ইম্পোস্টার সিনড্রোম: মুখোশে লুকিয়ে থাকা ভয়

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

১:

তখন সবেমাত্র ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলাম। ভালোই একটা সাবজেক্টে পড়ছি। মানুষজন তো আমাকে মাথায় তুলে রাখতো! কারণ, আমার বিশাল পরিবারের মধ্যে আমি হচ্ছি তিন নম্বর ব্যক্তি যে কিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তাই মামা, খালা, চাচা সব আত্মীয় স্বজনই আমাকে আদরে আদরে রাখতেন। এখনো রাখেন বৈ কি!

যেখানেই যেতাম সবাই কম বেশি প্রশংসা করতো! ঐ বলে না ভূয়সী প্রশংসা? সেটাই করতেন সবাই। কিন্তু প্রশংসা শুনে আমি ততটা খুশি হতে পারতাম না। বারবার মনে হতো, “কিরে আমার এত প্রশংসা করছে কেন? আমি তো এত প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য না! আমাকে কত ট্যালেন্টেড ভাবছে সবাই! অথচ আমি তো তেমন কিছুই না। আমি তো এইচএসসিতে গোল্ডেনও পাই নাই। আমার এত প্রশংসা করা উচিত না।” এসব ভাবার কারণে আমি প্রশংসা শুনে খুশি হওয়ার বদলে বরং আরো দুঃখী হয়ে পড়তাম।

পরে যখন ক্লাস করা শুরু করলাম আমার আশেপাশের স্টুডেন্টদের দেখলে আরো হতাশ লাগতো। সবাই কত্ত বেশি জানে! আমি তো তাদের জানার ১০% ও জানি না। আমি কিভাবে ওদের সাথে পড়ার সুযোগ পেয়েছি এইটাই থাকতো আমার চিন্তার মূল বিষয়। মাঝে মাঝে মনে হতো আমি মনে হয় এই ডিপার্টমেন্টে পড়ারই যোগ্য না। ভাগ্যক্রমে এই ডিপার্টমেন্টে চান্স পেয়েছি।

এসব নিয়ে প্রায়ই ডিপ্রেসড থাকতাম। আমার মধ্যে একটা ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স (Inferiority complex) কাজ করতে শুরু করলো। নিজেকে কেমন যেন গুটিয়ে রাখতাম। কথাবার্তা তেমন বলি না। ক্লাসে আমার ক্লাসমেটদের রেস্পন্স দেখলে আরো কেমন জানি লাগতো! ওদের কতো প্রশ্ন মাথায় ঘুরে! এসব প্রশ্ন তো আমার মাথাতে আসেই না! আমার মনে হতো আমি কিছুই পারি না। আমি এমন ভালো সাবজেক্ট পড়ারই যোগ্য না। এসব উল্টাপাল্টা ভাবতে ভাবতেই আমি ১ম সেমিস্টার ফাইনাল দিলাম। ফলাফল, বিশাল বড় একটা ধস! একটা খারাপ জিপিএ।

রাজধানীর নাম জানাটা সাধারণ জ্ঞানের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই ১০ মিনিট স্কুলের এই মজার কুইজটির মধ্যমে যাচাই করে নাও নিজেকে!

এরপর যখন ইদের ছুটিতে বাড়ি গেলাম তখন সবাই আবারো আমাকে অনেক আদর আপ্যায়ন করতে লাগলো! আমার বড় মামি তো শুধু আমার জন্য আলাদা করে মাছ রান্না করেছিলেন। এবং সবাইকে নির্দেশ দিলেন, কেউ যাতে সেই মাছের বাটি না ছোঁয়। এটা তাঁর ঢাবিতে পড়ুয়া ভাগনির জন্য।

এরকম নানারকম আদর আমি সর্বদাই পাচ্ছিলাম। খুশি হওয়ার বদলে আমি মুষড়ে পড়ছিলাম। মনে মনে ভাবছিলাম, “তারা আমাকে কতো মেধাবী ভাবছে। তারা যদি জানতো আমি মেধাবীর ধারে কাছে দিয়েও নেই তাহলে কী হতো!” আমার মধ্যে তাই নতুন এক ভয় কাজ করতে শুরু করলো। সেটা হলো, “তারা যদি আমার আসল পরিচয়টা জেনে যায় কি হবে? তারা যদি বুঝতে পারে আমি এত এত ভালবাসা, প্রশংসার যোগ্য না, তখন?”

ঘুরে আসুন: Productivity বাড়বে এবার সহজ কিছু কৌশলে!

এই ছিল আমার গত বছরের কাহিনী। সারাক্ষণ একটা ভয়ে গুটিয়ে রাখতাম নিজেকে। “মানুষ যদি আমার মুখোশটা ধরে ফেলে!” সেই ভয়। যাই হোক, ভালো কথা হচ্ছে, আমি এখন এটা ওভারকাম করেছি এবং এই ভয় আমার আর একদমই নেই।

আমার এই “আসল পরিচয়” জেনে যাওয়ার ভয়টিকে সাইকোলজিতে বলে, “ইম্পোস্টার সিনড্রোম (Imposter Syndrome)। এই “আসল পরিচয়” টাও আসলে আমার নিজেরই বানানো।

২.

ইম্পোস্টার (Imposter) মানে হলো, ছদ্মবেশী, প্রতারক, ভন্ড । আর সিনড্রোম (Syndrome) মানে হলো লক্ষণ। অর্থ শুনেই হয়তো হালকা হালকা বুঝতে পারছো ইম্পোস্টার সিনড্রোম জিনিসটি কী। এটি এমন একটি মানসিক সমস্যা যেখানে মানুষ নিজেই তার অর্জন, সাফল্য, খ্যাতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, সন্দেহ করে। সে তার অর্জনকে পুরোপুরি নিজের শ্রমসাধ্য অর্জন হিসেবে না দেখে বরং ভাগ্যকেই সব ক্রেডিট দিয়ে দেয়।

যেমন ধরো, আমি প্রথমে ভাবছিলাম, ঢাবির অর্থনীতিতে চান্স পাওয়া আমার সৌভাগ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু, যখন আমি আমার এই সমস্যা নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম আর গুগলে একটু ঘাঁটাঘাঁটিও করতে লাগলাম, তখন বুঝলাম এটা পুরোই আমার ভ্রান্ত ধারণা। আমি কি অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে চান্স পাই নি? আমি তো অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে ভালো রেজাল্ট করেছি বলেই এই সাবজেক্ট পেয়েছি। কিন্তু দেখো, আমার কী মনে হতো? মনে হতো, আমি ভাগ্যের জোরে পেয়েছি।

এই যে আমি নিজের অর্জনের পিছনে আমার পরিশ্রম, মেধাকে বড় করে না দেখে ভাগ্যকেই সব বাহবা দিচ্ছিলাম সেটা আমার মধ্যে এক ধরনের অপরাধবোধ তৈরি করছিল। যার জন্যই আমি মানুষের প্রশংসা নিতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি সবাই আমার আসল রূপ দেখে ফেলবে! অর্থাৎ, আমি নিজেই মনে করছিলাম আমি মেধাবী হওয়ার একটা ছদ্মবেশ ধারণ করেছি।

নিজেকে তখন প্রতারক মনে হতো। এবং মনে হতো মানুষ আমাকে overestimate করছে। তখন সেই ভয়ের উদ্ভব হয়। এইসব ছদ্মবেশ ধারণ করছি, বাকিদের নিজের থেকে অনেক বেশি মেধাবী মনে করছি, ভয় লাগছে সেসবের লক্ষণ হলো ইম্পোস্টার সিনড্রোম। আমি একজন ভন্ড এরকম মনে হওয়ার লক্ষণই ইম্পোস্টার সিনড্রোম।

১৯৭৮ সালে  Dr. Pauline R. Clance এবং Dr. Suzanne A. Imes তাঁদের প্রবন্ধে ইম্পোস্টার সিনড্রোম নিয়ে প্রথম কথা বলেন। তাঁরা বলেন, অনেক সাফল্য পাওয়া নারীদের মধ্যে এটি দেখা যায়। তাঁরা মূলত সেসব নারীদের নিয়েই গবেষণা করেন।

পরে অবশ্য, বিভিন্ন রিসার্চ থেকে জানা যায় যে, শুধুমাত্র নারী না, নারী পুরুষ নির্বিশেষে এই ইম্পোস্টার সিনড্রোমের মধ্যে দিয়ে যায়।

৩.

ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী, তা তো আমরা জানলাম। এখন কথা হচ্ছে এটি কেন হয়? কেন আমাদের মধ্যে সেই ভয়টা আসে? কেনই বা আমরা নিজেদের পরিশ্রমকে ছোট করে দেখি এবং নিজেদের ছদ্মবেশী মেধাবী বানিয়ে ফেলি?

এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। নানাকারণে এটি হতে পারে। যেমন,

স্বল্প আত্মবিশ্বাস:

যাদের আত্মবিশ্বাস কম তারা যতই মেধাবী হোক না কেন কখনো না কখনো না এই সমস্যার মধ্যে দিয়ে যায়। কারণ, যাদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আত্মবিশ্বাস নেই, তারা যে তাদের শ্রম দিয়ে একটা বড় সাফল্য ছিনিয়ে আনতে পারে নিজেদের প্রতি সেই বিশ্বাসটুকুও তাদের থাকেনা। তাই তারা ভাগ্যের দোহাই দিয়ে থাকে।

দুর্ভাগ্যবশত, আমি যখন প্রথম ভার্সিটিতে আসি তখন আমিও ছিলাম এরকম কম আত্মবিশ্বাসী এক মেয়ে।

জেনে নাও জীবন চালানোর সহজ পদ্ধতি!

আমাদের বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের একটা বড় সমস্যা হতাশা আর বিষণ্ণতা।

দেখে নাও আজকের প্লে-লিস্টটি আর শিখে নাও কীভাবে এসব থেকে বের হয়ে সাফল্য পাওয়া যায়!

১০ মিনিট স্কুলের Life Hacks সিরিজ

পারফেকশনিস্ট:

পারফেকশনিস্ট মানুষজন তাদের কাজেকর্মে সবকিছুতেই পারফেকশন চায়। সবকিছুই হতে হবে নিখুঁত। কোনো ভুল থাকা যাবে না। এমন ধরনের ব্যক্তিদের লক্ষ্য থাকে অনেক অনেক উঁচুতে। তাই কাজে ১% খুঁত থাকলেও সেটা মানতে পারেন না। এবং নিজেদের দোষারোপ করতে থাকেন। কারণ ১০০% পারফেকশন না থাকলে সেই সাফল্যকে তারা সাফল্যই মানতে চান না।

ঘুরে আসুন: সাফল্য পেতে চাও? এই ৩টি সূত্র জেনে নাও!

জন্মগত মেধাবী মানুষ:

এই কারণটা কিছুটা অদ্ভুত। কিছু মানুষ আছে যারা জন্ম থেকেই প্রতিভাবান। এমন ন্যাচারালি জিনিয়াস মানুষজনের মধ্যে মাঝেমাঝে একটা ধারণা জন্মায় যে, কোনো কাজ তারা একবারের চেষ্টাতেই পারবেন। কোনো কাজে তাদের বেশি পরিশ্রম দিতে হবে না। কিন্তু কোনো কাজে তারা যদি সেটা করতে না পারেন তাহলে তাদের মধ্যে ইম্পোস্টার সিনড্রোম দেখা দেয়।

নতুন পরিবেশ  এবং Inferiority complex:

নতুন পরিবেশ ইম্পোস্টার সিনড্রোমের ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব ফেলে। মানুষ যখন নতুন কর্মক্ষেত্রে যায় বা নতুন স্কুল কলেজে বা আমার মতো ভার্সিটিতে ভর্তি হয় তখন তাদের সাথে পরিচয় হয় বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন প্রতিভার মানুষের সাথে। এবং সেই পরিবেশে সে যদি হয় মাইনোরিটির একজন তাহলে সে আরো হতাশায় ভুগে।

যেমন আমার ক্ষেত্রে হয়েছে। আমার জন্য ভার্সিটি ছিল একদম নতুন। এর উপর আমি আবার ঢাকা শহরেরও না। তখন নানারকম ক্লাসমেটদের সাথে পরিচয় হয়ে, তাদেরকে জেনে আমি নিজেদের সাথে তাদের তুলনা করতে শুরু করি। আর যখন তাদের সাথে তুলনা করা শুরু হয় তখনই আসলে নিজেকে ইনফিরিওর (Inferior) মনে হতে শুরু করে।

এভাবেই ধীরে ধীরে ইম্পোস্টার সিনড্রোম লক্ষণীয় হতে থাকে কারণ তখনই মনে হতে থাকে ঐ পরিবেশে আমি Belong করি না। আমি হয়তো বা লাকি তাই এখানে আসতে পেরেছি।

পরিবারের প্রত্যাশা:

প্রত্যেক পরিবারের বাবা মার তাদের সন্তানদের উপর থাকে অনেক আশা প্রত্যাশা। তাই আমাদের মধ্যেও থাকে পারিবারিক দায়বদ্ধতা। আবার অনেক সময় দেখা যায়, কোনো সাফল্যে হয়ত দেখা গেলো আমরা যতটুকু আশা করছি ততটুকু তারিফ আমরা পেলাম না। আবার অল্প সাফল্যে আমরা অনেক পেলাম। এরকম একবার বেশি একবার কম আমাদের ঠিক কত সাফল্য পেলে সন্তুষ্ট থাকতে হবে সেটাই বুঝে উঠতে পারি না।

এরকম নানাবিধ কারণেই আমাদের মনের মধ্যে বাসা বাঁধে “আমি কিছু পারি না, আমাকে দ্বারা কিছু হবে না” র মতো ভাবনা চিন্তাগুলো।

৪.

ইম্পোস্টার সিনড্রোম আমাদের ধীরে ধীরে এক গভীর হতাশার মধ্যে নিয়ে যায়। তখন আমাদের কোনো কিছুতেই মন বসে না। আমরা যে কাজগুলো পারতাম দেখা যায় সেগুলোও হয় না। বলতে গেলে, “আমাকে দ্বারা কিচ্ছু হবে না” এই ভ্রান্ত ধারণাটি আমরা নিজেরাই আস্তে আস্তে সত্য করতে থাকি। তাই এখন জানতে হবে, কিভাবে এখান থেকে ওভারকাম করা যাবে।

অঙ্ক আর খেলা এখন হবে একসাথে! আর তাই তোমাদের জন্য ১০ মিনিট স্কুল নিয়ে এসেছে Beat the Numbers!

নিজেকে বুঝতে শেখো:

আমরা অনেকেই নিজেই নিজেকে বুঝতে পারি না। আমাদের নিজেদের কী দরকার, কেন আমরা পিছিয়ে, কেন আমাদের এই সমস্যা হচ্ছে বা কেনই বা আমি হতাশ। সেটাই বুঝি না।

তাই আমাদের আগে প্রথম যা দরকার তা হলো নিজেকে বোঝা। যেমন আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমার আত্মবিশ্বাসের বড়ই অভাব। সেটিই আমার সবকিছুর পিছনেই বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তুমিও তাই আগে নিজেকে বোঝো, কেন তোমার কম আত্মবিশ্বাস, সেটা চিহ্নিত করো এবং সেই অনুযায়ী কাজ করো। দরকার হলে একদিন কারো সাথে কথা না বলে চুপ করে ভাবতে বসে যাও। সেটা অনেক কাজে লাগে! আমিও করি।

আর যদি নিজে থেকে সমাধান করতে না পারো একদম অস্বস্তিবোধ না করে তোমার কাছের কাউকে জানাও। হেল্প নিশ্চয়ই পাবে।

নিজের কাজকে স্বীকৃতি দাও:

তুমি যদি নিজেই নিজের কাজকে স্বীকৃতি দিতে না জানো, নিজের অর্জনকে ভাগ্যের লিখন মনে করো তাহলে দুনিয়া তোমাকে যতই মাথায় তুলে রাখুক না কেন, নিজের কাছেই তোমার অবস্থান অনেক নিচে থাকবে।

তাই নিজের কাজকে নিজে স্বীকৃতি দাও, সম্মান দাও। তাহলে দেখবে এক নতুন আত্মবিশ্বাস জন্মাচ্ছে তোমার মধ্যে। আর যে ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স থাকে সেটাও দূর হবে আস্তে আস্তে।

যেমন আমি যখন ভাবতাম আমি এই ডিপার্টমেন্টে পড়ার যোগ্য না তখন আসলে আমি নিজের পরিশ্রমকে নিজেই তুচ্ছ করেছি। পরে যখন একটু গভীরভাবে চিন্তা করলাম, তখন মাথায় যেন আলো জ্বলে উঠলো। কারণ তখন বুঝলাম আমি যাদের আমার চেয়ে বেশি মেধাবী ভাবছি তাদের মতন আমিও সেইম প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় দিয়ে তবেই টিকেছি ঢাবিতে!

একটু ছাড়ও দিতে শিখো:

ছাড় দিতে শেখা বলতে সন্তুষ্ট হতে শেখা বুঝাচ্ছি। যারা পারফেকশনিস্ট তাদের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তুলনা করা বন্ধ করো:

“আল্লাহ ও এটা পারে, কিন্তু আমি পারি না!” এই ধরনের মানসিকতা বাদ দাও। হয়তো বা এমন কিছু আছে যেটাতে তুমি ভালো কিন্তু ঐ ব্যক্তিটা ভালো না। তাই তুলনা করা বন্ধ করে দাও। কারণ তুলনা করতে করতে জন্মায় ডিপ্রেশন। যেটা আমাদের আরো খারাপের দিকে ঠেলে দেয়।

আশাবাদী হও:

কখনো আশা ছাড়া যাবে না। সবসময় আশাবাদী হতে হবে। ধরো, কোনো একটা কাজ করতে গিয়ে প্রথমবার পারলে না। হাল ছেড়ো না। আশা রাখো পারবেই। আমরা যখন আশাবাদী হই তখন কোনো নেতিবাচক চিন্তা আমাদের মাথা আসতে পারে না। ইতিবাচক এই আশা একটা ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।

Say ‘It’s imposter syndrome’:

যখন মনে হবে তুমি প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য না অথচ তবুও পাচ্ছো, মনে হচ্ছে তুমি একটা মেধাবী মুখোশ পড়ে ঘুরছো তখনই মনে মনে বলতে থাকবে যে এটা ইম্পোস্টার সিনড্রোম।

এবং এটা বলার পর পর যা যা ভাবছিলে নিজেকে নিয়ে তা ভাবনা বন্ধ করে দেবে!

এভাবে ধাপে ধাপে নিজের প্রতি আস্থা গড়ে তুলে দেখোই না! ইম্পোস্টার সিনড্রোম তোমাকে ছুঁতেই পারবে না!

তথ্যসূত্র :

১। https://startupbros.com/21-ways-overcome-impostor-syndrome/

২। https://www.themuse.com/advice/how-to-banish-imposter-syndrome-and-embrace-everything-you-deserve

৩। http://time.com/5312483/how-to-deal-with-impostor-syndrome/

৪। https://www.fastcompany.com/40421352/the-five-types-of-impostor-syndrome-and-how-to-beat-them


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

 

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?