Uncategorized

ফ্লিপ-ফ্লপ, রেজিস্টার ও কাউন্টার

তোমরা কি বলতে পারবে, একটা কম্পিউটার কীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে?
উত্তরটা অনেক সহজ মেমোরীর মাধ্যমে।

কিন্তু এই মেমোরী আবার কীভাবে তৈরী হয়? মেমোরীর উপাদানগুলো কী কী?
আজকে আমরা এগুলোই জানবো।

প্রথমেই শুরু করি ফ্লিপফ্লপ দিয়ে। মানুষের শরীর যেমন কোষ দিয়ে গঠিত, মেমোরীও তেমনি অসংখ্য ফ্লিপফ্লপ দিয়ে গঠিত। এইজন্য ফ্লিপফ্লপ কে বলা হয় মেমোরীর উপাদান (Memory Element)

একটি ফ্লিপফ্লপ একবিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। অর্থাৎ একটা ফ্লিপফ্লপকে তোমরা এক বিটের মেমোরীও বলতে পারো।

চলো আমরা একটি ফ্লিপফ্লপের সার্কিট দেখে নিই-

ছবিতে খেয়াল করে দেখ, সার্কিটে দুটি OR গেইট ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি OR গেইটের আউটপুটকে আরেকটি OR গেইটের ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবেই একটি ফ্লিপফ্লপ সার্কিট তৈরী হয়।

ফ্লিপফ্লপ আবার কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমন:

১. SR Flipflop (Set Reset)
২. JK Flipflop (Jack King)
৩. D Flipflop (Data/Delay)
৪. T Flipflop (Toggle)


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো


আমরা ফ্লিপফ্লপ সম্বন্ধে তো জানলাম। এবার চলো জেনে নেই রেজিস্টার সম্বন্ধে।
রেজিস্টারও হচ্ছে এক ধরনের মেমোরী। কিন্তু এটি ফ্লিপফ্লপের চাইতে বেশি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। তোমরা জেনেছ, একটি ফ্লিপফ্লপ ১ বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
তাহলে আমরা যদি একাধিক বিট সংরক্ষণ করতে চাই তাহলে কী করতে হবে?

খুবই সহজ। একটি ফ্লিপফ্লপ যদি এক বিট সংরক্ষণ করতে পারে, তাহলে একাধিক বিট সংরক্ষণের জন্য একাধিক ফ্লিপফ্লপ প্রয়োজন। আর এই একাধিক ফ্লিপফ্লপের সমন্বয়ে যে সার্কিট গঠিত হয় সেটাই হচ্ছে রেজিস্টার।

একটি N বিটের রেজিস্টার N বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

চলো আমরা একটি রেজিস্টারের সার্কিট দেখি:

রেজিস্টার আবার দুই ধরনের হয়। যেমন:

ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


সঠিক উত্তরে ক্লিক করো


আচ্ছা, ফ্লিপফ্লপ আর রেজিস্টার সম্বন্ধে তো জানলাম। চলো এবার কাউন্টার সম্বন্ধে একটু জেনে ফেলি।

কাউন্টার হচ্ছে এক ধরনের লজিক সার্কিট যেটা অনেকগুলো ফ্লিপফ্লপ দিয়ে তৈরী হয়। কাউন্টার নাম শুনেই তোমরা বুঝতে পারছ, এটা কোন কিছু কাউন্ট করে। এখন কথা হচ্ছে, এটা কী কাউন্ট করে?

উত্তরটা হচ্ছে এটা লজিক সার্কিটে প্রদানকৃত পালসের সংখ্যা গণনা করতে পারে।

এখন কথা হচ্ছে, পালস আবার কী?

পালস হচ্ছে এক ধরনের সিগন্যাল যেটা ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়। এই সিগন্যাল ক্লক জেনারেটর এর সাহায্যে তৈরী হয়। একে ক্লক পালসও বলে।

ক্লক পালস এর উপর ভিত্তি করে কাউন্টার ২ প্রকার:

ড্রপ ডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত



আজ এ পর্যন্তই। আশা করি, এই স্মার্ট বুকটি থেকে তোমরা ফ্লিপ-ফ্লপ, রেজিস্টার ও কাউন্টার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছো। 10 Minute School এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য শুভকামনা রইলো।