জেলখানার হাজার বছরের ইতিহাস

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

জেলখানার নাম শুনলেই মাথায় কোন শব্দগুলো সবার প্রথমে আসে? অপরাধ, বিচার, শাস্তি, হাজত, কারাদণ্ড, আসামী। মুভি এবং টিভি সিরিজপ্রেমীদের মাথায় হয়তো আসে The Shawshank Redemption এবং Prison Break এর নাম।


প্রিজন ব্রেক টিভি সিরিজের দৃশ্য; image source: Lipstick Alley

যখন কেউ কোনো অপরাধ করে ফেলে এবং সেই অপরাধের সাঁজা হিসেবে যদি রাষ্ট্রে কারাদণ্ডের বিধান থাকে, তখন সেই আসামীকে জেলখানায় পাঠানো হয় কারাবাসের জন্য। এটা হতে পারে সংক্ষিপ্ত মেয়াদে কিংবা দীর্ঘ মেয়াদের জন্য। অপরাধের গুরুত্বের উপর নির্ভর করে এর সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। তবে কারাবাসে যারা যায়, তাদের সবাই যে সাঁজাপ্রাপ্ত এমনটি নয়। কেউ থাকে যাদের অপরাধের বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবার কেউ থাকে যাদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা পেয়ে কারাবাসে রয়েছে।

ঘুরে আসুন: ইন্টারনেটে সময় ব্যয়, কমাবার কী উপায়?

জেলখানায় কোন শ্রেণীর আসামী বেশি থাকবে তা নির্ভর করে রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার উপর। উদাহরণ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের কথা বলা যায়। সেখানে জেলখানায় মোট বন্দীর ১০ ভাগের ১ ভাগ বন্দীর বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন এবং বাকি ৯ ভাগ বন্দী হলো বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা প্রাপ্ত আসামী। অপরদিকে বাংলাদেশে মোট কারাবন্দীর শতকরা ৭৮.২ ভাগ লোকের এখনও বিচার প্রক্রিয়াধীন অথবা তারা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে রয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে রাষ্ট্রভেদে বিচার ব্যবস্থার বেশ পার্থক্য থাকতে পারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ। গ্রুপে জয়েন কর!

তবে প্রশ্ন হচ্ছে এই জেলখানা তৈরি এবং তাতে অপরাধীদের বন্দী হিসেবে আটকে রাখার ধারণা এলো কোথা থেকে। এর উত্তর খুঁজে পেতে আমাদের চলে যেতে হবে যীশু জন্মের ১৭৫০ বছর পূর্বে। তখন বিভিন্ন সভ্যতায় বর্তমান সময়ের মতোই রাজ্যের সবাইকে বিভিন্ন নিয়ম মেনে চলতে হতো। কেউ যদি কোনো নিয়ম ভঙ্গ করতো কিংবা কারো কোনো প্রকার ক্ষতি করতো, তাহলে যে ভুক্তভোগী সে অপরাধীর অনুরূপ ক্ষতি করার সুযোগ পেতো। বিষয়টা তখন বেশ বর্বর ছিলো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সভ্যতারও বিভিন্ন পরিবর্তন এসেছে। একটা সময়ে এসে প্লুটোর মতো দার্শনিকরা ধারণা দিলো এই বর্বরতা কমানোর জন্য। এর পরিবর্তে অপরাধীর নির্দিষ্ট পরিমান অর্থদণ্ড দেয়ার বিধান করা হলো। তবে যারা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হবে, তাদের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বন্দিদশা কাটাতে হবে। মূলত এখান থেকেই কারাগার তৈরির ধারণা শুরু হয়।

ইতিহাস ঘেঁটে শাস্তির জন্য কারাগার ব্যবহার করতে প্রথম দেখা যায় রোমান সভ্যতায়। ৬৪০ খ্রিষ্টপূর্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে রোমের নানা জায়গায় কারাগার তৈরি করতে দেখা যায়। এগুলোর সবকয়টির ধরণ প্রায় একই রকম ছিলো। বাড়ির বেজমেন্টে স্টিলের তৈরি বিভিন্ন খাঁচায় বন্ধীদের আটকে রাখা হতো। সেখানে নানা সময় তাদের উপর অত্যাচার করা হতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বন্দীদের অপরাধের সাঁজা হিসেবে অন্যের দাসত্ব করতে হতো। এর মাঝে বিখ্যাত একটি জেলখানা হলো ম্যামারটাইন জেলখানা। এটি নির্মাণ করা হয়েছিলো একটি সুয়েরেজ খালের পাশে যেটি সবসময় মানুষের তৈরি বর্জ্যে ভরা থাকতো। কয়েদিদের শাস্তি ছিলো এসব বর্জ্য পরিষ্কার করে পরিবেশ ঠিক রাখা।


রোমের বিখ্যাত ম্যামারটাইন জেলখানা; image source: Wanted in Rome

অষ্টাদশ শতকের শেষের দিক পর্যন্ত প্রায় সব দেশেই কারাগারগুলো ব্যবহার করা হতো যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাদের এবং যাদের সাঁজার রায় হয়ে গিয়েছে এবং তা কার্যকরের অপেক্ষায় আছে তাদের আটকে রাখার জন্য। সে সময় শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড কিংবা লোকহীন কোনো স্থানে পাঠিয়ে দেয়ার বেশ প্রচলন ছিলো। এর পরবর্তী সময় থেকে বিভিন্ন দেশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান কমিয়ে দেয়া শুরু হয় এবং এর বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রচলন শুরু হয়। একবিংশ শতকের শুরুতে এসে বেশিরভাগ দেশেই সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড সরিয়ে দেয়া হয়। তাই কারাগারগুলোতে এখন সমগ্র জীবন কাটিয়ে দিবে এমন লোককেও বন্দী রাখতে হয়।

ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আজকের ইংল্যান্ডে বেশ কয়েকটি অপরাধী সংশোধনাগার গড়ে উঠে। এগুলোকে বলা হতো “হাউজ অফ কারেকশন”। কঠিন নিয়ম এবং কঠিন কায়িক শ্রমের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের সেখানে জীবন কাটাতে হতো। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেখানের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা তেমন ভালো ছিলো না। একারণে সেখানকার কয়েদিরা দ্রুতই নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে যেতো। সবচেয়ে বেশি যেই রোগের কথা শোনা যায় সেটি হলো “জেল জ্বর”। এই রোগটি এতোই ভয়ানক আকারে ছড়িয়ে গিয়েছিলো যে, জেলের কয়েদিরা তো আক্রান্ত হয়েছিলোই, সেই সাথে জেলের কর্মকর্তা, কর্মচারী, এমনকি আসামীর আইনজীবী কেউ বাদ যায় নি! আর এই জ্বর তখন এতোই দুরারোগ্য ছিলো যে এর একমাত্র পরিণতি ছিলো মৃত্যু!

জীবনে সুখে থাকার ফর্মুলা!

আমরা সুখের সন্ধানে এই জীবনে কত কিছুই না করি! কিন্তু আমরা কয়জন ’90-10 rule’-এর সাথে পরিচিত?

’90-10 rule’- সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সুখে থাকার ফর্মুলা শিখতে ঘুরে এস এই ভিডিওটি থেকে। ?

১০ মিনিট স্কুলের লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য ধারণা দেয়া হয় আধুনিক কারা ব্যবস্থার। যেখানে কয়েদিদের সাঁজার পাশাপাশি তাদের সুস্থ্য মানসিক বিকাশের জন্যও কাজ করা হবে। এর জন্য অবশ্য বিশেষ ধন্যবাদ দিতে হয় ব্রিটিশ আইনজীবী ও দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম এবং ব্রিটিশ কারা পরিদর্শক জন হাওয়ার্ডকে। জেরেমি বেন্থাম ধারণা দেন, দীর্ঘ মেয়াদে সাঁজাপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য আলাদা কারাগার প্রতিষ্ঠা করা হোক। সেখানে তাদেরকে বিশেষ নজরে রাখা সম্ভব হবে। সাঁজা শেষে কারাগার থেকে বের হয়েই যাতে নতুন করে অপরাধে জড়িয়ে না পরে, সে জন্য তাদের মানসিক বিকাশের জন্য এই কারাগারগুলি কাজ করবে। এই ধারণা কার্যকর করার তাগিদ পায় যখন ব্রিটিশ কারা পরিদর্শক জন হাওয়ার্ডের দুটি বই The State of the Prisons in England and Wales (১৭৭৭) এবং An Account of the Principal Lazarettos in Europe (১৭৮৯) প্রকাশ পায়। বই দুটোতে তখনকার সময়ে কারাগারাগুলোর দুরাবস্থার কথা তুলে ধরা হয়।


ব্রিটিশ কারা পরিদর্শক জন হাওয়ার্ড; image source: Flickr

এরপর থেকেই বিভিন্ন দেশে আধুনিক কারাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। তখন থেকে কারাগারগুলোকে কেবল শাস্তি দেয়ার জায়গা হিসেবে না দেখে, সেগুলোকে আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হতো। সময়ের সাথে সাথে কারাগার পরিচালনায় নানা পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন রাষ্ট্র তাদের নিজেদের নিয়মে এখন কারাগার পরিচালনা করে থাকে। কারাগার রক্ষণাবেক্ষণেও রয়েছে আলাদা ধরণ। বাংলাদেশের সব কারাগারের জন্য রয়েছে একটি কারা অধিদপ্তর যেটি সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ আমাদের দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে সব কারাগার পর্যবেক্ষণ করা হয়। অপরদিকে আমাদের পাশের দেশ ভারতে রয়েছে ভিন্ন চিত্র। সেখানে প্রতিটি প্রদেশের উপর তাদের কারাগার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে ভারতে কারাগার পর্যবেক্ষণ করা হয় না। বরং প্রতিটি প্রদেশের দায়িত্বে যারা রয়েছে তারাই তাদের কারাগারগুলো পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

ঘুরে আসুন: নতুন বছরে জীবন বদলাতে ১০টি লক্ষ্য

এক নজরে বাংলাদেশের কারা ব্যবস্থা

উপরে তো বিভিন্ন সময়ে কারা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরলাম। কিন্তু আমাদের দেশে কারা ব্যবস্থা কেমন আর এখানে কারাগার প্রথম তৈরি করলো কারা এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা এখন জানবো।

বিভিন্ন গবেষণা তথ্য থেকে জানা যায়, উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আসার আগে কারা ব্যবস্থার তেমন প্রসার ছিলো না। তখন পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধে বন্দীদের জমিদারী ব্যবস্থাপনায় একটি কুঠুরীতে বেঁধে রাখা হতো। যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তাদের তিন দিন পর্যন্ত সেই কুঠুরীতে বেঁধে রাখা হতো। ব্রিটিশরা শাসনে আসার পর ১৮১৮ সালের জারী অনুযায়ী রাজবন্দীদের আটকে রাখার জন্য ঢাকা, রাজশাহী, যশোর এবং কুমিল্লায় কয়েকটি জেলা ও মহকুমা কারাগার গড়ে তোলা হয়। তবে এর আগেই ১৭৮৮ সালে একটি ক্রিমিনাল ওয়ার্ড নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকা কারাগারের কাজ শুরু হয়। এটিই বর্তমানে বকশীবাজারের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর ৪টি কেন্দ্রীয় কারাগার, ১৩টি জেলা কারাগার এবং ৪৩টি উপ-কারাগার নিয়ে বাংলাদেশ জেল (বি ডি জে) এর যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে বন্দী সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে উপ-কারাগার গুলিকে জেলা কারাগারে রূপান্তর করা হয়৷ বর্তমানে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ৫৫টি জেলা কারাগার অর্থাৎ মোট ৬৮টি কারাগার নিয়ে বাংলাদেশ জেল কাজ করে চলছে৷

১০ মিনিট স্কুলের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন লাইভ ক্লাসের! তা-ও আবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে! চলো যাই লাইভ ক্লাসে!

কারা বিভাগের সকল কাজকর্ম কারা সদর দপ্তর থেকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়ে থাকে। কারা মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে ১ জন অতিঃ কারা মহাপরিদর্শক ও ৮ জন কারা উপ-মহাপরিদর্শকের সমন্বয়ে কারা বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারাগার পর্যায়ে জেল সুপার / সিনিয়র জেল সুপার দপ্তর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এবার বাংলাদেশের কারাগারগুলতে বন্দীদের ব্যাপারে কিছু জেনে নেই। যে সব বন্দীর এখনও বিচারকার্য শেষ হয়নি অথবা নির্ধারিত সময়ে যাদের আদালতে তোলা হবে, তাদের বলা হয় হাজতী বন্দী। আর যাদের বিচার শেষ সাঁজা দেয়া হয়েছে, তারা কারাগারে থাকে কয়েদী বন্দী হিসেবে। কয়েদী বন্দীদের কারাগার কর্তৃক নির্ধারিত পোশাক পরে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম সাঁজা ভোগ করতে হয়।


World Prison Brief এর তথ্য মতে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেসের জেলখানাগুলোতে থাকা বন্দীর সংখ্যা; source: http://www.prisonstudies.org/country/bangladesh

কারাগারে বন্দীদের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৩ বেলা খাবার দেয়া নয়। সকালের নাস্তায় দেয়া হয় গুড় ও রুটি। দুপুরে ও রাতের খাবারে ভাতের সাথে মাছ বা মাংস ও সবজি বা ডাল দেয়া হয়। তবে অপেক্ষাকৃত মর্যাদা সম্পন্ন বন্দীদের সাধারণ শ্রেণির বন্দীদের হতে অধিক মানসম্পন্ন খাবার দেয়া হয়। সেই সাথে বিনোদনের জন্য কারাগারগুলোতে রয়েছে ইনডোর ও আউটডোর খেলাধুলার ব্যবস্থা, টেলিভিশন দেখার ব্যবস্থা এবং বই পড়ার জন্য রয়েছে লাইব্রেরি। প্রতিটি কারাগারে আলাদা হাসপাতাল রয়েছে যেখানে বিনামূল্যে বন্দীদের চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে।

যেহেতু কারাগারে এখন শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি অপরাধীদের সংশোধনাগার হিসেবেও বিবেচিত হয়, তাই বাংলাদেশের প্রতিটি জেলখানায় বন্দীদের পুনর্বাসন ও সমাজে পতিষ্ঠা পাবার প্রেষণামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এই প্রশিক্ষণের আওতায় মহিলা বন্দীদের কাঁথা সেলাই, কাগজের প্যাকেট, খাম তোইরি, বাজারের ব্যাগ তৈরি, টেইলারিং ও সূচিশৈলী শিক্ষা দেয়া হয়। পুরুশ বন্দীদের ব্যানার বা সাইনবোর্ড লিখন, মৎস চাষ, কাগজের প্যাকেট তৈরি, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি মেরামত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নিরক্ষর বন্দীদের গণশিক্ষার মাধ্যমে অক্ষর জ্ঞান এবং কারাগার মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া হয়।

সবশেষে মজার একটি তথ্য হলো, কারাগারের বন্দীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য বাহিরে বিক্রি করা হয়। প্রতিটি জেলা কারাগারের সামনে কারাপণ্য বিক্রয়ের জন্য শো-রুম রয়েছে। সেখানে চাইলেই সাধারণ জনগণ এসে পণ্য কিনতে কিংবা অর্ডার করতে পারে।

references:

  1. https://www.britannica.com/topic/prison
  2. https://prison.gov.bd/content/about-us
  3. https://prison.gov.bd/content/history-2
  4. http://www.prisonstudies.org/country/bangladesh
  5. https://www.themarshallproject.org/2018/07/12/a-day-in-the-life-of-a-prisoner

  6. ১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/ ১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]
লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author

Nahiyan Siyam

আমি নাহিয়ান সিয়াম। রমজান মাসে জন্ম বলে মা পছন্দ করে আমার এই নাম রাখেন। লিখতে ভালো লাগে তাই লেখালেখির কাজ পেলেই তা হাতে নেয়ার চেষ্টা করি।
Nahiyan Siyam
এই লেখকের অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?