জাতীয় সংসদ

(স্মার্টবুকে উল্লিখিত সকল তথ্য এপ্রিল, ২০২০ সাল পর্যন্ত বিবেচনা করে লেখা হয়েছে)

জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আইনসভা। এককক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম House of the Nations. রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের শেরে বাংলা নগরে জাতীয় সংসদ অবস্থিত। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার অভিভাবক হিসেবে কাজ করে জাতীয় সংসদ। জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়েই আমাদের এই স্মার্টবুকটি।



এবার চলো ঝটপট জেনে নিই অধিবেশন এবং আসন নিয়ে কিছু কথা:

১। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী।

২। সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের একেকটি অধিবেশনের মেয়াদ ৫ বছর।

৩। স্পিকার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ।

৪। রাষ্ট্রপতি সরকারী প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে সংসদ অধিবেশনের  আহ্বান, রদ ও ভঙ্গ করেন ।

৫। জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ।

৬। জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী।

৭। সংসদের আসন সীমানা নির্ধারণ করা হয় জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা, বড় শহর, সিটি কর্পোরেশন, GIS ইত্যাদির মাধ্যমে।

৮। সংসদ সদস্যগণ সাংসদ বা এমপি নামে পরিচিত।

 

জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন একটি ছবি

জাতীয় সংসদের আসন বিন্যাস বেশ গোছান থাকে। চল তাহলে এক নজরে দেখে নেয়া যাক!



এবার চল ছবি দিয়ে চিনে নিই জাতীয় সংসদের আসন বিন্যাস। ছবির প্লাস (+) চিহ্ন দেয়া জায়গায় ক্লিক করে দেখে নাও কোথায় কোন আসন!




এবার চল জাতীয় সংসদ অধিবেশনের কিছু নিয়মকানুন দেখে নিই:

১। অধিবেশন চলাকালে কোন কারণে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য হলে ৭ দিনের মধ্যে তা পূরণ করতে হয়।

২। রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল উত্থাপনের পর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পাশ করতে হয়।

৩। সংসদে পাশ হওয়া কোন বিল যদি রাষ্ট্রপতি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রেরণ করে তবে সেই বিলটি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধন করে পুনরায় সংসদে পাশ করতে হয়। যদি কোন কারণে বিলটি ৭ কার্যদিবসের মাঝে সংশোধন না করা যায়, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে অতিরিক্ত সময় দেয়া হয়।

৪। সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংসদ আহ্বান করতে হয়।

৫। এক অধিবেশনের সমাপ্তি হবার ৬০দিনের মধ্যে পরবর্তী অভিবেশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  অর্থাৎ দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল ৬০দিন।

৬। স্পিকারের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিনের বেশি কোন সাংসদ বৈঠকে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না।

৭। কোন কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা মেয়াদ শেষ হলে ৯০দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

৮। কোন আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন দিতে হবে।

৯। জাতীয় সংসদে ফ্লোর ক্রসিং নিষিদ্ধ।

১০। অনেক সময় বিল পাশের সময়কাস্টিং ভোটের সাহায্য নেয়া হয়।

 


কি? এতক্ষণ জাতীয় সংসদ নিয়ে পড়তে পড়তে খুব ইচ্ছে করছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে? কিন্ত অন্য আর সবকিছুর মত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্যে কিছু যোগ্যতা প্রয়োজন। চল সেগুলো চট করে দেখে নিই।


অনেক তো জানা হল, এবার তাহলে ছোট্ট একটা মজার কুইজ দেয়া যাক?


অনেক অনেক শুভকামনা রইল সামনের পরীক্ষার জন্যে!