জলবায়ু পরিবর্তন

পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে বায়ুমন্ডল। কোন স্থানের বায়ুমন্ডলের স্বল্পসময়ের তাপমাত্রা, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা এ অবস্থাগুলো হলো আবহাওয়া। আর কোন স্থানের অনেক বছরের সামগ্রিক আবহাওয়া হলো জলবায়ু। আবহাওয়া ও জলবায়ু আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। স্বাভাবিক আবহাওয়া ও জলবায়ুতে আমরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করি। কিন্তু বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

পৃথিবীর বায়ুমন্ডল

যে বায়বীয় অংশটি পৃথিবীর পৃষ্ঠকে ঘিরে রেখেছে সেটিই বায়ুমন্ডল। তোমরা জান যে, বায়ুমন্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে তৈরি। এছাড়াও জলীয় বাস্প, ধুলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং আরও কিছু গ্যাস বায়ুমন্ডলে রয়েছে। পৃথিবী সকল কিছুকে তার নিজের দিকে টানে। সেই টানের ফলে বায়ুমন্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমন্ডল ঘন হয়ে থাকে। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে তোমরা যত উপরের দিকে যাবে, বায়ুমন্ডলকে তত হালকা বা পাতলা পাবে। তাই তোমরা যদি পর্বতের চূড়ায় উঠতে চাও তবে শ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেন সাথে নিয়ে যেতে হবে। বায়ুমন্ডল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কয়েকশ কিলোমিটার পযর্ন্ত বিস্তৃত। বায়ুমন্ডলকে অনেকগুলো স্তরে ভাগ করা হয়। প্রথম চারটি স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার বা ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল ও তাপমন্ডল।

 

পরিবেশে পানি চক্র

একাদশ অধ্যায়ে তোমরা পানি চক্রের সমন্ধে জেনেছে ।পরিবেশে পানি চক্র পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধরো সমুদ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের পানি যদি বাষ্প না হয়ে ভূ-পৃষ্ঠেই থেকে যেত, তাহলে কী হতো? নিশ্চয়ই বৃষ্টি হতো না! নদীতে পানি থাকতো না। আমরা কী তাহলে ফসল ফলাতে পারতাম? বৃষ্টির পানিও পেতাম না, নদীর পানি থেকে সেচ দিতে পারতাম না। বৃষ্টি না হলে ভূ-গর্ভেও পানি থাকতো না। আবার পর্বতের চুড়ায় বা মেরু অঞ্চলে বরফ জমা না থেকে গলে গেলে কী হতো। সমুদ্রে পানির পরিমাণ বেড়ে যেত। তাতে সমুদ্রের কাছাকাছি নিচু এলাকা যেমন বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল সমুদ্রের পানিতে ডুবে যেত।

পানি চক্রের মাধ্যমে পরিবেশে পানির চাহিদা ও জোগানের মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। তোমরা লক্ষ করেছ যে, পানিচক্রের উপর সূর্যতাপের একটা বড় প্রভাব রয়েছে। কখনও পানিচক্রে ব্যাঘাত ঘটলে মানুষ ও অন্যান্য জীবের সমস্যা হয়ে থাকে। যেমন অতি বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে না পারলে বন্যা হয়। আমাদের দেশে বন্যা প্রায় প্রতিবছরই দেখা যায়। আবার পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পানি চক্রে  ব্যাঘাত ঘটে। এসম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ের পরবর্তী অংশে জানবো।

পরিবেশে কার্বন ও অক্সিজেনের ভারসাম্য

তোমরা জানো যে, জীব বায়ুমন্ডলে থেকে অক্সিজেন গ্রহন করে শ্বসনের কাজ চালায়। শ্বসন প্রক্রিয়া শেষে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। আবার উদ্ভিদ বায়ুমন্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে খাদ্য তৈরী করে এবং অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এভাবে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের পরিমাণে একটা ভারসাম্য বজায় থাকে। পরিবেশে বিশেষ করে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ দু’টি গ্যাসই জীবনের জন্য অতি আবশ্যক। বায়ুমন্ডলে এ দু’টি গ্যাসের ভারসাম্য বোঝার জন্য কার্বন চক্র বোঝা দরকার।

সকল জীবদেহ গঠনে কার্বন দরকার হয়। এ কার্বন আসে বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে। পানি ও বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে উদ্ভিদ সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ও গ্লুকোজ তৈরি করে। এই গ্লুকোজ উদ্ভিদদেহ তৈরি করে। প্রাণী উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করার মাধ্যমে কার্বন গ্রহণ করে।

উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহের কার্বন তিন ভাবে বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে। প্রথমত, উদ্ভিদ ও প্রাণী শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপাদন করার সময় বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমন্ডলে ছেড়ে দেয়।দ্বিতীয়ত, উদ্ভিদও প্রাণীদেহকে পুড়লে তাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বায়ুমন্ডলে মেশে। তৃতীয়ত, উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহ মাটিতে পচবার সময় ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুতে ছেড়ে দেয়।

তাহলে দেখা গেল, বায়ুমন্ডল থেকে উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে গ্লুকোজ তৈরীর মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে কার্বন সঞ্চয় করে। উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহের কাবর্ন তিন ভাবে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে ফিরে আসে। এভাবে পরিবেশে কার্বনের অর্থাৎ কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।পরিবেশের এ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ফলে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে । এ সম্পর্কে এ অধ্যায়েই আমরা জানব ।

 আবহাওয়া ও জলবায়ু

আগামীকাল দুপুরের পর ঢাকার আশে পাশের এলাকায় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।দিনের বেশীর ভাগ সময় আকাশ থাকবে মেঘমুক্ত, তবে বিকেলের দিকে উত্তর-পূর্ব কোণে কালো মেঘ জমতে পারে। আজ ঢাকার বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬০ শতাংশ। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কুষ্টিয়ায় এবং সর্বনিম্নতাপমাত্রা ছিল ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তোমরা কী রেডিও বা টেলিভিশনে খবরের শেষে এরকম খবর শুনতে পাও? এটি কিসের খবর? আমরা কী জানতে পাই এ ধরণের খবর থেকে? আগামীকাল ঝড় বা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কি না? আমরা কি জানতে পাই কাল কেমন গরম বা শীত থাকবে? হ্যাঁ, সাধারণত খবরের শেষ দিকে থাকে বৃষ্টি বা ঝড় হতে পারে কি না, তাপমাত্রা কেমন থাকবে। অথবা থাকে কোথায় কতটুকু বৃষ্টি হয়েছে বা দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত ছিল। এ খবর আবহাওয়ার খবর। আবহাওয়ার খবর থেকে কি বোঝা যায় আবহাওয়া কী?

 

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান মূলত একই। বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা (জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক পরিমাণ), বৃষ্টিপাত এগুলো আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান। উপাদানসমুহ একই হলে আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য কী? ইতোমধ্যে আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে সম্পর্কের কথা জেনেছো। জলবায়ু মূলতঃ কোন স্থানের আবহাওয়ার দীর্ঘ দিনের গড় অবস্থা বা ফল। সবই দেখা যাক আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য কী?

১। কোন স্থানের বায়ুমন্ডলের স্বল্পকালীন অবস্থাই আবহাওয়া। আর কোন স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাই জলবায়ু।

২। কোন স্থানের আবহাওয়া অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু কোন স্থানের জলবায়ু সহসা পরিবর্তন হয় না। পরিবর্তন হলে সেটা হতে অনেক বছর লেগে যায়।

৩। কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে। যেমন কোন নির্দিষ্ট দিনে ফরিদপুরে বৃষ্টি হতে পারে কিন্তু বরিশালে বৃষ্টি নাও হতে পারে। কিন্তু কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম। যেমন,বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু একই রকম।

 

 আবহাওয়ার পরিবর্তন

কোন একদিন সকালে হয়তো ঘুম থেকে উঠে দেখলে যে বাইরে উজ্জ্বল রোদ, তবে ততটা গরম লাগছে না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গরম বাড়তে লাগলো, গায়ে ঘাম হতে শুরু করলো। আকাশে ধীরে ধীরে মেঘ জমতে শুরু করলো এবং এক সময় কালো মেঘে সূর্যটি ঢেকে গেল। একটু পরে মুসলধারে বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টি শেষে আকাশ আবার পরিস্কার হলো এবং গরমটা কমে এলো। একটু চিন্তা করোতো আবহাওয়া কতটা পরিবর্তন হলো এক দিনেই।আবহাওয়া পরিবর্তন অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। মূলত আবহাওয়া পরির্বতনের মূল ভূমিকা আসলে সূর্য তাপের। আমরা এখন দেখবো সূর্যতাপ আবহাওয়ার উপাদানসমূহ পরিবর্তনে কীভাবে ভূমিকা রাখে।

আওহাওয়া পরিবরতনের বিষয়টা আরও ভালো ভাবে বুঝে নিতে ভিডিওটি দেখে নাও! 

 

 জলবায়ুর পরিবর্তন

ইতোমধ্যেই জেনেছো যে, জলবায়ু হলো কোন স্থানের বহুদিনের আবহাওয়ার গড় বা সামগ্রিক অবস্থা। বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র , বিশ বা ত্রিশ বছর ধরে বাংলাদেশের সামগ্রিক আবহাওয়া অর্থাৎ জলবায়ু একই রকম। কোন স্থানের জলবায়ু সহসা পরিবর্তন হয় না। তবে বিজ্ঞানীরা পরিমাপ করে দেখতে পেয়েছেন যে, পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা এভাবে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global warming) বলে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পর্বতের চুড়ার ও মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বেড়ে সমুদ্রের পানি প্রসারিত হচ্ছে। ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া  তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে স্বরূপ সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়তে থাকবে। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের উপকুলীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যাবে। এছাড়া তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বিরূপ আবহাওয়া যেমন খরা, অতিবৃষ্টি এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগ বেশি বেশি ঘটতে দেখা যাবে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি। এ অধ্যায়েই তোমরা জেনেছ যে,কার্বন ও অক্সিজেন চক্রাকারে ফিরে আসে বলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের ভারসাম্য বজায় থাকে। কিন্তু ইউরোপে শিল্পবিপ্লবের পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে শিল্পোন্নত দেশগুলোতে কলকারখানা ও যানবাহনে কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানো হচ্ছে। এসব জ্বালানি পোড়ানো থেকে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড কোনভাবে ব্যয় বা শোষিত হচ্ছে না। বরং মানুষ বাড়ার ফলে বিভিন্ন কারণে গাছপালা কমে যাচ্ছে। ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে গেলে কেন তাপমাত্রা বাড়ছে?

 

জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে কী করণীয়?

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের পরিমান বৃদ্ধি। তাহলে কীভাবে আমরা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আর জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে পারি। সহজ উত্তর হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ কমানো। অথবা কোনভাবে এদেরকে বায়ুমন্ডল থেকে সরিয়ে নেওয়া। মিথেন গ্যাসকে বায়ুমন্ডল থেকে সরানো যায় না। এর উৎপাদন বা নিঃসরণও বন্ধ করা কঠিন কারণ এটি উৎপাদিত হয় কৃষিকাজ থেকে। বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকবেলায় প্রধান সুপারিশ হলো কাবর্ন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো। কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানো কমিয়ে তার বদলে নবায়ন যোগ্য জ্বালানী (যেমন, সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ ইত্যাদি) ব্যবহার করলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নিঃসরণ কমে। বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড কমানোর জন্য আরেকটি উপায়ের কথা বলা হয়। তা হলো বেশি করে গাছ লাগানো। কারণ গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে খাদ্য তৈরি করে। ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড কমে আসে।

চলো এবার ঝটপট এই সহজ কুইজটি দিয়ে আসা যাক! 

 

স্মার্টবুকটি তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলো না কিন্তু!