ডিসটোপিয়া: এক অন্ধকার পৃথিবীর ধারণা (পর্ব-২)

ডিসটোপিয়া হলো এমন এক জিনিস যা অদূর ভবিষ্যতের কিংবা বর্তমানের অভিশপ্ত এক জগতের গল্প বলার চেষ্টা করে। খারাপ কিংবা যেখানে আশা নেই, হতাশাপূর্ণ এমন উপন্যাসকে আমরা বলে ফেলি ডিসটোপিয়ান বই। তবে ডিসটোপিয়া ব্যাপারটা এরচেয়েও বেশ গভীর বলা চলে। শিল্প সাহিত্য তথা বই কিংবা সিনেমায় ডিসটোপিয়ার সম্পৃক্ততা অনেক পুরনো। সাহিত্যের সাথে এমন অদ্ভুত ধারণার সংযোজন তেমন নতুন কিছু না। মিথের মত একটি ব্যাপারও মিথলজি নামে সাহিত্যের একটি নতুন দুয়ার উন্মোচিত করেছে।

আগের পর্বে ডিসটোপিয়া কী বা কিভাবে এলো তা বেশ বিস্তরভাবেই আলোচনা করা হয়েছিলো। সেটি পড়লে ডিসটোপিয়া সম্পর্কে কিছুটা ধারণা হবে বলে আমার বিশ্বাস। যারা আগের লেখাটি পড়োনি তারা এই লেখা পড়ার আগে ডিসটোপিয়া নিয়ে লেখা প্রথম ব্লগটি পড়ে আসতে পারো। এতে করে ধারাবাহিকতা রক্ষার সুযোগ থাকবে। তো চলো শুরু করা যাক।

আমরা ডিসটোপিয়া নিয়ে লেখা ধারাবাহিক ব্লগের আগের পর্বে দেখেছিলাম, নাইন্টিন এইট্টি ফোর নামক সিনেমার কথা। যেখানে দেখা যায় স্বৈরাচারী শাসক বিগ ব্রাদারকে। যিনি কিনা সবসময় সর্ব অবস্থায় সব নাগরিককে দেখছেন। কোন মানুষ বিগ ব্রাদারের বিরুদ্ধে কোন সমালোচনা করলো কিনা বা রাষ্ট্র নিয়ে কোন রকম হতাশামূলক কথা বললো কিনা তার দৃশ্য বিগ ব্রাদারের কাছে থাকে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এখানে সত্য বলতে কিছু নেই। বিগ ব্রাদার যা বলবেন তাই চিরসত্য। বিগ ব্রাদার কখনো ভুল বলেন না। যদিও কোন ভাবে ভুল বলে ফেলেন তবে সেটিকে শুরু থেকে এমন ভাবে পরিবর্তন করে দেয়া হয় যেন এটা প্রমাণ করা না যায় যে বিগ ব্রাদার কখনো ভুল বলেছিলেন।

অর্থাৎ ধরা যাক বিগ ব্রাদার বলেছেন, এ বছর ধানের ফলন খুব কম হবে। কিন্তু দেখা গেলো ধানের ফলন সবচেয়ে বেশি হয়েছে। তবে তো বিগ ব্রাদারের কথা মিথ্যে হয়ে গেলো। কিন্তু তা হতে দেয়া যাবে না। একদম অতীতে গিয়ে মুছে দেয়া হবে। এখন প্রশ্ন আসতে পারে তা কিভাবে সম্ভব! অতীত মূলত আটকে থাকে নথিপত্রে। অতীতের সব নথিতে গিয়ে বিগ ব্রাদারের আগের কথা মুছে দিয়ে লেখা হবে বিগ ব্রাদার আসলে বলেছিলেন ধানের চাষ সবচেয়ে বেশি হবে। একটি মন্ত্রণালয় রয়েছে শুধু এই কাজের জন্য।

এই গল্পের নায়কও এরকম একজন সরকারি কর্মকর্তা। যিনি সেই বিভীষিকাময় দেশটি নিয়ে তার ডায়েরিতে লিখছেন আর আমরা ডায়েরিটা পড়ছি। এই সিনেমায় অসাধারণ অনেকগুলো ডিসটোপিয়ান ফ্যাক্ট দেখানো হয়। দেখানো হয় টেন মিনিট হেটস কিংবা ‘দশ মিনিটের ঘেন্না’। যেখানে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলা একজন দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত চরিত্রের ছবির সামনে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে ঘৃণা ছুড়তে হয়। তা আবার প্রতিদিনকার রুটিন।

দেখানো হয় যুদ্ধ-বিগ্রহ। যুদ্ধে বোমাবাজি হয়, মানুষও মারা যায়। তবে কোন এক অজানা কারণে সব বোমাগুলো ভূপাতিত হয় গরীবদের উপর। সিনেমার একদম শুরু থেকেই এটি দেখানো হয়। আসলে এই সিনেমা নিয়ে বলতে গেলে বহু কিছু লেখা যায়। আমরা একটি সিনেমা নিয়ে বিস্তারিত লিখছি না। আগ্রহীরা ইউটিউবে গিয়ে সিনেমাটি দেখে আসতে পারো। আমরা বরং অন্য কয়েকটি ডিসটোপিয়ান সিনেমা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।

 

ঝালিয়ে নাও প্রয়োজনীয় সূত্রগুলো!
আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা যায় গণিতের ভীতি। যদি একটু বুঝে বুঝে করা যায় তাহলেই সমস্যাটি দূর করা সম্ভব হয়ে উঠবে।

ডিসটোপিয়া নিয়ে আমার সবচেয়ে পছন্দের সিনেমা হলো ‘ফারেনহাইট ৪৫১’। এমনিতেও ডিসটোপিয়ান সিনেমার অভাব নেই। ডিসটোপিয়ান বিখ্যাত সিনেমা হলো- সিটি অফ লস্ট চিলড্রেন, আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ, হীরক রাজার দেশে, চিলড্রেন অফ ম্যান, লুপার ইত্যাদি। মেড ম্যাক্স সিরিজটাও ডিসটোপিয়ান সিনেমার অনবদ্য উদাহরণ। আর ম্যাট্রিক্সের কথা কী বলবো! ছোটবেলায় ডাই হার্ট ফ্যান ছিলাম ম্যাট্রিক্স সিনেমার।

ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমায় চলো আবার ফিরে যাই। ফারেনহাইট ৪৫১ বইটি অক্ষরিক অর্থে অঙ্কুরোদগম করেছিলেন Ray Bradbury নামের একজন ভদ্রলোক। পরবর্তীতে এটিকে পরিপূর্ণভাবে সিনেমায় রূপান্তরিত করার মত জটিল কাজটি করেন Franacios Truffauta নামের একজন। ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমাটিরতে ব্যবহৃত আবহ সঙ্গীত দিয়েছেন Bernard Herrman। এই সিনেমায় ভবিষ্যৎ আমেরিকান সোসাইটির একটি ডিসটোপিয়ান কাল্পনিক চিত্র দেখানো হয়। এমন একটি সোসাইটির দৃশ্য এখানে ফুটে ওঠে যেখানে ‘বই’ ব্যাপারটি একটি অশ্লীল ও নিষিদ্ধ কর্মের একটি।

ব্যক্তিগতভাবে আমি বই পড়তে খুবই পছন্দ করি। আমার মনে হয় পৃথিবীর সকল গুণী মানুষই একমত যে, সুন্দর পৃথিবী গড়তে বইয়ের বিকল্প নেই। তোমরা হয়তো অমর একুশে গ্রন্থমেলা সম্পর্কে জানো। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম সময় ধরে চলা গ্রন্থমেলার একটি। যেটি অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। অমর একুশে গ্রন্থমেলাটিকে প্রাথমিকভাবে ছিলো একজনের উদ্যোগে একক একটি বইমেলা। বইমেলাটিকে বড় পরিসরে আয়োজন ও বাংলা একাডেমী কতৃক স্বীকৃতি দিতে একটা মজার ফন্দি আঁটা হয়েছিলো। সেখানে একটি গরু বেঁধে রাখা হয়েছিলো। সেই গরুর গায়ে লেখা ছিলো ‘আমি বই পড়ি না’।

অর্থাৎ গরু প্রাণীটিকে আমরা যেমন বুদ্ধি-শুদ্ধিহীন মনে করি, ঠিক তেমনিভাবে যদি আমরা বই পড়া থেকে বিরত থাকি তবে আমরাও জ্ঞানহীন হয়ে পড়বো। এই পদ্ধতিটি দারুণ কাজে দিয়েছিলো। তো যাইহোক, বই ছাড়া পৃথিবী আসলেই জ্ঞানশুন্য। কিন্তু খুবই ভীতিকর ব্যাপার হলো প্রজন্ম যত আধুনিক হচ্ছে তারা বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বইয়ের প্রতি আকর্ষণ তো তাদের থাকছেই না; বরং বই পড়াকে তারা আরো সেকেল ধারণা হিসেবে নিজেদের মাঝে জাহির করার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে একজন বিখ্যাত মনিষী বহুকাল আগেই বলে গেছেন যে, ‘কোন জাতিকে যদি ধ্বংস করতে চাও তবে তাদের থেকে বই ছিনিয়ে নাও’। কথাটি খুব গভীর ও ভীতিজনক। এমতাবস্থায় বইয়ের প্রতি বিস্বাদ আমাদের কত ভয়ংকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে তা কি ভাবা যায়!

ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমাটি মূলত এমন এক সোসাইটির কথাই বলেছে। যেখানে বইয়ের প্রতি বিস্বাদ কত দূর গিয়ে ঠেকতে পারে তার একটি নমুনা চিত্র দেখানো হয়েছে। সেই সমাজে ‘ফায়ারম্যান’ নামক একটি বিশেষ ফোর্সকে দেখানো হয়। নাম শুনে অগ্নিনিরোধক কর্মী মনে হলেও তাদের কাজ মূলত আগুন লাগানো। তারা বিশেষ দক্ষতার সাথে যে কোন জায়গা থেকে লুকোনো বই বের করতে পারে। আর যেকোন জায়গা থেকে বইয়ের সন্ধান পেলেই তারা বইগুলোকে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এ গল্পের নায়কও ফায়ারম্যান ফোর্সের একজন কর্মী।

বই বাসায় লুকিয়ে রাখা মানুষরা ঘোর আসামী। ফায়ারম্যানদের সু-প্রশিক্ষিত কর্মীরা এখানে দক্ষতার সাথে মানুষের (আসামীর) ঘরের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে থাকা বইগুলোকে উদ্ধার করে। সেখানে বই লুকিয়ে রাখা ও বের করার বেশ অনেকগুলো ইন্টারেস্টিং কৌশল দেখানো হয়। যারা এর আগে সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমাটি দেখেছো তারা হয়তো এ সম্পর্কে কিছুটা অবগত। কেননা সত্যজিৎ রায়ও তার এই সিনেমায় এমন কিছু দৃশ্য দেখিয়েছেন। ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমাতেও তা দেখানো হয়।

এ সময় মানুষের বাসা থেকে টোস্টার কিংবা নকল টেলিভিশনের সেটের মধ্যে বই লুকিয়ে রাখতে দেখা যায়। এইসব দৃশ্য মুলত জ্ঞানপিপাসু ও সুস্থ্য বিনোদন আকর্ষী মানুষদের অসহায়ত্ব ও সমাজের কাছে তাদের দুর্বলতা ফুটে ওঠে। সেখানে বই বাসায় রাখার অপরাধে অনেক আসামীকে পালিয়ে যেতেও দেখা যায়।

ফারেনহাইট ৪৫১ গল্পের লেখক একবার রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেন যে, তিনি উপন্যাসে ম্যাককার্থি’র (Republican U.S Senator Joseph McCarthy) সময়কে কেন্দ্র করে কাহিনীর বীজ বপন করেছিলেন। সে সময় নাকি সহস্র আমেরিকান বাসিন্দাদের উপর আক্রমাণাত্মক পর্যায়ের তদন্ত চালানো হয়, যাদের বইয়ের সাথে কোন না কোন প্রকার যোগাযোগ ছিল। এবং সাথে সাথে সেসব মানুষদেরকে হুমকির সাথে এও বলা হয় যে, তাদের কাছে থাকা সকল প্রকারের বই পুড়িয়ে ফেলা হবে।

সিনেমার দু’টি প্রধান চরিত্র হলো Montag (একজন ফায়ারম্যান অফিসার) এবং Clarisse (স্কুল শিক্ষিকা)। এরা দুজন প্রতিবেশী । একটি গাড়িতে এদের প্রথম পরিচয় হয়।

সিনেমার শেষদিকে ফায়ারম্যান মন্টেগ যার কিনা বই উদ্ধার করে পুড়িয়ে ফেলাই নৈমিত্তিক কাজ, সে নিজেই বইয়ের প্রতি আকর্ষিত হয়ে পড়ে। তবে আর আগেও কাহিনীতে বেশ চড়াই উৎরাই ঘটে। হঠাৎ আবিষ্কার হয় অদূরে থাকা আরেকটি সমাজ যারা বই পড়ার জন্য দূরে এসে বাস করছে। এখানে ফায়ারম্যানদের পৌঁছোনো কিছুটা কষ্টকর। তাই সেই সুযোগে তারা বই পড়ে ফেলে এবং তারপর নিজেদেরকে রক্ষা করতে পঠিত বইটি পুড়িয়ে ফেলে।

সেখানে আরো কিছু অদ্ভুত বিষয়ের সাথেও দর্শক পরিচিত হবে। সেই সমাজে সব মানুষ মাথায় একটি করে বই রাখা থাকে। এবং সেখানে বাস করা সকলেই নিজেদেরকে একটি জীবন্ত বই বলে ভাবতে থাকে এবং দাবীও করে। এদেরকে সিনেমায় দেখায় book people হিসেবে।  

আমার মনে হয় সিনেমাটি নিয়ে আর কথা বলা জরুরী নয়। যাদের ডিসটোপিয়ার প্রতি কিছুটা আগ্রহ জন্মেছে তারা উপরের দেয়া ডিসটোপিয়ান সিনামগুলোর তালিকা দেখে সব সিনেমা দেখে আসতে পারো। ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমাটিও পুরো দেখে ফেলতে পারো। এতে করে ডিসটোপিয়ান শিল্প সাহিত্য সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা পাওয়া যাবে। আর বেশিরভাগ সিনেমাই ইউটিউবে পাওয়া যাবে।

আমরা ডিসটোপিয়া আসলে কী তা জেনেছি। ডিসটোপিয়ান সাহিত্য অথবা সিনেমা কী রকম হতে পারে তার ধারণাও পেয়েছি। ডিসটোপিয়া কেন তাও হয়তো কিছুটা বুঝতে পারছি৷ তবে এটিকে চায়ের কাপের বিতর্কের মাঝেই ঠেলে দিচ্ছি। এবার সময় এসেছে একটু টিক চিহ্ন টাইপ খেলার। ওই মিল অমিল আর কি!

আমরা আগের পর্বে নাইন্টিন এইট্টি ফোর নিয়ে বলেছিলাম। সেখানে দেখা যায় সবার বাসায় টেলিভিশনের মত একটা স্ক্রিন আছে। যেখান দিয়ে সব মানুষকে নজরদারিতে রাখা হয়। একটু ভাবলেই বুঝবো আজকের দিনের সিসিটিভিও সেরকমই নজরদারিতে রাখার একটি কনসেপ্ট। যা ডিসটোপিয়ান ধারণাকে প্রশ্রয় দেয়।

ফারেনহাইট ৪৫১ সিনেমাতে বুক পিপল ছাড়া অন্য সবাইকে সারাদিন ঘুমিয়ে অথবা টেলিভিশন দেখে সময় কাটাতে হয়। যেটি বর্তমান অবস্থার সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়। অধিকাংশ মানুষই এখন বই থেকে দূরে এবং সারাদিন টিভি ও ঘুম দিয়েই কাটিয়ে দেয়। তবে কি আমরা ধীরে ধীরে ডিসটোপিয়ার মত অন্ধকার এক পৃথিবীর দিকে এগোচ্ছি?

তবে এর একটা আশার দিকও কিন্তু আছে। ইউটোপিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের পেছনে এখন ছুটছে ডিসটোপিয়া। ডিসটোপিয়া নিয়ে যে কোন শিল্প কর্ম বা সাহিত্যই হোক না কেন তাতে একটা ব্যাপার বেশ লক্ষণীয়। আর তা হলো, যত খারাপ অবস্থায়ই আসুক না কেন মানুষ সেই অবস্থার সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারছে। আর এভাবেই বহু কোটি বছর ধরে বাহ্যিক কিংবা তাত্ত্বিক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে মানুষ টিকে আছে এই জগতে। এই যে কঠিন ডিসটোপিয়ান সমাজের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি কিংবা অদূর ভবিষ্যতে যদি যেতে হয় তবে হয়তোবা আমরা এসব বইয়ের গল্প কিংবা সিনেমার মতই নিজেদেরকে তার সাথে মানিয়ে নিতে পারবো। আর মানিয়ে নেয়ার আরেক অর্থ হলো, জয় করা।

সুতরাং আসুক যতই সমস্যা। হোক তা ডিসটোপিয়ার মত গুরুতর। কিন্তু মানুষের জয় হবেই!

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া, ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড, ১৯৮৪, বিভিন্ন জার্নাল, লেকচার ফ্রম চন্দ্রিল, ইন্টারনেট।

 


 

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি আপনার লেখাটি ই-মেইল করুন এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?