রসায়ন ও শক্তি

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া ও বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া দুই ধরনের হয়। যথা- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ও নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


নিউক্লিয়ার ফিশন ও ফিউশন উভয়ই হলো এক ধরনের চেইন বিক্রিয়া। কেননা এই বিক্রিয়াগুলো একবার শুরু হলে তা চালাবার জন্যে অন্য কোন অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয় না। নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা যথেষ্ট জটিল এবং এই বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন

বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারমানবিক চুল্লি ব্যবহার করা হয়। পারমানবিক চুল্লির সাহায্যে প্রচুর শক্তি উৎপাদন করা যায়। পারমানবিক চুল্লির ভিতরে ফিশন বিক্রিয়ার ফলে যে সকল ক্ষুদ্র মৌল তৈরি হয় সেগুলো উচ্চ গতিসম্পন্ন হয়। এই উচ্চ গতি সম্পন্ন ক্ষুদ্র মৌলগুলো চুল্লির ভিতরে একে অন্যের সাথে এবং দেয়ালে প্রচন্ড জোড়ে আঘাত করে ও প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। এই তাপ চুল্লি থেকে বের করে নিয়ে এসে সেই তাপ বাষ্প উৎপাদন প্রকোষ্ঠে চালনা করা হয়। এই তাপ দিয়ে বাষ্প উৎপাদন করা হয়। এখন ঐ বাষ্পের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইন চালনা করা হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।


এবার যাচাই করে নাও নিজেকে!


চয়নের বাবার সাহায্যে চয়নের মত তোমরা আশা করি এতক্ষণে রসায়ন ও শক্তির অধ্যায়টি সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা পেয়েছ। পাশাপাশি রসায়ন ও শক্তির মধ্যে সম্পর্কগুলো নিরুপন করতে পেরেছো। স্মার্টবুকটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করবে কিন্তু অবশ্যই।