অষ্টম শ্রেণি: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম

রাকিব তাঁর বাবা মার সাথে জাতীয় যাদুঘরে বেড়াতে গেলো। বেড়াতে গিয়ে সে পরিচিত হলো বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে। বাংলাদেশের ইতিহাস ছাড়াও সে আরো জানতে পারলো, কীভাবে এই ভূখন্ডটি জন্ম নিয়েছিলো, কী-ই বা আমাদের ইতিহাস। চলো বন্ধুরা, আমরাও এখন এগুলো নিয়ে বিস্তারিত জেনে আসি।

বাংলায় ইউরােপীয়দের আগমন ও ঔপনিবেশিক শাসনের পটভূমি

ঔপনিবেশিক শাসনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দখলদার শক্তি চিরস্থায়ীভাবে শাসন প্রতিষ্ঠা করতে আসে না। তারা জানে একদিন এই শাসনের পাট উঠিয়ে তাদের ফিরে যেতে হবে নিজ দেশে। তবে দখলদার শক্তি যতদিন শাসক হিসাবে থাকবে ততদিন সেই দেশের ধন-সম্পদ নিজ দেশে পাচার করবে। তারপর যখন তাদের শাসনের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে বা অন্য কোনাে কারণে অন্যের দেশ শাসন করা আর লাভজনক মনে হবে না তখন ফিরে যাবে নিজ দেশে।

পাশে swipe করে দেখে নাও ঔপনিবেশিক শাসনের বিস্তারিত ইতিহাস এবং কীভাবে ইউরোপীয়দের আগমন


বাংলায় ইউরােপীয়দের বাণিজ্য বিস্তার

চতুর্দশ শতক থেকে ইউরােপে যুগান্তকারী বাণিজ্য-বিপ্লবের সূচনা হয়। তখন একদিকে তাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা শক্তিশালী হতে শুরু করে। অন্যদিকে কাঁচামাল ও উৎপাদিত সামগ্রীর জন্যে বাজারের সন্ধানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। চলো বন্ধুরা, নিচের আমরা এটি নিয়ে আরো বিস্তারিত জেনে আসি।


বাংলায় ঔপনিবেশিক শক্তির বিজয়ের কারণ

নবাব আলিবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় নাতি সিরাজউদ্দৌলা মাত্র ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। এই সময় তাঁর সামনে একদিকে উদীয়মান ইংরেজ শক্তি ও হামলাকারী বর্গিদের সামলানাের কঠিন কাজ, পাশাপাশি বড় খালা ঘসেটি বেগম ও সিপাহসালার মীর জাফর আলী খানের মতাে ঘনিষ্ঠজনদের ষড়যন্ত্র মােকাবিলার কাজ। চলো নিচের জেনে আসা যাক ঔপনিবেশিক শক্তির বিজয়ের কারণগুলো-


ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শােষণ ও বৃটিশ শাসনের প্রভাব

পাশে swipe করে বিস্তারিত জেনে নাও ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব নিয়ে


ইংরেজ শাসকদের বিভিন্ন গৃহীত কাজগুলো ছিলো:


দিল্লিতে সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মােগল সাম্রাজ্যে বিভিন্ন সংকট দেখা দেয়। সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ছােটবড় নবাব ও দেশীয় রাজারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। এর ফলে দিল্লির মসনদও দুর্বল হয়ে পড়ে। এই সুযােগে কোম্পানির সেনাবাহিনী নানা দিকে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। ১৮৫৭ সালে কোম্পানি শাসনের প্রায় একশ বছর পরে ইংরেজ অধ্যুষিত ভারতের বিভিন্ন ব্যারাকে সিপাহিদের মধ্যে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় সিপাহি মঙ্গল পান্ডে ও হাবিলদার রজব আলী এ বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন। সিপাহিদের এই বিদ্রোহে ভারতবর্ষের অন্যান্য অঞ্চলের স্বাধীনচেতা শাসকরাও যােগ দেয়। আঁসির রানি লক্ষ্মীবাই, মহারাষ্ট্রের তাতিয়া টোপি এরকমই কয়েকজন।

আরো জানতে চলে যাও পরবর্তী পৃষ্ঠায়