ভাস্কর্য ও স্থাপনা

(স্মার্টবুকে উল্লিখিত সকল তথ্য এপ্রিল, ২০২০ সাল পর্যন্ত বিবেচনা করে লেখা হয়েছে)

ভাস্কর্য বলতে আমরা কি বুঝি?

ত্রি-মাত্রিক শিল্পকর্মকে ভাস্কর্য বলে। অর্থাৎ, জ্যামিতিশাস্ত্রের ঘণকের ন্যায় ভাস্কর্যকে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতা সহ ত্রি-মাত্রিক হতে হবে। ভারত, বাংলাদেশ এবং চীনের ন্যায় বিশ্বের সর্বত্র বিভিন্ন ধরনের, বহুমূখী আকৃতির ভাস্কর্য দেখতে পাওয়া যায়। রেনেসাঁ এবং আধুনিককালে এটি ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে। পুতুল, মুখোশ, মাটির জিনিসপত্র ভাস্কর্যের উদাহরণ।
স্থাপত্য বলতে কি বোঝায়?
স্থাপত্য হল দালান এবং অন্যান্য বাস্তব কাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা, নকশা এবং নির্মাণ প্রক্রিয়া ও কাজ। স্থাপত্য দালানের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে, যা সাংস্কৃতিক প্রতীক এবং শিল্পকর্ম হিসেবে অনুভূত হয়। ঐতিহাসিক সভ্যতা প্রায় স্থাপত্যগত অর্জনকে প্রকাশ করে থাকে।
বাংলাদেশের ভাস্কর্য ও স্থাপত্য
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ বলতে রাজনীতি, ধর্ম, দর্শন ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে গুরুত্ববহ স্থাপনাসমূহের একটি তালিকা বোঝানো হচ্ছে। এই গুরুত্ব যেমন এদের অবস্থিতি দ্বারা, তেমনি এদের ইতিহাস, প্রেক্ষাপট, ব্যবহারযোগ্যতা দ্বারা প্রমাণিত।
বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে বেশকিছু ভাস্কর্য ও স্থাপনা রয়েছে। এসকল ভাস্কর্য ও স্থাপনার ঐতিহাসিক তাৎপর্য, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়েই আমাদের এ স্মার্টবুকটি।
এবার তাহলে চলো কিছু কুইজ দিয়ে জেনে নেয়া যাক কতটা জানতে পারলে স্মার্টবুকটি পড়ে।

আশা করি, এই স্মার্ট বুকটি থেকে তোমরা ভাস্কর্য ও স্থাপনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছো। 10 Minute School এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য শুভকামনা রইলো।