কিভাবে গুছাবেন নিজের জীবন?

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

আমাদের অধিকাংশেরই একটি সাধারণ সমস্যা, আর সেটি হচ্ছে, জীবনের সবকিছুই কেমন যেন অগোছালো খাপছাড়া মনে হয়। কোন কোন কাজগুলো করা বাকি ছিল তা মনে না থাকা, কাজ করতে ভালো না লাগা, সময় মত কাজ শেষ করতে না পারা, কাজের সময় প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে না পাওয়া ইত্যাদি যেন আমাদের নিত্য-নৈমিত্তিক জীবনের সঙ্গী। যথেষ্ট সুযোগ, সুবিধা এবং সময় থাকা সত্ত্বেও কেন যেন এই সমস্যা গুলো আমাদের পিছু লেগেই থাকে।

তবে কি এই সমস্যা থেকে কোন পরিত্রাণ নেই? পৃথিবীর সকল সমস্যার ই কোন না কোন সমাধান রয়েছে। যেমনটি সমাধান রয়েছে এই সমস্যাগুলোরও। আমাদের আশেপাশেই আমরা কিছু মানুষ দেখতে পাই যারা দিব্যি একটি গোছানো জীবন অতিবাহিত করছেন। তাদের জীবনে যেন উল্লিখিত সমস্যা গুলোর কোন ছোঁয়াই লাগেনি। তাদের প্রতিটি কাজই যেন সুশৃংখল। অন্যরা যে কাজ করতে হিমশিম খায়, তারা যেন কোন ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই সে কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করে ফেলেন।

এমন তো নয় যে জন্মের পরই তারা এতটা সুশৃংখল ছিলেন। তাদেরও তো অন্য দশটা স্বাভাবিক মানুষের মতো উল্লেখিত সমস্যা গুলোর সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবুও তাদের জীবনে লক্ষ্য করা যায় সুন্দর শৃঙ্খলা। তাহলে তো নিশ্চয়ই তারা এই সমস্যা গুলো সমাধান খুঁজে পেয়েছেন! তবে কি সেই সমাধান? চলুন জেনে নেই কিভাবে আপনি সহজে গুছাতে পারেন নিজের জীবনকে। এমন ১০ টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নেই যা আপনার জীবনকে করে তুলবে পূর্বের চেয়ে অনেক গুনে সুশৃংখল।

১) লিখে রাখার অভ্যাস করুন:

আমাদের সবার বন্ধু মহলে এমন একজন থাকে যে সবার জন্মদিন বা যেকোন ধরনের উপলক্ষ কখনো ভুলে না। কিন্তু অনেকের আবার নিজের জন্মদিনই মনে থাকে না। কিন্তু একজন মানুষের পক্ষে এতগুলো উপলক্ষ মনে রাখা তো সম্ভবপর নয়। তাহলে আপনার সেই বন্ধুটি কিভাবে এই অসম্ভব কাজটি করে ফেলে? না, এই ঘটনার পিছনে কোন অবাক করা রহস্য নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন আপনার সেই বন্ধুটির রয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো লিখে রাখার অভ্যাস।

আপনিও করে ফেলতে পারেন এই অভ্যাসটি। এর জন্য সব সময় সাথে রাখতে হবে একটি কলম এবং একটি নোটবুক। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনও। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ অথবা তথ্যগুলো মুখস্ত করে রাখবেন, তবে আপনি ভুল করবেন। কারণ এতগুলো তারিখ কিংবা তথ্য মাথায় রাখতে গেলে আপনার উপর মানসিক চাপ যেমন বেড়ে যাবে, তেমনি একটি সম্ভাবনা থেকে যাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন তথ্য ভুলে যাওয়ার।

তাই নোটবুকে তুলে ফেলুন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এর তারিখও। এতে করে বন্ধু কিংবা আত্মীয় স্বজনের জন্মদিন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো উপলক্ষ ভুলে যাওয়ার মতো লজ্জাজনক অবস্থায় পড়তে হবে না। ভুলে যাবেন না কর্মক্ষেত্রে কোন কাজ সম্পর্কেও।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

২) সময়সীমা নির্ধারণ করুন:

সুশৃংখল মানুষ কখনোই সময় অপচয় করে না। অনেকের ক্ষেত্রে এমন হয় যে সব কাজ গুছাতে গিয়ে কাজগুলো আর সময় মত করা হয়ে উঠেনা। এটা কিন্তু হওয়া উচিত নয়। কারণ কাজগুলো গোছানোর মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে সময়মতো সঠিক ভাবে অতিরিক্ত কোনো চাপ ছাড়াই যেন কাজগুলো সম্পন্ন করা যায়। গোছানো মানুষজন তাদের দৈনন্দিন, সাপ্তাহিক, মাসিক কিংবা বাৎসরিক কাজগুলোর জন্য সময় তালিকা তৈরি করে রাখেন।

তারা কাজগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। তবে শুধু সময়সীমা এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই কাজ শেষ নয়, এই প্রক্রিয়াটি পূর্ণ রূপ পাবে সঠিকভাবে নির্ধারিত সময়ে অনুসারে কাজ করার মাধ্যমে। যেটি সুশৃংখল মানুষজন খুব দৃঢ়ভাবে করে থাকেন। এই কাজটি করার জন্য নোটবুকে নিজের লক্ষ্য গুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারেন এবং তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে সে লক্ষ্য অর্জনে মাঠে নেমে যেতে পারেন।

৩) দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করুন:

কোন কাজ সম্পন্ন করার জন্য যত বিলম্ব করবেন, কাজটি সম্পন্ন করা ততোটাই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কোন একটি কাজ যদি আপনি নির্ধারিত সময়ের আরো পরে সম্পন্ন করে থাকেন, তবে এর প্রভাব যে শুধুমাত্র এই কাজটির উপর পড়বে তা কিন্তু নয়। একটি কাজ সম্পন্ন হতে দেরি হলে দেরি হয়ে যাবে আরেকটি কাজ শুরু করতে। ফলে কোন কাজই আর সময় মত শেষ করতে পারবেন না।

আর যদি এই ভুল সংশোধন করে অতিরিক্ত কাজ করে সময়মতো শেষ করতে চান তাহলে আপনার ওপর পড়বে কাজের অস্বাভাবিক চাপ। এই চাপ সামলাতে গেলে জীবন থেকে চলে যাবে স্বাভাবিক সুখ এবং আনন্দ। তাই জীবনকে চাপ মুক্ত রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনকে চাপমুক্ত রাখতে হলে এই কাজগুলোকে যত দ্রুত সম্ভব শৃংখলার মধ্যে আনতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন হচ্ছে সময়ের কাজ সময়ে করা। ভবিষ্যতে করার আশায় ফেলে না রাখা। ভবিষ্যতে করার জন্য যেসব কাজ রেখে দেয়া হয় সাধারণত সেসব কাজ সময়মতো শেষ হয় না।

আর যদি শেষ হয় ও তবুও সেই কাজটি খুব একটা ভালো হয় না। এর একটি সমাধান দিয়ে দিচ্ছি। নোটবুকে কাজ গুলোর তালিকা করে কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য কি কি করতে হবে তা লিখে রাখুন। সে অনুসারে বর্তমানে যে কাজগুলো করা জরুরি সেগুলো শুরু করে দিতে হবে। নিয়মমাফিক ভাবে অল্প অল্প করে লক্ষ্যের দিকে এগোতে হবে। এতে যথাসময়ে শেষ হয়ে যাবে কাজ।

৪) প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন:

আপনার যদি বাস করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ঘর না থাকে, তবে ভবঘুরের মতো ঘুরে বেড়ানোটাই স্বাভাবিক। তেমনি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এর জন্য যদি নির্দিষ্ট জায়গা না থাকে, তবে সেগুলো এলোমেলো হয়ে থাকাটাও স্বাভাবিক। ফলে প্রয়োজনের সময় কাজের জিনিসগুলো হাতের কাছে পাওয়া যায় না। এই ছোট ছোট অগোছালো জিনিসগুলোর প্রভাবেই সম্পূর্ণ জীবন হয়ে উঠে বিশৃংখল।  এ জন্য সবকিছু সঠিক জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে লিখে রাখতে হবে কোন জায়গায় কোন জিনিস পাওয়া যেতে পারে। লক্ষ্য রাখতে হবে সংরক্ষণ করার জায়গাটি যেন এলোমেলো না হয়ে থাকে। একই ধরনের জিনিস গুলো একসাথে এক নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করুন এবং সে স্থানটিতে যে জিনিসগুলোর নাম লিখে রাখুন। যেমন ধরুন আপনার কলমদানি, কলম, পেন্সিল এবং রাবার একই সাথে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে পারেন।

৫) নিয়মিত গোছান এবং পরিষ্কার করুন:

প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো গোছানোর জন্য সময় বের করুন। সুশৃংখল মানুষজন নিয়মিত তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো গুছিয়ে রাখেন। জিনিসপত্র নিজে থেকে কখনো গুছানো থাকে না। এগুলোকে নিয়মিতভাবে বারবার গোছাতে হয়। এর জন্য আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে, নোটবুকের কাজের তালিকা গুলো দেখে এর মাঝে একটি সময় বের করুন এবং গোছানোর কাজে লেগে পরুন।

৬) যা প্রয়োজন নেই তা রাখবেন না:

জিনিসপত্র যত বেশি হবে, গোলমাল তত বেশি হবে। সুশৃংখল মানুষগণ যেসব জিনিস তাদের আসলেই প্রয়োজন শুধুমাত্র সেগুলোই রাখেন। অল্প জিনিস হাতের কাছে রাখার আরেকটি সুবিধা হল, সেগুলোর পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারা। অধিকাংশ সময় দেখা যায়, আমাদের সবারই অত্যধিক পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র রয়েছে। এর মাঝে যেমন রয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তেমনি রয়েছে অপ্রয়োজনীয় গুলো।

দেখা যায় শেষ পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি জিনিস কখনো ব্যবহারই করা হয় না। তাহলে কি লাভ হলো এত গুলো জিনিস রেখে? আবার এই অতিরিক্ত জিনিসগুলো রাখার জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত জায়গা। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বাসাবাড়িতে সাধারণত অতিরিক্ত জায়গা খুব একটা থাকে না। ফলে সবগুলো রাখতে গেলে পুরো বাসা বাড়িটাই এলোমেলো হয়ে থাকবে। অতিরিক্ত জিনিস রাখার জন্য বড় বাসা নিলে খরচটাও আবার বেড়ে যাবে।

তাই প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর একটি তালিকা করে তালিকার বাইরে যে জিনিস গুলো আপনার কাছে রয়েছে সেগুলো সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করুন। এতে আপনার বাসা এবং জীবন পূর্বের চেয়ে হয়ে উঠবে অনেকটা গোছানো।

 

 

৭) অপ্রয়োজনীয় জিনিস কী করবেন তা নির্ধারণ করুন:

অপ্রয়োজনীয় জিনিস থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য যা করা প্রয়োজন তা করতে প্রস্তুত থাকুন। অল্প জিনিস মানে হচ্ছে অল্প ঝামেলা। আপনি অপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলো দান করতে পারেন অথবা অনলাইন কিংবা অফলাইন কোন দোকানে বিক্রি করে দিতে পারেন। তবে অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাছাই করার সময় একটু সাবধানতা অবলম্বন করবেন। কারণ এমন অনেক জিনিসপত্র রয়েছে যেগুলোর বর্তমানে কোনো ব্যবহার নেই কিন্তু ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে। সেই জিনিস গুলোকে আলাদা করে রাখুন এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস রেখে যেগুলো সত্যই অপ্রয়োজনীয় সেগুলো ফেলে দিন।

৮) ভেবেচিন্তে নতুন জিনিস কিনুন:

অনেক সময় বিভিন্ন দোকানে আকর্ষণীয় বিভিন্ন অফার থাকে। অফার গুলো দেখে আমরা আর নিজেকে সামলাতে পারিনা। প্রয়োজনীয় কিংবা অপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যই কোন চিন্তা ভাবনা না করেই কিনে ফেলি। আমরা তখন কমদামের দিকে নজর দেই, প্রয়োজনীয়তার দিকে না। এর ফলে পুনরায় ঘরে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভরে যায়। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় হচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর একটি তালিকা করা এবং শুধুমাত্র সেই জিনিস গুলোই দোকান থেকে ক্রয় করা। এর বাইরে অফারের লোভে পড়ে কোন কিছু ক্রয় না করা।

৯) দায়িত্ব অর্পণ করতে শিখুন:

সুশৃংখল জীবনে অতিরিক্ত কাজের চাপ বিশৃঙ্খলা আনতে পারে। সুশৃংখল জীবনে কাজের চাপ কম থাকে, কারণ জীবনের শৃঙ্খলা আনয়নের জন্য যে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা হয় সেগুলোর প্রভাবে কাজগুলো ইতোমধ্যে শৃংখলার মধ্যে এসে পড়ে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একটি তালিকা তৈরি করুন এবং যে অতিরিক্ত কাজগুলো অন্যের দ্বারাও করা সম্ভব সেগুলো যোগ্য ব্যক্তিকে অর্পণ করুন। ফলে আপনার উপর থেকে কাজের চাপ কমে যাবে এবং যে কাজগুলো যোগ্য ব্যক্তিকে অর্পণ করলেন সেগুলো আরো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। সবাই যেহেতু সব কাজ সমান পারে না, সেহেতু অন্যরা আপনার থেকে যে কাজটি ভালো পারে সেই কাজটি তাদের অর্পণ করুন।

১০) পরিশ্রম করতে শিখুন:

আপনি যদি সব কাজের পরিকল্পনা সম্পন্ন করে ভেবে বসেন যে আপনি আপনার জীবন গুছিয়ে ফেলেছেন, তবে আপনি ভুল করবেন। কারণ শুধুমাত্র পরিকল্পনা দ্বারাই কাজগুলো আপনা আপনি হয়ে যাবে না। কাজগুলো যদি আপনি সম্পন্ন না করেন তবে এত পরিকল্পনা সব বৃথা। কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। তাই কি করতে হবে এবং কখন করতে হবে তা তালিকা করে কাজে লেগে পড়ুন।

মাথায় রাখুন যে আপনি যদি এখন বেশি পরিশ্রম করে অধিক কাজ সম্পন্ন করে রাখেন তবে পরবর্তীতে আপনি অবসর সময় কাটাতে পারবেন। কিন্তু এখন অবসর সময় কাটিয়ে যদি পরে কাজ করার চিন্তা করেন তবে সময় সংকুলান নাও হতে পারে। ফলে আপনি ফিরে যাবেন আপনার পূর্বের বিশৃংখল জীবনে।

এই অভ্যাসগুলো যদি আপনি গড়ে তুলতে পারে এবং প্রতিনিয়ত প্রক্রিয়া গুলো অনুসরণ করতে পারেন তাহলে আপনার জীবন থেকে বিশৃঙ্খলা শব্দটি নাই হয়ে যাবে। তখন আপনি নিজেই হয়ে যাবেন আপনার বন্ধু মহলের সেই ব্যক্তিটি যে সবার জন্মদিন কিংবা যেকোন ধরনের উপলক্ষ কখনো ভুল করে না। আপনার বন্ধু, পরিবার এবং কর্মক্ষেত্রে আপনি হয়ে উঠবেন অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয় এক ব্যক্তি। অতিবাহিত করতে পারবেন সুন্দর, সুশৃংখল এবং সফল জীবন।


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

 

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author

Tousif Wahid Tanim

This is Tousif Wahid Tanim. I'm currently studying BBA in Finance and Banking at Jahangirnagar University. Reading tech articles and watching tech videos are among the things I'm obsessed with.
Tousif Wahid Tanim
এই লেখকের অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?