ!

আমাদের বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের একটা বড় সমস্যা হতাশা আর বিষণ্ণতা।

দেখে নাও আজকের প্লে-লিস্টটি আর শিখে নাও কিভাবে এসব থেকে বের হয়ে সাফল্য পাওয়া যায়!

১০ মিনিট স্কুলের Life Hacks সিরিজ

স্থানীয় ডিউক তা দেখে অভিভূত হন এবং লিওনার্দোকে দিয়ে সেটি উপহারস্বরূপ ডিউক অফ মিলানের কাছে পাঠান। উদ্দেশ্য ছিল শান্তি চুক্তি করে ফেলা।  লিওনার্দো সেখানে তাঁর চোখ ধাঁধানো সব যন্ত্রের বর্ণনা দিয়ে একটি চিঠি লিখলেন আর জানিয়ে দিলেন যে, তিনি ছবিও আঁকতে পারেন বেশ!


ছবিঃ Wikipedia

ঘোড়ার মাথার মতো বীণাটি দেখতে অনেকটাই এরকম ছিল।

এবার চলো লিওনার্দোর বৈজ্ঞানিক  দিকটিতে একটু চোখ বুলিয়ে আসি।

বৈজ্ঞানিক ভিঞ্চিঃ  

অ্যানিমোমিটারঃ

উড়তে পারার ব্যাপারটি নিয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল অনেক বেশি। সেই আগ্রহ থেকেই তৈরি করে ফেলেছিলেন অ্যানিমোমিটার। বাতাসের গতি মাপার কাজে ব্যবহৃত হয় এই যন্ত্র।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ। গ্রুপে জয়েন করুন!

ফ্লাইং মেশিন!

পাখির ওড়ার পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করে লিওনার্দো একাই করে ফেলেছিলেন ফ্লাইং মেশিনের নকশা।


ছবিঃ Live Science ( flying machine of vinci)

এবার হ্যালিকপ্টারের নকশাঃ

এভিয়েশন নিয়ে এতোটাই  গবেষণা করেছেন যে , ১৫ শতকেই তিনি এঁকে যান বর্তমান দিনের হ্যালিকপ্টারের নকশা। তাহলে বলাই যায়, যুগের চেয়ে অন্তত শত বছর এগিয়ে ছিলেন ভিঞ্চি।


ছবিঃ woodchurch.kent.sch.uk (Helicopter of vinci)

প্যারাসুটঃ


ছবিঃ Fine Art America

১৭৮৩ সালে সেবাস্তিয়ান লেনরম্যান্ডকে প্যারসুট আবিস্কারের কৃতিত্ব দেয়া হলেও তাঁর কয়েকশ বছর আগেই ভিঞ্চি প্যরাসুটের নকশা এঁকে রেখে যান। 

ঘড়িঃ

ঘড়ির প্রথম নকশা ভিঞ্চি করেননি। কিন্তু করেছেন তখনকার প্রচলিত ঘড়ির সংস্কার।

সেল্ফ প্রপেল্ড কারঃ

মোটর গাড়ির কথা কেউ তখনো মাথাতেই আনেনি। সে আমলে তিনি এমন এক গাড়ির নকশা এঁকে বসলেন যেই গাড়ি মানুষের বা পশুর ধাক্কা ছাড়াই চলবে।


ছবিঃ Ars Technica

  এই সেই নকশা ! 

                                                    ছবিঃ Ars Technica

 স্কুবা গিয়ারঃ

দুব সাঁতার দেয়ার জন্য যেই গিয়ার গুলোর প্রয়োজন পরে কয়েকশ বছর আগে তাঁর নকশা করে গেছেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।


                       ছবিঃ www.davincipersonalproject.com 

 তাঁর মোট বৈজ্ঞানিক নকশার কথা  বলে শেষ করা যাবেনা। তিনি কয়েকশ বছর আগেই অ্যানিমেটেড রোবটের পুঙ্খানুপুঙ্খ নকশা করে গিয়েছেন। আরও করেছিলেন রিভল্ভিং ব্রীজের নকশা। এই নকশাটি  তখন হেসে উড়িয়ে দেয়া হলেও বর্তমানে এই নকশা বাস্তবায়নযোগ্য। এছাড়াও অস্ত্র  সজ্জিত ট্যাঙ্ক কিংবা দৈত্যাকার তীরের নকশাও করে গিয়েছেন তিনি।

তাঁর সেরা কয়েকটি নকশা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হলে দেখতে পারো এই ভিডিওটি।

লিঙ্কঃ https://youtu.be/PwOlIGGDVjE 

তাঁর তৈরি করা নকশা বৈজ্ঞানিক নথিপত্রের অন্তত সাত হাজার পৃষ্ঠা কালের বিবর্তনে হারিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো পৃষ্ঠা লুকিয়ে রেখেছেন তিনি। এভিয়েশন এর উপর গবেষণা করে তিনি অন্তত কম করে হলেও পাঁচশত এর বেশি পরিমান স্কেচ এঁকেছেন। যার মধ্যে আছে পাখি কিভাবে উড়ে তাঁর বিস্তর গবেষণা।  আরও আছে বাতাসের প্রোপার্টিজ থেকে শুরু করে তাঁর ফ্লায়িং মেশিন কিভাবে কাজ করবে সেটির গাইড লাইন। মর্টার শেল,হাইড্রোলিক পাম্পের নকশাও আছে তাঁর।

ভিঞ্চির শেষের দিনগুলিঃ  


ছবিঃ wikipedia ( Mona Lisa)

১৫০৩ সালে আঁকা এই ছবিটি নিয়ে আছে অনেক জল্পনা কল্পনা আর মুখরোচক কাহিনী। ভিঞ্চির বিখ্যাত সব পেইন্টিং এর মধ্যে সেরা হচ্ছে মোনালিসা। মোনালিসা কে বলা হয়-

 “the best known, the most visited, the most written about, the most sung about, the most parodied work of art in the world”

১৫০৫ সালে আঁকেন “সালভাতোর মুন্ডি”।


ছবিঃ Amrita Bazar

২০০৫ সালে এই  ভিঞ্চির আঁকা এই হারানো ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে ছবিটি নিলামে কিনে নেয়া হয়।

১৫১৯ সালের ২রা মে এই ইতালিয়ান পলিম্যথ মৃত্যুবরণ করেন।

অ্যানাটোমিষ্ট ভিঞ্চির সব কাজকারবার দেখতে ঘুরে আস্তে পারো এই লিঙ্কটিতেঃ

লিঙ্কঃ https://youtu.be/J9xUL5Yi_8M 

পলিম্যাথ পৃথিবীতে অনেকেই আছেন।

কিন্তু এমন বিচক্ষণ আর দূরদর্শী পলিম্যাথ খুব কমই দেখেছে পৃথিবী।

এই জন্যই হিস্টোরিয়ান, স্কলার আর সায়েন্টিস্টরা তাঁর নাম দিয়েছেন “ইউনিভার্সাল জিনিয়াস”।

এমন রেনেসাঁম্যান থাকলে সুপারম্যানের দরকার কি?

সূত্র ঃ


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?