সিরিয়াসভাবে পড়তে চাও? নিয়মগুলো জেনে নাও!

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

পড়াশুনা আমাদের কাছে এক আতংকের নাম! পড়তে বসলে আমাদের অবস্থা দাঁড়ায় ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ সিনেমার মতন। আমার তো টেবিলে বসে পড়ার কথা দূরে থাক, অন্য কোথাও বসেও পড়তে ইচ্ছে করে না! মন যে শুধু উড়ু উড়ু করতে থাকে(!), কিন্তু অন্তত পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হলেও তো পড়তে হয়।

পড়তে বসার সময় আমরা যেই সমস্যাটার মুখোমুখি সবচেয়ে বেশি হই, সেটা হলো ফেসবুক। পরীক্ষা নামের আতংক যে ব্যক্তি আবিষ্কার করে আমাদের ক্ষতি করেছেন, আমার তো মনে হয় তার থেকে বেশি আমাদের ক্ষতি করেছেন জাকারবার্গ সাহেব! না হলে ফেসবুকে ৫ মিনিট বসার নাম করে কীভাবে কীভাবে যেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। তাই তো ফেসবুককে বলা হয় ‘টাইম কিলার’।

কিন্তু আমাদের তো যে করেই হোক পড়াশুনা করে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। নাহলে আমাদের মা-বাবা বাসা থেকে তো বের করে দেবেন না, তবে ওয়াইফাই লাইন কেটে দিতে পারেন!

 

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ।

আচ্ছা, কখনো কি তোমার মনে হয় না যে একটু ভাল করে পড়লেই আমার ভাল মার্কস আসতো, কিংবা একটু সিরিয়াসলি পড়লে তার চেয়ে ভাল রেজাল্ট করতে পারতাম? এরকম মনে কিন্তু অধিকাংশ মানুষেরই হয়, আর এর মূল দোষটা হচ্ছে সময়ের কাজ সময়ে না করে৷ ফলে হাজার ইচ্ছা থাকাও স্বত্ত্বেও পড়াটা জমে যায় পরীক্ষার আগের রাতের জন্য।

তবে ওই যে বললাম, পড়তে যে ইচ্ছে করে না। কিন্তু নিজের মনকে তো নিজেরই নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। না হলে তোমার মন যে তোমাকে কাবু করে ফেলবে! তাহলে চলো জেনে আসা যাক কী কী উপায়ে আমরা জোর করে হলেও সিরিয়াসভাবে পড়তে বসতে পারি-

ঘুরে আসুন: যে ৭টি বিষয় বলে দেবে তুমি মানসিকভাবে কতোটা সুস্থ!

যখন যাই করো না কেন, পড়ার সময় পড়তে বসো:

 

আমরা নিজেদের প্রায় সময় বলি যে, “ আরে এই তো এখনই পড়তে বসবো।”, “আরে আর তো এক ঘণ্টা, এরপর ফাটায়ে পড়বো।” কিন্তু সেই এক ঘণ্টা আর আসে না। এই এক ঘণ্টা করতে করতে পুরো একদিন শেষ হয়ে যায়। এভাবে আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে ধোঁকা দিচ্ছি। যদি সিরিয়াসলি পড়তেই হয়, তাহলে এইসব এক ঘণ্টা- ৫ মিনিটের ব্যাপারগুলো ঝেড়ে ফেলে দাও। আর যখন পড়ার সময় হবে, তখন আর যাই করো না কেন, সবকিছু বাদ দিয়ে পড়তে বসো। তখন পড়া ছাড়া আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ তোমার কাছে থাকবে না। তাই তোমার বই-খাতা নিয়ে পড়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট স্থানে যাও, মোবাইল-ট্যাব সব দূরে রেখে পড়া শুরু করে দাও।

নিজেকে কখনোই আরেকটা ভিডিও গেম কিংবা অমুক সিরিয়ালের আরেকটা পর্ব দেখার জন্য আটকিয়ে রেখো না৷ কিংবা আমার ছবিতে কয়টা লাইক পড়লো, কে আমাকে কোন মিমে ট্যাগ করলো, সে কেন মেসেজ সিন করে রেখে দিলো; এইসব নিয়ে ভাববার প্রচুর সময় পরে পাওয়া যাবে৷ কিন্তু পড়ার সময় শুধুই পড়া। যত তাড়াতাড়ি তুমি পড়া শুরু করবে, তত জলদি বিশ্রামের সময় পাবে।

যদিও একটা কাজ বাকি রাখতেই আরেকটা কাজ শুরু করতে গেলে একটু মনোযোগ এদিক-সেদিক হয়ে যায়। কিন্তু চেষ্টা করতে হবে সময়ের কাজ সময়ে শেষ করার।

 

নিজেই নিজেকে নোট লেখার জন্য জোর করা:

কোনো কিছু লিখলে আমাদের যতদিন মনে থাকে, তার চেয়ে বেশি মনে থাকে ছবি এঁকে পড়লে। তাই তো বায়োলজি চিত্র এঁকে এঁকে পড়তে বলা হয়। শুধু বায়োলজিই নয়, চাইলে অন্যসব বিষয়ও ছবি এঁকে পড়া সম্ভব।

ধরা যাক তুমি বাংলার ইতিহাস নিয়ে পড়ছো। সেখানে আছে পলাশীর যুদ্ধ হয়েছিল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন৷ এখন এই তারিখটা হয়তো তোমার মনে থাকছে না। তুমি একটা খাতায় শিরোনাম দিলে ‘বাংলার ইতিহাস’ লিখে৷ এরপর সেখানে বুলেট পয়েন্ট দিয়ে লিখলে- পলাশীর যুদ্ধ→১৭৫৭→২৩ জুন→সিরাজ-উদ-দৌলা। এই ভাবে পড়লে পড়া বেশি মনে থাকবে৷ চাইলে ছোট্ট একটা কাগজে ওই অধ্যায় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ছোট ছোট পয়েন্ট আকারে লিখে বইয়ের সাথে লাগিয়ে রাখা যেতে পারে। যাতে করে বই খুললেই চট করে বিষয়গুলো যেন চোখে পড়ে।

প্রথম প্রথম হয়তো এভাবে পড়তে ভাল লাগবে না, কিন্তু নিজেকে এক প্রকার জোর করে এই কাজ করলে সেটার ফলাফল হবে ইতিবাচক।

 

নিজেই হয়ে ওঠো নিজের অনুপ্রেরণাদাতা:

আশেপাশের মানুষের কথা শুনে আমরা যত না অনুপ্রাণিত হই, তার চেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হই নিজের কথা শুনেই। কারণ, একমাত্র তুমিই নিজেকে সব থেকে ভাল বুঝবে। আর তুমিই জানো ঠিক কী কী করলে তোমার মন ভালো এবং ফুরফুরে হয়ে উঠবে। তাই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের সাথে কথা বলো৷ নিজেকে বুঝাও যে পড়ালেখা করলে লাভ তোমারই, না করলে ক্ষতিটাও তোমারই। তুমি পড়ালেখা না করলে অন্যদের লাভও হবে না, ক্ষতিও হবে না।

“You may be the only person left who believes in you, but it’s enough. It takes just one star to pierce a universe of darkness. Never give up.”
Richelle E. Goodrich, Smile Anyway

 

তুমি কি জানো যে তুমি নিজেই তোমার সবচেয়ে বড় সাপোর্টার? আমরা অন্যদের কাছ থেকে আশার বাণী শুনে যতটা না অনুপ্রাণিত হই, তার চেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হই সেই কথাটা নিজের কাছ থেকে শুনেই। কারণ, একমাত্র তুমিই নিজেকে সবচেয়ে ভালভাবে বুঝবে। চাইলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সাথে কথা বলে দেখতে পারো, কেমন লাগে।

 

চল স্বপ্ন ছুঁই!

আমাদের ছোট-বড় অনেকরকম স্বপ্ন থাকে। কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারি কতগুলো?

এই দ্বিধা থেকে মুক্তি পেতে চলো ঘুরে আসি ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্ট থেকে!

লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

জানো, আমার যখন পড়তে একদমই ইচ্ছে করে না, তখন আমি কী করি? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলি, “জাহিন দেখ, তোকে যে করেই হোক পড়তে বসতেই হবে! আজকে এই পড়াটা শেষ না করলে ফারুক স্যারের ক্লাসে কিন্তু তোকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আর দাঁড়িয়ে থাকা মানে তো জানিসই, অপমানের চোটে আর কলেজে যাওয়া লাগবে না!”, এইভাবে নিজেই নিজেকে ভয় দেখিয়ে পড়তে বসে যাই!

চাইলে তোমরাও এই মেথডটা ট্রাই করে দেখতে পারো কিন্তু! আর একঘেয়েমি ভাবটা কাটাতে চাইলে একটু পরপর পড়ার জায়গা পরিবর্তন করতে পারো।

 

পুরস্কারের ব্যবস্থা:

একটানা পড়তে তোমার অনেক সময় ভালো নাও লাগতে পারে। তাই একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পড়া শেষ করার পর নিজেই নিজেকে ট্রিট বা পুরষ্কার দিতে পারো। যেমন: জৈব যৌগ অধ্যায়টা শেষ করার পর তুমি একটু গল্পের বই পড়বে কিংবা আইসক্রিম খাবে। এইভাবে ‘সেল্ফ ট্রিট’-এর ব্যবস্থা করে রাখলে পড়ার প্রতি কিন্তু ভালোই জোশ আসে!

 

লজ্জাজনক পরিস্থিতির ফাঁদে পড়ো:

ফ্রেন্ডদের সামনে মুখ ফসকে আমরা কত না চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসি। চক্ষুলজ্জার হাত থেকে বাঁচতে সেই সব ডেয়ার কিন্তু আমরা পূরণও করে ফেলি। আচ্ছা যদি একটা কথা খুব বাড়িয়ে চড়িয়ে বলার পর দেখো সেইটা আর হয়নি, তখন কেমন হবে? সাধারণত লজ্জার হাত থেকে বাঁচতেই আমরা সেইসব দেওয়া কথাগুলো পূরণ করার চেষ্টা করি। তাই তুমি যদি তোমার বন্ধুকে বলো যে এইবার তুমি ক্লাসে ১-৩ এর মধ্যে থাকবে, কিংবা তোমার জিপিএ হবে খুব ভালো; তখন তোমার মাথার মধ্যে এই কথাগুলো বারবার ঘুরপাক খেতে থাকবে।

কারণ তখন যে করেই হোক নিজেকে প্রমাণ করার জন্য এবং লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে তোমাকে দেওয়া কথা পূরণ করতেই হবে। আর এই মেথডটা কিন্তু টনিকের মত কাজ করে।

 

সব মনোযোগ পড়ার দিকে:

পড়তে বসার সময় আমরা যেই সমস্যাটায় সবচেয়ে বেশি পড়ি, তাহলে মনোযোগ নষ্ট হওয়া। আমরা চাই যে আমরা যতটুকুই পড়ি না কেন, সবটুকু যেন আমরা ভালভাবে বুঝি এবং আমাদের পড়াটা যাতে মনে থাকে। কিন্তু আমাদের মনোযোগ পড়া ছাড়া অন্য কোনো কাজে চলে গেলে, যেমন: টিভি দেখা, অফিসের কাজ বা অন্য যেকোনো কিছু পড়ার পাশাপাশি করলে পড়াটা আর মাথায় ঢুকবে না। এমনকি কোনো কাজই ঠিকঠাক হবে না। তাই পড়ার সময় শুধুই পড়তে হবে।

 

পড়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি:

কষ্টের ব্যাপার হলো আমরা পড়ার সময় সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট করি পড়ার উপযুক্ত পরিবেশ না পাওয়ার জন্য। হয়তো আমরা যেই রুমে পড়ি, তার পাশের রুমে জোরে টিভি চলছে, কিংবা রাস্তার পাশে বাসা হওয়ায় গাড়ির হর্নের আওয়াজ আসছে; এমন নানাভাবে আমাদের মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

তাই পড়তে বসার সময় রুমের টিভি, কম্পিউটার অফ করে দিতে হবে, ঘরে কেউ যাতে না থাকে এবং ইন্টারনেট সংযোগও বন্ধ করে দিতে হবে। কিন্তু আমাদের পড়ার জন্য যদি নেটের দরকার হয়, তাহলে বেশ কিছু অ্যাপস বা ফ্রি সফটওয়্যার আছে, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের অপ্রয়োজনীয় ব্রাউজার এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলো অফ করে দিয়ে পড়তে পারি।

 

গান শুনে মনোযোগ বাড়াও:

অনেক সময় পিনপতন নীরবতাও আমাদের মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই পড়ার সময় আমরা হালকা ধরণের গান কিংবা কোনোকিছুর শব্দ যেমন: ঝর্ণার শব্দ, বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের শব্দগুলো শুনতে পারি। এটা আমাদের মনকে শান্ত রাখে, ফলে পড়ার সময় অস্থিরতা কাজ করেনা।

এমন বেশকিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনও রয়েছে৷ সেগুলো হলো:

Relax Melodies, Calm- Meditate Sleep Relax, White Noise Light ইত্যাদি।

কিন্তু তোমার যদি মনে হয় গান শোনার সাথে সাথে তোমার গান গাইতেও ইচ্ছে করছে, তাহলে গান বন্ধ করে দেওয়াই শ্রেয়।

 

১০ মিনিট স্কুলের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন লাইভ ক্লাসের! তা-ও আবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!

এগুলো ছাড়াও পরিমিত খাবার গ্রহণ আর ঘুমও প্রয়োজন। আমাদের অনেকের একটা বদ অভ্যাস আছে। সেটা হলো একগাদা পড়া জমিয়ে রেখে পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে নাকে-মুখে পড়া। এর ফলে কী হয় জানো? নিয়মিত পড়লে তুমি দিনে এক ঘণ্টা যেই ভিডিও গেমস খেলতে পারতে, পড়া জমিয়ে রাখার ফলে ভিডিও গেমস খেলা তো দূরের কথা, তুমি দম ফেলারই ফুরসত পাবেনা।

তাই সময়ের কাজ সময়ে করার চেষ্টা করো। মাদার তেরেসা সময়ের কাজ সময়ে করা নিয়ে একটা কথা বলে গিয়েছেন-

“Yesterday is gone. Tomorrow has not yet come. We have only today. Let us begin.”

অর্থাৎ আমাদের যা করার আজকেই করতে হবে। কালকে যেটা করিনি, সেটা নিয়ে আর ভাবলে হবে না। আবার আজকের কাজটা কালকের জন্য ফেলে রাখলেও হবে না।

‘The Alchemist’ খ্যাত বিখ্যাত লেখক পাওলো কোয়েলহো বলেছেন-

“Don’t waste your time with explanations: people only hear what they want to hear.”

ঘুরে আসুন:  অকারণে মানসিক অশান্তি? সমাধান দিচ্ছেন দালাই লামা!

এছাড়াও আরো বেশ কিছু ব্যাপার আছে৷ আমার স্কুলের একজন ম্যাডাম সবসময় বলতেন, “তুমি যদি একই পড়া তিনবার পড়ো, তাহলে পড়াটা তোমার মাথায় গেঁথে থাকবে। প্রথমবার তুমি দেখবে ও শুনবে, দ্বিতীয়বার বুঝবে এবং তিনবারের সময় পড়াটা মাথায় ঢুকিয়ে ফেলবে।”

আর যেই পড়াটা তুমি নিজে বুঝেছো, সেই পড়াটা যদি তুমি অন্য কাউকে বোঝাতে পারো, তার মানে তুমি আসলেই পড়াটা বুঝতে পেরেছো। তাই সবসময় ফ্রেন্ডদের পড়ার জন্য হেল্প করবে। এতে লাভ কিন্তু তোমারই!

তাই আমরাও চেষ্টা করবো সময়ের পড়াটা সময়েই শেষ করতে। প্রত্যেকদিনই সিরিয়াস হয়ে অন্তত দু-তিন ঘণ্টা হলেও পড়বো।

 

সূত্র: https://m.wikihow.com/Force-Yourself-to-Seriously-Study?amp=1#referrer=https://www.google.com&amp_tf=From%20%251%24s


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?