দ্রাব্যতা ও দ্রাব্যতা সংক্রান্ত ম্যাথ

দ্রাব্যতা কি?



হাইলাইট করা শব্দগুলোর উপর মাউসের কার্সর ধরতে হবে। মোবাইল ব্যবহারকারীরা শব্দগুলোর উপর স্পর্শ করো।

আমরা জানি আয়নিক যৌগগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয়। তবে সব যৌগই কি সমানভাবে দ্রবীভূত হয়? না,সব যৌগের দ্রবীভূত হবার ক্ষমতা এক নয়। কোনো লবণ পানিতে কত পরিমাণে দ্রবীভূত হতে পারে এ সাধারণ ধারণা থেকেই দ্রাব্যতার উৎপত্তি।

পানিতে কোনো আয়নিক লবণের দ্রাব্যতা হল লবণটি নির্দিষ্ট পরিমাণ (সাধারণত ১০০ গ্রাম) পানিতে কত পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করে বা সর্বোচ্চ কতটুকু পরিমাণ গলতে পারে।

অর্থাৎ কোনো পদার্থের (দ্রব) সম্পৃক্ত দ্রবণ বানাতে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে পরিমান দ্রব লাগে সেটাই হল ঐ দ্রবের দ্রাব্যতা।

যেমন: AgCl এর কথা বিবেচনা করি আমরা। 25°C এ তার দ্রাব্যতা 0.002 g/L যার অর্থ ঐ তাপমাত্রায় আমরা ১ লিটার পানিতে সর্বোচ্চ 0.002 g AgCl দ্রবীভূত করে তা সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করতে পারবো। অন্যভাবে প্রকাশ করলে এর দ্রাব্যতা \(1.3 × 10^{-5}\) mol/L. কঠিন কিছুই না, ঐ একই ভরকে (0.002 g) এখানে মোলসংখ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে। AgCl এর আণবিক ভর দিয়ে 0.002 g কে ভাগ করেই দেখ।

দ্রাব্যতা একটি দ্রবের মৌলিক ধর্ম। পৃথিবীর যেকোনো স্থানে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট দ্রবের দ্রাব্যতা একই হবে।

যেহেতু পদার্থের দ্রাব্যতা প্রকৃতপক্ষে ব্যবহৃত দ্রাবক ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। তাই দ্রাব্যতার সংজ্ঞা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়।


প্রশ্নটি পড়ে উত্তরটি অনুমান করো


দ্রাব্যতার এই ধারণা নাড়াচাড়া করে আমরা কিছু গাণিতিক সমস্যারও সমাধান করতে পারি। চল সেগুলো দেখে নিই।


দ্রাব্যতা সম্পর্কিত ম্যাথ


ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো


তাপমাত্রা আর দ্রাব্যতার সম্পর্ক তো জানলাম। এবার চল জেনে নিই দ্রাব্যতার সাথে চাপের কোন সম্পর্ক আছে কিনা।



দ্রাব্যতার সাথে চাপের সম্পর্ক


ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


সত্য মিথ্যা যাচাই করো





আশা করি, এই স্মার্ট বুকটি থেকে তোমরা দ্রাব্যতা ও দ্রাব্যতা সংক্রান্ত ম্যাথ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছো। 10 Minute School এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য শুভকামনা রইলো।