সফল যারা কেমন তারা – পর্ব ২

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

মোঃ আল-আমিন
এম. ফার্ম, এম.বি.এ
সি.ই.ও ,দি ফার্মা ৩৬০
ফোনঃ +৮৮০ ১৮৪৩ ০১১ ৯৩৩

E.mail: [email protected]

স্বপ্ন দেখায় অভ্যস্ত মো: আল-আমিন ২০০৮ সালে বি.ফার্ম. ও ২০০৯ সালে এম. ফার্ম. ডিগ্রী অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বি.এ. করেন। বাংলাদেশে প্রথম ফার্মাসিউটিক্যাল সাইন্সে গাইড বইয়ের প্রবর্তক হিসেবে তাঁর খ্যাতি সমাদৃত। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত দুটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী-পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লি. এবং ওরিয়ন ফার্মা. লি.-এর প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে ছয় বছরের অধিক সময় ধরে কর্মরত ছিলেন।

২০১৩ সালে তিনি ফার্মাসিস্ট ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেল্স ফোর্সদের জন্য বাংলাদেশে প্রথম ‘Al-Amin Pharmacy Professional Program (APPP)’ নামে একটি ট্রেনিং একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। যা পরবর্তীতে বড় পরিসরে ‘The Pharma 360’ নামে উন্মোচিত হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠাতা ও সি.ই.ও হিসেবে নিয়োজিত আছেন। পাশাপাশি তিনি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে External Trainer হিসেবেও কাজ করেন। ২০০৯ সালে ফার্মাসিস্টদের জন্য AIM নামে তাঁর প্রথম বইয়ের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপর তাঁর লেখনীর পথচলা। উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ফার্মাসিউটিক্যাল এবং মেডিকেল সেক্টরের উপর তাঁর লেখা ১১ টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

আপনার বাল্যকাল সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
ছোটবেলায় যখন বন্ধুদের সাথে খেলা করতাম তখন সবকিছু বিষয়ে আমি-ই সিদ্ধান্ত নিতাম। অর্থাৎ নেতৃত্ব দিতাম। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গুলো আমি-ই নিতাম। তখন থেকেই আমার নিজের ভেতর একটা বিষয় কাজ করতো যে, আমার চারপাশে যারা থাকবে তাঁদের মধ্যে আমি প্রধান হিসেবে কাজ করবো। এটা আমার প্রাইমারী লেভেলের কথা। এরপর হাইস্কুল ও কলেজের মাঝখানের কথা। তখনকার স্বপ্ন ছিল যে, আমি যে অফিসে চাকরি করবো সেই অফিসে আমি-ই থাকবো ঊর্ধ্বতন পজিশনে। সেই স্বপ্নই আমাকে আজ হয়তো সি.ই.ও পদে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যেহেতু আমি ফার্মাসিউটিক্যাল সাইন্সে (ফার্মেসি) পড়াশুনা করি, শুরুতে বছর ছ’য়েক বাংলাদেশের নামকরা দুটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে প্রডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট-এ কাজ করি।

আপনার বাল্যকালের স্বপ্ন আর আজকের আপনি এই দুইয়ের মাঝে কি মিল খুঁজে পান ?
আমি বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষকেই তার নিজস্ব ভালো লাগার উপরে কাজ করে যেতে হয়। আমার ক্ষেত্রে সত্যিই তাই-ই হয়েছে। আমার ছোটবেলার সেই স্বপ্ন আমাকে আবার তাড়া করতে থাকে। অন্যদিকে দেখছিলাম অনেক ক্রিয়েটিভ আইডিয়া বাস্তবে রূপ দেওয়া যাচ্ছেনা কোম্পানির পলিসিজনিত কারণে। অথচ আমার কাছে পরিষ্কার যে, উক্ত আইডিয়াগুলোর বাস্তব রুপের ফল কেমন হবে। চাকরি ছেড়ে দিলাম এবং নিজের প্রতিষ্ঠানে আত্মনিয়োগ করলাম। ঠিক তখনি আমি আমার মনের গহীনের স্বপ্নকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে পুরো ফার্মা মার্কেটের উপর ছড়িয়ে দিলাম। ফলশ্রুতিতে একটা রূপরেখা দাঁড় করলাম। অর্থাৎ আমাকে আমার স্বপ্ন পূরণ তথা সি.ই.ও হতে হবে এবং ফার্মা মার্কেটের Areas of Improvement-এ কাজ করতে হবে। শুরু হলো স্বপ্ন আর ক্রিয়েটিভ আইডিয়া নিয়ে কাজ করা।

বাংলাদেশে ফার্মা সেক্টরের সম্ভাবনা কেমন?
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং ক্রমবর্ধমান একটি সেক্টর। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ২৫৮ টির মতো ওষুধ প্রস্তুত ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সক্রিয় আছে। গত ২০১৬ সালে বাংলাদেশের স্থানীয় মার্কেটে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার ঔষধ বিক্রি হয়। এবং ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার ঔষধের চাহিদা বাড়ছে। জন্ম থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রতিটি মানুষকে বিভিন্ন থেরাপিউটিক গ্রুপের ঔষধের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। অন্যদিকে, আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত যে খাবারগুলো খাই তা বিভিন্ন ধরণের কীটনাশক ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সংমিশ্রণে উৎপাদিত। সেই কীটনাশক ঔষধ খাবারের সাথে শরীরে প্রবেশ করায় বিভিন্ন দীর্ঘ মেয়াদী রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। ৫০ বছর আগে অতি সাধারণ রোগেই মানুষ মারা যেতো। কিন্তু এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির ফলে জীবননাশক ক্যান্সার রোগেরও চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশে বিশ্বমানের সেই Anti-Cancer ঔষধও উৎপাদন হচ্ছে। তাই আমি মনে করি এটি বিপুল সম্ভাবনাময় একটি শিল্প।

ঔষধ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ফার্মা মার্কেটের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?
বাংলাদেশে অনেকগুলো ভালো ওষুধ কোম্পানি আছে যারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ অনুসরণ করে উন্নত কারখানায় আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ তৈরি করছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত সুখবর যে তারা দেশের অভ্যন্তরীণ ওষুধের বাজারকে প্রায় স্বনির্ভর করতে পেরেছে এবং যুক্তরাজ্যের এমএইচআরএ (MHRA), ইউরোপের ইইউ (EEU), উপসাগরীয় দেশগুলোর জিসিসি (GCC), অস্ট্রেলিয়ার টিজিএ (TGA), ব্রাজিলের আনভিসা (ANVISA) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ (FDA) সনদসহ অনেকগুলো সনদ পেয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে পৃথিবীর ১০৬ টি দেশে (সূত্রঃ EPB, Bangladesh) ওষুধ রপ্তানি করছে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ অনেক প্রশংসিত হয়েছে।

 
নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাও আর একধাপ!

 

 

 

বাংলাদেশের ফার্মা সেক্টরে আপনি ক্যারিয়ার গড়ে নিজেকে সার্থক মনে করেন?
মানব সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে চেয়েছিলাম ছোটবেলা থেকেই। ‘স্রষ্টার ইবাদত আর সৃষ্টির সেবা’ এই ব্রত নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। ফার্মা মার্কেটের একজন Entrepreneur এই সেবা দিতে পারেন সমাজকে তথা সাধারণ মানুষের কাছে জীবন রক্ষাকারী ঔষধ প্রদানের মাধ্যমে। আলহামদুল্লিাহ্‌ আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে অনেক সার্থক মনে করি এবং আত্মতৃপ্তি বোধ করি এই ভেবে যে আমার ক্যারিয়ারটা সরাসরি মানুষের সেই জীবন রক্ষাকারী ঔষধ প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠানের সাথেই।

ফার্মাসিউটিকাল সেক্টর অন্যান্য সেক্টর থেকে কি আলাদা?
ফার্মাসিউটিকাল সেক্টর অন্যান্য সেক্টর থেকে সম্পূর্ণই আলাদা। কেননা এই সেক্টরের প্রথম কাস্টমার হিসেবে ডাক্তারগণ এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত কাস্টমার হিসেবে পেশেন্টরা ভূমিকা পালন করে। ডাক্তাররা আমাদের সমাজের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক; পেশায় বা শিক্ষায় যেভাবেই বলিনা কেন। অন্যান্য কনজুমার সেক্টরের কাস্টমাররা এরকম না। এই সেক্টরে যেহেতু জীবন রক্ষাকারী ঔষধ নিয়ে কাজ করতে হয় তাই প্রতিটি তথ্য Scientifically Proved হতে হয়। চিকিৎসা ও ঔষধ বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে, অ্যাডভান্সড হচ্ছে। তাই এই সেক্টরে দ্রুত রিটার্ন আসেনা। তাই ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসার উদ্যোক্তাদের অনেক দূরদর্শী হতে হয়। তেমনি ফার্মাসিউটিকাল সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে তরুণদেরও অনেক দূরদর্শী হতে হয়; সুদূর-প্রসারী মনোভাব ও চিন্তা ছাড়া এই সেক্টরে ভালো করা যায়না।

এই সেক্টরে ফার্মাসিস্টরা মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। আমাদের দেশে কি বিশ্বমানের ফার্মাসিস্ট তৈরি হচ্ছে?
বাংলাদেশেও বিশ্বমানের ফার্মাসিস্ট তৈরি হচ্ছে এবং তার সংখ্যা নেহাতই কম না। তবে ল্যাব ফাসিলিটিস পর্যাপ্ত হলে ড্রাগ ডিসকভারি সহ আরও অনেক গবেষণামূলক কাজ করার সুযোগ হতো।

ফার্মাসিস্ট হিসেবে ফার্মা সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ কেমন?

বাংলাদেশের ফার্মা সেক্টরে ফার্মাসিস্টরা দু’টি দিকে কাজ করে ঃ
১। কর্পোরেট সাইডে
২। প্ল্যান্ট বা ফ্যাক্টরিতে।

ফার্মেসি এমন এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে একজন ফার্মাসিস্টের জ্ঞানের পরিধি থাকে অনেক বিস্তৃত তথা মেডিকেল, মার্কেটিং, কম্পিউটার সহ আধুনিক বৈশ্বিক যুগে যা কিছু প্রয়োজন তা সব-ই। যেকোনো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি পরিচালনা থেকে শুরু করে কাজ বাস্তবায়নের দিক থেকে ফার্মাসিস্ট অদ্বিতীয় ও অনন্য। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোতে ফার্মাসিস্টরা প্রডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট, ট্রেনিং ডিপার্টমেন্ট, কমার্শিয়াল ডিপার্টমেন্ট / সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, প্রডাকশন ডিপার্টমেন্ট, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্ট, কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স ডিপার্টমেন্ট, টেকনিক্যাল সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট, প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্ট, সেলস্ সাপোর্ট ডিপার্টমেন্ট, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সসহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে কাজ করছে।

নন-ফার্মাসিস্ট হিসেবে ফার্মা সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ কি আছে ?
কর্পোরেট সাইডের বিশাল বড় একটা অংশে কাজ করে ফার্মাসিউটিক্যাল সেলস টিম। এখন বাংলাদেশে কয়েক লক্ষ তরুণ প্রত্যক্ষভাবে ফার্মাসিউটিক্যাল সেলস পেশায় নিয়োজিত।

জন্ম ও মৃত্যু যেমনি ধ্রুব ঔষধের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ঠিক তেমনি ধ্রুব। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ঔষধ কোম্পানীর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে ঔষধের চাহিদা অনুসারে। যেহেতু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীর সংখ্যা বাড়ছে সেহেতু তরুণদের চাকুরীর সুযোগও (ঝপড়ঢ়ব) বাড়ছে। এ পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করলে দু’টি বিষয়ে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়-
মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারার জন্য আত্মতৃপ্তি
সম্মানজনক বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ একটি হালাল আয়ের উৎস নিশ্চিত করতে পারার জন্য আত্মতৃপ্তি

ফার্মা সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে ফার্মা সেক্টরের পড়াশোনা জানা থাকাটা কতখানি জরুরী?/ তরুণ হিসেবে ফার্মা সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে কি কি যোগ্যতা থাকা জরুরী বলে আপনি মনে করেন ?

ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে তরুণদেরও অনেক দূরদর্শী হতে হয়; সুদূর প্রসারী মনোভাব ও চিন্তা ছাড়া এই সেক্টরে ভালো করা যায়না। বিশেষ করে সেলস প্রফেশনে ভালো করলে খুব দ্রুত সময়ে ক্যারিয়ারের সফলতার মুখ দেখতে পাওয়া যায়।

ক) শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী ন্যূনতম গ্রাজুয়েশান করা এবং অন্ততঃপক্ষে এইচ.এস.সি. পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে অধ্যয়ন করেছেন এমন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
খ) অন্যান্য ঃ
অধিক পরিশ্রমী হতে হয়
Career Oriented হতে হয়
উদ্যমী ও সৃজনশীল হতে হয়
মেডিকেল শব্দাবলী সহ ইংরেজী লিখতে, পড়তে ও বলতে পারতে হয়
Communicative ও Proactive হতে হয়
কাজের প্রতি Sincere, Honest Dedicated হতে হয়

ফার্মা সেক্টরকে আরও যুগোপযোগী করার ক্ষেত্রে আপনার পরামর্শ কি?

Ensuring the Quality of 5M is the key secret of the Pharmaceutical business.

    • Man
    • Machine
    • Materials (Active Pharmaceutical Ingredients & Excipients)
    • Method
    • Management
  •  
  •  

এই পাঁচটি বিষয়কে আমরা যদি পুংখানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করি তবে এই সেক্টরকে আরও যুগোপযোগী করে আরও সামনে নিয়ে যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ্‌।


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?