শব্দের শ্রেণিবিভাগ

মুমুর বাংলা ভাষার প্রতি অনেক আগ্রহ। বিশেষ করে বাংলা ভাষার বিশাল শব্দ ভান্ডারের ব্যাপকতা নিয়ে তার বেশ জানার আগ্রহ রয়েছে। সে তার বাবার কাছে শব্দভাণ্ডার সম্পর্কে জানতে চাইলো। তার বাবা তখন তাকে বললো, ” ঠিক আছে, আমি তোমাকে শব্দভাণ্ডার সম্পর্কে অনেকগুলো তথ্য জানাবো। শুরু করি তাহলে। ”

শব্দ ভান্ডার সম্পর্কে জানার আগে তোমাকে জানতে হবে শব্দ আসলে কী! এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলিত হয়ে যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। যেমন- ” আম ” একটি শব্দ যেটি উচ্চারণের সাথে সাথে আমরা একটি ফলের কথা ভাবতে পারি।

বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ। এর শব্দসংখ্যা কম নয়। যে শব্দভান্ডার সৃষ্টি হয়েছে তা বহুদিনের গড়ে ওঠা দেশি-বিদেশি শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত। বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষাভাষীর মানুষের বাস বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। লক্ষাধিক শব্দসমূহকে মোটামুটি তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- গঠন অনুসারে শব্দ, অর্থ অনুসারে ও উৎপত্তি অনুসারে। বৃহত্তর এই শব্দভাণ্ডার সম্পর্কে জেনে নেই এবার।

গঠন অনুসারে শব্দ

গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার। যথা- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।

ড্রপডাউনে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত

অর্থ অনুসারে শব্দ

অর্থ অনুসারে শব্দ তিন প্রকার। যথা- যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ ও যোগরূঢ় শব্দ।

ড্রপডাউনে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত


উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ

উৎপত্তি অনুসারে শব্দ সমূহকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- তৎসম শব্দ, অর্ধ তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, দেশি শব্দ ও বিদেশি শব্দ।

ড্রপডাউনে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত

এবার দেখে নাও কতটুকু শিখলে


এতক্ষণে মুমু ও তার বাবার কথোপকথনের মাধ্যমে তোমরাও শব্দের শ্রেণিবিভাগ শিখে গেছো, তাই না? স্মার্টবুকটি শেয়ার করে দাও তোমার বন্ধুদের মাঝেও।