জীবপ্রযুক্তি

স্কুলের বইয়ে জাহিন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে পড়ার সময়, তাঁর বন্ধু রিফাত তাঁকে বললো, “জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর এই বিষয়গুলো কিন্তু জীবপ্রযুক্তির অংশ।” তখন জাহিন বললো, “ জীবপ্রযুক্তি? সেটা আবার কী?”

ছোট্ট করে জেনে নেই জীবপ্রযুক্তির ইতিহাস


জাহিন তখন তার বন্ধুকে জীব প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। সে আরো বললো, এর অনেকগুলো শাখা রয়েছে যা ব্যবহার করে মানুষের জীবনযাপন প্রতিনিয়ত বেশ সহজ হয়ে উঠছে। যেমন, রয়েছে টিস্যু কালচার, জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং, জীন ক্লোনিং সহ আরো অনেক কিছু।

“আচ্ছা, এই টিস্যুকে আবার কালচার করা হয় কীভাবে? “জানতে চাইলো রিফাত। তখন জাহিন ওকে বললো, “আরে বোতলে বা টেস্টটিউবে কোষগুচ্ছ থেকে অনেকগুলো চারা একসাথে তৈরি করতে দেখেছো না? ওটা টিস্যু কালচার করেই করা হয়।”

টিস্যু কালচার

(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত

এবার নিচের সত্য মিথ্যাগুলো যাচাই করে নাও


আচ্ছা, টিস্যু কালচার নিয়ে তো অনেক জানলাম। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়েও কিছু জানাও আমাকে।

তাহলে বলি শোনো। তুমি নিশ্চয়ই ইনসুলিনের নাম শুনেছো? “হ্যাঁ শুনেছি, আমার কাকাকে তো প্রায়ই দেখি ইনসুলিন নিতে।” বললো রিফাত। তখন জাহিন বললো, “এই ইনসুলিন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমেই তৈরি করা হয়।”

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং জীবপ্রযুক্তির চমৎকার একটি শাখা যার সাহায্যে উদ্ভিদ থেকে প্রাণিতে DNA অণুর কাঙ্খিত অংশ স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। আচ্ছা, এই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টা বুঝতে হলে তোমাকে কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে।

ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ধাপ

(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


নিচের সত্য/ মিথ্যার সঠিক উত্তর দিয়ে দেখো তো কতটুকু বুঝলে!


জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বহুবিধ ব্যবহার


কুইজগুলো দিয়ে ঝালাই করে ফেলো নিজেকে


আর এভাবেই জাহিন জীবপ্রযুক্তি নিয়ে রিফাতকে বেশ ভালো একটা ধারণা দিলো। আশা করি তোমরাও জীবপ্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো কিছু ধারণা পেয়েছো। স্মার্টবুকটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করে জহিনের মতো তুমিও জানিয়ে দাও তোমার বন্ধুদের।