সফল যারা কেমন তারা – পর্ব ১০

“অনেক মেয়ের কাছে ক্ষমতা মানে একগোছা চাবি ,দক্ষতা মানে যেন বাজারের লিস্ট লিখতে পারা তবে এই বলয়ের ভিতর থেকে মেয়েদেরকে বের হয়ে আসতে হবে ,অন্য কেউ একটা মেয়ের জীবনে উন্নতি করে দিয়ে যাবে একথা ভাবার কোন কারণ নেই।”

কথাগুলো বলছিলেন বসুন্ধরা সিটি স্টার সিনেপ্লেক্সের মার্কেটিং এবং বিপণন বিভাগের পরিচালক রেবেকা সুলতানা । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সের উপরে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর তার ক্যারিয়ার শুরু করেন অ্যাডকম থেকে। এরপর নিজেই ফাস্ট ডট নামে একটি কোম্পানি চালু করেন । দুই বছর পর পুনরায় চাকরির সিদ্ধান্ত নেন এবং লেড ভিশন নামে একটি কোম্পানিতে আরও চার বছর কাজ করেন। সেখান থেকে ক্লাস্টিক বিলবোর্ড নামক একটি কোম্পানিতে দুই বছর কাজ করেন। এরপর স্টার সিনেপ্লেক্সে যোগদান করেন এবং সেখানে বিগত দশ বছর যাবত কর্মরত আছেন। তার এই ক্যারিয়ারের নানান খুঁটিনাটি দিক এবং চ্যালেঞ্জের গল্পগুলো এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তিনি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ।

নিয়াজ আহমেদ  : আপনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের চ্যালেঞ্জের গল্পগুলো শুনতে চাচ্ছিলাম।

রেবেকা সুলতানা :  এসএসসি পরীক্ষার আগে আমার বাবা মারা যান, বাবার চাকুরির সুবাদে আমরা যে কোয়ার্টারে থাকতাম, আমাদের সেই কোয়াটার ছেড়ে যেতে বলা হয়। এতে করে আমার পড়াশুনা চরম হুমকির মুখে পড়ে ,উপর মহলের অনেক কর্মকর্তাকে অনুরোধ করে কোনরকমে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া পর্যন্ত বাবার সেই কোয়ার্টারে থাকার অনুমতি মিলেছিলো, এসএসসি পরীক্ষার পরে আমরা ঢাকায় আমার নানা বাড়িতে চলে আসি।

আত্মীয় স্বজনদের অনেকেই তখন বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন, কিন্তু এর মাঝে আমার মা আমাকে আশ্বস্ত করলেন এই বলে যে, তিনি আমার ভরপোষণ বহন করবেন এবং আমাকে বিয়ের জন্য কোন প্রকার চাপ দেবেন না। তবে আমাকে আমার পড়াশুনার খরচ নিজের বহন করতে হবে। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমি পড়াশুনাটা চালিয়ে যাবো। কলেজে ভর্তি হয়েই আমি কিছু টিউশনি জোগাড় করলাম। সেই সাথে আমি সেলাইয়ের কাজ জানতাম।

টিউশনি এবং সেলাই কাজের আয় দিয়ে আমি আমার এবং আমার ছোট ভাই-বোনদের পড়াশুনার খরচ চালাতাম। তখনকার সময়ে পল্লবীতে কিছু কনসালটেন্সি ফার্ম ছিলো যেখানে চিঠির ড্রাফট করা এবং টাইপের জন্য লোক দরকার ছিলো, কলেজ থেকে বাসায় ফিরেই আমি চিঠি ড্রাফ্টিং এর এই কাজে বেড়িয়ে পড়তাম। একবেলা চিঠি ড্রাফটিং এর কাজ করলে ২৫ টাকা বেতন পাওয়া যেত। এতে করে আমার কলেজের বেতন, যাতায়াত ভাড়া, টিফিনের খরচ হয়ে যেত।

এমন সময় এক বন্ধু পরামর্শ দিলো বাণিজ্য মেলার স্টলে কাজ করার, এডক্যাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান আমাকে নিয়োগ করলো ইউনিলিভারের স্টলে কাজ করার জন্য। কিন্তু কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যেত। এজন্য তখন আমাকে অনেকের কথা শুনতে হয়েছে। একমাস কাজ করে যখন দশ হাজার টাকা হাতে এল, মনটা খুশিতে ভরে গেলো। দশ হাজার টাকা তখন অনেক টাকা, এই টাকায় আমি সারাবছর চলতে পারবো।

পরের বছর এইচএসসি পরীক্ষা শেষে তারা আবার আমাকে মেলায় কাজ করার জন্য ডাকলো এবং একইভাবে পারিশ্রমিক দিলো। যখন আমি ডিগ্রী পড়ছি তখন হঠাৎ করে একদিন এ্যাডকম থেকে আমার কাছে ফোন আসলো। তারা আমাকে তাদের অফিসে গিয়ে দেখা করতে বললো। তখনও আমি বুঝিনি যে তারা আমাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকলো। ইন্টারভিউ দিতে যাবার সময় কাছের অনেকেই বলেছিলো দুই হাজার টাকা বেতন চাইতে, কিন্তু ইন্টারভিউ শেষে বস আকস্মিকভাবে আমাকে ৪ হাজার টাকার বেতনের চাকুরি অফার করেন।

তখন মিরপুর থেকে ধানমন্ডি যেতে ২৫ টাকা রিকশাভাড়া লাগতো। কোম্পানি মাত্র দুই মাস আমার কাজ দেখে আমাকে স্হায়ী নিয়োগ প্রদান করে এবং আমার বেতন দ্বিগুণ করে দেয়। আমি ঠিক সময় মত অফিসে যেতাম এবং আমাকে দেওয়া কাজগুলো ঠিকমত শেষ করতাম এতে করে আমার কখনো কখনো বাড়ি ফিরতে আমার রাত এগারোটা কিংবা বারোটা বেজে যেত।

আমাদের দেশে অধিকাংশ মেয়ের ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে থাকলে যে ঘটনাটা ঘটে তা হলো অনেকে মিলে রটিয়ে দেয় যে কোন বিশেষ ব্যক্তির সাথে বিশেষ সম্পর্ক থাকার কারণে হয়তো সে ক্যারিয়ারে এত এগিয়ে যাচ্ছে। কাজটা কেউ দেখে না বা দেখলেও যথাযথ মূল্যায়ন করতে চায় না। আর যারা কাজ করে না তারা ভোগে হীনমন্যতায়। একটা সময় চাকুরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। তখন আমার ক্লায়েন্টরা আমাকে তাদের সাথে কাজ করার অনুরোধ করে, এ্যাডকমের পর দুই বছর নিজের একটি কোম্পানি দাঁড় করানোর চেষ্টা করি। কিন্তু লোকবল এবং পুঁজির অভাবে সেটা খুব একটা এগোতে পারেনি। তাই আবার চাকুরিতে ফিরে আসি।

নিয়াজ আহমেদ : মেয়েদের ক্যারিয়ার অগ্রযাত্রায় প্রধান বাধাগুলো কী কী?

রেবেকা সুলতানা : ছেলেদেরকে বড় করা হয় ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আর মেয়েদের বড় করা হয় সংসার করার জন্য ,স্ট্যাটাস মেইন্টেইন করার জন্য। অনেকে হয়তো একটু নাচ-গান বা ড্রয়িং শিখায় কিন্তু মূল ক্যারিয়ার বিষয়ক কোন শিক্ষা কিংবা কোন প্রকারের দিক নির্দেশনা এদেশের প্রেক্ষাপটে একজন মেয়েকে দেওয়া হয় না বললেই চলে। মানসিকভাবে একজন মেয়েকে প্রস্তুত করা হয় বিয়ের জন্য। এজন্য একটা মেয়ে যখন কোন পেশায় নিযুক্ত হয়, তখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেদের মতো আত্মবিশ্বাসটা তার মধ্যে থাকে না।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ। গ্রুপে জয়েন করুন!

নিয়াজ আহমেদ : অনেক মেয়েরা চাকুরি করতে গিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে ? এর প্রধান কারণগুলো কী কী ?

রেবেকা সুলতানা : হীনমন্যতায় ভোগার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সে প্রথমেই মনে করে যে সে একজন ছেলের মতো শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট না। এছাড়া তার ভিতরে একটা ভয় কাজ করে, যেকোন সময় তার বিয়ে হবে। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার এই চাকুরি করাটা মেনে নিবে কিনা, তার স্বামী তাকে সাপোর্ট দিবে কিনা। এরপর তার যখন বাচ্চা হওয়ার সময় আসবে, তখন এই টেনশন আরও বেড়ে যায়। বাচ্চা হওয়ার পরে বাচ্চাকে কে দেখবে, কে মানুষ করবে, কে রান্নাবান্না করবে, কে ঘর সংসার গুছাবে, আবার কে চাকুরি করবে ?

ঘুরে আসুন: ভুল করাকে ভুল মনে করাই আসল ভুল

নিয়াজ আহমেদ : কর্মক্ষেত্রে একজন ছেলে এবং একজন মেয়ের দক্ষতাকে আপনি কিভাবে প্রার্থক্য করবেন ?

রেবেকা সুলতানা : আলী বাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা’কে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনার কোম্পানির সাফল্যের মুল রহস্য কী? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন আমার নারী চাকুরিজীবীরা, কারণ তারা যতটা গুছিয়ে কাজ করতে পারে, যতটা দায়িত্বশীল হতে পারে একজন ছেলের ভিতরে সেটা কিছুটা কম থাকে। কারণ ছেলেরা থাকে কিছুটা চঞ্চল প্রকৃতির। এটার ও কিছু কারণ আছে, এটার কারণ হচ্ছে একটা মেয়ে জানে যে সে যে কাজটাই করুক না কেন তাকে কোন না কোন ভাবে হেনস্থা করা হবে। এজন্য সে যতটুকু যত্ন নিয়ে একটা কাজ করে, একটা ছেলে সেই পরিমাণ যত্ন নিয়ে কাজটা করে না। একটা মেয়ে একটা কাজ নিয়ে দীর্ঘ সময় বসে থাকে এবং সেটাকে সম্পূর্ণ করার আগে অন্য কোন কাজ মাথায় নিতে পারে না। এজন্য মেয়ে চাকুরিজীবীরা যখনই কোম্পানির দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে তখনই কোম্পানিকে এগিয়ে রাখতে পেরেছে।

অফিসে আমি লক্ষ্য করি একটা ছেলে কর্মবিরতি ঘণ্টায় বাইরে চলে যায় কিংবা কারণে অকারণে চা খেতে বা অন্য কোন কাজে বাইরে বের হয় এবং বেশ দেরি করে ফেরে। অপরপক্ষে একজন মেয়ে দেখা যায় কর্মবিরতি পাওয়া মাত্রই তার বাসায় ফোন করে বাচ্চার খোজ খবর নেয়, স্বামীর সাথে কথা বলে এবং খুব তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া করে আবার ডেস্কে ফেরত আসে এবং কাজ শুরু করে। যথাসময়ে বাসায় পৌঁছানোর জন্য সে তার কাজগুলো আরও গুছিয়ে এবং পরিপাটিভাবে শেষ করে।

নিয়াজ আহমেদ : বাচ্চা হওয়ার পরে অনেক মেয়েই আর চাকুরিতে ফেরত আসে না। আপনার ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলোকে আপনি সামলে নিয়েছেন ?

রেবেকা সুলতানা :মেয়েদের সবচেয়ে বেশি দরকার হচ্ছে মনোবল। আমার দুইটি বাচ্চা আছে এবং প্রতিটি বাচ্চা জন্মের আগের দিন পর্যন্ত আমি চাকুরি করেছি। যখন আমি প্রেগনেন্ট ছিলাম, তখনও অফিসের পিকনিকে গিয়েছি আবার বাচ্চা হওয়ার তিন মাসের মাথায় বাচ্চাকে নিয়েই ঘুরে বেড়িয়েছি। এক্ষেত্রে আমি অনেক সৌভাগ্যবান, কারণ আমি একটি যৌথ পরিবারে থাকি। আমার পরিবারের অন্যরা সবাই মিলে আমার বাচ্চার দেখাশুনা করে।

আগে ছেলেরা অর্থ উপার্জন করতো এবং মেয়েরা ঘরের কাজ করতো এই যুক্তিতে যে তারা অর্থ উপার্জন করেনা কিন্তু এখন যেহেতু মেয়েরাও অথ উপার্জন করছে এবং সংসারে একইভাবে আর্থিক সহযোগীতা করছে সুতরাং সাংসারিক কাজের কিছু অংশও ছেলেদের বুঝে নিতে হবে, কারণ সংসারটা আমার না, আমাদের ।

নিয়াজ আহমেদ : মেয়েদের মানসিক দৃঢ়তা ধরে রাখতে হলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে ?

রেবেকা সুলতানা : পদক্ষেপটা আসলে রাষ্ট্রীয়ভাবে আসা দরকার, সকলের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আসা দরকার। শুধু ছেলে সন্তান নয়, মেয়ে সন্তানও বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে দেখে রাখতে পারবে। যেকোন মানুষকে যদি জন্মের পর থেকেই ন্যূনতম মূল্যবোধ এবং আচার ব্যবহারের শিক্ষা মনে গেঁথে দেওয়া হয়, তাহলে কখনোই তার বিগড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে না। চাকুরি করলে বাচ্চাকে সময় দেওয়া হবে না, এটা পুরোপুরিভাবে সঠিক নয় বরং আপনি যতক্ষণ বাসায় থাকেন ততক্ষণ বাচ্চাকে সময় দিতে পারেন, বাচ্চার সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করতে পারেন।

একজন মেয়েকে ঘর-সংসার, বাচ্চা এবং ক্যারিয়ার তিনটিকেই মানিয়ে নিয়ে চলতে হবে। মেয়েদের হতে হবে ছেলেদের চেয়ে অধিক পরিশ্রমী এবং আত্মনির্ভরশীল। মেয়েদের কাছে আমার  প্রশ্ন থাকবে, আজ যদি আপনার বাবা না থাকে, আজ যদি আপনার স্বামী না থাকেন, তাহলে আপনি কি নিজের এবং আপনার সন্তানের ভরণ পোষণ করতে পারতেন না নাকি করতেন না? অন্য কেউ এসে আপনার উন্নতি করে দিয়ে যাবে এটা ভাবার কোন কারণ নেই অথবা ছেলেরা কোনদিন পিছিয়ে পড়বে সেইদিন মেয়েদের উন্নতি হবে সেটা ভাবারও কোন কারণ নেই।

অনেক মেয়েকেই আমি দেখি চাকুরির কাজে ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথা বললেই পিছিয়ে পড়ে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে ঢাকার বাইরে কি বাঘ ভাল্লুক থাকে? কোম্পানিতে নিজের যৌগ্যতা প্রমাণটাই নিজেদের জন্যই একটা বড় চ্যালেঞ্জ, তার উপর আমাকে যখন কোম্পানির কাজে মালয়েশিয়া যাবার জন্য নির্বাচিত করা হলো, তখনও আমি সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে অনেক রকমের কটু কথার সম্মুখীন হই। কিন্তু আমি ব্যাপারগুলো সামলে নিয়েছি এবং মালয়েশিয়া গিয়ে সফলভাবে কোম্পানির কাজ সম্পন্ন করেছি ।

চল স্বপ্ন ছুঁই!

আমাদের ছোট-বড় অনেকরকম স্বপ্ন থাকে। কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারি কতগুলো?

এই দ্বিধা থেকে মুক্তি পেতে চল ঘুরে আসি ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্ট থেকে!

লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

 নিয়াজ  আহমেদ : নারী উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে প্রধান বাধাগুলো কী কী?

রেবেকা সুলতানা : বাধাগুলো আসলে একই, যা কিনা আমি আগেই বলে ফেলেছি। শুধু বাধাগুলো একেকসময় একেক রুপ নিয়ে সামনে আসে, একজন মেয়ে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চায়, তখন তার যে আর্থিক সহযোগিতা দরকার সেটা করার মতো মনমানসিকতা এখনও পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের নেই। যেসব মেয়েরা ঘরে বসে কুটির শিল্পের কাজ করছেন তারাও কোনভাবেই ন্যায্য মজুরি পান না।

উত্তরবঙ্গের একটি গরীব মেয়েকে দিয়ে সারাদিন কাজ করিয়ে দুইশো টাকা বেতন দিলেও তারা খুশি থাকে, আর এই বেতনে তারা সারাদিন কাজ করে যে শাড়ি, পাঞ্জাবী এবং অন্যান্য পণ্য তৈরি করছে সেগুলোই এদেশে নামীদামী বিপণি বিতানগুলোতে হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গ্রামের সেই গরীব মেয়েগুলো কি জানে যে তাদের কাজের মূল্য কত ?

নিয়াজ আহমেদ : কোন তিনটি ব্যাপারে মেয়েদের কম্প্রোমাইজ করা চলবে না ?

রেবেকা সুলতানা : প্রথমত একটা মেয়ের আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত পরিবারের সাথে সমঝোতা করার মাধ্যমে ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। সংকীর্ণমনা হওয়া চলবে না। সবাইকে মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। আর তৃতীয়ত হচ্ছে শিক্ষা, প্রতিটি মুহুর্তে নতুন কিছু শিখতে হবে। নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?