এইচএসসি ইংরেজী ১ম পত্র

Bangladeshis in Italy

Unit: 11 | Lesson: 3

Last month, a 20-year dream came true: we visited Italy. While it was an amazing lesson in history, I was also taken by surprise at the Bangladeshis in Italy. I heard estimates of between 200,000 and 600,000 Bangladeshis in Italy.

I saw them in Rome, Florence and Venice (but not in Siena.) The ones I saw all had small to medium-size businesses. In Rome, they were selling handbags, sunglasses and tourist material on the streets. In Florence, we walked into a store selling ‘Indian-looking’ things – ‘monohori dokan’ – only to find the owner was a Bangladeshi who had a chain of these stores in the city.

In Venice, they were selling trinkets-like little puppets made from balloons – on the Accademia Bridge and in San Marco Square. One seller told me these would not sell in Rome, but in Venice the tourists buy them.

 

গত মাসে ২০ বছরের এক স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হলো: আমরা ইতালি ভ্রমণ করলাম । ইতিহাস সম্পর্কে যখন এটি ছিল এক বিস্ময়কর পাঠ ইতালিতে বাংলাদেশিদের ব্যাপারেও আমি অবাক বনে গেলাম। আমি জানতাম আনুমানিক ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) থেকে ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) বাংলাদেশি ইতালিতে থাকেন।

আমি রােম, ফ্লোরেন্স এবং ভেনিসে (কিন্তু সিয়েনাতে নয়) তাদেরকে দেখেছিলাম। আমি যাদেরকে দেখেছিলাম তাদের সকলেরই ক্ষুদ্র থেকে মধ্যম আকারের ব্যবসায় ছিলো। রােমে তারা রাস্তায় রাস্তায় হ্যান্ডব্যাগ, সানগ্লাস এবং পর্যটন সামগ্রী বিক্রি করছিলো। ফ্লোরেন্স-এ আমরা “মনোহরী দোকান” নামের একটি দোকানে ঢুকেছিলাম, যাতে বিক্রি হচ্ছিলো ভারতীয় জিনিসপত্রের মতাে দেখতে জিনিসপত্রাদি। কিন্তু পরে বুঝতে পারলাম যে, এর মালিক একজন বাংলাদেশি ছিলেন যার অনেকগুলাে চেইন শপ (একই ধরনের বিপণিবিতান) রয়েছে এই শহরে।

ভেনিসে, একাডেমিয়া ব্রিজ এবং সানমার্কা চত্বরে তারা বেলুনে তৈরি ছােট্ট পুতুলের মতাে ক্ষুদ্র অলংকার সামগ্রী বিক্রি করছিল। একজন বিক্রেতা আমাকে বললেন, রােমে এগুলাে বিক্রি হবে না। কিন্তু ভেনিসে চলবে, পর্যটকরা এগুলাে কিনবে।

They were incredibly kind and polite to us. The person in Florence – much to our protestations – treated us with cokes and ice cream, and sold things to us at large discounts. When it came to prices, they said “Pay us what you want – we are so happy to see a Bangladeshi tourist here.” It was a kind of haggling in reverse. One street vendor in Rome, after selling a sunglass at 18 Euro to a European person, turned around and sold me a similar sunglass at 4.5 Euro. I wanted to pay him more, but, incredible as it seems, he would not take it. I think this barely covered his cost.

At a mini-flea-market of Bangladeshi stalls at the Tiburtina station in Rome, I fell into a discussion of the business. It costs them 1000-2000 Euros a month to rent each stall. The work is very hard, and they live frugally. So they are able to save some money which they send home.

One seller in Venice said he can save up to Euro 1000 a month, but only if a lot of conditions are met (e.g. he has to sell an average of 50 euros’ worth daily; his food expenses cannot exceed Euro 80/month, etc.) I was inspired by their entrepreneurship and touched by their generosity and hope their Diaspora comes true soon.

 

তারা আমাদের প্রতি অবিশ্বাস্যরূপে সদয় ও বিনম্র ছিলেন। ফ্লোরেন্সের লােকটি আমাদের কঠোর বাধা সত্ত্বেও কোক এবং আইসক্রিম দিয়ে আমাদের আপ্যায়ন করলেন, আর অনেক মূল্য ছাড় দিয়ে আমাদের কাছে জিনিস বিক্রি করলেন। যখন দাম দেওয়ার সময় এলাে, তারা বললেন “আপনাদের যা ইচ্ছা তাই দিন, আমরা এখানে একজন বাংলাদেশি পর্যটক দেখতে পেয়ে খুবই খুশি।” এটা ছিলো এক ধরনের বিপরীত দরকষাকষি। রােমের এক রাস্তায় ফেরিওয়ালা ইউরােপীয় এক ভদ্রলােকের কাছে ১৮ ইউরােতে একজোড়া সানগ্লাস বিক্রি করে আমার দিকে ঘুরলেন এবং আমার নিকট একই রকম সানগ্লাস ৪.৫ ইউরােতে বিক্রি করলেন। আমি তাকে আরাে অধিক দিতে চাইলাম কিন্তু, অবিশাস্য মনে হলেও, তিনি আর নিলেন না। আমার মনে হয় এতে খুব করে হলে তার কেনা খরচটাই উঠেছিলো।

রােমে টিবারটিনা স্টেশনে এক ক্ষুদ্র ফ্লি-মার্কেটের বাংলাদেশি দোকানে আমি এক ব্যবসায়িক আলোচনা জড়িয়ে পড়লাম। প্রতিমাসে দোকানপ্রতি তাদের ১০০০-২০০০ ইউরো ভাড়া লাগে। কাজটা খুব কঠিন এবং তারা অনেক হিসেব করে জীবন-যাপন করে। তাই তারা কিছু পয়সা বাঁচাতে পারে যা তারা দেশে পাঠায়।

ভেনিসের এক বিক্রেতা বললেন যদি নানারকম শর্ত পূরণ করে সে মাসে ১০০০ ইউরো পর্যন্ত কামাতে পারে। (উদাহরণস্বরূপ প্রতিদিন তার গড়ে ৫০ ইউরো মূল্য পরিমাণ বিক্রি করতে হবে; প্রতি মাসে তার খাবার খরচ ৮০ ইউরো অধিক হবে না ইত্যাদি।) তাদের উদ্যোগী মনোভাবে আমি উৎসাহিত হলাম, তাদের উদারতায় সিক্ত হলাম এবং আশা করি তাদের এই বিদেশে ক্ষুদ্র, বিক্ষিপ্ত জনগোষ্ঠী শীঘ্রই শক্তিশালী হয়ে ওঠে।