পরিমিতি (Mensuration)

পৃথিবী কোন আকৃতির? তুমি যেই কলম দিয়ে লেখো সেটা কোন আকৃতির? তোমার হাতে যেই মোবাইল আছে এটার স্ক্রিনটা কোন আকৃতির? তুমি মনে মনে এমন প্রশ্ন কী করেছো কখনো? যদি কখনও করে থাকো তাহলে এগুলোর উত্তর একটু চিন্তা করলেই পাওয়া যাবে! তোমার মোবাইলের স্ক্রিন আয়তাকার, পৃথিবী গোলাকার! তোমরা যেই কাগজে বিভিন্ন কিছু লিখো সেটাও আয়তাকার।

এমন আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেসব বস্তু দেখি সবকিছুরই কোন না কোন নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি আছে। এগুলোর মাপজোখ নিয়ে বিভিন্ন বিষয় হচ্ছে পরিমিতির উদ্দেশ্য।

পরিমিতি দ্বিমাত্রিক এবং ত্রিমাত্রিক উভয় প্রকার বস্তুর মাপ ঝোঁক নিয়ে আলোচনা করলেও আমরা শুধুমাত্র দ্বিমাত্রিক বস্তু নিয়ে আলোচনা করবো কারণ ত্রিমাত্রিক বস্তুর বিষয়গুলো তোমরা উচ্চতর গণিতে পড়বা!

এই অধ্যায় পাঠের অন্যতম উদ্দেশ্য হল, বিভিন্ন দ্বিমাত্রিক বস্তুর ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা। ক্ষেত্রফলের মাধ্যমে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে কোন দ্বিমাত্রিক বস্তু কতটুক জায়গা দখল করে!

এখানে তোমাদের একটা ছবিতে দ্বিমাত্রিক আর ত্রিমাত্রিক বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ দেখানো হল যেন তোমরা সহজেই এদের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারো!

ক্ষেত্রফল

যেকোন দ্বিমাত্রিক বস্তুর ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা যায়। ক্ষেত্রফল বলতে সহজে বোঝায় কোন দ্বিমাত্রিক বস্তু কতটুক জায়গা জুড়ে থাকে তার পরিমাপ। ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কতগুলো আকৃতি আছে যেগুলোর ক্ষেত্রফল কয়েকটি নির্দিষ্ট সূত্রের সাহায্যে সহজেই নির্ণয় করা যায়। যেমন ত্রিভুজের, বৃত্তের, আয়তক্ষেত্র, বর্গের ইত্যাদির।

তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আসলেই কোনো পদ্ধতি আছে যার সাহায্যে সহজেই সবকিছুর ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা যায়? উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ! তোমাদের প্রিয় আয়মান ভাইয়ার এই ভিডিওটি দেখে আসো!

তাহলে তোমরা কী বুঝলে? ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার সূত্র একটাই!

এই সূত্রের সাহায্যে আমরা বিভিন্ন রকম জ্যামিতিক আকৃতির ক্ষেত্রফল নির্ণয় করবো যা আমাদের এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য!

 

পরিসীমা ও কর্ণ!